Monday, June 23, 2025

134>হাবিবপুর ইস্কন মন্দির:::---

 হাবিবপুর ইস্কন মন্দির:::---

Sealdah --to --> Shantipur Local

 (নামতে হবে হাবিবপুর )

বেলঘড়িয়া 7:42 --হাবিব পুর 9:42

স্টেশন থেকে আটো/টোটো 5 মিনিট

হাবিবপুর ইস্কন মন্দির।

 কূপন 10 টা পর্যন্ত।

 খালি থাকলে পরেও পাওয়া যায়।

AC Room  ₹800/=

Prosad ₹80/ or ₹170/ or ₹200/

নিরামিষ প্রসাদ।

 Booking Number::--

      97321 85553

======================

Thursday, June 5, 2025

133>ঝাড়খণ্ডের 15টি দর্শনীয় স্থান –

 



133>ঝাড়খণ্ডের 15টি দর্শনীয় স্থান – 


ঝাড়খণ্ড কথাটির অর্থ বলা যায় “অরণ্যের ভূমি” তা আমরা সবাই জানি। পর্যটনের দৃষ্টিতে ঝাড়খণ্ড রাজ্যকে একটি আন্ডাররেটেড ট্যুরিস্ট স্পট বলা যেতে পারে। ঝাড়খণ্ড তার অরন্য, পাহাড়, পর্বত এবং জলপ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা একটি দারুন ছুটির গন্তব্য।


 ঝাড়খণ্ডে এমন অনেক সুন্দর বেড়াবার জায়গা রয়েছে যেগুলি এখনও সেভাবে পর্যটকরা জানেন না।


ভারতের সেরা কতকগুলি জলপ্রপাত এই রাজ্যেই রয়েছে যেমন জনহা, দশম বা লোধ ফলস, তেমনই রয়েছে নেতারহাটের মত শৈল শহর। 


1. রাঁচি::---


“জলপ্রপাতের শহর” হিসাবে পরিচিত, রাঁচি হল ঝাড়খণ্ডের রাজধানী এবং এই এলাকার অন্যতম পর্যটন স্পট। এটি জলপ্রপাত, চারপাশে বন এবং সুন্দর সুবর্ণরেখা নদী দ্বারা বেষ্টিত। তাছাড়া, ঝাড়খণ্ডে ভারতে খনিজ সম্পদের প্রায় ৪০% মজুদ এই অঞ্চলে রয়েছে। রাঁচি শহর এই ছোটনাগপুর মালভূমির “রানী” নামে পরিচিত।



ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর-মার্চ এই জায়গাটি দেখার জন্য আদর্শ হবে। 

বর্ষায় এখানে ছুটি কাটানোর জন্য উপযুক্ত নয়।  


দর্শনীয় স্থান: দশম এবং জোনহা জলপ্রপাত, ঠাকুর পাহাড়, জগন্নাথ মন্দির, বিরসা জুলজিক্যাল পার্ক, রক গার্ডেন




2. জামশেদপুর::---


জামশেদপুর ঝাড়খণ্ডের বৃহত্তম শহর, যা “ভারতের ইস্পাত শহর” নামেও পরিচিত। জামসেদপুর সুবর্ণরেখা এবং খরকাই নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত। জামসেদজি টাটা জামশেদপুর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, এটিকে তার “টাটা স্টিল” এর আবাস বানিয়েছিলেন। এটি একটি সুপরিকল্পিত শহর এবং এখানে একাধিক পর্যটন আকর্ষণ রয়েছে।


ভ্রমণের সেরা সময়: নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি আদর্শ, কারণ এই অঞ্চলে শীতকাল মনোরম।

আদর্শ ছুটির সময়কাল: 1 বা 2 দিন

দর্শনীয় স্থান: দলমা পাহাড়, জুবিলি পার্ক এবং লেক, জয়ন্তী সরোবর, টাটা স্টিল জুলজিক্যাল পার্ক, উপজাতীয় সংস্কৃতি কেন্দ্র, হুডকো লেক, জুবিলি লেক, জুবিলি পার্ক, ভুবনেশ্বর মন্দির।




3. দেওঘর::---

দেওঘর  ঘুরে বেড়ানোর জন্য বেশ একটা সুন্দর জায়গা। 


ধার্মিক মানুষের জন্য দেওঘর ঝাড়খণ্ডের অন্যতম সেরা দর্শনীয় জায়গা। 

এখানে আছে অসংখ্য হিন্দু মন্দির।

 এখানে মূলত 12টি জ্যোতির্লিঙ্গ এর একটি বৈদ্যনাথে ধাম থাকার জন্য জনপ্রিয়। শ্রাবণ মাসে পর্যটকদের প্রচুর ভিড় দেখা যায় ভক্তরা রুদ্রাভিষেক অনুষ্ঠান করতে মন্দিরে যান।


ভ্রমণের সেরা সময়: বর্ষাকালে ভিড় এড়াতে জুলাই-মার্চ এই জায়গাটি দেখার জন্য আদর্শ হবে।

আদর্শ ছুটির সময়কাল: ১ বা ২ দিন

দর্শনীয় স্থান: বাসুকিনাথ, সৎসঙ্গ আশ্রম

ত্রিকুটা পাহাড় , হরিলা জোরি, নন্দন পাহাড়। ট্রিকুর পাহাড়ে রোপওয়ে।



4. হাজারীবাগ:::---


“হাজারীবাগ” নামটি নিজেই সুন্দর, যেখানে হাজারী মানে ‘হাজার’ এবং বাগ মানে ‘বাগান’। 

 প্রকৃতি প্রেমীদের  হাজারীবাগ অবশ্যই মন জয় করবে।

এটি ছোট নাগপুর মালভূমির কাছাকাছি এবং প্রধানত সুন্দর ঘন বন এবং পাথর ও হ্রদের প্রাকৃতিক গঠনের জন্য পরিচিত। এই জায়গাটিতে বহু (হাজার হাজার) প্রশংসনীয় বাগান আছে এবং কিছু লোভনীয় শিলা গঠনের একটি সুন্দর 

স্থান।  


ভ্রমণের সর্বোত্তম সময়: অক্টোবর-মার্চকে এখানে ভ্রমণের জন্য আদর্শ সময় হিসাবে বিবেচনা করা হয়, কারণ শীতকাল মনোরম।

আদর্শ ছুটির সময়কাল: ২ থেকে ৩ দিন

দর্শনীয় স্থান: ক্যানারি হিল, হাজারীবাগ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং জাতীয় উদ্যান, সূর্যকুন্ড, রাজরাপা মন্দির, কোনার বাঁধ।


এখানে ইচ্ছাহলে ট্রেকিংও করা যেতে পারে। এখানে কিছু বিরল প্রজাতির পাখিদেরও দেখা যায়।



5. ধানবাদ::--


এটি ঝাড়খণ্ডের দ্রুত বর্ধনশীল শহর, যা ‘ভারতের কয়লা রাজধানী’ নামেও পরিচিত। ধানবাদ এটি শুধুমাত্র কয়লা খনির জন্য জনপ্রিয়। 

ঝরিয়া, ধানবাদের গভীর খনী গুলি ও ওপেনকাষ্ট খনী গুলিও দেখারমতন স্থান।

যদিও খনি গুলি দেখার জন্য অনুমতি নিতে হয়।

বিশেষ করে গভীর খনির , গভীরে লিফ্টে করে নামতে হয়।

অনুমতি ছাড়া এসকল খনিতে প্রবেশ নিষেধ।



মূলত ধানবাদ একটি অত্যাশ্চর্য উপত্যকা এবং সবুজ সবুজ বন দ্বারা বেষ্টিত, এটি নির্মলতার জন্য ঝাড়খণ্ডের দর্শনীয় স্থান সমুহের মধ্যে অগ্রগন্য করে তুলেছে। এই স্থানটি পর্যটকদের জন্য বেশ কয়েকটি বড় মন্দির, মনোমুগ্ধকর পাহাড়, গর্জনকারী জলপ্রপাত, পবিত্র নদী, বাঁধ, বন, চমত্কার হ্রদ এবং আরও অনেক কিছু।


তোপচাঁচি লেক, মাইথন এবং পাঞ্চেত বাঁধ, বিরসা মুন্ডা পার্ক, ভাটিন্ডা ফল, চরক পাথর


6. বোকারো::---


বোকারো শহর হোল ইস্পাত শিল্প , কয়লা শিল্প এবং মেট্রোপলিটন জীবনধারার জন্য পরিচিত। 

এখানে কিছু হ্রদ, সবুজ এবং সুন্দর পার্কগুলি প্রকৃতি প্রেমী এবং ধর্মীয় ভক্তদের আকৃষ্ট করেছে। দামোদর নদীর পাশেই অবস্তিত শহরেরটি , এটিকে রহস্যময় এবং মনোরম স্থান । এখানে কিছু মন্দির, পার্ক, বাঁধ এবং অন্যান্য 

দর্শনীয় স্থান আছে।

ঘুরে দেখার মতন জায়গা গুলি বোকারো স্টিল সিটি, গড়গা বাঁধ, জওহরলাল নেহেরু বায়োলজিক্যাল পার্ক, সিটি পার্ক, জগন্নাথ মন্দির।


7. গিরিডি::--


ঝাড়খণ্ডের সবচেয়ে বিখ্যাত স্থানগুলির মধ্যে গিরিডির নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। এটি প্রধানত খনির শহর এবং সবুজ পাহাড়ের জন্য জনপ্রিয়। বাঁশ, সাল, সেমাল, মহুয়া, পলাশের মতো গাছে ভরা সুন্দর সবুজ বন এখানে আছে। গিরিডির মধুবন জৈন ধর্মের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় দিকগুলির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য স্থান।

শীতকালেই গিরিডি  শুষ্ক এবং মনোরম থাকে।

এখানকার জৈনদের মন্দির পরশনাথ পাহাড়ে, সমসরণ মন্দির, ভোমিয়াজি আস্থান, সূর্য মন্দির, ঝাড়খণ্ডি ধাম, হরিহর ধাম, দেবরী মন্দির, ল্যাংটা বাবা সমাধি স্থল, উশরি ফল।


8. নেতারহাট::---


নেতার হাত হলো ছোটনাগপুর মালভূমির সর্বোচ্চ স্থান। এইনেতারহাট ঝাড়খণ্ডের প্রাণকেন্দ্রে একটি গোপন ও সুন্দর স্বর্গ। এখানকার শান্ত পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক দৃশ্য  ঝাড়খণ্ডের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন স্থান রূপে গণ্য। এখানে শীতকালেই  সাধারণত ভ্রমনের উপযুক্ত সময়।


নেতারহাটের পাহাড়, কোয়েল ভিউ পয়েন্ট, সাদনি জলপ্রপাত, ম্যাগনোলিয়া সানসেট পয়েন্ট, আপার এবং লোয়ার ঘাঘরি জলপ্রপাত দেখার মতন স্থান।

কোয়েল ভিউ পয়েন্ট থেকে অত্যাশ্চর্য রকমের সুন্দর সূর্যাস্ত দেখা যায়।




9. পালামৌ::---


ঝাড়খণ্ডের সবচেয়ে সুন্দর জায়গাগুলির তালিকার মধ্যে পালামৌ উল্লেখ করার মতো। 

এখানকার জীববৈচিত্র্য, ঘন বন এবং ঘন সবুজ পাতার জন্য জনপ্রিয়। পালামৌ একটি বৃহৎ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের জন্য জনপ্রিয়, যেখানে বাঘ, চিতল, হাতি, খরগোশ, বানর, ইঁদুর হরিণ, স্লথ বিয়ার এবং আরও অনেকের মতো একাধিক প্রজাতির প্রাণী রয়েছে।

 পালামৌ ভ্রমনের উপযুক্ত সময় অক্টোবর থেকে -মার্চ, এই সময় এখানকার 

মনোরম আবহাওয়া উপভোগ করার জন্য আদর্শ সময়।

এখানে আছে বেতলা জাতীয় উদ্যান, লোধ জলপ্রপাত, পালামু টাইগার রিজার্ভ, শাহপুর গ্রাম, পালামৌ ফোর্ট, কেচকি, কুলকা, গুলগুলপাট, আমঝারি।



10. সাহেবগঞ্জ::---


সাহেবগঞ্জ হলো রাজমহল পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত একটি অসম্ভব সুন্দর জায়গা। এখানে পবিত্র গঙ্গার জলে নৌযান চালানোর সময় উত্তজনা, মনোরম বাতাস মন প্রাণ ভরে দেবে।

সাহেবগঞ্জ হোল একটি জনপ্রিয় স্থান থেকে দূরে, নতুন ও অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতা কিছু খুঁজে পাওয়ার জন্য।

এখানে একাধিক দুর্গ এবং স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে, যা ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য অন্বেষণ করতে সাহায্য করে। তাছাড়া, এখানকার উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর হস্তশিল্পের সমৃদ্ধ ট্যাপেস্ট্রি দিয়ে শিল্প অন্বেষণ করা বেশ এক ভালোলাগার মুহূর্ত, হিসাবে মনে ধরে রাখা যায়।


সাহেবগঞ্জ জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্ষাকাল এখানে ভ্রমণের সেরা সময়।

এখানকার মতি ঝর্ণা, শিবগাদি মন্দির, পালামউ টাইগার রিজার্ভ, উধওয়া লেক বার্ড স্যাংচুয়ারি, তেলিয়াগড়ি ফোর্ট,

মনে রাখার মতন ভ্রমনের স্থান।



11. ঘাটশিলা::---


এটি পূর্ব সিংভূম জেলায় অবস্থিত ঝাড়খণ্ডের আরেকটি সুন্দর পর্যটন স্থান। এখানে, রাঁচির মতো ঘূর্ণায়মান নদী এবং নির্মল জলপ্রপাত আছে। এছাড়াও, হিন্দু পর্যটকদের জন্য একাধিক ধর্মীয় স্থান রয়েছে। এটি প্রায়শই ভারতীয় সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরণের উত্সব আয়োজন করে।

এখানকার দর্শনীয় স্থান: ফুলডুংরি পাহাড়, ধারাগিরি জলপ্রপাত, বুরুডিহ বাঁধ, নারওয়া বন, পাঁচ পান্ডব।



12. ম্যাকলাস্কিগঞ্জ::---


ম্যাকলাস্কিগঞ্জ হল রাঁচি থেকে প্রায় ৬৫ কিমি দুরে শাল-মহুয়ার ঘন সবুজে ঢাকা এক ভুমিখন্ড যেখানে ছবির মত ছোট্ট একটি রেল ষ্টেশন, একটা পাহাড়ি নদী, টাটকা বিশুদ্ধ বাতাস আর প্রচুর ইতিহাস বা স্মৃতি যা কলকাতা বা বাঙালি মানসে এখনও রয়েছে। এখনকার জঙ্গলময় পরিবেশের মাধুর্য্য আর পরম শান্তিতে সবুজের মাঝে চোখ ও মনের আরামই ম্যাকলাস্কির আকর্ষণ।


ইংরেজ আমলে কলকাতার এক প্রপার্টি ডিলার আরনেস্ট টীমোথি ম্যাকলাস্কি এই বসতি গড়ে তোলেন। ১৯৩৩ সাল থেকে ম্যাকলাস্কিগঞ্জে অ্যাঙ্গলো ইন্ডিয়ানদের বসবাস শুরু হয়। এক সময় সাহেব সুবোদের যাতায়াত ছিল এই গঞ্জে কিন্তু স্বাধীনোত্তর সময়ে ধীরে ধীরে অ্যাঙ্গলো ইন্ডিয়ানদের বেশিরভাগ এখানথেকে পাত্তারি গুঁটিয়ে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার মত দেশে চলে যেতে শুরু করে।


দর্শনীয় স্থান: বহুশ্রুত পুরান ইউরোপিয়ান ধাঁচের বাড়ি, কান্তি নদী ও কান্তি জলপ্রপাত, ‘চুলা পানি’ ।

এখানে টোটো নিয়ে কাছাকাছি নদী ও জলপ্রপাত ঘুরে দেখা যায়।



13. শিখরজি::---


শিখরজি একটি হিল স্টেশন। এটি ঝাড়খণ্ডের সর্বোচ্চ পর্বত, যা পরশনাথে  অবস্থিত। এটি 1,350 মিটার  (4429 ফুট) 

উঁচু।

এই পাহাড়ের উচ্চতায় ওঠে এক এটি সুন্দর শান্ত পরিবেশে  যা  দুর্দান্ত দৃশ্য উপভোগ করতে সহায়তা করে। এই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়াও, শিখরজি জৈনদের একটি পবিত্র তীর্থস্থান হওয়ার জন্যও জনপ্রিয়।


এখানে ভ্রমণের সঠিক সময়: অক্টোবর-মার্চ মাসের  মনোরম জলবায়ু উপভোগ করার জন্য এই অঞ্চলটি দেখার সেরা সময় হবে।


এখানে আছে ভোমিয়াজি মন্দির, গান্ধার মন্দির, কুন্থুনাথ মন্দির, গন্ধর্ব নালা প্রবাহ।

এখানে ট্রেকিং করে পাহাড়ের শিখরে চড়া ও জৈনমন্দির দর্শন বেশ রোমাঞ্চকর।

এছাড়া  তাছাড়া এখানকার প্রাচীন জৈন মন্দিরগুলিও দেখার মতন সুন্দর ও শান্ত পরিবেশ।



14. ম্যাসাঞ্জোর::::----


ম্যাসানজোর ঝাড়খণ্ডের একটি ছোট শহর। এটি সুরি-দুমকা সড়কে অবস্থিত এবং এটি ঝাড়খণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পট  হিসাবে পরিচিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়াও, এই জায়গাটি মূলত মাসাঞ্জোর বাঁধের জন্য জনপ্রিয়। এই বাঁধটি দুমকার ময়ূরাক্ষী নদীকে জুড়ে দিয়েছে। কানাডিয়ান এইড 1956 সালে এই বাঁধটি তৈরি করেছিল, যে কারণে এটি প্রায়শই “কানাডা বাঁধ” নামে পরিচিত।


এখানে সারা বৎসরই ভ্রমনেই উপযুক্ত তবে বৃষ্টি এড়াতে অক্টোবর-মার্চ আদর্শ।


 এখানে আছে মাসাঞ্জোর বাঁধ, রামরেখা ধাম, ছিন্দা জলপ্রপাত, ভাইরো বাবা পাহাড়ি, ভানওয়ার পাহাড়।


এখানে আশেপাশে পিকনিক করার মতন জায়গা  এই অঞ্চলে রক ক্লাইম্বিং এবং সাঁতার কাটাও বেশ আনন্দ দায়ক।



15. পত্রাতু উপত্যকা::---


এটি রাঁচি থেকে মাত্র 40 কিলোমিটার দূরে একটি সুন্দর স্থান। এখানকার চারপাশের কুয়াশাচ্ছন্ন পর্বত থেকে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য চারিদিকে সবুজের সমারহ সে এক অতি চমৎকার পরিবেশ সৃষ্টি করি ।


 সেপ্টেম্বর-থেকে --মার্চ এই জায়গাটি ভ্রমনের জন্য আদর্শ হবে, ভারী বৃষ্টিপাত এড়াতে।

এখানে আছে পাত্রতু বাঁধ, বিরসা জুলজিক্যাল পার্ক, রক গার্ডেন, পাহাড়ি মন্দির, নক্ষত্র ভ্যান।

========================¢




Wednesday, May 28, 2025

132>হিমালয় কিন্নৌর:- ভ্রমন সূচী 16/5 to 25/5/2025

 132>হিমালয় কিন্নৌর::-ভ্রমন সূচী 16/5 to 25/5/2025

হিমালয়-কিন্নৌর::-Tour itinerary (ভ্রমন সূচী)--16/5/2025

To 25/05/2025


 I love Travel heartily

    Travel is my Therapy

( KINNAUR The Wonder Land of Nature )

আমাদের যাত্রা পথ ::--(কিন্নৌর ভেলি)

কলকাতা--->দিল্লি--->কালকা--->

নারকান্ডা---->সারাহান--->কল্পা*--->

--->নাকো--->সাঙলা---->শিমলা--->

 To--->দিল্লি---->কলকাতা।

চিতকুলের পথে::---রেকং পিও---- কুফরী

আমাদের যাত্রা হলো শুরু::----

★16 th May 2025::--(1st day) Friday

       CCU --to --Delhi 

Flight Indigo--2198 

Departure 21:15 CCU.

