Monday, June 23, 2025

134>হাবিবপুর ইস্কন মন্দির:::---

 হাবিবপুর ইস্কন মন্দির:::---

Sealdah --to --> Shantipur Local

 (নামতে হবে হাবিবপুর )

বেলঘড়িয়া 7:42 --হাবিব পুর 9:42

স্টেশন থেকে আটো/টোটো 5 মিনিট

হাবিবপুর ইস্কন মন্দির।

 কূপন 10 টা পর্যন্ত।

 খালি থাকলে পরেও পাওয়া যায়।

AC Room  ₹800/=

Prosad ₹80/ or ₹170/ or ₹200/

নিরামিষ প্রসাদ।

 Booking Number::--

      97321 85553

======================

Thursday, June 5, 2025

133>ঝাড়খণ্ডের 15টি দর্শনীয় স্থান –

 



133>ঝাড়খণ্ডের 15টি দর্শনীয় স্থান – 


ঝাড়খণ্ড কথাটির অর্থ বলা যায় “অরণ্যের ভূমি” তা আমরা সবাই জানি। পর্যটনের দৃষ্টিতে ঝাড়খণ্ড রাজ্যকে একটি আন্ডাররেটেড ট্যুরিস্ট স্পট বলা যেতে পারে। ঝাড়খণ্ড তার অরন্য, পাহাড়, পর্বত এবং জলপ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা একটি দারুন ছুটির গন্তব্য।


 ঝাড়খণ্ডে এমন অনেক সুন্দর বেড়াবার জায়গা রয়েছে যেগুলি এখনও সেভাবে পর্যটকরা জানেন না।


ভারতের সেরা কতকগুলি জলপ্রপাত এই রাজ্যেই রয়েছে যেমন জনহা, দশম বা লোধ ফলস, তেমনই রয়েছে নেতারহাটের মত শৈল শহর। 


1. রাঁচি::---


“জলপ্রপাতের শহর” হিসাবে পরিচিত, রাঁচি হল ঝাড়খণ্ডের রাজধানী এবং এই এলাকার অন্যতম পর্যটন স্পট। এটি জলপ্রপাত, চারপাশে বন এবং সুন্দর সুবর্ণরেখা নদী দ্বারা বেষ্টিত। তাছাড়া, ঝাড়খণ্ডে ভারতে খনিজ সম্পদের প্রায় ৪০% মজুদ এই অঞ্চলে রয়েছে। রাঁচি শহর এই ছোটনাগপুর মালভূমির “রানী” নামে পরিচিত।



ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর-মার্চ এই জায়গাটি দেখার জন্য আদর্শ হবে। 

বর্ষায় এখানে ছুটি কাটানোর জন্য উপযুক্ত নয়।  


দর্শনীয় স্থান: দশম এবং জোনহা জলপ্রপাত, ঠাকুর পাহাড়, জগন্নাথ মন্দির, বিরসা জুলজিক্যাল পার্ক, রক গার্ডেন




2. জামশেদপুর::---


জামশেদপুর ঝাড়খণ্ডের বৃহত্তম শহর, যা “ভারতের ইস্পাত শহর” নামেও পরিচিত। জামসেদপুর সুবর্ণরেখা এবং খরকাই নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত। জামসেদজি টাটা জামশেদপুর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, এটিকে তার “টাটা স্টিল” এর আবাস বানিয়েছিলেন। এটি একটি সুপরিকল্পিত শহর এবং এখানে একাধিক পর্যটন আকর্ষণ রয়েছে।


ভ্রমণের সেরা সময়: নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি আদর্শ, কারণ এই অঞ্চলে শীতকাল মনোরম।

আদর্শ ছুটির সময়কাল: 1 বা 2 দিন

দর্শনীয় স্থান: দলমা পাহাড়, জুবিলি পার্ক এবং লেক, জয়ন্তী সরোবর, টাটা স্টিল জুলজিক্যাল পার্ক, উপজাতীয় সংস্কৃতি কেন্দ্র, হুডকো লেক, জুবিলি লেক, জুবিলি পার্ক, ভুবনেশ্বর মন্দির।




