100>পানিহাটি ভ্রমন
100/1>পানিহাটি দণ্ডমহোৎসব ২০২৩-
100/2>★★পানিহাটি দণ্ড মহোৎসবতলা ও চৈতন্য ঘাট
100/3>★★হলদে কালীবাড়ি পানিহাটি-------
100/4>★★রাঘব ভবন পানিহাটি (পাটবাড়ি)
100/5>★★পানিহাটি বড় হরিসভা অঙ্গন
100/6>★★শ্রীশ্রী নিত্যানন্দ হরিসভা
100/7>★★মনি মাধব সেনের ঠাকুর বাড়ি
100/8>★★গৌর নিতাই মন্দির ( ইসকন মন্দির )
100/9>★★অমৃত তীর্থ পানিহাটি
100/10>★★অমূল্য ধন রায় ভট্টের নিবাস (শ্রী রাধারমণ কুঞ্জ) ও শ্রী গৌরাঙ্গ গ্রন্থ মন্দির
100/11>★★শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির
100/12>★★ শ্রী কৈবল্য মঠ
100/13>★★সৎসঙ্গ - শ্রী শ্রী অনুকূল ঠাকুরের আশ্রম
100/14>★★পানিহাটি ত্রাননাথ কালী মন্দির
15>আনন্দময়ী মা'র আশ্রম:-
============================€
পানিহাটি মন্দির সমূহ::
100/1>পানিহাটি দণ্ডমহোৎসব ২০২৩
শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রী মন্দির পানিহাটি
শ্রীশ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীমন্দির পানিহাটি আনুমানিক ২০০ বছর পূর্বে এই মন্দির প্রতিষ্ঠিত হইয়া ছিল।পানিহাটির মধ্যে শুধুমাত্র এই মন্দিরে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ষড়ভূজরুপে বিরাজ করছেন।মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত ষড়ভূজ মূর্তির প্রথম দুই হস্তে ধনুর্বাণ, ক্রেতাযুগের প্রভু রামচন্দের প্রতীক, মাঝে দুই হস্তে দ্বাপরের শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেবের দণ্ড (করঙ্গ) ও কমন্ডুলু।শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যদেব তাঁর প্রিয় ভক্ত পণ্ডিত সার্বভৌমের নিকট তাঁর ষড়ভূজরুপ প্রকাশ করেছিলেন।গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু এবং নিত্যানন্দ প্রভুর ডান পাশের সিংহাসনে জগন্নাথ-সুভদ্রা-বলরাম প্রতিষ্ঠিত আছেন।আর মহাপ্রভুর বামপাশে আরেকটি সিংহাসনে শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণের বেশ বড় চিত্রপট এবং তার সামনে রাধাকৃষ্ণের যুগল মুরতি।সিংহাসনের নীচের দিকে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর চরণ চিহ্ন স্মৃতি ফলকে সযত্নে রক্ষিত আছেন।
==================
100/2>★★পানিহাটি দণ্ড মহোৎসবতলা ও চৈতন্য ঘাট
মহাপ্রয়ানের কয়েক বৎসর পূর্বে মহাত্মা গান্ধী যখন সোদপুর খাদি আশ্রমে বসবাস করিতেছিলেন, সে সময় ব্যারিষ্টার ও কবি সুরেশচন্দ্র বিশ্বাস মহাশয় গান্ধীজীর উদ্দেশ্যে একটি কবিতা লিখিয়াছিলেন। তিনি গান্ধীজীকে অরো লিখিয়াছিলেন যে, সোদপুর হইতে অতি নিকটে পানিহাটিতে গঙ্গাতীরে এক তীর্থস্থান আছে। প্রায় পাঁচশত বৎসর পূর্বে পতিতপাবন শ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভু সতথানে আসিয়া একদিন রাঘব পন্ডিতের গৃহে অতিথি হইয়াছিলেন। গান্ধীজী যেন ঐ তীর্থস্থান একবার দর্শন করেন।
========================
100/3>★★হলদে কালীবাড়ি পানিহাটি