Arrival--23:30 Delhi (DEL)

পূরণ দিল্লি থেকে অটোতে নিউ দিল্লির কাছে হোটেলে

●রাত্রিবাস::--হোটেল::--{নিউদিল্লি (NDLS )স্টেশনের নিকটে 4.30 ঘন্টার জন্য 

রাত্রি 2am to 6:30 am}


★17 May 2025::--(2nd day) Saturday


Delhi --->Kalka---->Narkanda.

●~Train::-- No:-12011=

N Delhi--Kalka Satabdi Exp ,

Dep-07:40 (NDLS) Arrive 11:40 Kalka (KLK).---4Hrs.

Then---


●~BUS::--KALKA  to Narkanda

    160 km-----8.30 hr


নারকান্দা অবস্থিত 31°16′N 77°27′E / 31.27°N 77.45°E / 31.27; 77.45 । এটির গড় উচ্চতা 2708 মিটার (8599 ফুট)।

https://en.wikipedia.org

কালকা থেকে আমরা চলছি ফোর্স 16+1 সিটার ট্যুরিস্ট গাড়িতে। আমরা 8+3=11 জন।

কালকার পরেই শুরু পাহাড়ী চড়াই পথ।

আমাদের গন্তব্য নারকান্ডা।

পাহাড়ের পথে দাঁড়ালাম wine cold Beer

কিনতে কারণ প্রচন্ড গরম,সেই কারণে একটু ঠান্ডা হতে।(যদিও আমি বহু বৎসর ওয়াইন বর্জন করেছি)

NHAI NO. 5  VILL KOTI District SOLAN(H.P.)

আমরা রাত্রি 8:30 মিনিটে পৌঁছলাম ।

এখানে একটু বৃষ্টি ও হয়েছে আর বেশ ঠান্ডা।

নারকন্ডা পথে দেখলামন প্রচুর আপেল খেত সব খেত সাদা নেটে কভারকরা কারণ বৃষ্টি র সাথে বরফের টুকরো মানে শীলা বৃষ্টি হলেই আপেল দাগি হয়ে যাবে।

7:40 থেকে 11:40 ট্রেন তারপরে বাসে

8:30 মিনিটে ।

নারকান্ডার পার্ক লজ আরামগাহ

 (Aaramgah)

ঘন জঙ্গলের মাঝে লজ।


●রাত্রিবাস::--হোটেল; নরকান্দায় হোটেলে 'আরামগাহ' তে পৌঁছেই চা আর পকড়া পিয়াজ পকড়া ও আলু পকড়া।

জঙ্গলের ভেতরে  আপেল বাগানের মাঝে সম্পুর্ন কাঠের বাড়ি। চারিদিকে আপেল গাছে ছোট ছোট আপেল হয়েআছে।

তাই সুন্দর করে নেট দিয়ে ঘেরা আছে।

শিলাবৃষ্টির থেকে আপেল কে বাঁচাতে।

 

খুব সুন্দর সাজানো গোছানো।

রাতের খাবার---


আপেল বাগানের মিষ্টি গন্ধে সকালের ভ্রমণ অতি মনোরম।

সকালে শিতও বেশ আছে।

সুন্দর শান্ত নিরিবিলি প্রান্তর।

নারকন্ডার সৌন্দর্য মুগ্ধ।

আমাদের ভ্রমনের তৃতীয় দিনের মুগ্ধ ও আনন্দ বিউভল চিত্তে বলতে পরি সত্যি সার্থক আমাদের এহেন সুন্দর টুরের পোগ্রামে।

এমন জায়গাতে দিনদুই থাকতে পারলে খুবই ভালো হতো।



★18 May 2025::---(3 rd day) Sunday.

   9 to 9:30 সকালের জল খাবার।

●~BUS=11 am নরকান্দা ------>সারাহান

           2 hr 45 min (100.3 km)

           via NH 5


পথে--->ব্রেকফাস্ট--*কুফরীর কাছে 

                লোকাল ধবাতে 

            দুপুরের লাঞ্চ---রামপুরে হিমাচলি

              রান্নার স্বাদ নিতে।

পথে রাস্থা বন্ধ তাই দুই ঘন্টা অপেক্ষা করতে হোল রাস্থায়।

যাইহোক 5:30 নাগাদ পৌঁছে গেলাম আমাদের হোটেল নালন্দা ভীমাকালী মন্দিরের কাছেই।


   দর্শনীয়::---■ ভীমা কালী মন্দির।

প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দিরের অনুকরণে মন্দির।

◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆


श्री भीमाकाली मन्दिर सराहन


तत्कालीन बुशैहर रियासत के राजवंश की कुलदेवी श्री भीमा काली का एक भब्य मन्दिर है किन्नौर तक फैले हुए इस राज्य की राजधानी शोणितपुर थी जो आज सराहन है भगवान शंकर का परम् भक्त बुद्धिमान और, उदार स्वभाव वाला शोणितपुर का सम्राट वाणासुर भक्त प्रहलाद के दानवीर पौत्र राजा बलि के सौ पुत्रों में सबसे बड़ा था। वाणासुर के बाद कामदेव के अवतार तथा श्री कृष्ण के पुत्र प्रद्युम्न यहां के राजा बने तब से लेकर रियासती शासन के अन्त तक यहाँ इसी वंश का एक द्वत्र राज्य रहा। इसी राजवंश ने महल के मीतर ही श्री भीमा काली मन्दिर बनाया। माता मीमा काली के कोटशैली में बने पांच मंजिलों में दो भन्य मन्दिर है। श्री भीमा काली को तत्कालीन बुशैहर के राजा द्वारा उठाई गई सती की जली देह कान गिरने से यहाँ प्रकट होने की श्रृति कथा है। इस स्थान कोइक्यावन शक्तिपीठों से जोड़ती है। वर्तमान में ती है। वर्तमान में नए मर्वन सबसे उपर की मंजिल में आदिशक्ति देवी कन्या रुप में पूजित है तथा उसके ठीक नीचे की मंजिलू में सती माती का शिव विवाहिता हिमालय पुत्री पार्वती का रुप दिखाया गया है। अद्धभुत् पहाड़ी वास्तुशिल्प में बने दो घनाकार भवनों के भब्य काष्ठशिल्प में रों का हुनर दिखाई पड़ता है। मन्दिर काजला નાહતાદ की

Bhima Kali temple a sacred Shakti peetha.

সাহারানে পৌছেই 51শক্তি পিঠের এক পিঠ ভিমাকালীর দর্শন।

●রাত্রিবাস---হোটেল-- সারাহানে।


★19 May 2025::-(4th day) Momday.

    সারাহান ----->*রেকং পিও---->*কল্পা

●~BUS-=সারাহান-->রেকংপিও-->কল্পা

      100 KM,----3 Hrs

   ● দর্শনীয়::--

       সকালে::--সারাহানে পাখির মুক্তাঞ্চল

          (Bird Sanctuary)

চলার পথে সতলুজ নদীর ধারে পাহাড়ের ঢালে। কিছুক্ষন।

■ পথে::--রেকং পিও র মনিষ্ট্রি ও

    বাজার।


কলার ফোর্ট  কল্পা   ও  মনিষ্ট্রি দেখলাম

আমাদের হোটেল ঠিক মনিষ্ট্রি নিচেই।

এখন থেকে দেখলাম কৈলাশ কিন্নউর শৃঙ্।

বিকেলে দেখলাম সানসেট, হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলো তাই সম্পুর্ন সানসেট দেখতে পারলাম না।

 54 বৎসর পরে আবার এসলাম 

 আমরা যে কৈলাশ কিন্নউরের   ভিউ দেখছি সেটি মানস সরোবরের কৈলাশ নয় বা 

অনির্বিদ যে কৈলাশের কথা বলছে সেটি কৈলাশ পর্বত চীনে অবস্থিত। 21হাজার ফুট উঁচু। যেখানে মহাদেবের বাসস্থান।

মানস সরোবরও চীনে।

আমি 54 বৎসর পরে আবার কিন্নউর কৈলাশ আসলাম।

সেই 1971 সালের কিন্নর অঞ্চল আর আজ 2025 সে কিন্নর অঞ্চল যেন আকাশ পাতাল পার্থক্য।

এতো বৎসর পরে যে এখানে আসতে পারবে সেটি ভাবনার বাইরেই ছিলো।

তবে এতগুলি বৎসর পরে এখানে এসে বেশ ভালোই লাগছে। আরও ভালো লাগছে পুরনো দিনের স্মৃতি মন্থন করে।


Kalpa is at31.53°N 78.25°E. It has an average elevation of 2,960 metres (9,711 feet) and is located 265 kilometres (165 mi) beyond Shimla on the NH-5 in Kinnaur district.

 ● কিন্নউর কৈলাশের সূর্যাস্ত দর্শন।


রাত্রিবাস::--কল্লাতে হোটেলে।

  হোটেল White Castle.



20 May 2025 (5th day) Tuesday. 


    ●~BUS= কল্পা ----->নাকো

   107 KM==---3.5 Hrs


●পথে দর্শনীয়::--

     ●কল্পাতে::--রোগী আত্মহত্যার স্থান.

     ●একটু পায়ে হেটে বাটসেরি গ্রাম।

      ●চামুন্ডা মা দুর্গা মন্দির।

     ●মনিস্টি--

    ●*খাব সঙ্গম::--স্পিতি ও শতলুজ    

         নদীর সঙ্গম।

     ●*kazigs(hair pin bends)

পথে জিক জাক রোড, দেখার মতন দৃশ্য।

     ●Nako Lake

     ●Nako Monastery


●রাত্রিবাস::-- নাকোর হোমস্টে/

   হোটেল জাম্বালা। নাকো লেকের পাড়ে।


নাকো হ্রদ কিন্নর জেলার পুহ মহকুমার একটি উচ্চ-উচ্চতার হ্রদ। এটি সমুদ্রতল থেকে প্রায় ৩,৬৬২ মিটার (১২,০১৪ ফুট) উপরে অবস্থিত। নাকো হ্রদ হিমাচল প্রদেশের হ্যাংরাং উপত্যকার নাকো গ্রামে অবস্থিত। 


★21& 22 May 2025 (6th +7th day) Wednes & Thursday 

     

সকালে::---21/05/2025 বুধবার।

নাকো হ্রদের পরে হাউসস্টের ছাদে বসে সকালের সৌন্দর্য উপভগ করা তার পরে হ্রদের জলে বোটে ভ্রমনের মজাই আলাদা।

বোট মাথা পিছু 100/-টাকা আধা ঘন্টা।

এক বোটে চারজন।


        

          চিতকুলের পথে::---


21 May 2025 (6 the day)Wednesday


 ●~BUS:=Nako------>Chitkul. 

           140 km------5 hrs

Drive through:--Scenic Kinnaur      

         Region::-----

  ●~at Chitkul.(2N+1D)

  21 তারিখ সন্ধ্যায় Chitkul.

এখানে দুই রাত্রি এবং একদিন থাকবো।


আমাদের হোটেল::-- চিটকুল হোটেল 

   Samaa Resorts & Hotels

এটি ভারতের শেষ সীমাবার হোটেল

এর পরেই তিব্বতের বর্ডার।

চিটকুল হল হিমাচল প্রদেশের কিন্নৌর বাসপা উপত্যকার একটি গ্রাম । 


শীতকালে, এই জায়গাটি বেশিরভাগ সময় তুষারে ঢাকা থাকে এবং বাসিন্দারা হিমাচলের নিম্ন অঞ্চলে চলে যায় ।

স্থানীয়দের ধারণা

চিতকুলের মাঠি মন্দিরটি ৫০০ বছরের পুরনো হতে পারে।

স্থানাঙ্ক: ৩১.৩৫১৮৪১১°উত্তর ৭৮.৪৩৬৮২৫৩°পূর্ব

উচ্চতা:-৩,৪৫০ মিটার (১১,৩২০ ফুট)

পিন ::--১৭২১০৬

আলপাইন জলবায়ু.

আইআইটি দিল্লির সেন্টার অফ অ্যাটমোস্ফিয়ারিক সায়েন্সেসের সাম্প্রতিক এক গবেষণা অনুসারে, চিতকুলে ভারতের সবচেয়ে পরিষ্কার বাতাস রয়েছে। 


●  চিতকুলে দর্শনীয়::-- 

      ●Mathi Temple

      ●Baspa Riverside Walk

সকালে বাসপা নদীর পাড়ে

রাত্রিবাস::--চিটকুল.

★22 May 2025 (7th day) Thursday

  ●~at Chitkul.

সকালে কিছুক্ষন বাসপা নদীর ধারে হেঁটে বেরিয়ে সুন্দর সকালটা উপভোগ করে

বেরিয়ে পড়লাম সারলং এর দিকে ।


পথে বাতথেরি গ্রামে আপেল বাগানের ভেতরে বাঞ্জারা চা আড্ডা নামক হোটেলে দুপুরের খাওয়া হোল। টাউর্ট মাছ(trout)

হিমাচল প্রদেশে ও  তার ভ্যালির মানুষের  বিশেষ করে যুব সমাজের একটা বড় অংশের দাবি, ট্রাউট মাছের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। এবং সেটি পাওয়া যায় একমাত্র হিমাচলের নদীতে বিশেষ করে

 তীর্থানে।

এরপরে একটু এগিয়ে সাংলা উপত্যকা।


ভারতের হিমাচল প্রদেশের কিন্নৌর জেলার অন্তর্গত , তিব্বত  সীমান্তের কাছে এখানেও বাসপা নদীর দুই ধারে ঘুরে 

      বেড়ানোর সুন্দর জায়গা।

    ● স্থানীয় বাজার দেখা।

বিকেলে আবার চিতকুলে ফিরে বাসপা নদীর ধারে প্রচন্ড ঠান্ডা হওযায় সন্ধ্যার সৌন্দর্য উপভোগ করে ফিরলাম হোটেলে।

আগামী কাল ফের রওনা দেবো শিমলার জন্য।


রাত্রিবাস::-চিতকুলের  SAMAA হোটেলে।



          শিমলার পথে::-----9


★23 May 2025 (8th day) Friday

 সকাল 9টায় রওনা দিলাম শিমলার উদ্যেশ্যে।

  ●~BUS==--Chitkule---->Shimla.

     240 km-----8/9 Hrs


পথে দর্শনীয়::---

     ●রামপুরে দুপুরের খাবার

    রামপুরে ::--হিমাচলের পছন্দসই খাবার নিশ্চই পছন্দ হবে। এখানকার পিটজা ও গার্লিক টোস্ট ও অন্যান্য খাবার গুলি বেশভালই ছিলো। 

বিকেল 5 টায় পৌঁছলাম কুফরী (Kufri ) তে।

এখানে ওরা 9 জন ঘোড়ায় ও আমরা দুজনে জিপসি  করে ঘুরে দর্শিনয় পয়েন্ট গুলি দেখলাম।

নাগ মন্দিত, ফটোশুট গার্ডেন ইত্যাদি।

(জায়গা গুলোর নাম ফটো দেখে লিখতে হবে)

এরপরে আবার রওনা দিলাম শিমলার পাহাড় টপের হোটেলের দিকে।


সন্ধ্যা9:00টায় শিমলার জাখো রোডে হোটেল 'Summit Le Royale Hotel' এতে পৌঁছলাম। 5*হোটেল এলাহী ব্যাপার।


রাত্রিবাস::--- শিমলার হোটেল সুমিত লে রয়াল হোটেলে।

এখানে  শিমলাতেও দুই রাত্রি থাকবো

   ( 2N+1D)



★24 May 2025 (9th day) Saturday

          

           ●*শিমলাতে ::---

  ●Jakhoo Temple 

    ●রোপ ওয়ে 


সকালে জাখো মন্দির।

जाखू मंदिर का अर्थ है "जाखू पहाड़ी पर मंदिर।" यह शिमला, हिमाचल प्रदेश में हनुमान जी को समर्पित एक प्रसिद्ध मंदिर है। इसे जाखू पहाड़ी के शिखर पर स्थित होने के कारण जाना जाता है। 

বিশাল হনুমানজীর মূর্তি


(জাখো= যক্ষ +যাক+যাকু-জাখু

जाखू मन्दिर का इतिहास


शिमला नगर के ऐतिहासिक जाखू पर्वत के शिखर पर श्री हनुमान जी का प्राचीन मन्दिर है। ऐसी मान्यता है कि लंका के युद्ध में जब श्री हनुमान जी आकाश मार्ग से संजीवनी बूटी लेने के लिए हिमालय की ओर द्रुतगति से आ रहे थे तो अचानक उनकी दृष्टि जाखू पर्वत पर तपस्या लीन यक्ष ऋषि पर पड़ी। कालान्तर से उनके नाम पर ही (यक्ष+याक + याकू-जाखू) इस स्थान का नाम जाखू पड़ा।


संजीवनी बूटी का परिचय जानने के लिए हनुमान जी यहां पर उतर गए। उनके वेग से जाखू पर्वत जो पहले काफी ऊंचा था, आधा पृथ्वी के गर्भमें समा गया। बूटी का परिचय प्राप्त करने के उपरान्त श्री हनुमान जी अपना साधय प्राप्ति के लिए द्रोण पर्वत की ओर चले गए, जिस स्थान पर हनुमान जी उतरे थे वहां पर आज भी उनके चरण चिन्हों को मन्दिर के पीछे एक कुटिया में संगमरमर से निर्मत करके सुरक्षित रखा गया है। ऋषि में कालनेमी के कुचक्र में अधिक समय नष्ट होने के कारण श्री हनुमान जी छोटे मार्ग से अयोध्या होते हुए चले गए। प्रतिक्षारत ऋषि श्री हनुमान जी के न लौटने पर व्याकुल हो गए। उस समय श्री हनुमान जी ने ऋषि को दर्शन दिए और न आने का कारण बताया। उनके अर्न्तध्यान होने के तुरन्त बाद एक स्वयंभू मुर्ति प्रकट हुई जो आज विद्यमान है। यक्ष ऋषि ने श्री हनुमान जी की स्मृति को विद्यमान रखने के लिए इस मन्दिर का नि


तब से आज तक यह मन्दिर यहां पर विद्यमान है। श्री हनुमान जी का जो भक्त सच्चे मन से इस मन्दिर में पूजा-पाठ करता है, श्री हनुमान जी उनके सकल मनोरथ पूर्ण करते हैं तथा दुष्टों का संहार करके भक्तों की रक्षा करते हैं।

==============

এরপরে চড়লাম রোপওয়েতে করে শেষ প্রান্তে নেবে  হাটা পথে পৌঁছলাম শিমলার চার্চে।

চার্চের পাশেই হোটেলে 

'The Brew Estate" এতে দুপুরের ভোজন সারলাম।

  ●*Viceregal Lodge 

  ●*Christ Church

  ● শিমলার কালি মন্দির(বৃষ্টিতে ভিজে)

   ●সন্ধ্যায়::---*Mall Road walk.