3. দেওঘর::---

দেওঘর  ঘুরে বেড়ানোর জন্য বেশ একটা সুন্দর জায়গা। 


ধার্মিক মানুষের জন্য দেওঘর ঝাড়খণ্ডের অন্যতম সেরা দর্শনীয় জায়গা। 

এখানে আছে অসংখ্য হিন্দু মন্দির।

 এখানে মূলত 12টি জ্যোতির্লিঙ্গ এর একটি বৈদ্যনাথে ধাম থাকার জন্য জনপ্রিয়। শ্রাবণ মাসে পর্যটকদের প্রচুর ভিড় দেখা যায় ভক্তরা রুদ্রাভিষেক অনুষ্ঠান করতে মন্দিরে যান।


ভ্রমণের সেরা সময়: বর্ষাকালে ভিড় এড়াতে জুলাই-মার্চ এই জায়গাটি দেখার জন্য আদর্শ হবে।

আদর্শ ছুটির সময়কাল: ১ বা ২ দিন

দর্শনীয় স্থান: বাসুকিনাথ, সৎসঙ্গ আশ্রম

ত্রিকুটা পাহাড় , হরিলা জোরি, নন্দন পাহাড়। ট্রিকুর পাহাড়ে রোপওয়ে।



4. হাজারীবাগ:::---


“হাজারীবাগ” নামটি নিজেই সুন্দর, যেখানে হাজারী মানে ‘হাজার’ এবং বাগ মানে ‘বাগান’। 

 প্রকৃতি প্রেমীদের  হাজারীবাগ অবশ্যই মন জয় করবে।

এটি ছোট নাগপুর মালভূমির কাছাকাছি এবং প্রধানত সুন্দর ঘন বন এবং পাথর ও হ্রদের প্রাকৃতিক গঠনের জন্য পরিচিত। এই জায়গাটিতে বহু (হাজার হাজার) প্রশংসনীয় বাগান আছে এবং কিছু লোভনীয় শিলা গঠনের একটি সুন্দর 

স্থান।  


ভ্রমণের সর্বোত্তম সময়: অক্টোবর-মার্চকে এখানে ভ্রমণের জন্য আদর্শ সময় হিসাবে বিবেচনা করা হয়, কারণ শীতকাল মনোরম।

আদর্শ ছুটির সময়কাল: ২ থেকে ৩ দিন

দর্শনীয় স্থান: ক্যানারি হিল, হাজারীবাগ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং জাতীয় উদ্যান, সূর্যকুন্ড, রাজরাপা মন্দির, কোনার বাঁধ।


এখানে ইচ্ছাহলে ট্রেকিংও করা যেতে পারে। এখানে কিছু বিরল প্রজাতির পাখিদেরও দেখা যায়।



5. ধানবাদ::--


এটি ঝাড়খণ্ডের দ্রুত বর্ধনশীল শহর, যা ‘ভারতের কয়লা রাজধানী’ নামেও পরিচিত। ধানবাদ এটি শুধুমাত্র কয়লা খনির জন্য জনপ্রিয়। 

ঝরিয়া, ধানবাদের গভীর খনী গুলি ও ওপেনকাষ্ট খনী গুলিও দেখারমতন স্থান।

যদিও খনি গুলি দেখার জন্য অনুমতি নিতে হয়।

বিশেষ করে গভীর খনির , গভীরে লিফ্টে করে নামতে হয়।

অনুমতি ছাড়া এসকল খনিতে প্রবেশ নিষেধ।



মূলত ধানবাদ একটি অত্যাশ্চর্য উপত্যকা এবং সবুজ সবুজ বন দ্বারা বেষ্টিত, এটি নির্মলতার জন্য ঝাড়খণ্ডের দর্শনীয় স্থান সমুহের মধ্যে অগ্রগন্য করে তুলেছে। এই স্থানটি পর্যটকদের জন্য বেশ কয়েকটি বড় মন্দির, মনোমুগ্ধকর পাহাড়, গর্জনকারী জলপ্রপাত, পবিত্র নদী, বাঁধ, বন, চমত্কার হ্রদ এবং আরও অনেক কিছু।


