Tuesday, January 28, 2025

125>|| গঙ্গাসাগর ||

       125>|| গঙ্গাসাগর ||

সব তীর্থ বারবার গঙ্গাসাগর একবার কথাটা প্রচলিত থাকলেও বর্তমানে এই গঙ্গাসাগর সারা বছরের পর্যটন কেন্দ্র || 


1.>কিভাবে_আসবেন:---

Gangasagar, কম খরচে।

Sealdah south--->07:15 নামখানা local,---->নামখানা---->অটোতে ₹20/

ফেরিঘাট::--->এখন থেকে লঞ্চে ₹60/ -30 km -->গঙ্গাসাগর মেলা।

"=======================

 ট্রেনে করে আসলে শিয়ালদহ (সাউথ সেকশন)থেকে নামখানা লোকাল করে চলে আসুন কাকদ্বীপ স্টেশন || 

সেখান থেকে অটো / টোটো করে চলে আসুন লট নম্বর ৮ ফেরিঘাট এরপর লঞ্চে করে আসুন কচুবেরিয়া ফেরিঘাট || এখান থেকে বাস / ম্যাজিক গাড়ি / অটো ইত্যাদি পেয়ে যাবেন গঙ্গাসাগর আসার জন্য || 


এছাড়া বাসে করে ধর্মতলা থেকে ডাইরেক্ট চলে আসুন কাকদ্বীপ ,, সেখান থেকে একইভাবে গঙ্গাসাগর ||


2.>মন্দিরের_সময়সূচী::---

সকাল 5.40 থেকে সন্ধ্যা 7:00 পর্যন্ত খোলা থাকে ||  তবে 

সকাল 10:00 থেকে 10:30 বন্ধ হয় 

বিকেলে 3:00 থেকে 4:00 টে বন্ধ হয় || 

★★ সকাল 5:40 হয় ভোর আরতি 

★★সন্ধ্যা - 7.00 সন্ধ্যা আরতি হয় || 


◆ পুজোর ডালা কেনার জন্য এখানে বিভিন্ন কাউন্টার রয়েছে ওখান থেকে পুজোর ডালা কিনে আপনারা নিজে মন্দিরের সামনে গিয়ে পুজো দিতে পারবেন || 


এখানে কোন কাছাকাছি কোনো ATM নেই তাই টাকা নিয়ে যাবেন 


প্রতিবছর মকর সংক্রান্তির দিন কয়েক লক্ষ যাত্রী এই গঙ্গা ও বঙ্গোপসাগরের সঙ্গমে পবিত্র ডুব দেন আর তখনই হয় বিশ্ব বিখ্যাত গঙ্গাসাগর মেলা || 

========================



Tuesday, January 21, 2025

124>বারবিল, কেওনঝড়।,(লিখতে হবে)

  124>বারবিল, কেওনঝড়।,(লিখতে হবে)


উড়িষ্যার বারবিল, কেওনঝড়।,( 3দিন)


বারবিলে অনাবিল সবুজের আনন্দ:;--


বারবিল স্টেশনে নেমে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে গিয়েছিলাম কেওনঝড়। কেওনঝড় শহরে থাকার জন্য অনেক হোটেল, হোমস্টে দুটোই আছে।


 দুই দিনের ভ্রমন কেওনঝড়; বর্ষায় মন কেড়ে নেয় সবুজে।

   

 পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা ছোট্ট পাহাড়ি শহর হল এই কেওনঝড়। মাত্র দু'দিনে এই মালভূমির মাঝে অনুভব করলাম মুক্তির স্বাদ।


দক্ষিণবঙ্গে সেই অর্থে বর্ষা দেখা না দিলেও এই মরশুমে একটা ছোট গেট-টুগেদারের প্ল্যান করতে পারেন। বৃষ্টির দিনে ঘুরে আসতে পারেন ওড়িশার কেওনঝড় থেকে। পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা ছোট্ট পাহাড়ি শহর হল এই কেওনঝড়। মাত্র দু’দিনের ছুটিতেই আপনি এই মালভূমির মাঝে খুঁজে নিতে পারেন মুক্তির স্বাদ।