        Cafe-- shopping.



  রাত্রিবাস::--শিমলার হোটেলে।

★25 May 2025 (10 th day) Sunday

Shimla--->Chandigarh-->Delhi-->CCU

 ●~BUS-->TRAIN---> AIR


●~BUS-->SHIMLA ----->Chandigarh

     110Km-----3.5 hrs


Chandigarh------>Delhi

 Train ::-240km-----3 hrs

VandeBharat Exp No--20978 

Dep::-15:15-->Chandigarh

Arrive:--18:23-->Delhi Can't


◆◆Flight:--->Indigo--No-389

    Dep:--21:15 Delhi (DEL)

   Arrive:--23:40 Kolkata (CCU)


Tour concludes with

  BOHEMIANS Experience.

=========================

আবহাওয়া ও তসমাত্রার পরিবর্তন

যেমন::--

Kolkata-----------33°

Narakanda-----19°

Sarahan--------- 22°

Kalpa--------------15°

Sangla------------10°


========================


Here is the reconfirmed weather forecast for our trip from May 16 to May 24, 2025, covering Delhi, Narkanda, Sarahan, Kalpa, Nako, Chitkul, and Shimla.  The forecast includes maximum and minimum temperatures along with rainfall chances: 


📍 May 16 – Delhi

Max: 43°C (109°F)

Min: 30°C (85°F)

Conditions: Mostly sunny and very hot.

Rainfall: No rain expected. 


📍 May 17 – Narkanda

Max: 20°C (68°F)

Min: 9°C (48°F)

Conditions: Sunshine with a few clouds.

Rainfall: Approximately 65 mm (2.6 inches) of rain expected over 9 days in May.  


📍 May 18 – Sarahan

Max: 40°C (104°F)

Min: 27°C (81°F)

Conditions: Mostly sunny and very hot.

Rainfall: No rain expected. 


📍 May 19 – Kalpa

Max: 28°C (82°F)

Min: 12°C (53°F)

Conditions: Mostly sunny.

Rainfall: Approximately 54 mm (2.1 inches) of rain expected over 8 days in May.  


📍 May 20 – Nako

Max: 15°C (58°F)

Min: -3°C (27°F)

Conditions: Sun followed by clouds.

Rainfall: No rain expected. 


📍 May 21–22 – Chitkul

Max: Approximately 15°C (59°F)

Min: Approximately 2°C (36°F)

Conditions: Partly cloudy to mostly sunny.

Rainfall: Low chance of rain. 


📍 May 23–24 – Shimla

Max: 25°C (77°F)

Min: 15°C (59°F)

Conditions: Warm and reasonably dry.

Rainfall: Approximately 79 mm (3.1 inches) of rain expected over 10 days in May.  


Summary:

Hot Days: Expect very hot conditions in Delhi and Sarahan.


Cool Nights: Cooler temperatures in Narkanda, Kalpa, Nako, and Chitkul, especially at night.


Rainfall: Minimal rainfall expected in Narkanda, Kalpa, and Shimla; other locations are likely to remain dry.

======================

◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆

【【【【【【【【【【【【【【






●কুফরি হল ভারতের সিমলা জেলার একটি রিসর্ট হিল স্টেশন। এটি রাজ্যের রাজধানী সিমলা থেকে 20 কিমি দূরে 5 নং জাতীয় সড়কে অবস্থিত। 



●সারাহান::--

সারাহান ভারতের হিমাচল প্রদেশের একটি ছোট শহর । এখানে ভীমকালী মন্দির অবস্থিত , যা মূলত ভীমদেবী মন্দির (ভীমা কালী) নামে পরিচিত, যা পূর্বতন বুশহর রাজ্যের শাসকদের প্রধান দেবী মাতৃদেবী ভীমকালীর উদ্দেশ্যে নিবেদিত । মন্দিরটি সিমলা থেকে প্রায়  170 কি মি  দূরে অবস্থিত এবং 51টি শক্তিপীঠের মধ্যে একটি ।


পুরানো ইন্দো--তিব্বত সড়ক পথে কাছে

এই শহরটি  " কিন্নৌরের প্রবেশদ্বার" বলা হয়।

 সাত কিলোমিটার নীচে (সড়কপথে 17 কিলোমিটার) সারাহান হল সাতলুজ নদী। পুরাণে উল্লিখিত শোণিতপুরের সাথে সারাহানের পরিচয় পাওয়া যায় ।


 সারাহান বুশহর ছিল বুশহর রাজ্যের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী, যেখানে রামপুর বুশহরকে শীতকালীন রাজধানী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।  হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বীরভদ্র সিং রাজপরিবারের সদস্য (পূর্ববর্তী রাজা পদম সিংহের পুত্র) এবং সারাহানে "রাজা সাহেব" নামে পরিচিত। তিনি 1962 সাল থেকে বিধানসভা/সংসদের সদস্য এবং ছয়বার মুখ্যমন্ত্রীর পদে অধিষ্ঠিত। তাঁর স্ত্রী রানী প্রতিভা দেবীও বিধানসভার সদস্য।


সারাহানের রয়েল প্যালেসের সৌন্দর্য দেখার মতন।

এখানে ভীমকালী মন্দিরে সম্ভাব্য কুষাণ সময়ের মূর্তি।

2010  সালে রৌপ্য মন্ডিত গেট বসানো হয়।

এখানকার স্থাপত্যের এক অনন্য মিশ্রণ

সারাহানে সিনিয়র সেকেন্ডারি পাবলিক স্কুল আছে।

●Night stay :--At-Sarahan::--Hotel / Home stay.

========================



Visit to Sarahan Bird

     Sanctuary.

তিতির প্রজনন কেন্দ্র (pheasant breeding center) আছে, যেখানে হিমাচল প্রদেশের রাষ্ট্রীয় পাখি মোনাল (Monal) দেখা যায়। 


তিতির প্রজনন কেন্দ্র:

 ভিমাকালী মন্দির কমপ্লেক্সের কাছে একটি তিতির প্রজনন কেন্দ্র রয়েছে, যেখানে মোনাল পাখির দেখা মেলে। 

মোনাল:

হিমাচল প্রদেশের রাষ্ট্রীয় পাখি মোনাল এখানে দেখা যায়। 



Reckong peo::--

রিকং পিও  হিমাচল প্রদেশের  কিন্নউর ডিস্ট্রিক্টে অবস্তিত।

এটি কিন্নউর ডিস্ট্রিক্টের হেড কোয়ার্টার

অপরূপ সৌন্দর্য্যের জন্য বিশেষ পরিচিত ভ্রমন প্রিয়দের জন্য।

এটি কিন্নউর অঞ্চলে যাবার গেট হিসাবে পরিচিত।

রেকং পিও তার অত্যাশ্চর্য প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য পরিচিত, এখানেই আছে  সাংলা উপত্যকা এবং হাংরাং উপত্যকা।

 

kinnaur একটি স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে গঠিত হওয়ার আগে, এই অঞ্চলটি বুশহর রাজ্যের (Bushahr State) অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার রাজধানী ছিল রম্পুর (Rampur). এখন জেলাটিকে বেশ কয়েকটি তেহসিল (tehsils) যেমন - কালাপা (Kalpa), পোও (Pooh), সাংলা (Sangla), মোরাং (Moorang), হ্যাংরাং (Hangrang), এবং বাভা নগর (Bhaba Nagar) - তে ভাগ করা হয়েছে, যেখানে রেখং পোও (Reckong Peo) কালাপা তেহসিলের অন্তর্ভুক্ত. এবং বাস্কা নদীর (Baspa river) পাশে অবস্থিত চিত্রকুল (Chitkul) নামের একটি সুন্দর গ্রাম একটি জনপ্রিয় আকর্ষণ. Then 

●Visit :-- Monastery--- then to 

Local Markets.

●Arrival ::--KALPA By early afternoon.

Lunch::--,Local eatery at Kalpa.


Explore::--Roghi Suicide points

●  optional::--- like to Batseri village 

●Sunset::--Vew of Kinner Kailash  from Kalpa.

Night stay::--Hotel/ Home stay with a view.

====================


●khab Confluence( খাব সঙ্গমস্থল) --meeting point of Spite & Sutlej River.

●Kazigs (Hairpin bends)::--Scenic photo point.

Arrival::--Kako by early afternoon.

Explore::--

●Nako Lake--Screne high--altitude lake.

●Nako Monastery:--11th century heritage .

Night stay::--Guesr house/ Home stay in Nako. 

================


●Breakfast:-- with Himalayan Views

●Drive :-via Kinnaur Valley and Sangla.

En Route stop:--

●Kamree Fort near Sangla.

●Arrival::--Chitkul by early afternoon

Explore::--

●Mathi Temple::--Village deity ( গ্রাম দেবতা)

●Baspa Riverside walk.

●Try fresh trout at local Cafe.

  (সতেজ বা তাজা ট্রাউট মাছ"। "ট্রাউট" হল একটি ঠান্ডা জলের মাছের একটি প্রজাতি, যা সাধারণত শীতল স্রোত, ঝর্ণা এবং হ্রদে পাওয়া যায়। )


Night stay::-- at traditional wooden home stay in Chitkul.

===================


●Chitkul---->Narkanda (180 km 

           driving Time 6--7hrs)


●Early Breakfast:-in Chitkul

●Drive :-Return  via Sangla--Rampur.


=================


*Theog Fagu or chail (থিওগ ফাগু বা চাইল মেইনি নিজের নিজের পছন্দ মতন

জায়গাতে )

●দুপুরের খাবার::--পথের ধারে শিমলার 

   মলে।

●সান্ধ্য ক্রিয়া কর্ম,:--*কোন ক্যাফেতে,

*হেরিটেজ দর্শন। *মলে কেনাকাটা.


রাত্রি বাস::--শিমলার হোটেলে।

=================

★24 th May 2025---(8 th Day)

শিমলাতে একদিন  আরম ও ভ্রমন।

একটু খোলা হওয়ায় স্বাস নেওয়া।

কিছু করণীয় নিজেদের পছন্দ করতে হবে

::---

●দর্শন ভাইসরীগল লজ।

●খ্রিস্টান চার্চ।

● শিমলার টয়ট্রেন।(শিমলা থেকে গ্রীষ্মের পাহাড়)

●দর্শন জাখু মন্দির বা যাখু মন্দিরও বলা হয়। (ভায়া রোপওয়ে)

ভারতের হিমাচল প্রদেশের শিমলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দির , হিন্দু দেবতা হনুমানের উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত ।  এটি শিমলার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জাখু পাহাড়ে অবস্থিত, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,৪৫৫ মিটার (৮,০৫৪ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত।  প্রতি বছর, দশেরা উৎসব অনুষ্ঠিত হয় ,  1972 সালের আগে এই উৎসব আন্নাডালে অনুষ্ঠিত হত ।  শ্রী হনুমানজির মূর্তি মন্দির প্রাঙ্গণে অবস্থিত যা বিশ্বের অন্যতম উঁচু হিসেবে পরিচিত।


●রাত্রি বাস:---শিমলার হোটেলে।

================


First part::----14/5/25


হিমালয়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে::---

রহস্যময়ী কিন্নর ভ্যালী ও আশেপাশে।

Tour itinerary (ভ্রমন সূচী)--16/5/2025

To 25/05/2025

---Kindred Kinnaur,where Mountains meet the soul.

কিন্ডার কিন্নউর সৌন্দর্য যেখানে পর্বত শৃঙ্গের শোভা হৃদয়কে স্পর্শ করে।

শৃঙ্ গুলির নিস্তব্ধ বিশালতা ও তাদের সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ হয়ে মৌন থেকেও অনেক কথা বলে যা হৃদয় বীনার সুমধুর সুরে সুরে মনকে ভরিয়ে তোলে,

এক অনাবিল আনন্দের শিহরণ জাগিয়ে তোলে।

আমাদের এবারের  9 রাত্রি 10 দিন হিমাচল প্রদেশে পারিবারিক ভ্রমন সূচী। এই ভ্রমণে আমরা 8(আট) জন প্রাপ্তবয়স্ক, এবং 3 জন শিশু। 

চলেছি হিমালয়কে একটু ছুঁয়ে দেখতে, তার সুঠাম মনমুগ্ধকর সৌন্দর্য উপভোগ করতে, হিমালয়ের শীতলতার পরশ পেতে। রোজ নামচার রুটিন থেকে নিজেকে  আলতো করে সরিয়ে একটু প্রকৃতির মুক্ত হওয়ায় গা ভিজিয়ে নিতে, একটু শুদ্ধ অক্সিজেন বুকে ভোরে নিতে।::---

========================


◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆

Himachali cuisine, also known as Pahadi cuisine, is a vibrant mix of Punjabi and Tibetan influences, with a strong emphasis on local ingredients and traditional cooking methods. It features dishes like Sidu (a stuffed bread), Babru (fried bread stuffed with black gram), and Aktori (buckwheat pancake). Madra (a yogurt-based chickpea curry), Tudkiya Bhath (rice and lentil dish), and Chha Gosht (mutton curry) are also popular.

===========================


কিন্নৌর::---

কিন্নৌর কৈলাশ পর্বত, (যাকে ভগবান শিবের আবাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়) সেই কিন্নৌর কৈলাশ পর্বত  দেখা যায় 

রিকং পিও থেকে।

জনসংখ্যার হিসাবে,কিন্নর ভারতের ক্ষুদ্রতম জেলার একটি। 

কিন্নৌর ভারতের হিমাচল প্রদেশ রাজ্যের প্রশাসনিক বারোটি জেলার মধ্যে  দ্বিতীয় জনবহুল জেলা। জেলাটি তিনটি প্রশাসনিক এলাকায় বিভক্ত। পু, কল্পা এবং নিচর – এবং পাঁচটি তহশিল (জেলা) নিয়ে গঠিত।

রিকং পিও কিন্নৌর জেলার সদরদপ্তর; 

জেলা গুলি হাংরাং, কল্পা, মোরাং,নিচর,

পু,সাংলা।

এখানে পুরুষের থেকে নারীর সংখ্যা একটু হলেও বেশি।

কিন্নৌর বা কিন্নর  রাজ্যের রাজধানী শিমলা।

এই শিমলা থেকে কিন্নরের দূরত্ব 235 কি,মি (146 মাইল)।

কিন্নরে  তিনটি উচ্চ পর্বত পরিসর আছে ,জান্সকার, হিমালয় এবং ধৌলাধর যেগুলি শতদ্রু , স্পিতি,বাস্পা এই তিনটি উপত্যকা এবং তাদের শাখাগুলিকে পরিবেষ্টন করে আছে। 

এখানে প্রচুর  কাঠ, ও নানান ফলের বাগান আছে।

কিন্নর কৈলাশ পর্বতের শিখরে একটি বিখ্যাত প্রাকৃতিক শিলা শিবলিঙ্গ আছে।

এটি কিন্নর কৈলাশের নামে বিখ্যাত এবং পর্বতটি হিন্দুদের নিকট অত্যন্ত পবিত্র।এটি তিব্বত সীমান্তের নিকট অবস্থিত।


এখানকার মানুষ বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী।

এখানকার মানুষের বিশ্বাস যে নির্বাসনে থাকার সময় পাণ্ডবগণ এসে এই জায়গায় বসবাস করেছিলেন(কারমু গ্রাম)। হাজার বছরের পুরানো বৌদ্ধমঠ আজও এখানে বর্তমান।

 আপেল, চিলগোজা(বাদামী) এবং অন্যান্য শুকনো ফল এখানে উৎপাদিত হয়। উচ্চ ভূখণ্ডর জন্য এখানে দুঃসাহসিক ক্রীড়ার সুবিধা। ট্রেকিং রুটের মধ্যে 'কিন্নর কৈলাশের পরিক্রমা' একটি।


কিন্নর ভ্যালি::---

হিমাচল প্রদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে, পূর্ব তিব্বতের কাছে।
কিন্নর ভ্যালি হলো হিমাচল প্রদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত একটি উপত্যকা, যা পূর্বে তিব্বতের সীমান্তবর্তী এবং জান্সকার, হিমালয় ও ধৌলাধর পর্বতমালায় ঘেরা।
এটি কিন্নর কৈলাসের জন্য বিখ্যাত, যা হিন্দুদের কাছে পবিত্র এবং এখানে আপেল ও এপ্রিকটের বাগান দেখা যায়।

●জান্সকার, হিমালয় ও ধৌলাধর পর্বতমালায় ঘেরা।
●শতদ্রু, স্পিতি ও বাস্পা উপত্যকা এবং তাদের শাখাগুলি।
●কিন্নর কৈলাস (মাউন্ট কিন্নর কৈলাস) হিন্দুদের কাছে পবিত্র।
●কালপা গ্রাম থেকে কিন্নর কৈলাসের সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়।
এপ্রিকট ও আপেলের বাগান রয়েছে।
সাংলা উপত্যকা (বাসপা সাংলা উপত্যকা নামেও পরিচিত) কিন্নর উপত্যকার অংশ।
পর্যটনের জন্য সেরা সময়:
এপ্রিল থেকে অক্টোবর।
এখানে আছে::----
নাকো গ্রাম, ভীমাকালী মন্দির,
চিটকুলে (ভারত-তিব্বত সীমান্তের শেষ গ্রাম)