তোপচাঁচি লেক, মাইথন এবং পাঞ্চেত বাঁধ, বিরসা মুন্ডা পার্ক, ভাটিন্ডা ফল, চরক পাথর


6. বোকারো::---


বোকারো শহর হোল ইস্পাত শিল্প , কয়লা শিল্প এবং মেট্রোপলিটন জীবনধারার জন্য পরিচিত। 

এখানে কিছু হ্রদ, সবুজ এবং সুন্দর পার্কগুলি প্রকৃতি প্রেমী এবং ধর্মীয় ভক্তদের আকৃষ্ট করেছে। দামোদর নদীর পাশেই অবস্তিত শহরেরটি , এটিকে রহস্যময় এবং মনোরম স্থান । এখানে কিছু মন্দির, পার্ক, বাঁধ এবং অন্যান্য 

দর্শনীয় স্থান আছে।

ঘুরে দেখার মতন জায়গা গুলি বোকারো স্টিল সিটি, গড়গা বাঁধ, জওহরলাল নেহেরু বায়োলজিক্যাল পার্ক, সিটি পার্ক, জগন্নাথ মন্দির।


7. গিরিডি::--


ঝাড়খণ্ডের সবচেয়ে বিখ্যাত স্থানগুলির মধ্যে গিরিডির নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। এটি প্রধানত খনির শহর এবং সবুজ পাহাড়ের জন্য জনপ্রিয়। বাঁশ, সাল, সেমাল, মহুয়া, পলাশের মতো গাছে ভরা সুন্দর সবুজ বন এখানে আছে। গিরিডির মধুবন জৈন ধর্মের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় দিকগুলির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য স্থান।

শীতকালেই গিরিডি  শুষ্ক এবং মনোরম থাকে।

এখানকার জৈনদের মন্দির পরশনাথ পাহাড়ে, সমসরণ মন্দির, ভোমিয়াজি আস্থান, সূর্য মন্দির, ঝাড়খণ্ডি ধাম, হরিহর ধাম, দেবরী মন্দির, ল্যাংটা বাবা সমাধি স্থল, উশরি ফল।


8. নেতারহাট::---


নেতার হাত হলো ছোটনাগপুর মালভূমির সর্বোচ্চ স্থান। এইনেতারহাট ঝাড়খণ্ডের প্রাণকেন্দ্রে একটি গোপন ও সুন্দর স্বর্গ। এখানকার শান্ত পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক দৃশ্য  ঝাড়খণ্ডের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন স্থান রূপে গণ্য। এখানে শীতকালেই  সাধারণত ভ্রমনের উপযুক্ত সময়।


নেতারহাটের পাহাড়, কোয়েল ভিউ পয়েন্ট, সাদনি জলপ্রপাত, ম্যাগনোলিয়া সানসেট পয়েন্ট, আপার এবং লোয়ার ঘাঘরি জলপ্রপাত দেখার মতন স্থান।

কোয়েল ভিউ পয়েন্ট থেকে অত্যাশ্চর্য রকমের সুন্দর সূর্যাস্ত দেখা যায়।




9. পালামৌ::---


ঝাড়খণ্ডের সবচেয়ে সুন্দর জায়গাগুলির তালিকার মধ্যে পালামৌ উল্লেখ করার মতো। 

এখানকার জীববৈচিত্র্য, ঘন বন এবং ঘন সবুজ পাতার জন্য জনপ্রিয়। পালামৌ একটি বৃহৎ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের জন্য জনপ্রিয়, যেখানে বাঘ, চিতল, হাতি, খরগোশ, বানর, ইঁদুর হরিণ, স্লথ বিয়ার এবং আরও অনেকের মতো একাধিক প্রজাতির প্রাণী রয়েছে।