স্বর্গীয় ঈশ্বর ঈশান চক্রবর্তীর কন্যা ও জামাতা তৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায় এই হলদে কালীবাড়ি প্রতিষ্ঠা করেন।আনুমানিক ইংরাজির ১৬৯৪ সাল ও বাংলার ১১০১ সালে এই হলদে কালীবাড়ি প্রতিষ্ঠিত হইয়া ছিল।কাশীধাম থেকে তৈরি করে নিয়ে আসা কষ্টিপাথরের মূর্তি যিনি মা আনন্দময়ী রূপে বিদ্যমান রয়েছেন।আগে এই কালীবাড়ির নাম "হলুদ কালিবাড়ী" রাখা হয়েছিল এটি পরে লোকমুখে হলদে কালিবাড়ী হয়।কথিত আছে তখনকার সময়ে এই কালীবাড়ি থেকে হলুদ না গেলে এ তল্লাটে কোনও বাড়ীতে গাত্রহরিদ্রা হইবেনা বা বিবাহ হইবেনা এই রীতি ছিল। সেই থেকে এই কালীবাড়ি "হলদে কালিবাড়ি" নামে সকলের কাছে পরিচিত। এখন এই মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণ করছেন এই পরিবারের বংশধর শ্রী দেবব্রত চক্রবর্তী ।
===================
100/4>★★রাঘব ভবন পানিহাটি (পাটবাড়ি)
পানিহাটির পুণ্য ভূমিতে অবস্থিত রাঘব ভবন সেখানে প্রথমে বসতি স্থাপন করেন রাঘব পণ্ডিতের পিতামহ পরম শ্রদ্ধেয় পণ্ডিত গঙ্গানারায়ণ ।
রাঘব ভবনে মন্দিরের সামনে একটি সুন্দর নাট-মন্দির আছে। এই নাট মন্দির সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে রাঘব পণ্ডিতের সমাধি।
এখানেই ছিল সর্বকালের শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত রাঘব পণ্ডিতের টোল , তাঁর সাধন ক্ষেত্র । তাঁরই আকুল প্রার্থনায় মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেব এই গৃহে পদার্পণ করেছিলেন।
°===================
100/5>★★পানিহাটি বড় হরিসভা অঙ্গন
টি.এন.ব্যানার্জি রোডের উপর অবস্থিত এটি মকরধ্বজ করের বাস্তুভিটা। এই ভিটা এখন " পানিহাটি বড় হরিসভা অঙ্গন" নামে সকলের কাছে পরিচিত।
এই হরিসভা অঙ্গনে রাস্তার সামনে পাশাপাশি দুটি স্মৃতি ফলক আছে। একটি ঠাকুর সরোজ কুমারের ও আরেকটি শ্রীল নরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এর।
ঠাকুর সরোজ কুমারের সঙ্গে শ্রীল নরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যাইয়ের সম্পর্ক হল গুরু শিষ্যের ।
বড় হরি সভা অঙ্গনের মকরধ্বজ কর ছাড়া পানিহাটিতে মোহন ঠাকুর নামে আরেকজন গৌরভক্ত ছিলেন।
========================
100/6>★★শ্রীশ্রী নিত্যানন্দ হরিসভা
রাজা রামচাঁদ ঘাট রোডের এক পাশে শ্রদ্ধেয় শ্রী হরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছে এই হরিসভা অবস্থিত । এই হরিসভা অঙ্গনে সেই প্রাচীন বটগাছটি আজও স্বমহিমায় বিদ্যমান এবং অঙ্গন চত্বরে একটি ছোট স্মৃতিসৌধ আছে।
নিত্যানন্দ হরিসভা চত্তরের ভিতরে বাঁদিকে সিদ্ধ মহাত্মা চাঁদ দালালের
স্মৃতিপীঠ । তিনি একজন সিদ্ধপুরুষ এবং অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।
লোকমুখে কথিত আছে , তিনি শ্রীপাট পানিহাটিতে বসেই শ্রীধাম বৃন্দাবনের ঘটনা বলে দিতে পারতেন ।
°=======================
100/7>★★মনি মাধব সেনের ঠাকুর বাড়ি
শ্রী গৌরাঙ্গ ঘাট রোডের উপর অবস্থিত বিশিষ্ট ভক্ত মণি মাধব সেনের ঠাকুর বাড়ি । এই বাড়ির নাম "শ্রী গৌরাঙ্গ ধাম"।
সেনেদের ঠাকুর বাড়ির ভিতরে পূর্বদিকে মন্দির অবস্থিত। মন্দিরে লক্ষ্মীনারায়ণ,রাধাকৃষ্ণ এবং শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু নিত্যানন্দ প্রভুর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠিত আছেন।
এই প্রাচীন মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা শ্রদ্ধেয় গুরুচরণ সেন মহাশয় মন্দিরের আদি ঠাকুর রাধাকৃষ্ণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
=====================
100/8>★★গৌর নিতাই মন্দির ( ইসকন মন্দির )