=========================

●>নরকান্দা/নারকান্ডা হিমাচল শিমলা
কিন্নর।
জেলার একটি নগর পঞ্চায়েত-শাসিত শহর। শিমলা থেকে কিন্নর জেলা যাওয়ার পথে নারকান্দা,
সমুদ্র তল থেকে উচ্চতা 2621 মিটার (8599 ফুট)

======================
●>সারাহান::---
উষ্ণ প্রস্রবণ---
22 নম্বর জাতীয় সড়কে সারাহান যাওয়ার ঠিক আগে জেওরিতে একটি উষ্ণ জলের স্নানের স্থান আছে ।
স্থানীয়দের মতে, এই স্নানের জলে ঔষধি গুণ রয়েছে।

সারাহান ভারতের হিমাচল প্রদেশের একটি ছোট শহর । এখানে ভীমকালী মন্দির অবস্থিত , যা মূলত ভীমদেবী মন্দির (ভীমা কালী) নামে পরিচিত, যা পূর্বতন বুশহর রাজ্যের শাসকদের প্রধান দেবী মাতৃদেবী ভীমকালীর উদ্দেশ্যে নিবেদিত । মন্দিরটি সিমলা থেকে প্রায় 170 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং
51 টি শক্তিপীঠের মধ্যে একটি ।
এটিপুরাতন ইন্দো-তিব্বতীয় সড়কের কাছে অবস্থিত এই শহরটিকে " কিন্নৌরের প্রবেশদ্বার" বলা হয় ।
ভীমকালী মন্দিরে হিন্দু এবং বজ্রযান উভয় ধরণের বৌদ্ধ মূর্তি এবং অলঙ্করণ রয়েছে ।
এখানকার ঐতিহ্যবাহী কাঠের মন্দির স্থাপত্য কাঠ-কুনি শৈলীতে নির্মিত। কিছু পাথরের মূর্তি কুষাণ যুগের (আনুমানিক প্রথম থেকে তৃতীয় শতাব্দী) হতে পারে ।

দুটি সংলগ্ন মন্দির ভবন রয়েছে। একটি পুরাতন এবং পুনরুজ্জীবিত, এবং অন্যটি তুলনামূলকভাবে নতুন। মন্দিরটি কাঠ-কুনি স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত।
খাঁজকাটা এবং আন্তঃসংযুক্ত পাথর এবং কাঠের বিকল্প সারি দেয়ালগুলিকে শক্তি প্রদান করে।
পাহাড়ি অঞ্চলের সাধারণ ভবনগুলিতে পাওয়া যায় এমন নিচু ছাদ সহ পুরু দেয়াল শীতকালে উষ্ণতা প্রদান করে।

রাজা ও রাণীর প্রাসাদ মন্দির সংলগ্ন তুলনামূলকভাবে সাম্প্রতিক ভবন। প্রাসাদগুলি সাধারণত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে না, যদিও বাগান এবং বাগানে কিছু প্রবেশাধিকার রয়েছে। রাজপরিবার আর সেখানে থাকেন না এবং অক্টোবরে দুর্গাপূজা উৎসবের সময় মাঝে মাঝে আসেন।

সারাহানের মন্দির থেকে 500 মিটার দূরে অবস্থিত সারাহানের ফিস্যান্ট্রি স্থানীয় কিছু প্রজাতির পাখির প্রজননের স্থান।  গ্রীষ্মকালে প্রজনন মৌসুম হওয়ায় ফিস্যান্ট্রি বন্ধ থাকে।

হাওয়া-ঘর::----
হাওয়া-ঘর হল ছাউনির নিচে নির্মিত একটি ছোট বসার জায়গা যা থেকে চূড়া এবং উপত্যকার দৃশ্য দেখা যায়। এর চারপাশে এখন লম্বা গাছ জন্মেছে এবং দৃশ্য দেখা যায় না। এটি সারাহান থেকে ২ কিমি উঁচুতে নির্মিত।

স্টেডিয়াম::--

ফিস্যান্ট্রির কাছে একটি স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়েছে ।
এখানে একটি সশস্ত্র সীমা বল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে।
=====================

●>Reckong Peo::----Kalpa+ শিমলা==
রেকং পিও ,স্থানীয় বাসিন্দারা কেবল পিও নামেই জানে । এটি ভারতের হিমাচল প্রদেশের বারোটি প্রশাসনিক জেলার মধ্যে একটি, কিন্নৌর জেলার সদর দপ্তর ।
উচ্চতা=2,290 মিটার( 7,520 ফুট)
রেকং পিও শিমলা থেকে  260 কিলোমিটার (162 মাইল) এবং পোয়ারি থেকে 7 (সাত) কিলোমিটার (4.5 মাইল) দূরে অবস্থিত - এটি 5 নম্বর জাতীয় সড়কের উপর অবস্থিত।
নিকটতম শহরগুলি::--
ভাবা নগর , রামপুর , কুমারসাইন , পুহ , কাজা ।
এখানে 80(আশি)ফুট উঁচু একটি পবিত্র শিলা স্তম্ভ  আছে । যাকে শিবলিঙ্গ রূপে পূজা করা হয় ও প্রদক্ষিণ করাহয়।
পবিত্র শিলাস্তম্ভের চারপাশে ঘড়ির কাঁটার দিকে ' পরিক্রমা ' (প্রদক্ষিণ) ভ্রমণ করা হয় এই প্রদক্ষিণ শুরু হয় চরাং গ্রাম থেকে  এবং দীর্ঘ চ্যালেঞ্জিং ভূখণ্ড অতিক্রম করে চিতকুলে শেষ হয়।

সমগ্র জেলার বৃহত্তম বাজার এখানে আছে  এবং সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও প্রশাসনিক অফিস রেকং পিওতেই আছে।  রেকং পিওর এইচআরটিসি বাস স্ট্যান্ড থেকে জেলার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রাম এবং অন্যান্য স্থান যাবার জন্য বাস পাওয়া যায়।
============================
●>Kalpa===--
  উচ্চতা::--2,960 মিটার ( 9710 ফুট)
এখানে কিছু হিন্দু ও বৌদ্ধ মন্দির আছে।
কল্পা  উত্তর ভারতের হিমাচল প্রদেশের কিন্নর জেলার অন্তর্ভুক্ত শতদ্রু নদী উপত্যকায়  রিকং পিওর ওপরে একটি ছোট শহর।
এখনকার জনগণকে কিন্নরী জনগণ বলাহয় এবং অঞ্চলটি আপেল বাগানের জন্য বিখ্যাত। আপেল এখানকার প্রধান অর্থকরী ফসল।
স্থানীয় বাসিন্দারা হিন্দুধর্ম এবং বৌদ্ধধর্মে বিশ্বাসী। কল্পায় অনেক মন্দির হিন্দু ও বৌদ্ধ দেব-দেবীর মন্দির আছে।

কিন্নর-কৈলাস রেঞ্জ দেখতে ট্রেকিং
করে যাওয়া যায় বা সুন্দর আপেল বাগান বা চিলগোজা পাইন বনে ঘুরে বেড়াতে বেশ ভালোই লাগে।
এখানে আছে  নাগ নাগিনী মন্দির, চন্ডিকা দেবী মন্দির এবং হু-বু-লান-কার মঠ আছে।

=========================

●>Khab Confluence (spiti & Sutlej)

Khab Confluence, also known as Khab Sangam,
খাব সঙ্গম হোল-স্পিতি ও শতলুজ নদীর সঙ্গম।
is the point where the Spiti River and the Sutlej River meet, forming the Sutlej River. It's located in Kinnaur, Himachal Pradesh, near the India-Tibet border. This scenic spot is accessible via National Highway 5 from Shimla.
খাব ভারতের হিমাচল প্রদেশ রাজ্যের একটি ছোট গ্রাম। এটি ভারত-তিব্বত সীমান্তের কাছে সুতলজ নদী উপত্যকায় অবস্থিত।
স্পিতি হলো হিমালয়ের একটি উচ্চভূমি অঞ্চল,শতলুজ নদী (সুতলেজ) সিন্ধুর দীর্ঘ তম উপনদীর একটি।
শতলুজ নদী উত্তর ভারতের পাঞ্জাব এবং পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। সিন্ধু জল চুক্তির অধীনে, শতদ্রু নদীর জল ভারতের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।
========================
●>Kahzigs- Hair pin bends:---
Kahzigs- Hair pins bends which start after Khab bridge and takes you to higher Altitudes in no time, this time I knew about it, where to stop, where to click.
=====================

●>শিমলা::--
ব্রিটিশ আমলে ইংরেজ দের গ্রীষ্ম অবকাশের স্থান ছিল শিমলা।  “গ্রীষ্মকালের রাজধানী শহর” হিসেবেই পরিচিত ছিল।
আসলে এই শিমলা হোল “হিল ষ্টেশনের রানী” ।
এই শহরের সৌন্দর্য যা প্রাকৃতিক নৈসর্গে  পরিপূর্ণ। আর পর্যটকদের কাছে শীতের ওয়ান্ডারল্যান্ড হিসেবে খ্যাত শিমলাতে ঘুরে দেখার জন্য অসংখ্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে।

শিমলাতে দর্শনীয় স্থান::---
হিমাচলের ছোট্ট সুন্দর শহর শিমলা যেন পর্যটকদের মুগ্ধ করার জন্য  বাহারি রূপের পসরা সাজিয়ে আছে।এখানকার বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য দেশ বিদেশের পর্যটক এই শিমলাকে তাদের পছন্দের শীর্ষে স্থানে রাখেন।

●1>দ্যা রিজ (The Ridge):---
শহরের কেন্দ্রে মল রোডের কাছে অবস্থিত এই স্থান শিমলার সকল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রস্থল। বিশাল বড় এরিয়া নিয়ে গড়ে উঠা এই খোলা চত্বরের আশেপাশে বেশকিছু পুরনো বিল্ডিং আছে। এখানকার সূর্যাস্তের দৃশ্য খুব সুন্দর ভাবে উপভোগ করা যায়।

●2>মল রোড (Mall Road):

রিজের রাস্তা ধরে হেঁটে নিচে গেলেই শিমলার মল রোড। মল রোড টি দুই ভাগে বিভক্ত। মল রোডে শিমলার বিভিন্ন প্রশাসনিক ভবনের সাথে সাথে অসংখ্য ল্যান্ডমার্ক রয়েছে। মল রোডের স্নো ফল দেখার অভিজ্ঞতা এক কথায় অসাধারণ। এই রাস্তা ধরে হাঁটলে শিমলা শহরের
নাগরিক দের সাথে আলাপ পরিচ হতে পারে। এছাড়াও এখানে আছে ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট ও অসংখ্য দোকানসহ বিনোদনের নানা আয়োজন।

●3>ক্রাইস্ট চার্চ (Christ Church)::---

1857 সালে নির্মিত ভারতের দ্বিতীয় প্রাচীণ গির্জাটি দ্যা রিজ থেকে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত। ঐতিহাসিক নিদর্শন ও ধর্মীয় ভাব গাম্ভির্যপূর্ণ এই চার্চ শিমলার একটি বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক। নিও-গোথিক স্থাপত্যের নিদর্শন চার্চটি এলিজাবেথিয় নকশা ও চারপাশের উৎসব মুখর পরিবেশের জন্য অধিক জনপ্রিয়।

●4>সামার হিল (Summer Hill)::--

মল রোড কাছেই কালকা-শিমলা রেললাইনে অবস্থিত সামার হিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার জন্য পর্যটকদের কাছে পছন্দের স্থান। এই পাহাড় শিমলার বিখ্যাত সাতটি পাহাড়ের একটি অংশ যেখান থেকে পাইন, ওক, সেডার ও দেবদারু গাছের মাঝে অবস্থিত ছোট ছোট ভিলার প্যানোরমিক ভিউ খুব সুন্দর দেখা যায়।

●5>ভ্যাইসরিগেল লজ (Viceregal Lodge):::----

    1888 (আঠার শত অষ্টআশি) সালে স্থপতি ব্রিটিশ হেনরি ইরউইনের ডিজাইনে নির্মিত 137 বছরের পুরনো এই লজ ব্রিটিশ ভাইসরয়ের বাসভবন ছিল। বর্তমানে লজটি ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ অ্যাডভান্স স্টাডিজের সদরদপ্তর হিসেবে পরিচিত। জ্যাকোবিয়ান স্টাইলে নির্মাণ করা দৃষ্টিনন্দন ভবন শিমলার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের এক ঐতিহাসিক সাক্ষী।

●6>সেন্ট মাইকেল ক্যাথিড্রাল (ST. Michael’s Cathedral):::----

1885 সালে নির্মিত এই চার্চ শিমলার প্রথম ক্যাথলিক গির্জা। গির্জায় স্থাপিত পাঁচটি বেদি ইতালি থেকে আনা হয়েছে। গির্জায় পাথরের কারুকাজ দেখতে ও নিরিবিলি সময় কাটাতে অসংখ্য পর্যটক এখানে আসেন।

●7>হিমাচল ষ্টেট মিউজিয়াম (Himachal State Museum):::---

হিমাচল ষ্টেট মিউজিয়ামের 35 টি গ্যালারিতে হিমাচলের সংস্কৃতির বিভিন্ন প্রাচীন নিদর্শন কয়েন, নিত্য ব্যবহৃত সরঞ্জাম, মাটির জিনিসপত্র, গহনা, পেইন্টিং ও পোশাক-পরিচ্ছদ সংরক্ষিত আছে।

●8>জনি’স ওয়াক্স মিউজিয়াম (Wax Museum):::---

জাদুঘরটিতে বিভিন্ন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যাক্তিবর্গের মোমের ভাস্কর্য রাখা আছে। জাদুঘরে জনপ্রতি প্রবেশ ফি ₹ 250/- রুপি।

●9>গেইতি হেরিটেজ কালচারাল কমপ্লেক্স (Gaiety Heritage):::---

1887 সালে স্থাপিত কমপ্লেক্সটিতে ব্রিটিশ বাসিন্দাদের বিনোদনের জন্য নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। বর্তমানে এখানে বিভিন্ন ধরনের শো ও প্রদর্শনী হয়ে থাকে। এখানে অবস্থিত চার্চ সকাল 11 টা থেকে বিকাল 5 টা পর্যন্ত খোলা থাকে। কমপ্লেক্সে জনপ্রতি প্রবেশ ফি ₹10/- রুপি (টাকা)।

●10>কোটগড় (Kotgarh):::----

শিমলা থেকে একটু দূরে 82 কিলোমিটার দূরে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে  6500 মিটার
(21,320 ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত কোটগড় মূলত আপেলের বাগানের জন্য বিখ্যাত। এখানে হেতু পিক ও মন্দির, তানজুব্বার লেক ও দেরথু মাতা টেম্পল সহ বেশকিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে।

●11>জাখু (Jakhoo): ::---

এখানে আছে পবন পুত্র হনুমানজীর মন্দির। প্রাচীন এই মন্দির শিমলার সর্বোচ্চ পিক জাখো হিলে অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায়  2455 মিটার
(8,052 ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত এই মন্দিরে প্রতি বছর “দশেরা” উৎসব হয় যা দেখতে হাজার হাজার পর্যটক ভিড় জমায়।

●12>কুফরি (Kufri):::---

শিমলা থেকে 21 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কুফরিতে আছে হিমালায়ান ন্যাচার পার্ক, কুফরি ফান ওয়ার্ল্ড, মাহাশু পিক, শিমলা রিসার্ভ ফরেস্ট সাংচুরি, শিমলা ওয়াটার ওয়াইল্ড লাইফ সাংচুরি ও নাগ টেম্পল। এছাড়া কুফরিতে ইয়াক রাইড, মাহাসু পিক থেকে স্কাইং ও ছালিতে ট্র্যাকিং করার সুযোগ আছে।

●13>ফাগু (Fagu): ::---

শিমলা থেকে 18 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্থানে শীতের সময় স্কাইং ও উইন্টার স্পোর্টস অনেক বেশী জনপ্রিয়। ফাগুর গিরি উপত্যকা থেকে শিমলার ও চারপাশের চমৎকার দৃশ্য দেখা যায়।

●14> নালদেহরা এবং
●15> তত্তপানি ও বিশেষ সুন্দর যায়গা।
=======================

●>রামপুর::--
রামপুর ভারতের হিমাচল প্রদেশ রাজ্যের শিমলা জেলার একটি শহর।
সমুদ্র সমতল হতে এর গড় উচ্চতা হল 1350 মিটার (4429 ফুট)।
=========================
●>নাকো::--
নাকো হল উত্তর ভারতের হিমালয়ের একটি গ্রাম , যা হিমাচল প্রদেশের কিন্নৌর জেলার ট্রান্স-হিমালয় অঞ্চলে ভারত-চীন সীমান্তের কাছে অবস্থিত ।  নাকো হ্রদ এখানকার একটি বিশিষ্ট বৈশিষ্ট্য বহন করে। এখানে একটি বৌদ্ধ মঠ আছে।
এছাড়া  আরও বেশ কয়েকটি বৌদ্ধ চোর্তেন অবস্থিত ।
নাকো হল হাংরাং উপত্যকার বৃহত্তম গ্রাম যার উচ্চতা  11,893 ফুট (3,625 মি)
=========================

●>সাংলা::--
সাংলা হল বাসপা উপত্যকার একটি শহর , যা সাংলা উপত্যকা নামেও পরিচিত, ভারতের হিমাচল প্রদেশের কিন্নৌর জেলার অন্তর্গত , তিব্বত সীমান্তের কাছে ।

সাংলা উপত্যকা বা বাসপা উপত্যকা কারচাম থেকে শুরু হয় এবং চিতকুলে শেষ হয় ।
এখানে কিন্নৌরি ভাষার প্রচলন রয়েছে ।

দর্শনীয় স্থান গুলি::--
সাংলা হল ট্রেকিং করার কেন্দ্রস্থল।
এখান থেকে ট্রেকিং করে দেখা যায়
●কামরু দুর্গ,●হ্রদ এবং বাঁধ,
●কুপা মন্দির,●বদ্রীনাথ মন্দির,
●কামরু,●বেরিং নাগ মন্দির,
●সাংলা বাটসেরি ●মাতা দেবী মন্দির ছিটকুল,●পিরি নাগেস মন্দির,
==========================

●>হিমাচল প্রদেশের বাসপা নদী::--

হিমাচল প্রদেশের বাসপা নদী হলো সাংলা উপত্যকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এটি প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান।
বাসপা নদী প্রায় 122 কিলোমিটার (76 মাইল) দীর্ঘ এবং 7,500 বর্গ কিলোমিটার (2,900 বর্গ মাইল) এলাকা জুড়ে রয়েছে।