 পালামৌ ভ্রমনের উপযুক্ত সময় অক্টোবর থেকে -মার্চ, এই সময় এখানকার 

মনোরম আবহাওয়া উপভোগ করার জন্য আদর্শ সময়।

এখানে আছে বেতলা জাতীয় উদ্যান, লোধ জলপ্রপাত, পালামু টাইগার রিজার্ভ, শাহপুর গ্রাম, পালামৌ ফোর্ট, কেচকি, কুলকা, গুলগুলপাট, আমঝারি।



10. সাহেবগঞ্জ::---


সাহেবগঞ্জ হলো রাজমহল পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত একটি অসম্ভব সুন্দর জায়গা। এখানে পবিত্র গঙ্গার জলে নৌযান চালানোর সময় উত্তজনা, মনোরম বাতাস মন প্রাণ ভরে দেবে।

সাহেবগঞ্জ হোল একটি জনপ্রিয় স্থান থেকে দূরে, নতুন ও অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতা কিছু খুঁজে পাওয়ার জন্য।

এখানে একাধিক দুর্গ এবং স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে, যা ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য অন্বেষণ করতে সাহায্য করে। তাছাড়া, এখানকার উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর হস্তশিল্পের সমৃদ্ধ ট্যাপেস্ট্রি দিয়ে শিল্প অন্বেষণ করা বেশ এক ভালোলাগার মুহূর্ত, হিসাবে মনে ধরে রাখা যায়।


সাহেবগঞ্জ জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্ষাকাল এখানে ভ্রমণের সেরা সময়।

এখানকার মতি ঝর্ণা, শিবগাদি মন্দির, পালামউ টাইগার রিজার্ভ, উধওয়া লেক বার্ড স্যাংচুয়ারি, তেলিয়াগড়ি ফোর্ট,

মনে রাখার মতন ভ্রমনের স্থান।



11. ঘাটশিলা::---


এটি পূর্ব সিংভূম জেলায় অবস্থিত ঝাড়খণ্ডের আরেকটি সুন্দর পর্যটন স্থান। এখানে, রাঁচির মতো ঘূর্ণায়মান নদী এবং নির্মল জলপ্রপাত আছে। এছাড়াও, হিন্দু পর্যটকদের জন্য একাধিক ধর্মীয় স্থান রয়েছে। এটি প্রায়শই ভারতীয় সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরণের উত্সব আয়োজন করে।

এখানকার দর্শনীয় স্থান: ফুলডুংরি পাহাড়, ধারাগিরি জলপ্রপাত, বুরুডিহ বাঁধ, নারওয়া বন, পাঁচ পান্ডব।



12. ম্যাকলাস্কিগঞ্জ::---


ম্যাকলাস্কিগঞ্জ হল রাঁচি থেকে প্রায় ৬৫ কিমি দুরে শাল-মহুয়ার ঘন সবুজে ঢাকা এক ভুমিখন্ড যেখানে ছবির মত ছোট্ট একটি রেল ষ্টেশন, একটা পাহাড়ি নদী, টাটকা বিশুদ্ধ বাতাস আর প্রচুর ইতিহাস বা স্মৃতি যা কলকাতা বা বাঙালি মানসে এখনও রয়েছে। এখনকার জঙ্গলময় পরিবেশের মাধুর্য্য আর পরম শান্তিতে সবুজের মাঝে চোখ ও মনের আরামই ম্যাকলাস্কির আকর্ষণ।


ইংরেজ আমলে কলকাতার এক প্রপার্টি ডিলার আরনেস্ট টীমোথি ম্যাকলাস্কি এই বসতি গড়ে তোলেন। ১৯৩৩ সাল থেকে ম্যাকলাস্কিগঞ্জে অ্যাঙ্গলো ইন্ডিয়ানদের বসবাস শুরু হয়। এক সময় সাহেব সুবোদের যাতায়াত ছিল এই গঞ্জে কিন্তু স্বাধীনোত্তর সময়ে ধীরে ধীরে অ্যাঙ্গলো ইন্ডিয়ানদের বেশিরভাগ এখানথেকে পাত্তারি গুঁটিয়ে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার মত দেশে চলে যেতে শুরু করে।