গৌরাঙ্গ রোডের উপর অবস্থিত গৌর নিতাই মন্দির ( ইসকন মন্দির)। এই মন্দিরের ভিতর আছে শ্রীল প্রভুপাদ আশ্রম। সিংহাসনে উপবিস্ট আছেন তিনি।
মন্দিরের ভিতর একটি ধর্মীয় পুস্তকের সুসজ্জিত প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে।রাধাকৃষ্ণ ও গৌর নিতাই সুন্দর মূর্তি দর্শন করতে পারবেন।
সুন্দর একটি পরিবেশ এখানে না এলে জানতে পারবেন না।
=========================
100/9>★★অমৃত তীর্থ পানিহাটি
শ্রী শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের পদস্পর্শে ধন্য এই গৃহ ।
রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব সেনেদের ঠাকুরবাড়িতে এই কক্ষে বিশ্রাম করেছিলেন। সেনেদের ঠাকুরবাড়ি শ্রী গৌরাঙ্গ ধামে প্রতি বছর দণ্ডমহোৎসবের দিন বড় উৎসব হয় এবং বহু ভক্ত প্রসাদ পেয়ে ধন্য হন ।
এখন এই মন্দিরটির সংস্কার কাজ চলিতেছে। তাই সাধারণ মানুষদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।
=====================+++++
100/10>★★অমূল্য ধন রায় ভট্টের নিবাস (শ্রী রাধারমণ কুঞ্জ) ও শ্রী গৌরাঙ্গ গ্রন্থ মন্দির
পুণ্যাত্মা শ্রী অমূল্য রায় ধন ভট্ট সাহিত্য এবং ধর্মশাস্ত্রে অগাধ পাণ্ডিত্য ছিল।মন্দির বলতে ঠাকুর ঘর।
একটি কষ্টি পাথরের কালভৈরবীর মূর্তি শায়িত অবস্থায় বিরাজিত। মন্দিরের বারান্দার কাছে মকরধব্জ করের স্মৃতি সমাধি। শ্রী অমূল্য রায় ধন ভট্টের স্বরচিত গ্রন্থের মধ্যে " বৈষ্ণব অভিধান " এবং " দ্বাদশ গোপাল " উল্লেখযোগ্য।
=======================
100/11>★★শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির
এই মন্দিরে মায়ের মূর্তি বেশ বড়সড় এবং খুব সুন্দর। মায়ের পদতলে বাবা ভোলানাথের মূর্তিও দেখতে বেশ সুন্দর।
মায়ের সামনে একটি সিংহাসনে বিষ্ণুচক্র আছেন। এই মন্দিরের মাতৃমূর্তি অনেকের কাছে " ত্বমীশ্বরীদেবী" বলে পরিচিত।
==========================
100/12>★★ শ্রী কৈবল্য মঠ
এটি ঠাকুর শ্রী নিত্য গোপাল দেবের জন্মস্থান। মাঝারী আকারের এই মন্দিরটি স্তাপত্য শিল্পের এক সুন্দর নিদর্শন ।
ঠাকুর শ্রী নিত্য গোপাল দেব অনেকের কাছে জ্ঞানানন্দজী নামে পরিচিত।
জ্ঞান, ভক্তি এবং বৈরাগ্যের মূর্ত ঠাকুর শ্রী নিত্য গোপাল দেব নাম সংকীর্তনেও বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।
`=========================
100/13>★★সৎসঙ্গ - শ্রী শ্রী অনুকূল ঠাকুরের আশ্রম
গঙ্গার পাড়ে নতুন এই মন্দিরটি দেখতে খুব সুন্দর। এই ভবনের দ্বিতলে অনুকূল ঠাকুরের মূর্তি প্রতিষ্ঠিত করা আছে।
পানিহাটির মানুষদের কাছে এটি "ঠাকুরবাড়ি" নামে বেশি পরিচিত। এই মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত বিগ্রহ হলেন শ্রী শ্রীরাধাকৃষ্ণের যুগল মূর্তি।
========================
100/14>★★পানিহাটি ত্রাননাথ কালী মন্দির
পানিহাটি ত্রাননাথ কালী মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত সুসজ্জিতা কষ্টি পাথরের মায়ের রম্য মূর্তিটি ছোট হলেও দেখতে খুবই সুন্দর। পঞ্ছচূড় বিশিষ্ট এই মন্দিরের কারুকার্য ভাস্কর্য শিল্পের এক সুন্দর নিদর্শন।
মন্দিরের সামনের চত্বরে পূর্বদিকে গঙ্গারদিকে মুখ করে তিনটি শিব মন্দির প্রতিষ্ঠিত।
=================================
100/15>আনন্দময়ী মা'র আশ্রম:-
১৯৬০ সালে পানিহাটির অন্তর্গত আগরপাড়ার দক্ষিণ প্রান্তে গঙ্গার তীরে
(B.T Road Bus stop Tetultala then by Toto.)