এই নদীটি সাংলা উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে স্ফটিক-স্বচ্ছ জল এবং সবুজ পরিবেশের কারণে মনোরম দৃশ্য তৈরি করে।
এই নদীর জল স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ।
নদীর চারপাশের সবুজ পরিবেশ পিকনিক এবং প্রকৃতিতে হাঁটার জন্য মনোরম স্থান।
বাসপা নদী হিমাচল প্রদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পর্যটনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
হিমাচল প্রদেশের সাংলা প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য একটি স্বর্গ
=======================

●>হিমাচল প্রদেশের চিটকুল::----

চিতকুল  দিল্লি থেকে প্রায়  569 কিমি, চণ্ডীগড় থেকে 345 কিমি  এবং সাংলা থেকে 28 কিমি দূরে অবস্থিত।
চিতকুল হিমাচল প্রদেশের কিন্নৌর জেলার একটি গ্রাম ।
উচ্চতা 3,450 মিটার (11,320 ফুট)
শীতকালে, এই জায়গাটি বেশিরভাগ সময় তুষারে ঢাকা থাকে এবং বাসিন্দারা হিমাচলের নিম্ন অঞ্চলে চলে যায় ।
এখানকার মাঠি মন্দিরটি প্রায় 500 বছরের পুরনো।

আইআইটি দিল্লির সেন্টার অফ অ্যাটমোস্ফিয়ারিক সায়েন্সেসের সাম্প্রতিক এক গবেষণা অনুসারে, চিতকুলে ভারতের সবচেয়ে পরিষ্কার বাতাস রয়েছে।
বাসপা নদীর ডান তীরে অবস্থিত চিতকুল গ্রামটি বাসপা উপত্যকার শেষ গ্রাম এবং পুরাতন হিন্দুস্তান-তিব্বত বাণিজ্য রুটের শেষ গ্রাম। এটি ভারতের শেষ স্থান যেখানে অনুমতি ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়।

দর্শনার্থীদের আকর্ষণ
●1>চিতকুলের বিশেষ আকর্ষণের বিষয় হল স্লেট বা কাঠের তক্তার ছাদযুক্ত ঘর, একটি বৌদ্ধ মন্দির এবং একটি ছোট টাওয়ার। তবে, টিনের ছাদের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে উচ্চ বিদ্যালয় এবং সেনাবাহিনী/আইটিবিপি ব্যারাকে।

●2>কাগ্যুপ মন্দিরে শাক্যমুনি বুদ্ধের একটি অত্যন্ত মূল্যবান পুরাতন মূর্তি , একটি জীবনচক্র মন্ডল এবং দরজার উভয় পাশে চারটি দিকনির্দেশক রাজা রয়েছে।
চিতকুল হল বিখ্যাত কিন্নর কৈলাস পরিক্রমার শেষ বিন্দু কারণ এখান থেকে কেউ হাইকিং করতে পারে।

●3>চিতকুলের শক্তিশালী দেবী হলেন একমাত্র অ-বৌদ্ধ দেবী যার প্রতি পরিক্রমা তীর্থযাত্রীদের শ্রদ্ধা জানাতে হয়। বিশ্বাস করা হয় যে স্থানীয় দেবতা গঙ্গোত্রীর দেবতার সাথে সম্পর্কিত এবং সম্প্রতি পর্যন্ত স্থানীয়রা উঁচু পাহাড়ি গিরিপথ ধরে পায়ে হেঁটে গঙ্গোত্রীতে দেবতাকে নিয়ে যেত।

●4>উপত্যকাটি অত্যন্ত সুন্দর, বাসপা নদীর বাম তীরে তুষারাবৃত পাহাড় এবং ডান তীরে সমগ্র ভূখণ্ড আপেল বাগান এবং কাঠের ঘর দ্বারা পরিপূর্ণ।
এখানেই আছে
●লামখাগা পাস ট্রেক ,
●বোরাসু পাস ট্রেকের জন্য চিটকুল হল স্টার্ট পয়েন্ট ।
নাগাস্থি আইটিবিপি পোস্ট 4 কিমি এবং রানিকান্দা তৃণভূমি চিতকুল থেকে 10 কিমি ট্রেক।
=====================

reckong peo::--

রিকং পিও::---
হিমাচল প্রদেশের কিন্নর জেলার সদর দপ্তর হলো রিকং পিও, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 2,670 মিটার (৮,৮০০  ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত এবং সিমলা থেকে প্রায় 230 কিলোমিটার দূরে। এটি কিন্নর জেলার পর্যটকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং তীর্থযাত্রীদের জন্য একটি ঘাঁটি হিসাবেও পরিচিত।

এটি তীর্থযাত্রীদের জন্য ঘাঁটি:
এটি বার্ষিক তিন দিনের যাত্রার জন্য 80 (আশি) ফুট উঁচু পবিত্র শিলাস্তম্ভে যাওয়ার তীর্থযাত্রীদের জন্য একটি ঘাঁটি হিসাবে কাজ করে।
কিন্নর কৈলাস:
কিন্নর কৈলাস পর্বতকে ভগবান শিবের পৌরাণিক বাড়িগুলির মধ্যে একটি হিসাবে বিবেচনা করা হয়, এখানে একটি 79 ফুট উচ্চ শিলা গঠন রয়েছে যা শিবলিঙ্গের অনুরূপ।
পিন কোড:
রিকং পিও-এর পিন কোড হল 172107
আশেপাশের স্থান:
চন্ডিকা মন্দির, খাব, কল্প, ভাবা উপত্যকা, কিন্নর কৈলাস, চাঙ্গো, লিও, কানাম হল রিকং পিও এবং  আশেপাশে আরও কিছু স্থান আছে।
============
রিকং পিও  হিমাচল প্রদেশের  কিন্নউর ডিস্ট্রিক্টে অবস্তিত।
এটি কিন্নউর ডিস্ট্রিক্টের হেড কোয়ার্টার
অপরূপ সৌন্দর্য্যের জন্য বিশেষ পরিচিত ভ্রমন প্রিয়দের জন্য।
এটি কিন্নউর অঞ্চলে যাবার গেট হিসাবে পরিচিত।
রেকং পিও তার অত্যাশ্চর্য প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য পরিচিত, এখানেই আছে  সাংলা উপত্যকা এবং হাংরাং উপত্যকা।

kinnaur একটি স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে গঠিত হওয়ার আগে, এই অঞ্চলটি বুশহর রাজ্যের (Bushahr State) অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার রাজধানী ছিল রম্পুর (Rampur). এখন জেলাটিকে বেশ কয়েকটি তেহসিল (tehsils) যেমন - কালাপা (Kalpa), পোও (Pooh), সাংলা (Sangla), মোরাং (Moorang), হ্যাংরাং (Hangrang), এবং বাভা নগর (Bhaba Nagar) - তে ভাগ করা হয়েছে, যেখানে রেখং পোও (Reckong Peo) কালাপা তেহসিলের অন্তর্ভুক্ত. এবং বাস্কা নদীর (Baspa river) পাশে অবস্থিত চিত্রকুল (Chitkul) নামের একটি সুন্দর গ্রাম একটি জনপ্রিয় আকর্ষণ.
======================










Sunday, April 6, 2025

131>ভ্রমন:-- মেঘালয়::--পরিকল্পনা।

131>ভ্রমন:-- মেঘালয়::--পরিকল্পনা।

মেঘের কোলে আলয়= মদঘালয়

অর্থাৎ মেঘের কোলে ঘর।

পূর্ব ভারতের মেঘালয়ের

 অসাধারন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যা সত্যি মন কেড়েনেয়।

মেঘালয় সত্যই মেঘের আবাস স্থল।

এখানকার মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং প্রাণবন্ত উপজাতি সংস্কৃতির জন্য বিশেষ ভাবে পরিচিত।

মেঘালয়ে মাতৃতান্ত্রিক সামাজিক ব্যবস্থার প্রচলন, এখানে আমাদের মতন বাবার পদবী নয় মায়ের পদবী ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার মা থেকে মেয়েরাই ভোগ করে।

মেঘালয়ের রাজধানী শিলংকে 

"প্রাচ্যের স্কটল্যান্ড" বলা হয় এখানকার অতি সুন্দর , মনোরম, অভূতপূর্ব সৌন্দর্যের কারনে।

শিলং এর কাছে এলিফেন্টা জলপ্রপাত অতি সুন্দর একটি তিন স্তরিয় জলপ্রপাত।

কাছেই আছে চেরাপুঞ্জি আজকাল অবশ্য বৃষ্টি পাটের রেকর্ড চেরাপুঞ্জি কে ছাড়িয়ে গেছে 'মাওসিনরাম' যা শিলং থেকে মাত্র 60 কিলোমিটার দূরে।

আর আছে চেরাপুঞ্জির জলপ্রপাত, গুহা এবং অনন্য জীবন্ত শিকড় সেতু, রাবার গাছের  বিখ্যাত জীবন্ত সেতু।

পাশে আছে পূর্ব খাসি পাহাড় গ্রাম 

'মাওলিনং, যে গ্রামটি তার পরিছন্নতার জন্য 2003 সালে ডিস্কভার ইন্ডিয়া  ম্যাগাজিনে এশিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার গ্রাম হিসাবে রেকর্ড করেছে।

এখানে ধূমপান ও পলিথিন ব্যবহার কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ।

মওলিনং এতে কমিনিউটি ভিত্তিক ইকো- ট্যুরিজিম এবং রবার গাছের জীবন্ত শিকড়ের ব্রিজ বিশেষ আকর্ষণীয়।

এখানে  নদী ডাউকি, উমোঙ্গটি নদীর স্ফটিক-স্বচ্ছ জলের জন্য পরিচিত এখানে নদীতে ভাসমান নৌকার দৃশ্য মনেহয় হওয়ায় ভাসমান।

আর একটি অত্যাশ্চর্য স্থান জোওয়াই,

এখানকার জলপ্রয়াত ও মনোলিথের জন্য বিখ্যাত।

এখানকার সুস্বাদু খাবার গুলির মধ্যে রয়েছে   মোমো, জাদোহ, কিয়াত,

মি খাউতুং। 



মেঘালয়ের স্থানীয় মানুষের প্রধান খাদ্যই হল ভাত এবং বিভিন্ন ধরনের মাংস ও মাছের উপর নির্ভরশীল, বিশেষ করে শুয়োরের মাংস, যা তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার "যাদোহ"-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 

যাদোহ ... মেঘালয়ের খাসি সম্প্রদায়ের মধ্যে জাদোহ একটি খুব জনপ্রিয় খাবার। জাদোহ হল লাল চাল, প্রচুর পরিমাণে শুয়োরের মাংস দিয়ে রান্না করা হয়। কখনও কখনও, এটি মুরগি বা মাছ দিয়েও রান্না করা হয়। সবুজ মরিচ, পেঁয়াজ, আদা, হলুদ,  ইত্যাদি।


এখানে মেঘালয়ের কিছু জনপ্রিয় খাবার এবং তাদের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো:

যাদোহ যা ভাত এবং শুয়োরের মাংস দিয়ে তৈরি করা হয়। 


দোহ-নেইয়ং (Doh-Neiiong):

এটি বাঁশের অঙ্কুর দিয়ে ধূমপান করা শুয়োরের মাংসের একটি পদ। 


দোহ-খলিহ (Doh-Khlih):

এটি শুয়োরের মাংসের একটি পদ, যা কালো তিলের সাথে রান্না করা হয়। 


নাখাম বিচি (Nakhram Bichi):

এটি একটি মশলাদার খাবার, যা বিভিন্ন সবজি এবং মাংস দিয়ে তৈরি করা হয়। 


টুং রিম্বাই (Tung Rimbai):

এটি মেঘালয়ের কৃষক সম্প্রদায়ের একটি সাধারণ খাবার। 


মিনিল গান (Minil Gan):

এটি গাঁজানো মাছের একটি পদ, যা গারো সম্প্রদায়ের মধ্যে জনপ্রিয়। 


পুডোহ (Pudoh):

এটি মেঘালয়ের ভাতের এক অনন্য জাত, যা বিভিন্ন উৎসবে খাওয়া হয়. 


দোহজেম (Dohjem):

শুকরের মাংসের পেট এবং অন্ত্র থেকে তৈরি একটি খাবার. 

এছাড়াও, মেঘালয়ের মানুষেরা মাছ, হাঁস, মুরগি এবং হরিণের মাংসও বিভিন্ন উপায়ে রান্না করে খায়। 

==================●


 

 

130> দক্ষিণ ভারত ভ্রমণ::---পরিকল্পনা।

130> দক্ষিণ ভারত ভ্রমণ::---পরিকল্পনা।

চেন্নাই--->মহাবলিপূরম--->পুদুচেরী(

পন্ডিচেরী)--->ত্রিচি =ত্রিচূড়াপল্লী--->

তাঞ্জবুর--->মাদুরাই--->রামেশ্বরম--->

কন্যাকুমারী--->ত্রিবান্দ্রাম--->আলেপ্পি--

-->কোচিন



★চেন্নাই::----পূর্বতন মাদ্রাস বা মাদ্রাজ,।

    বঙ্গোপসাগরের করমন্ডল উপকূলে বস্তিত।

দর্শনীয় স্থান==চেন্নাই সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশন,-- 1>কপালীশ্বর মন্দির/ 2>ভালুভার মন্দির/3>কাঠিপাড়া ক্লোভর ক্রস ফ্লাইওভার / রিপন বিল্ডিং/ মেরিনা সৈকত/ চেন্নাই জাদুঘর /আরিগনার আনা জুলজিক্যাল পার্ক/ ভল্লুভার কোট্টম /হাজার আলোর মসজিদ।

==========

★মহাবলিপূরম::---তামিল নাডুর রাজ্যের চেঙ্গলপট্টু জেলায় খ্রিষ্টীয় সপ্তম এবং অষ্টম শতাব্দীর নির্মিত--

1984) উনিশশো চুরাশি সালে মহাবলীপুরমকে ইউনেস্কো "ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট" হিসেবে  স্বীকৃতি দিয়েছে। মহাবলীপুরমের শিল্পনিদর্শন, শিল্প কীর্তি, এবং স্থাপত্য শিল্প রসিকদের বিশেষ দর্শনীয় স্থান। মহাবলীপুরমের নির্মাণ শৈলী মামাল্লাশৈলীর কীর্তি।

এই মামাল্লা শৈলী হল খোলা আকাশের নিচে পাথরের গায়ে খোদাই করা  পৌরাণিক দৃশ্য। এই শিল্প কীর্তি ও স্থ্যাপত্য প্রায় বারো--তেরোশো বছরের পুরনো।

===========

 

★পুদুচেরী(পন্ডিচেরী)----শহর 1954 পর্যন্ত ফরাসি উপনিবেশ ছিল।

বর্তমানে তামিল নাডুর সর্বাধিক জনবসতি শহর। ঋষি অর্বিন্দের আশ্রম 

"মীরা আলফাসা বা মাদার ও ঋষি অরবিন্দের" সমাধি ।


শ্রীঅরবিন্দ ও শ্রীমা (মীরা আলফাসা)

  গুরু ও শিষ্যার একই সমাধি বেদী।


শ্রীঅরবিন্দ (জন্মগত নাম: অরবিন্দ ঘোষ; ১৫ অগস্ট, ১৮৭২ – ৫ ডিসেম্বর, ১৯৫০)

১৯৫০ এর ৫ ডিসেম্বর মধ্যরাতে হঠাৎ

ইহ লোক ছেড়ে মহাপ্রয়ানের পথে পাড়ি দিলেন শ্রী অরবিন্দ। চলে গেলেন যোগী অরবিন্দ। পাঁঁচ দিন পর তার দেহ সমাধিস্থ করা হয় পণ্ডিচেরী আশ্রমের এক গাছতলায়। যে গাছের ফুল আজও ঝরে পড়ে তার সমাধির ওপর।


শ্রীমা মীরা আলফাসা( ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৮৪৮ - ১৭ নভেম্বর, ১৯৭৩ ) ছিলেন ফরাসি, আধ্যাত্মিক গুরু এবং শ্রী অরবিন্দের শিষ্যা ও সহযোগী।

ফরাসি বংশোদ্ভূত পূর্বাশ্রমের নাম ছিল মীরা রিচার্ড বা মীরা আলফাসা।

তিনি ভারতীয় গুরুকূলের পরিবেশ পছন্দ করতেন। তিনি ও তার স্বামী পল রিচার্ড ১৯১৪ সালের ২৯ শে মার্চ পণ্ডিচেরি আশ্রমে শ্রী অরবিন্দের কাছে দীক্ষা নিয়ে সেখানেই বসবাস করতে থাকেন।  প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তাঁদের পন্ডিচেরি ছেড়ে জাপানে যেতে হয়েছিল। সেখানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে সাক্ষাৎ হয় এবং হিন্দু ধর্মের মর্মার্থ অনুধাবন করেন। ১৯২৬ সালের ২৪ নভেম্বর, মীরা আলাফাসা পণ্ডিচেরি ফিরে আসেন এবং স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থেকেন।

পরে তিনি শ্রী মা রূপে পরিচিতি লাভ করেন।

শ্রীমা 17 নভেম্বর 1973 ইহ লোক ছেড়ে মহাপ্রয়ানের পথে পাড়ি দিলেন।

20 নভেম্বর 1973 তাঁর দেহ সমাধিস্থ করা হয় পণ্ডিচেরী আশ্রমের তাঁর গুরু শ্রী আরবিন্দের সমাধির উপরি ভাগে।

একই সমাধি কক্ষের নীচের কক্ষে সাইত গুরু আর উপরে কক্ষে তাঁর  প্রধান শিষ্যা।

সেই ফুল গাছের নিচে ।

প্রকৃতি নিজেই রোজ সাজিয়ে দেয় তার ফুলদিয়ে সেই মহান সমাধি বেদী।


১৬৭৩ খ্রীষ্টাব্দে ফরাসিদের আগমনের সাথে সাথে আধুনিক  পন্ডিচেরী  তথা পুদুচ্চেরির ইতিহাসের সূচনা হয়। এটি ১৯৫৪ সালে ভারতীয় ইউনিয়নের একটি অংশ হয়ে ওঠে।

ক্ষুদ্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পন্ডিচেরী বা পুদুচ্চেরি ভারতীয় উপদ্বীপের পূর্বদিকে অবস্থিত।

===================


★ত্রিচি বা ত্রিচূড়াপল্লী::--


ত্রিচি তামিলনাড়ুর একটি জনপ্রিয় শহর। তিরুচিরাপল্লী শহরের সরকারী নাম। চেন্নাই, কোয়েম্বাটোর এবং মাদুরাইয়ের পরে, এটি জনসংখ্যার দিক থেকে রাজ্যের চতুর্থ বৃহত্তম শহর। BHEL এবং অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির মতো প্রধান ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থাগুলি ত্রিচিতে অবস্থিত। এটি একটি উল্লেখযোগ্য শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট (আইআইএম, ত্রিচি), ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এনআইটি, ত্রিচি), এবং ভারতীদাসন ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট তালিকায় (বিআইএম) প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে রয়েছে। ত্রিচিতে বেশ কয়েকটি পর্যটন স্থান রয়েছে।

এই শহরটি একসময় প্রাচীন চোল রাজতন্ত্রের একটি অংশ ছিল। এই শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া কাবেরী নদীর তীরে কৃষিকাজ চলছে। 

তিরুচিরাপল্লী রেলওয়ে স্টেশন হল ত্রিচির প্রধান রেলওয়ে স্টেশন 


দর্শনীয় 15 টি  স্থান::--

ব্রহ্মপুরীশ্বর মন্দির//কাল্লানাই বাঁধ//

রকফোর্ট মন্দির//শ্রী রঙ্গনাথস্বামী মন্দির/

/জম্বুকেশ্বর মন্দির//পুলিয়ানচোলাই জলপ্রপাত//ভেক্কালি আম্মান মন্দির//

রেলওয়ে যাদুঘর//সেন্ট জোসেফ চার্চ//

আগায়া গঙ্গাই জলপ্রপাত//

বারাহি আম্মান মন্দির// পেরিয়া কোভিল

রক কাট মন্দির,//পুদুক্কোত্তাই.