দর্শনীয় স্থান: বহুশ্রুত পুরান ইউরোপিয়ান ধাঁচের বাড়ি, কান্তি নদী ও কান্তি জলপ্রপাত, ‘চুলা পানি’ ।

এখানে টোটো নিয়ে কাছাকাছি নদী ও জলপ্রপাত ঘুরে দেখা যায়।



13. শিখরজি::---


শিখরজি একটি হিল স্টেশন। এটি ঝাড়খণ্ডের সর্বোচ্চ পর্বত, যা পরশনাথে  অবস্থিত। এটি 1,350 মিটার  (4429 ফুট) 

উঁচু।

এই পাহাড়ের উচ্চতায় ওঠে এক এটি সুন্দর শান্ত পরিবেশে  যা  দুর্দান্ত দৃশ্য উপভোগ করতে সহায়তা করে। এই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়াও, শিখরজি জৈনদের একটি পবিত্র তীর্থস্থান হওয়ার জন্যও জনপ্রিয়।


এখানে ভ্রমণের সঠিক সময়: অক্টোবর-মার্চ মাসের  মনোরম জলবায়ু উপভোগ করার জন্য এই অঞ্চলটি দেখার সেরা সময় হবে।


এখানে আছে ভোমিয়াজি মন্দির, গান্ধার মন্দির, কুন্থুনাথ মন্দির, গন্ধর্ব নালা প্রবাহ।

এখানে ট্রেকিং করে পাহাড়ের শিখরে চড়া ও জৈনমন্দির দর্শন বেশ রোমাঞ্চকর।

এছাড়া  তাছাড়া এখানকার প্রাচীন জৈন মন্দিরগুলিও দেখার মতন সুন্দর ও শান্ত পরিবেশ।



14. ম্যাসাঞ্জোর::::----


ম্যাসানজোর ঝাড়খণ্ডের একটি ছোট শহর। এটি সুরি-দুমকা সড়কে অবস্থিত এবং এটি ঝাড়খণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পট  হিসাবে পরিচিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়াও, এই জায়গাটি মূলত মাসাঞ্জোর বাঁধের জন্য জনপ্রিয়। এই বাঁধটি দুমকার ময়ূরাক্ষী নদীকে জুড়ে দিয়েছে। কানাডিয়ান এইড 1956 সালে এই বাঁধটি তৈরি করেছিল, যে কারণে এটি প্রায়শই “কানাডা বাঁধ” নামে পরিচিত।


এখানে সারা বৎসরই ভ্রমনেই উপযুক্ত তবে বৃষ্টি এড়াতে অক্টোবর-মার্চ আদর্শ।


 এখানে আছে মাসাঞ্জোর বাঁধ, রামরেখা ধাম, ছিন্দা জলপ্রপাত, ভাইরো বাবা পাহাড়ি, ভানওয়ার পাহাড়।


এখানে আশেপাশে পিকনিক করার মতন জায়গা  এই অঞ্চলে রক ক্লাইম্বিং এবং সাঁতার কাটাও বেশ আনন্দ দায়ক।



15. পত্রাতু উপত্যকা::---


এটি রাঁচি থেকে মাত্র 40 কিলোমিটার দূরে একটি সুন্দর স্থান। এখানকার চারপাশের কুয়াশাচ্ছন্ন পর্বত থেকে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য চারিদিকে সবুজের সমারহ সে এক অতি চমৎকার পরিবেশ সৃষ্টি করি ।


 সেপ্টেম্বর-থেকে --মার্চ এই জায়গাটি ভ্রমনের জন্য আদর্শ হবে, ভারী বৃষ্টিপাত এড়াতে।

এখানে আছে পাত্রতু বাঁধ, বিরসা জুলজিক্যাল পার্ক, রক গার্ডেন, পাহাড়ি মন্দির, নক্ষত্র ভ্যান।

========================¢