এই শহরে বাস সাঁওতাল, মুন্ডা, ওঁরাও সহ বিভিন্ন জনজাতির। কেওনঝড়কে ঘিরে রয়েছে সবুজ জঙ্গল। এর মাঝে রয়েছে একাধিক জলপ্রপাত। এগুলোই এই পাহাড়ির শহরের পর্যটন কেন্দ্রে নাম লিখিয়েছে। শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে সানঘাঘরা। এটাও একটি জলপ্রপাত। ১০০ ফুট উচ্চতা থেকে জলধারা গড়িয়ে পড়ছে নীচে। এখান থেকে ১০ কিলোমিটার গেলেই পৌঁছে যাবেন বড়োঘাঘরা। এই জলপ্রপাতটি ২০০ ফুট উচ্চতা থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ছে নীচের দিকে। এই জলপ্রপাতগুলো এই শহরের পানীয় জলের প্রধান উৎস। পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা এই জলপ্রপাতের ধারে স্থানীয়রা মেতে ওঠে 

প্রকৃতির শোভায় নিজেদের মিশিয়ে দেয়

মন প্রাণ দিয়ে প্রকৃতির সাথে।


কেনওঝড় শহরের মধ্যেই রয়েছে একটি জগন্নাথের মন্দির। খুব সুন্দর এই মন্দির।

তবে শহর থেকে 30 কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে গোনাশিকা পাহাড়ের গুপ্তগঙ্গায় বৈতরণির উৎস। এই উৎসস্থলের আকারটা অনেকটা গরুর নাকের মতো। এই গোনাশিকা পাহাড়ের বুক চিড়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে বৈতরণি জলপ্রপাত। এটাও একটি সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র। কেওনঝড় থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে গন্ধমাদন পর্বত।


তৃতীয় দিন রওনা দিলাম ঘাটগাঁওয়ের উদ্দেশ্যে। কেওনঝর থেকে মাত্র 50 কিমি দূরে ঘাটগাঁওয়।


ঘাটগাঁওয়ের পথে কানঝরি, সীতাবিঞ্জি, সীতাবিঞ্জিতে প্রাচীন লিপি এবং ফ্রেসকো পেন্টিং দেখার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও ঘাটগাঁওয়ের বিখ্যাত "মা তারিণী দেবীর" মন্দির রয়েছে। 

এখান থেকে কাছেই আছে গুঁড়িচাঘাঘি জলপ্রপাত। কেওনঝড় থেকে ভীমকুণ্ড আর খণ্ডধারা জলপ্রপাত, মুর্গামহাদেব, হাঁড়িভাঙা, খিচিং এই জায়গাগুলোও 

সুন্দর চারিদিকে সবুজের সমারহ।




 বৃষ্টির দিনে রোড ট্রিপের প্ল্যান? কাছেই রয়েছে নদী-পাহাড়-অরণ্যে ঘেরা বাংরিপোশি

পুরীগামী ট্রেনে চেপে খুরদা রোড স্টেশন নামতে হবে। এখান থেকে কেওনঝড়ের ট্রেন পেয়ে যাবেন। কেওনঝড় স্টেশন থেকে বাসে চেপে পৌঁছে যান কেওনঝড় শহরে। দূরত্ব ১১২ কিলোমিটার। এছাড়াও বারবিল স্টেশনে নেমে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছে যেতে পারেন কেওনঝড়। কেওনঝড় শহরে থাকার জন্য হোটেল, হোমস্টে দুটোই পেয়ে যাবেন।



Wednesday, January 8, 2025

123>ভ্রমন--রামসেতু তামিলনাড়ু (ধনুষ্কোড়ি)::---

 

123>ভ্রমন--রামসেতু তামিলনাড়ু (ধনুষ্কোড়ি)::---

ধনুষ্কোড়ি তামিলনাড়ু::---
ডাকনাম: রামসেতু।
ধনুষ্কোড়ি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের পাম্বন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে একটি পরিত্যক্ত শহর ।
এটি পাম্বনের দক্ষিণ-পূর্ব এবং প্রায় 24 কিলোমিটার (15 মাইল প্রায়) শ্রীলঙ্কার তালাইমান্নারের পশ্চিমে। শহরটি 
1964 সালের রামেশ্বরম ঘূর্ণিঝড়ের সময় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল এবং পরে জনবসতিহীন রয়ে গেছে। আজ ধনুষ্কোটিতে দিনের বেলায় শুধুমাত্র কিছু বিক্রেতা এবং রেস্তোরাঁ দেখা যায় এবং দীর্ঘ ধ্বংস হওয়া শহরের ধ্বংসাবশেষ আছে।
স্থানাঙ্ক: 9.152011° N
            79.445851° E
তামিলনাড়ু  জেলা  রামনাথপুরম
ধ্বংসপ্রাপ্ত.
উচ্চতা =০ মিটার (০ ফুট)
টেলিফোন কোড:--+০৪৫৬৭