====================

★তাঞ্জাভুর::---

তাঞ্জাভুর তামিলনাড়ুর পূর্ব উপকূলে কাবেরী নদীর ব-দ্বীপে অবস্থিত 

তাঞ্জাভুর শহরটিকে থাঞ্জাই ও তাঞ্জোর নামেও পরিচিত।


তাঞ্জাভুর, তামিলনাড়ু রাজ্যের একটি ঐতিহাসিক শহর, যা তার সুন্দর মন্দির, প্রাসাদ ও শিল্পের জন্য বিখ্যাত। এখানে কিছু প্রধান দর্শনীয় স্থান হলো: ●বৃহদেশ্বর মন্দির, ●থাঞ্জাভুর রাজপ্রাসাদ, ●সরস্বতী মহল লাইব্রেরি, এবং ●আওয়ার লেডি অফ সরোস চার্চ। 

●বৃহদেশ্বর মন্দির:

এটি চোল রাজবংশের স্থাপত্যের একটি অসাধারণ নিদর্শন এবং ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে তালিকাভুক্ত। 

●থাঞ্জাভুর রাজপ্রাসাদ:

এটি একটি সুন্দর প্রাসাদ যা স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত, যেখানে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। 

●সরস্বতী মহল লাইব্রেরি:

এটি একটি বিশাল লাইব্রেরি যেখানে প্রাচীন পাণ্ডুলিপি এবং বইয়ের বিশাল সংগ্রহ রয়েছে। 

●আওয়ার লেডি অফ সরোস চার্চ:

এটি তাঞ্জাভুরের একটি বিখ্যাত খ্রিস্টান ধর্মীয় স্থান। 

●শিবগঙ্গা গার্ডেন:

এটি তাঞ্জাভুরের একটি সুন্দর বাগান যা স্থানীয়দের এবং পর্যটকদের জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান। 

●আলংগুদি গুরু মন্দির:

এটি প্রভু গুরু বা বৃহস্পতিকে উৎসর্গীকৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্দির। 

●তাঞ্জোর পেইন্টিং এবং পুতুল:

তাঞ্জাভুর তার বিখ্যাত তাঞ্জোর পেইন্টিং এবং পুতুলের জন্য পরিচিত, যা স্থানীয় বাজারগুলোতে পাওয়া যায়। 

●তাঞ্জাভুর ফোর্টফিকেশন হেরিটেজ ওয়াক:

এটি একটি গাইডেড ট্যুর যা আপনাকে ঐতিহাসিক দুর্গের মধ্য দিয়ে নিয়ে যায়। 

●থাঞ্জাভুর দুর্গ:

তাঞ্জাভুরের দুটি ঐতিহাসিক দুর্গ রয়েছে, যেমন ছোট দুর্গ এবং বড় দুর্গ। 

================

★মাদুরাই:::---

তামিলনাড়ুর তৃতীয় বৃহত্তম মহানগর। তামিলনাড়ুর পৌর সংস্থার মধ্যে মাদুরাই দ্বিতীয় বৃহত্তম। এই শহরটি মাদুরাই জেলায় অবস্থিত। মাদুরাই তামিলনাড়ুর সাংস্কৃতিক রাজধানী।

মাদুরাই শহরটি ভাইগাই (Vaigai) নদীর তীরে অবস্থিত। 

মাদুরাইয়ের দর্শনীয় স্থান::--

ভাগাই নদীর তীরে অবস্থিত, তামিলনাড়ু রাজ্যের একটি প্রাচীন শহর মাদুরাই, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং উচ্চ ধর্মীয় গুরুত্বের অধিকারী, ভ্রমণের জন্য একটি স্থান। স্থাপত্যের কিছু উৎকৃষ্ট নিদর্শন, দর্শনীয় স্থানের বিস্তৃত সমাহার, মনোরম সৌন্দর্য এবং আধ্যাত্মিক পরিবেশে ঘেরা, মাদুরাই শহরে ভ্রমণ প্রতিটি দর্শনার্থীর জন্য একটি মনোমুগ্ধকর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা যায়। 


1●. মীনাক্ষী আম্মান মন্দির::---

মীনাক্ষী সুন্দরেশ্বর মন্দির নামেও পরিচিত, এই মন্দিরটি ভারতের অন্যতম প্রধান মন্দির। ভারতের প্রাচীনতম মন্দিরগুলির মধ্যে একটি হওয়ায় এটি কেবল ধর্মীয়ভাবে তাৎপর্যপূর্ণই নয় বরং দ্রাবিড় স্থাপত্যের একটি চমৎকার উদাহরণও উপস্থাপন করে। এটি ভগবান সুন্দরেশ্বর এবং তাঁর ঐশ্বরিক পত্নী দেবী মীনাক্ষীর প্রতি নিবেদিত।

এই মন্দিরের জটিল খোদাই এবং রাজকীয় কাঠামো দেখার মতন।

এর আধ্যাত্মিক আভা এবং সংশ্লিষ্ট কিংবদন্তি এখানে দর্শন করতে আসা প্রতিটি ভক্তকে মোহিত করে।


2● তিরুমালাই নায়ক প্রাসাদ::--


1635 সালে রাজা থিরুমালাই নায়কের রাজত্বকালে তাঁর বাসভবন হিসেবে নির্মিত এই প্রাসাদটি দ্রাবিড় এবং ইসলামিক স্থাপত্য শৈলীর এক সুন্দর মিশ্রণ উপস্থাপন করে। একজন ইতালীয় স্থপতি দ্বারা নির্মিত, 

এই প্রাসাদটি তামিলনাড়ু প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের রক্ষণাবেক্ষণের অধীনে রয়েছে।

এই প্রাসাদে প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাউন্ড অ্যান্ড লাইট শো অনুষ্ঠিত হয়।


3●সামানার পাহাড়::--/সামানার মালাই

মাদুরাই থেকে 12 কিলোমিটার দূরে, সামানার পাহাড় কিলাকুইলকুডি গ্রামে অবস্থিত। 

ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ কর্তৃক এটিকে সুরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ।

 এই পাহাড়ে খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দীর সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় নিদর্শন আছে।


এখানকার পাথরের কিছু শিলালিপিতে এ জৈন সন্ন্যাসীদের উপস্থিতির চিত্র পাওয়া যায়, যারা এখানে গুহায় অবস্থান করেছিলেন বলে জানা যায়। ধর্মীয় সম্পর্কের পাশাপাশি, সামানার পাহাড়গুলি তার মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের জন্যও জনপ্রিয়।


4● আজাগর কোভিল/আলাগার কোয়েল মন্দির।

মাদুরাই শহর থেকে 21 কিলোমিটার দূরে আলাগার পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত, আলাগার কোয়েল মন্দিরটি মাদুরাই ভ্রমণে দেখার মতো আরেকটি অসাধারণ নিদর্শন। ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত, এই মনোমুগ্ধকর মন্দিরটির ঐতিহাসিক এবং ধর্মীয় গুরুত্বও রয়েছে। সঙ্গম যুগে, পাণ্ড্য রাজা মলয়দ্বাজ পাণ্ড্য প্রায়শই এটি পরিদর্শন করতেন বলে জানা যায়। এই মন্দিরে কিছু সংযোজন নায়ক রাজাদের রাজত্বকালে করা হয়েছিল।


5● তিরুপরাঙ্কুন্দ্রম মুরুগান মন্দির

6.●গান্ধী মেমোরিয়াল মিউজিয়াম।

7●কুদাল আজহাগর মন্দির

8●পুথু মন্দির / পুধু মন্ডপ::--

9●সন্ত মেরী ক্যাথিড্রাল:--

10●ভানডিউর মেরিয়াম্মান     

       তেপ্পাকুলাম::-

11●ইডাইকাট্টুর চার্চ::---মাদুরাই থেকে

      39 km .

12●.পাজামুদিরচোলাই.মাদুরাই থেকে

      25 km .

13● কাজিমার বড় মসজিদ::/-

 মাদুরাই এ প্রথম মসজিদ।

14●.থিরুমহুর কালামেগাপেরুমাল মন্দির

 মাদুরাই থেকে 12 কিলোমিটার।

 থিরুমহুর কালামেগাপেরুমাল মন্দির হল দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর মাদুরাই জেলার মেলুরের কাছে একটি হিন্দু মন্দির, যা হিন্দু দেবতা বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে নিবেদিত। দ্রাবিড় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত, মন্দিরটি 6-9ম শতাব্দীর আলভার সাধুদের মধ্যযুগীয় তামিল ক্যানন নালায়রা দিব্যা প্রবন্ধমে মহিমান্বিত।

==================

 ★রামেশ্বরম::---


রামেশ্বরম ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের রামনাথপুরম জেলার একটি শহর ও পৌরসভা। এটি পামবান দ্বীপে অবস্থিত পামবান চ্যানেল দ্বারা প্রধানভূমি ভারত থেকে পৃথক।


1●রামেশ্বরম::---


রামেশ্বরম দক্ষিণ-ভারতীয় সুন্দর রাজ্য তামিলনাড়ুর একটি দ্বীপ শহর ও 

আশ্চর্যজনক সমুদ্রের দৃশ্য এছাড়াও 'ভারত মহাসাগরের উপর সেতু' নামে পরিচিত, শহরটিতে দর্শনীয়  অনেক কিছু রয়েছে। 

রামেশ্বরমের নিকটতম বিমান বন্দর মাদুরাই 149 কিলোমিটার।

রেলপথে: রামেশ্বরম রেলপথের মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডের সাথে রেল সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত। রামেশ্বরম এবং চেন্নাই (650 কিমি), মাদুরাই (169 কিমি), তিরুচিরাপল্লী (271 কিমি) এবং থাঞ্জাভুর (231 কিমি) এর মধ্যে রাস্তাগুলি ভালভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে।

রামেশ্বরম ভ্রমণের সেরা মাস

November to February


শহরের সবচেয়ে বড় পর্যটক আকর্ষণ রামেশ্বরম মন্দির। বেশিরভাগ পর্যটক রামেশ্বরম মন্দিরে অন্যান্য সমস্ত রামেশ্বরম পর্যটন স্থানের উপরে ভিড় করেন। মন্দিরটি ভগবান শিবের প্রতি নিবেদিত স্থাপত্যের একটি জটিলভাবে খোদাই করা অংশ। সারা বিশ্ব থেকে ভক্তরা মন্দিরে 12টি জ্যোতির্লিঙ্গে তাদের প্রার্থনা করতে রামেশ্বরমে ভ্রমণ করে। 


2●অগ্নিতীর্থম::---

শহরটি ভক্তদের দ্বারা পবিত্র বলে বিবেচিত "পবিত্র স্নানে" পরিপূর্ণ। অগ্নিতীর্থম মন্দিরের ঐতিহ্যবাহী আশেপাশের বাইরে অবস্থিত এই ধরনের বৃহত্তম স্নান। পর্যটকরা একটি সাংস্কৃতিক অনুশীলন হিসাবে পবিত্র জলে স্নান করতে অগ্নিতীর্থমে যান। আপনি সপ্তাহের যেকোনো দিন সকাল 5টা থেকে সন্ধ্যা 6টার মধ্যে অগ্নিতীর্থম দেখতে পারেন। 


3●ধানুশকোডি মন্দির::--

1964 সালে রামেশ্বরমে আঘাত হানা একটি ঘূর্ণিঝড়ের সময় ধনুশকোডি মন্দিরটি সবচেয়ে ভালভাবে সংরক্ষিত প্রাচীন স্থাপত্যের একটি এবং উপাসনার স্থানগুলির মধ্যে একটি ছিল। মন্দিরটি আজ তার পূর্বের গৌরবের পরিবর্তে শুধুমাত্র ধ্বংসাবশেষ হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে কিন্তু এখনও রয়েছে পবিত্রতম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় রামেশ্বরম পর্যটন স্থানগুলির মধ্যে একটি। আপনি একটি রিকশা নিতে পারেন বা একটি ট্যাক্সি ভাড়া করতে পারেন রামেশ্বরম থেকে ধনুশকোডি যাবার জন্য রাস্তা দিয়ে 16 কিলোমিটার দূরত্ব কভার করতে পারেন। ধানুশকোডি মন্দিরে পৌঁছানোর সময় সকাল 6:00 AM থেকে 6:00 PM এর মধ্যে 


4●জটায়ু তীর্থম::---

এই ধরণের একমাত্র মন্দিরগুলির মধ্যে একটি, জটায়ু তীর্থম মন্দিরটি রামায়ণের মহাকাব্যের একটি পৌরাণিক ব্যক্তিত্ব ভগবান জাত্যউকে উত্সর্গীকৃত। কিংবদন্তি অনুসারে, দেবী সীতাকে অপহরণ করা থেকে বিরত করার চেষ্টা করার সময় দানব-রাজা রাবণ জটায়ুকে হত্যা করেছিলেন। মন্দিরটি তাঁর সাহসিকতা এবং ভগবান রামের প্রতি তাঁর ভক্তির জন্য উত্সর্গীকৃত। জটায়ু তীর্থম মূল শহর থেকে 6 কিমি দূরে, যা স্থানীয় পরিবহনের মাধ্যমে কভার করা যেতে পারে। 


5●আরিয়মান সৈকত:::--

আপনার রামেশ্বরম স্থানগুলির তালিকায় আপনাকে অবশ্যই যোগ করতে হবে আরেকটি স্থান হল আরিয়ামান বিচ। চমত্কার সাদা বালির সৈকত ভারত মহাসাগরের উপকূল জুড়ে বিস্তৃত। আপনি সমুদ্র সৈকতে আপনার সময় কাটাতে পারেন বিভিন্ন জল-ক্রীড়া ক্রিয়াকলাপ উপভোগ করতে বা সমুদ্রের অত্যাশ্চর্য দৃশ্য উপভোগ করতে বোটিংয়ে যেতে পারেন। রামেশরওয়াম শহর থেকে 21 কিমি দূরে অবস্থিত, আপনি সকাল 6:00 AM থেকে 6:00 PM এর মধ্যে সমুদ্র সৈকতে যেতে পারেন আপনি 60 টাকার বিনিময়ে একটি নৌকা ভ্রমণও উপভোগ করতে পারেন। 


6●পঞ্চমুখী হনুমান মন্দির::---

শহরের অন্যতম বিখ্যাত মন্দির, পঞ্চমুখী, "পাঁচমুখী" অনুবাদে, হনুমান মন্দির রামেশ্বরমের একটি পর্যটকদের প্রিয় গন্তব্য। ভক্তরা মন্দিরে যান এবং পঞ্চমুখী আকারে ভগবান হনুমানের মন্দিরে তাদের প্রার্থনা করেন। মন্দিরটি শ্রী রামনাথস্বামী মন্দির থেকে দুই কিমি দূরে। আপনি সপ্তাহের যেকোনো দিন সকাল 6:00 AM থেকে 7:00 PM এর মধ্যে মন্দিরে যেতে পারেন। 


7●লক্ষ্মণ তীর্থম::---

লক্ষ্মণ তীর্থম হল একটি মন্দির যা শুধুমাত্র ভগবান রামের ভাই লক্ষ্মণের উপাসনার জন্য নিবেদিত। ভক্তরা মন্দিরটিকে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করেন এবং এটি দুই দেবতার মধ্যে ভ্রাতৃপ্রেমের প্রতীক হিসেবে বিখ্যাত। আপনি সপ্তাহের যেকোনো দিন সকাল 6:00 AM থেকে 7:00 PM এর মধ্যে লক্ষ্মণ তীর্থম দেখতে পারেন। 


8●ভিলুন্দি তীর্থম::---

একটি জায়গা যা ধর্মীয়ভাবে পবিত্র এবং প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর, ভিলুন্ডি তীর্থম রামেশ্বরম শহরের একটি পবিত্র জলাশয়। এটা বিশ্বাস করা হয় যে ভূমিতে বসন্ত তৈরি হয়েছিল যখন ভগবান রাম নগরবাসীদের জন্য পানীয় জল সরবরাহ করার জন্য মাটিতে একটি তীর নিক্ষেপ করেছিলেন। আপনি বিনা খরচে সপ্তাহের যেকোনো দিন সকাল 6:00 AM থেকে 7:00 PM এর মধ্যে ভিলুন্ডি তীর্থম দেখতে পারেন। 


9●সিল্ক কেনাকাটা

রামেশ্বরমের একটি বিখ্যাত বিশেষত্ব হল এর রেশম। শহরের কেন্দ্রস্থলে, আপনি অনেক দোকান খুঁজে পেতে পারেন যেগুলি অনন্য সিল্কের সেলাই করা পোশাক এবং সেলাইবিহীন কাপড় উভয়ই বিক্রি করে। আপনি রামেশ্বরমের বাজারে এই আইটেমটির জন্য কেনাকাটা করতে পারেন।


10●সি ওয়ার্ল্ড অ্যাকোয়ারিয়াম::---

রামেশ্বরমে পাওয়া একটি বিশ্বমানের অ্যাকোয়ারিয়াম হল সি ওয়ার্ল্ড অ্যাকোয়ারিয়াম। অ্যাকোয়ারিয়ামটি দেখার জন্য একটি স্থানীয় সুপারিশ, বিশেষ করে যদি আপনি বাচ্চাদের সাথে ভ্রমণ করেন। অ্যাকোয়ারিয়াম হল এমন একটি অভিজ্ঞতা যেখানে আপনি বিভিন্ন ধরণের জীবন্ত জলজ জীবন দ্বারা বেষ্টিত। আপনি সপ্তাহের যেকোনো দিন সকাল 10:00 AM থেকে 5:00 PM এর মধ্যে সি ওয়ার্ল্ড অ্যাকোয়ারিয়াম দেখতে পারেন।