মনোরম পরিবেশে, উত্তর কলকাতার বিশিষ্ট আইনজীবী, পরহিতৈষী ও সমাজ সেবী ভূপেন্দ্রনাথ বসুর বাগানবাড়িতে আনন্দময়ী মার আশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৯৫ এর মে মাসে বুদ্ধপূর্ণিমার দিনে মায়ের মর্মরমূর্তি উপস্থাপিত করে প্রতিষ্ঠিত হয় ধ্যানপীঠ।
মূল প্রবেশদ্বারের সামনে আছে শ্বেতপাথরের নাট মন্দির। তার উত্তরে রয়েছে মূল মাতৃমন্দির। এছাড়াও এখানে আছে শ্রী শ্রী ১০৮ স্বামী মুক্তানন্দ গিরিজী মহারাজের শ্বেতপাথরের বিগ্রহ, তার ডানদিকে যোগেশ চন্দ্র স্মৃতি মন্দিরে আছে ভোলানাথ, যোগেশ্বর, নির্মলেশ্বর রূপী তিন শিবলিঙ্গ, তারও ডানদিকে অষ্টধাতুর তৈরী রাধাগোবিন্দ, গৌর নিতাই, লক্ষ্মী নারায়ণ, গণেশ, গরুড়, হনুমান এর বিগ্রহ। গঙ্গার তীরে পঞ্চবটী। এই বাগানের আকর্ষণীয় বস্তু হল লোহার ঘাট। তাই একে ভূপেন বোসের লোহার ঘাট বলা হত আগে একসময়।
শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু ও নিত্যানন্দ মহাপ্রভু পুণ্যভূমি পানিহাটি থেকে কামারহাটি যাবার পথে এই স্থানে মাঝেমাঝে বিশ্রাম নিতেন। তাই এর স্থান মাহাত্ম্যে মুগ্ধ হয়ে আনন্দময়ী মা এখানে পরবর্তীতে (১৯৬০, অর্থাৎ ১৩৬৭ সনের ৬ই আশ্বিন) এ বাগানে আশ্রম গড়ে তোলেন।
জাতিধর্ম নির্বিশেষে সকলেই আনন্দময়ী মার স্নেহের পাত্র ছিলেন। তাঁর সান্নিধ্যে এসছেন অতি নগণ্য দরিদ্র গ্রামবাসী থেকে জওহরলাল নেহেরু, গোবিন্দ বল্লভ পন্থা, ইন্দিরা গান্ধী, পন্ডিত রবিশঙ্কর, ডঃ যতীন্দ্র বিমল চৌধুরী, ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য, ছবি বিশ্বাস প্রমুখ। সারা দেশে বর্তমানে প্রায় পঁচিশ টির ওপর আনন্দময়ী মার আশ্রম রয়েছেন। এর মধ্যে হরিদ্বারের কঙ্খলে এর মূল কেন্দ্রটি আছে।
এই আশ্রমে প্রতিদিন নিত্যপূজা নিষ্ঠা সহকারে হয়। নিত্য কর্মসূচির মধ্যে আছে - প্রভাতে মঙ্গলারতি, সকাল ৯ টায় বিগ্রহ পূজা, দুপুরে ভোগদান, বিকেলে ধ্যান, যজ্ঞ, তপ। সন্ধেবেলা আরতি, শীতল, প্রতিদিনের অনুষ্ঠান : সৎসঙ্গ, অখন্ড নাম- যজ্ঞ ইত্যাদি। প্রতি রবিবারে ভক্ত সমাগমের মধ্যে সমবেত গীতা চন্ডীপাঠ।
============================