★ বলাহয় ভারতের শেষ রাস্তা ধনুষ্কোড়ি
তামিলনাড়ুর রামেশ্বরম দ্বীপের এক প্রান্তে অবস্থিত একটি সুন্দর এবং ঐতিহাসিক স্থান। এটি একদিকে বঙ্গোপসাগর এবং অন্যদিকে ভারত মহাসাগরের মিলনস্থল। ধানুশকোডি শুধুমাত্র তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং এর ঐতিহাসিক এবং ভৌগোলিক গুরুত্বের জন্যও বিখ্যাত।

★ভৌগোলিক অবস্থান ও সৌন্দর্য:-
ধনুষ্কোড়ি ভারতীয় উপমহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমায় অবস্থিত। এখানকার রাস্তা সমুদ্রের ঠিক ধারে শেষ হয়েছে, যেখানে দাঁড়িয়ে  দুই মহাসাগরের মিলন দেখাযায়। সমুদ্রের নীল জলরাশি, বালুকাবেলার সৌন্দর্য এবং নির্জন পরিবেশ এই স্থানকে প্রকৃতির অপূর্ব সৃষ্টি করে তুলেছে।

★ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক গুরুত্ব:-
স্থানীয় পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী,
ধনুষ্কোড়ি রামায়ণের সাথে জড়িত। বলা হয়, ভগবান রামের নেতৃত্বে হনুমান এবং বানরসেনারা এখান থেকে লঙ্কা পর্যন্ত 'রামসেতু' নির্মাণ করেছিলেন। ‘ধানুষ’ শব্দের অর্থ ধনুক, আর 'কোডি' অর্থ শেষ। এটি সেই স্থান যেখানে ভগবান রাম তাঁর ধনুকের দ্বারা সেতুর শেষ প্রান্ত চিহ্নিত করেছিলেন।

★1964 সালের প্রাকৃতিক বিপর্যয়:-
ধনুষ্কোড়ির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হল 1964ত সালের ঘূর্ণিঝড়। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের ফলে পুরো ধানুশকোডি শহর ধ্বংস হয়ে যায়। শহরটি পরিত্যক্ত হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে এটি একটি ভূতুড়ে শহরে পরিণত হয়। যদিও আজ এখানে পর্যটকদের জন্য কিছু অংশ পুনর্গঠিত হয়েছে, তবে শহরের ধ্বংসাবশেষ এখনও অতীতের স্মৃতি বহন করে।

★পর্যটনের গুরুত্ব:-
ধনুষ্কোড়ি এখন পর্যটকদের একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। এখানকার দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে রয়েছে ধনুষ্কোড়ি বিচ, পুরোনো চার্চের ধ্বংসাবশেষ, এবং 
ধনুষ্কোড়ি রেলওয়ে স্টেশন। এছাড়াও, এখান থেকে রামসেতুর দিকে তাকিয়ে দেখা যায় সমুদ্রের নিচে অবস্থিত সেই প্রাচীন সেতুর চিহ্ন।

★ধনুষ্কোড়িতে পৌঁছোবার পথনির্দেশ :-
রামেশ্বরম থেকে  ধনুষ্কোড়ি পৌঁছানোর জন্য সড়কপথ ব্যবহার করতে হয়।
ধনুষ্কোড়ি থেকে কিছুটা দূরেই রাস্তার শেষ প্রান্তটি রয়েছে, যা ভারতীয় ভূখণ্ডের শেষ প্রান্ত হিসেবে চিহ্নিত।

★ধনুষ্কোড়ি ভারতের ভৌগোলিক এবং ঐতিহাসিক এক মহামূল্যবান স্থান। প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্যাবলী এবং পৌরাণিক কাহিনীর নিদর্শন  পর্যটকের মনে গভীর ছাপ ফেলে।
এটি ভারতের শেষ রাস্তা নয়,
এটি এক  অভিজ্ঞতার নিদর্শন।
=========================