11●আনাই ইন্দিরা গান্ধী রোড ব্রিজ::--

সাত কিমি একটি সেতুর প্রসারিত যা রামেশ্বরম দ্বীপকে ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে সংযুক্ত করে তা হল আনাই ইন্দিরা গান্ধী রোড ব্রিজ। এটি দক্ষিণ ভারতের দীর্ঘতম সেতু যা সমুদ্র জুড়ে রেল এবং মোটর পরিবহনের অনুমতি দেয়। আপনি যে কোনো সময় স্থানীয় পরিবহনে সড়কপথে সেতুতে পৌঁছাতে পারেন কারণ এটি সারাদিন প্রবেশের জন্য উন্মুক্ত থাকে। 


12●আব্দুল কালাম হাউজ::--

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, বিখ্যাত বিজ্ঞানী এবং জাতীয় বীর ডঃ এপিজে আব্দুল কালামের জন্মস্থান রামেশ্বরম শহরে একটি অন্বেষণের স্থান। অনেক পর্যটক তার নম্র সূচনার জন্য এবং তার স্মৃতিতে তাদের শ্রদ্ধা জানাতে তার পুরানো বাড়িতে ভ্রমণ করেন। বিল্ডিংটি সপ্তাহের দিনগুলিতে সকাল 8:00 AM থেকে 7:00 PM এর মধ্যে দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে এবং সপ্তাহান্তে বন্ধ থাকে৷ কালাম হাউসে যাওয়ার জন্য আপনাকে মাথাপিছু 5 টাকা এন্ট্রি ফি দিতে হবে। 


13●কোথান্ডারমাস্বামী মন্দির::--

ভারত মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত, কোথান্দারামস্বামী মন্দিরটি রামেশ্বরম দ্বীপের দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত। মন্দিরটি তাঁর স্ত্রী দেবী সীতাকে রক্ষা করার জন্য দানব-রাজা রাবণের রাজ্যের দিকে ভগবান রাম কর্তৃক নেওয়া কঠিন তীর্থযাত্রার জন্য উত্সর্গীকৃত। আপনি সকাল 6:00 AM থেকে 7:00 PM এর মধ্যে কোথান্ডারমাস্বামী মন্দিরে যেতে পারেন। সপ্তাহের যে কোনো দিন কোনো প্রবেশমূল্যের প্রয়োজন নেই। 

====================

 ★কন্যাকুমারী::-----


কন্যাকুমারী বা কুমারিকা ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের কন্যাকুমারী জেলার অন্তর্গত একটি শহর। এই শহরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দুতে অবস্থিত। এটি তিরুবনন্তপুরম থেকে ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং কন্যাকুমারী জেলার সদর নগরকোইল থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। কন্যাকুমারী একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ও হিন্দু তীর্থস্থান। এখানকার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের মধ্যে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অনন্য দৃশ্য;




তামিলনাড়ুর সবচেয়ে নির্মল এবং সুন্দর শহরগুলির মধ্যে একটি, কন্যাকুমারী ভারতের দক্ষিণতম বিন্দুতে অবস্থিত এবং তিনটি প্রধান সমুদ্র  দ্বারা বেষ্টিত। 


ইতিহাস, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পূর্ন

একটি চমৎকার স্থান।


কন্যাকুমারীর 16টি সেরা পর্যটন স্থান::--


1●বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল::--


বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল, একটি ছোট দ্বীপে অবস্থিত, কন্যাকুমারীর দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে একটি। এখানেই 1892 সালে স্বামী বিবেকানন্দ তিন দিনের ধ্যানের পরে জ্ঞান অর্জন করেছিলেন। বিবেকানন্দ মণ্ডপম এবং শ্রীপদ মণ্ডপম শিলা স্মৃতিসৌধের বিশিষ্ট বৈশিষ্ট্য। এর পিছনে ভারত মহাসাগরের সাথে একটি বিশাল স্বামীজি মূর্তির দৃশ্য রোমাঞ্চকর। বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল কন্যাকুমারীর একটি প্রধান আকর্ষণ কারণ এর আধ্যাত্মিক স্পন্দন এবং শান্ত পরিবেশ। 


 


2●তিরুভাল্লুভার মূর্তি::---

কন্যাকুমারীর কাছে একটি ছোট দ্বীপে অবস্থিত, এই মূর্তিটি একজন বিখ্যাত দার্শনিক এবং কবি তিরুভাল্লুভারকে সম্মান করে। তিরুভাল্লুভার তামিল সাহিত্যের অন্যতম সেরা রচনা, তিরুক্কুলের লেখক ছিলেন। এর 133-ফুট উচ্চতার সাথে, মূর্তিটি একটি 38-ফুট পাদদেশে অবস্থিত এবং দূর থেকে দৃশ্যমান। কন্যাকুমারী দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে একটি হিসাবে, এই স্থানটি সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ। 


 


3●আওয়ার লেডি অফ র‍্যানসম চার্চ::---

কন্যাকুমারীতে অবস্থিত আওয়ার লেডি অফ র‍্যানসম চার্চ হল একটি বিখ্যাত ক্যাথলিক চার্চ যা মা মেরির উদ্দেশ্যে নিবেদিত। গির্জাটি 15 শতকে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি গথিক স্থাপত্যের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। চার্চের নীল রঙ এর পিছনে সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে বৈপরীত্য, একটি শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য তৈরি করে। এই অসাধারন কাঠামোর কেন্দ্রীয় টাওয়ারের সোনালি ক্রুশ এটিকে আরও বাড়িয়ে তোলে সৌন্দর্য এবং আবেদন, এবং এর শান্তি এবং প্রশান্তি মানুষকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে। 


4●সুনামি মনুমেন্ট::--

তার ধরনের অনন্য, সুনামি মনুমেন্ট কন্যাকুমারীর দক্ষিণ তীরের কাছে অবস্থিত। 26 ডিসেম্বর 2004 সালে ভারত মহাসাগর জুড়ে ভূমিকম্প এবং সুনামিতে মারা যাওয়া হাজার হাজার লোককে এই স্মৃতিসৌধের মাধ্যমে স্মরণ করা হয়। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে শুধু ভারতেই নয়, সোমালিয়া, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড এবং ইন্দোনেশিয়াতেও প্রায় 2,80,000 প্রাণ হারিয়েছিল। সর্বস্তরের দর্শনার্থীরা মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই স্মৃতিসৌধে যান। 



5●থিরপারপ্পু জলপ্রপাত::---

থিরপারাপ্পু জলপ্রপাত, যা 50 ফুট উঁচু 50 ফুট উচ্চতা থেকে, কন্যাকুমারীর সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন স্থানগুলির মধ্যে একটি। এই মনুষ্যসৃষ্ট জলপ্রপাতের নীচে একটি পুকুরে জল ঝরছে। জলপ্রপাতে সময় কাটানোর পাশাপাশি, আপনি পুলে একটি সতেজ ডুব উপভোগ করতে পারেন, প্রাকৃতিক পরিবেশে পিকনিক করতে পারেন বা এলাকায় একটি নৌকা যাত্রা করতে পারেন। জলপ্রপাতের প্রবেশদ্বারের কাছে একটি ছোট শিব মন্দির অবস্থিত, যেখানে ভক্তরা আশীর্বাদ চাইতে পারেন। 



6●কন্যাকুমারী সমুদ্র সৈকত::;--

ভারতের দক্ষিণতম বিন্দুতে, কন্যাকুমারীতে সুন্দর, অপ্রীতিকর সৈকত রয়েছে যা দিনের সময়ের উপর নির্ভর করে রঙ পরিবর্তন করে। এটি তিনটি সমুদ্রের উপর অবস্থিত : বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগর এবং আরব সাগর। অবিশ্বাস্যভাবে, আপনি এখানে দেখতে পাচ্ছেন যে তিনটি সমুদ্রের জল মিশে যায় না, তবে তিনটি সমুদ্রের গভীর নীল, ফিরোজা নীল এবং সবুজ সমুদ্রের জলগুলি তাদের বিভিন্ন রঙের দ্বারা আলাদা করা হয়, যা ঋতু এবং আবহাওয়ার অবস্থার সাথে পরিবর্তিত হয়। দিনটি. 


7●থানুমালয়ন মন্দির::--

সুচিন্দ্রামের স্থানানুমালয়ান কোভিল নামে পরিচিত পবিত্র মন্দিরটি ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং শিবকে সম্মান করার জন্য নির্মিত হয়েছিল, যা ত্রিমূর্তি নামেও পরিচিত। মন্দিরের শিলালিপিগুলি 9 ম শতাব্দীর, এবং এটি 17 শতকে সংস্কার করা হয়েছিল । একটি স্থাপত্যের মাস্টারপিস, এই মন্দিরটি মহান সৌন্দর্যের প্রতিনিধিত্ব করে। এই মন্দিরের অলঙ্কার মণ্ডপম এলাকাটি একটি পাথরে খোদাই করা চারটি সঙ্গীত স্তম্ভের জন্য সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। থাম্ব স্ট্রাইকের কারণে এই বাদ্যযন্ত্রের স্তম্ভগুলি বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের নোট নির্গত করে। এটিও উল্লেখযোগ্য যে স্থানানুমালয়ান পেরুমাল মন্দির হিন্দুধর্মের শৈব এবং বৈষ্ণব উভয় অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। 


8●পদ্মনাভপুরম প্রাসাদ::---

পদ্মনাভপুরম প্রাসাদ, ত্রাভাঙ্কোরের শাসকদের প্রাক্তন আসন, তিরুবনন্তপুরম থেকে 64 কিমি দূরে অবস্থিত। এখানকার থুকালয় মন্দিরটি আদিবাসী কেরালা স্থাপত্যের একটি সুন্দর উদাহরণ এবং কন্যাকুমারী যাওয়ার পথে এটি পাওয়া যাবে। এর বয়স হওয়া সত্ত্বেও, প্রাসাদটি এর ম্যুরাল, দুর্দান্ত খোদাই এবং কালো গ্রানাইট মেঝে দিয়ে বিস্ময়কর রয়ে গেছে। মেহগনি বাদ্যযন্ত্রের ধনুক, রঙিন মাইকা জানালা, সুদূর পূর্ব দিকে খোদাই করা রাজকীয় চেয়ার এবং রাণী মায়ের প্রাসাদ " থাইকোত্তারাম" এর আঁকা ছাদ স্থানটির রহস্যবাদকে আরও বাড়িয়ে তোলে। 


 9●ভগবতী আম্মান মন্দির::--

এই 3000 বছরের পুরানো মন্দির, যা দেবী কন্যাকুমারী মন্দির নামেও পরিচিত, কন্যাকুমারীর সবচেয়ে ধর্মীয় এবং ঐতিহাসিকভাবে উল্লেখযোগ্য পর্যটন স্থানগুলির মধ্যে একটি। মন্দিরটি দেবী কন্যাকুমারী আম্মানকে উৎসর্গ করা 51টি শক্তিপীঠের মধ্যে একটি। যখন শিব বহন করেন দেবী সতী তার কাঁধে ধ্বংসের নৃত্য পরিবেশন করার সময়, তার নিষ্প্রাণ দেহ একবার এই স্থানে পড়েছিল। মন্দিরে দেবী কন্যাকুমারী আম্মানের একটি মূর্তি রয়েছে, তার হাতে একটি জপমালা রয়েছে এবং তার নাকে সোনার গয়না পরা রয়েছে। মন্দিরটি তার চিত্তাকর্ষক দৃশ্যাবলী এবং চিত্তাকর্ষক প্রাচীন স্থাপত্য, সেইসাথে আধ্যাত্মিক আভা জন্যও পরিচিত। 


 10●মায়াপুরী মোম মিউজিয়াম::--

কন্যাকুমারীর মোম যাদুঘরটি লন্ডনের মোম জাদুঘরের একটি প্রতিরূপ, এটিকে একটি জনপ্রিয় পর্যটক আকর্ষণ করে তুলেছে। জাদুঘরে রক্ষিত ব্যক্তিত্বের মধ্যে স্যার আব্দুল কালাম, মহাত্মা গান্ধী, চার্লি চ্যাপলিন, মাদার তেরেসা এবং মাইকেল জ্যাকসনের মতো বিখ্যাত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। শহরের একটি বিশিষ্ট আকর্ষণ, যাদুঘরটি ভারত এবং অন্যান্য দেশের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি প্রদর্শন করে। 


11●ভাট্টকোট্টাই দুর্গ::--

কন্যাকুমারীর কাছে একটি সমুদ্রতীরবর্তী দুর্গ, ভারতের দক্ষিণ প্রান্ত, ভাট্টকোট্টাই ফোর্ট মানে 'বৃত্তাকার দুর্গ।' দুর্গের বেশিরভাগ নির্মাণের জন্য গ্রানাইট ব্লক ব্যবহার করা হয় এবং দুর্গের কিছু অংশ এমনকি সমুদ্র পর্যন্ত প্রসারিত। দুর্গটি এখন ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের সুরক্ষার অধীনে রয়েছে, যা সম্প্রতি দুর্গটির একটি বড় পুনরুদ্ধার সম্পন্ন করেছে। 


12●সেন্ট জেভিয়ার চার্চ:;--

নাগেরকোয়েলে অবস্থিত, সেন্ট জেভিয়ার চার্চ, 1600-এর দশকে সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার দ্বারা নির্মিত, ধর্মীয় তাৎপর্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলির মধ্যে একটি। অনাদিকাল থেকে, এই গির্জায় অলৌকিক ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে, এর খ্যাতি এবং সম্মান প্রতিষ্ঠা করেছে। এতে কোন সন্দেহ নেই যে গির্জাটি নাগেরকোয়েল পর্যটন স্থানগুলির মধ্যে একটি যা অবশ্যই দেখার জন্য আধ্যাত্মিকতা, শক্তি, এবং দেবত্ব। 


13●সানসেট পয়েন্ট::---

নৈসর্গিক পরিবেশের মধ্যে যারা শান্ত সময় চাইছেন তারা অবশ্যই সানসেট পয়েন্টে যাবেন। সন্ধ্যার আকাশ এবং শক্তিশালী সমুদ্রের মধ্যে অস্তগামী সূর্য দেখার অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা যা কন্যাকুমারীতে দর্শন করার সেরা জিনিসগুলির মধ্যে একটি। 

এখানে পূর্ণিমার দিন সন্ধ্যায় বা  অস্তগামী সূর্যের রশ্মি এবং উদীয়মান চাঁদের আলো একসাথে ধরতে দেখার মতন সৌভাগ্য অর্জন করা যায়। 


 14●চিথারাল জৈন স্মৃতিস্তম্ভ::---

চিথরল জৈন মনুমেন্ট কমপ্লেক্স দীর্ঘকাল ধরে স্থাপত্যের অনুরাগী এবং জৈন তীর্থযাত্রীদের জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান।

ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি, এই স্মৃতিস্তম্ভগুলি দেশে বিভিন্ন ধর্মের সহাবস্থানের চমৎকার উদাহরণও প্রদান করে। চিথারাল একসময় দিগম্বর জৈন সন্ন্যাসীদের আবাসস্থল ছিল, এই কারণেই এখানে 9 শতকের বিভিন্ন দেবদেবীর খোদাই করা একটি গুহা মন্দির রয়েছে। মহিমান্বিত স্মৃতিস্তম্ভগুলির পাশাপাশি, স্থানটির নির্মলতা এবং লোভনীয় আভা এটিকে অবশ্যই দেখার মতো স্থান। 


15●গান্ধী মন্ডপম::--

গান্ধীজির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কন্যাকুমারীর এই বৃহৎ স্মৃতিসৌধে গান্ধীজির ভস্ম সম্বলিত 12টি কলসের মধ্যে একটি রাখা হয়েছে। গান্ধীর দেহাবশেষ পরে ত্রিবেণী সঙ্গমে সমাহিত করা হয়। এখনকার লাইব্রেরিতে 

স্বাধীনতা পূর্ববর্তী অসংখ্য পত্রিকা, বই এবং অন্যান্য প্রকাশনার বহু নিদর্শন আছে।


16●সাঙ্গুথুরাই সৈকত::--

কন্যাকুমারীর সাঙ্গুথুরাই সমুদ্র সৈকত শহরটিতে ঘুরতে যাওয়ার জন্য অন্যতম সেরা জায়গা। ভারতে দক্ষিণতম অংশে অবস্থিত সাংগুথুরাই বিচে ভারত মহাসাগরের ভয়ঙ্কর শক্তি অনুভব করতে পারেন। এর সাদা বালির সৈকত এবং নাটকীয় উপকূলরেখা সহ, সাঙ্গুথুরাই সমুদ্র সৈকত একটি নির্মল ভ্রমণের জায়গা।

=========================


★ত্রিবান্দ্রাম::--- অথবা তিরুবনন্তপুরম:-


তিরুবনন্তপুরম, পূর্বে নামে পরিচিত ত্রিবন্দ্রম, ভারতের কেরল রাজ্যের রাজধানী। শহরটি মালাবার উপকূলে আরব সাগরের তীরে অবস্থিত। এখানে সুতি ও রেশমের তাঁত শিল্প এবং মোনাজাইট প্রক্রিয়াকরণ শিল্প আছে। ১৯৩৭ সালে এখানে কেরল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। ১৮শ শতকে দুর্গের ভেতরে নির্মিত একটি বিষ্ণু মন্দিরও রয়েছে এখানে। সবুজের সমারোহ দেখে মহাত্মা গান্ধী এটিকে ভারতের চিরসবুজ শহর আখ্যা দিয়েছিলেন। 

এটি কেরলের রাজনৈতিক ও শিক্ষাকেন্দ্র। এখানে বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার, টেকনোপার্ক এবং ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইন্সটিটিউট অবস্থিত।




 তিরুবনন্তপুরমের সেরা ১৫টি দর্শনীয় স্থান::--

তিরুবনন্তপুরম, বা ত্রিভান্দ্রম::-- ভারতের কেরালার রাজধানী। এক ঐতিহাসিক স্থান, সুন্দর সৈকত এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য উপযুক্ত স্থান। 


ত্রিভান্দ্রম দক্ষিণ ভারতে ভ্রমণের জন্য একটি দুর্দান্ত জায়গা। এখানে বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণ রয়েছে যা প্রতিটি ভ্রমণকারীর রুচি পূরণ করে। কেরালার শহর, ত্রিভান্দ্রম আরব সাগরের তীরে অবস্থিত এবং এর উঁচু মন্দির, দীর্ঘ বালুকাময় সৈকত, আশ্চর্যজনক জাদুঘর এবং সুন্দর প্রাসাদের জন্য পরিচিত।


ত্রিবান্দ্রম থেকে মাত্র ৩২ কিলোমিটার দূরে 

নেয়্যার বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।


●পদ্মনাভস্বামী মন্দির// ●কুঠিরামালিকা প্রাসাদ জাদুঘর//●নেপিয়ার জাদুঘর এবং চিড়িয়াখানা//●ভিঝিনজাম রককাট গুহা

// ●ভিঝিনজাম বাতিঘর//●অগস্ত্যকুডম

//●অট্টুকল ভগবতী মন্দির //●সাংঘমুখাম সমুদ্র সৈকত//●ম্যাজিক প্ল্যানেট//●পাঝাবঙ্গদী গণপতি মন্দির

//●নেয়্যার বাঁধ//●পুভার দ্বীপ//●শ্রী চিত্রা আর্ট গ্যালারি//●ভারকালা সৈকত।

========================

★আলেপ্পি:;----

আলেপ্পি ভারতের কেরালা রাজ্যের  একটি শহর ও পৌরসভা এলাকা। এটি ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত একটি সমুদ্র বন্দর। উপকূলের খাঁড়ি এবং খালের মাধ্যমে উত্তরের কোচিন শহর এবং দক্ষিণের তিরুবনন্তপুরম শহরের সাথে বাণিজ্য সম্পাদিত হয়। এখান থেকে রপ্তানিকৃত প্রধান পণ্য হল মরিচ, আদা এবং নারকেলের শাঁস।

অ্যালেপ্পি,= আলাপ্পুঝা, 

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে কেরালা রাজ্যের ল্যাক্যাডিভ সাগরের তীরে অবস্থিত একটি শহর।

এখানে হাউসবোট ক্রুজ, সুন্দর সৈকত, খাল, উপহ্রদ এবং বিখ্যাত বার্ষিক অনুষ্ঠান পুন্নামাদা হ্রদের সাপের নৌকা প্রতিযোগিতার জন্য বিখ্যাত। অ্যালেপ্পি আশ্চর্যজনক উদ্ভিদ এবং প্রাণী, নারকেল, খেজুর গাছ, সবুজ ধানক্ষেত, ব্যাকওয়াটার এবং আরও অনেক কিছুতে সমৃদ্ধ।

   বিখ্যাত - ব্যাকওয়াটার, সৈকত

●অ্যালেপ্পি সমুদ্র সৈকত:

●মারারি সৈকত :

●ব্যাকওয়াটার দর্শন::-

●কৃষ্ণপুরম প্রাসাদ:

●জাদুঘরে বিভিন্ন চিত্রকর্ম এবং ম্যুরাল চিত্রকর্ম রয়েছে, যার নাম " গজেন্দ্র মোক্ষম ", 

যার আয়তন ১৫৪ বর্গফুট (১৪.৩ বর্গমিটার)। চিত্রকলার ঐতিহাসিক সৌন্দর্যের আভাস পেতে, দক্ষিণ ভারতীয় মানুষের জীবন সম্পর্কে জানতে প্রাসাদটি পরিদর্শন করুন। আপনার মন, শরীর এবং আত্মাকে পুনরুজ্জীবিত করুন।

খোলা এবং বন্ধের সময়: · সকাল ৯টা – দুপুর ১টা, ২টা – বিকাল ৪:৩০টা


ঠিকানা : ওচিরা আরডি, কায়ামকুলামের কাছে, আলাপ্পুজা জেলা, কৃষ্ণপুরম, কেরালা 690533, ভারত

●ভেম্বানাদ হ্রদ:

●কুট্টানাদ:

কুট্টনাদ "কেরালার ধানের পাত্র" নামে পরিচিত। কেরালা রাজ্যের আলাপ্পুঝা এবং কোট্টায়াম জেলায় অবস্থিত এই জায়গাটিতে বিশাল ধানক্ষেত রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই এটি ধান উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। এই অঞ্চলটি রমণকারি ব্যাকওয়াটারে নৌকা বাইচের জন্যও বিখ্যাত। দর্শনার্থীরা এখানকার সামাজিক-সাংস্কৃতিক জীবন উপভোগ করেন। সবুজ ধানক্ষেত আপনাকে এক মনোমুগ্ধকর অনুভূতি দেবে। আপনি মাঠে বিভিন্ন কৃষিকাজে ব্যস্ত কৃষকদের দেখতে পাবেন।

●আলাপ্পুঝা বাতিঘর:

●করুমাদি কুত্তান - ভগবান বুদ্ধের একটি গ্রানাইট মূর্তি:

কারুমাদি কুত্তান আলাপ্পুঝার আম্বালাপুঝায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী কেন্দ্র। মূর্তিটি ভগবান বুদ্ধের 11 শতকের কাছাকাছি প্রাচীনতম মূর্তিগুলির মধ্যে একটি। 

খোলার এবং বন্ধের সময়: রবি - শনিবার: সকাল ০৯:৩০ - বিকাল ০৪:৩০ (করুমাদি কুট্টান সোমবার বন্ধ থাকে)

●হাইলাইটস:;--

●অম্বালাপ্পুঝা শ্রীকৃষ্ণ মন্দির:

খোলার শেষ সময়: সকাল ৫:৩০ থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত

●হাইলাইটস

●আম্বালাপুঝা মন্দির উৎসবে যোগ দিন

(মিষ্টি দুধের দোল) ব্যবহার করে দেখুন

বিনামূল্যে প্রবেশ

●মুল্লাক্কল ভগবতী মন্দির:

●Edathua Church:

Sundays: 06:00 AM, 08:00 AM, 10:00 AM and 16:00 PM

Wednesdays: 06:00 AM and 07:00 AM

Fridays: 04:00 PM

●Andrew’s Basilica, Arthunkal:

●St. Mary’s Forane Church:

=========================


■কোচিন::---


কোচিন, যা কোচি নামেও পরিচিত, ভারতের কেরালা রাজ্যের এর্নাকুলাম জেলার একটি বন্দর শহর, যা আরব সাগরের মালাবার উপকূলের পাশে অবস্থিত। 

এটি একটি প্রধান বন্দর শহর এবং কেরালা রাজ্যের বাণিজ্যিক, শিল্প ও আর্থিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত। 

====================


Tuesday, April 1, 2025

129>|| ভ্রমণ মনের এক টনিক ||

  এপ্রিল ফুলের সন্ধ্যায় পাঠালাম টনিক::----


129>|| ভ্রমণ মনের এক টনিক ||

      <------আদ্যনাথ---->

একথা নিতান্ত সত্য 

"ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঔৎসুক্য 

মানসিক অবস্থাকে আরও উন্নীত করে।"

তবে আমার চিন্তা একটু ভিন্ন ভাবে,

সত্য মিথ্যা যাচাই করে নিতে হবে।


শুধুই মানসিক অবস্থার উন্নীত করে না 

সাথে তার শারীরিক ও চিন্তা শক্তির বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।

ভ্রমণ এক প্রাকৃতিক উৎকৃষ্ট টনিক,

মেধা বৃদ্ধি ও শরীর সুস্থ হয়, hi

ভ্রমণ মানুষের সুস্থ থাকার সহায়ক হয়,

এবং সকল প্রকার শ্রীবৃদ্ধি করে,

সমাজে যোগ্য মানুষ করে গড়ে তোলে।


মানুষকে প্রকৃত মানুষ করে,

সকল সমাজ কে ভালোবাসতে শেখে,

যে ভালোবাসেনা  ভ্রমণ,

সেতো নিকৃষ্ট কীট পতঙ্গের মতন,

ব্যর্থ তার মনুষ্য জীবন ধারণ।


ভ্রমণ প্রকৃত এক যোগসূত্র,

গ্রাম থেকে শহর,

নদী থেকে সাগর,

পাহাড় থেকে জঙ্গল,

ভূধর থেকে নীলাম্বর,

সর্ব স্তরেই স্নেহের বন্ধন।

মানুষের সাথে মানুষ,

যেথায় প্রকৃতি খোঁজে 

শুধুই মানুষ।

ভ্রমনেই দৃঢ় হয় হৃদয়ের বন্ধন।

ভালোবাসাই একমাত্র শ্রেষ্ঠতার সাধন।


জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি সুস্থ সহজ সুন্দর ভ্রমণ।

ভ্রমন সর্বদা সুন্দরকে খোঁজে,

হোক সে নিরালা তবু তারে খোঁজে,

ভ্রমণ মনের গহনে প্রকৃতিরে খোঁজে,

হোক সে কঠিন দুর্গম তবু তারে খোঁজে।


ভ্রমণ প্রকৃতির মাঝে চিরসত্য সুন্দর,

সকল অতৃপ্ত বাসনার নিশ্চই হয় পূরণ।

তাইতো মুনিঋষি গণ,

ঘুরে বেড়ায় সর্বক্ষণ।


ভ্রমণ প্রকৃতিকে চেনার সহজ উপায়,

শুভ কর্ম ও সহজ মুক্তির উপায়।

ভ্রমণ বাহিরে খুঁজে দেখতে প্রকৃতির লীলা, 

অন্তরে ভ্রমণ খুঁজে পেতে সৃষ্টির লীলা খেলা।


প্রকৃতি খোঁজে ভালোবাসার জন,

তাইতো মানুষ খুশিতে করে ভ্রমণ।

যা আছে সমগ্র বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে,

তা আছে মানুষের অন্তর শরীরে,

খুঁজে পেতে হয় ধ্যানে অথবা ভ্রমণে,

ভ্রমণও নিশ্চিত পরিপূরক আত্মধ্যানে।


গভীর অহঙ্কারে অথবা নির্বুদ্ধিতার কারণে

হামেশাই মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয় হয়,

ভ্রমণে সর্বদা সচেতন থাকতে হয়,

নয়তো সামান্য ভুলেই প্রকৃতি বিরূপ হয়।

<------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

            01/04/2025 

==========================


Sunday, March 30, 2025

128>|| SV2এর প্রবীণ16 জন রাঙামাটির দেশে || For SV2 Souvenir–-2025

   128>|| SV2এর প্রবীণ16 জন রাঙামাটির দেশে || For SV2 Souvenir–-2025

      <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

আমরা শ্যামবিহার ফেজ2 এর সিনিয়র সিটিজেন 16জন ঘুরে আসলাম  রাঙামাটির দেশ, বোলপুর -শান্তিনিকেতনে তিনদিন দুইরাত্রি::-

19/03/2025 থেকে 21/03/2025

 রাঙামাটি ও শান্তিনিকেতনের পবিত্র স্পর্শে এক অনাবিল আনন্দ  ও প্রশান্তিতে মনপ্রাণ ভরে গেছে।

আমাদের সান্ধ্যআড্ডায় একদিন ডাক্তার সিরাজ সাহেব জানালেন যে উনি আমাদের সকলকে নিয়ে শান্তিনিকেতন বেড়াতে যাবার প্লান করছেন। শান্তিনিকেতন ভ্রমনের ভালো সময় নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত। সেই কারনে  দোলের পরে 19মার্চ থেকে তিনদিনের ভ্রমনের জন্য উনি নিজে একটি  17/18 সিটের বাসের ব্যবস্থা করেছেন  এবং শান্তিনিকেতনে একটি রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টে আটটি ডবলবেডের এসি রুম  বুক করেছেন। এখন আমরা রাজি হলেই উনি বাস ও হোটেলে বুকিং কনফার্ম করবেন। ডাক্তার সাহেব আরও জানালেন  বাসে করে যাতায়াত ও আশেপাশের ঘুরে দেখতে বাসের ভাড়া উনি নিজেই ব্যবস্থ্য করবেন। আমদের শুধু নিজের নিজের হোটেল ভাড়া ও নিজের নিজের খাওয়া- দাওয়ার ব্যবস্থা নিজেদের করতে হবে। হোটেল বুক উনিই করে দেবেন।

আমরা ষোল জন ওনার এই প্রোগ্রামে রাজি হলাম।

আমরা 16 জন:----

●শ্রী ডাঃ সৈয়দ আহসান সিরাজ--শ্রীমতি ফৌজিয়া সিরাজ। ●শ্রী বাবুল রহমান -- শ্রীমতি সুফিকা রহমান। ●শ্রী অজিত কানুনগৌ--শ্রী মতি স্মিতা কানুনগৌ। 

●শ্রী দিলীপ দাস--শ্রী মতি কুমকুম দাস। ●শ্রী সুব্রত চক্রবর্তী--শ্রীমতি ইন্দ্রানী চক্রবর্তি। ●শ্রী প্রদীপ কুমার দত্ত--শ্রীমতি শর্মিষ্ঠা দত্ত। ●শ্রী উৎপল কুমার বাগচী-- শ্রীমতি মিতা বাগচী। ●শ্রী অশোক লোহিয়া। এবং আমি ●শ্রী আদ্যনাথ রায় চৌধুরী।

19 মার্চ সকাল 7:20 মিনিটে আমাদের বাস রওনা দিল শান্তিনিকেতনের উদ্দেশ্যে। পথে সিঙ্গুরের কাছে হোটেল লাবনীতে  আমরা যে- যার মতন কিছু জলখাবার খেয়ে, আবার রওনা দিয়ে দুপুর ঠিক 1টা 10 নাগাদ শান্তিনিকেতনে আমাদের নির্দিষ্ট  রিসোর্টে পৌঁছে গিয়েছিলাম।

শান্তিনিকেতনে আমাদের হোটেল তথা রিসোর্টের নাম ঠিকানা::---

【MAHARSHI NIWAS, Amar Kutir Road, Ballavpur. Shantiniketan.

Pin coad:--731236 

Email:---niwasmaharshi @ gmail. com. Mobile::--9775633633】

Dining Hall== Khai Khai

Tea Bar-------= চুমু--চা।

------------------------------------

ডাঃ এস,এ,সিরাজের ব্যবস্থাপনা ও    তত্ত্বাবধানে, এই যাতায়াত ও ঘুরে দেখার জন্য বাসের ব্যবস্থা ডাক্তার সাহেব নিজেই করেছেন। সেই কারণে ডাক্তার সিরাজ কে

ধন্যবাদ  জানিয়ে বা বাহবা দিয়ে ওনাকে ছোট করতে চাই না।

তবে ওনাকে আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা করছি।

---ভ্রমন মানেই---

প্রকৃতির মাঝে খোলাহাওয়ায়,

নিজেকে খুঁজে পাওয়া নিরালায়।

তাইতো ভ্রমন একান্ত ভালোলাগা,

কিছুসময় প্রকৃতির সাথে মিশেথাকা।

ভ্রমণে প্রকৃতি নিঃস্বার্থ শিক্ষাদেয়,

প্রকৃতির সৃষ্টি রহস্য উপলব্ধি করাযায়।

প্রকৃতির মাঝে ভ্রমণে যা শেখা যায়,

কোন পুস্তকই তার সমকক্ষ নয়।

=======

আমরা ঠিক সময়ে রিসোর্টে পৌঁছে

প্রত্যেকে নিজের নিজের রুমে গিয়ে একটু ফ্রেস হয়ে মহর্ষি রিসোর্টে র "খাই খাই"

ডাইনিং হলে এসে দুপুরের  মধ্যাহ্ন ভোজন  সারলাম।

আমাদের আজকের পোগ্রাম কঙ্কালীতলা ও "মা" ফুল্লার মন্দির।

দুপুরের খাবার  পরে একটু বিশ্রাম করেই আমাদের বাস নিয়ে বেরিয়ে পরলাম। কঙ্কালিতলা ও ফুল্লার মন্দিরের উদ্যেশ্যে ।

★কঙ্কালীতলা::---

আমাদের হোটেল  থেকে কঙ্কালীতলা মোটামুটি 9.3 কি মি এর একটু বেশি।

কাঙ্কালীতলা বোলপুর এর লাভপুর রোডে অবস্থিত। এটি 51 শক্তিপীঠের অন্যতম। 

কোপাই নদীর তীরে এখানে "মা" এর কঙ্কাল পড়েছিল কেউ বলেন "মা" য়ের কোমর বা কাঁখাল পড়েছিল

আর এই কাঁখল থেকেই স্থানীয় ভাবে দেবীর নাম রয়েছে কঙ্কালী। 

এখানে দেবীর নাম "দেবগর্ভা" এবং "ভৈরবের নাম রুরু'।স্থানীয়ভাবে দেবীর নাম কঙ্কালী।

এখানে "মা" কঙ্কালী দেবীর কোনও বিগ্রহ নেই। মা কঙ্কালীর ছবিই এখানে পুজো করা হয়। মন্দিরের পাশের কুণ্ডটিতে  কিছু পাথর আছে। অনেকের বিশ্বস এই পাথর গুলি দেবীর দেহাংশ এবং প্রতি 12 বছর অন্তর এই পাথরগুলো তুলে বিশেষ পূজা করে আরার আগের জায়গায় রেখে দেওয়া হয়। এই কুণ্ডের পাশেই আছে মহা শ্মশান, এই  শ্মশানে গুপ্ততন্ত্র সাধনা হয়। এখানে কালিপূজা জাঁকজমক ভাবে করা হয়।

চৈত্র সংক্রান্তিতেই দেবীর মূল উৎসব।  

সে সময় মন্দিরকে ঘিরে মেলা বসে। দেবীপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে 51জন কুমারীকে পূজা করা হয়।

জনশ্রুতি রয়েছে, এখানকার কুণ্ডের সঙ্গে তিনটি সুড়ঙ্গ পথে কাশীর মণিকর্ণিকা ঘাটের সঙ্গে যুক্ত ।

আমরা সকলে মন্দিরে প্রণাম করলাম কেউ কেউ ভক্তি ভরে শুদ্ধ মনে 'মা' এর মন্দিরে পুজোও দিলেন।

এই পুজোদেবার সাক্ষাৎ ফলস্বরুপ আমরা প্রসাদ পেলাম। এর পরেই আমরা আবার রওনা দিলাম 'মা' ফুল্লরামায়ের মন্দিরের দিকে।


★ফুল্লরা মন্দির::--

কঙ্কালীতলা থেকে ফুল্লরা মন্দির সতেরো (17)কিলোমিটার থেকে একটু বেশি।

এখনকার পিনকোড: 731303 

 ঠিক সন্ধ্যায় একটু আগে আমরা ফুল্লরা মন্দিরের কাছে একটি ছোট্ট চা-এর দোকানে পৌঁছলাম। সেখানে আমরা সকলে চা-বিস্কুট খেয়ে ঠিক সন্ধ্যার সময় মন্দিরে  'মা'-এর ব্রহ্মশিলা দর্শন করলাম ও মন্দিরের আসে পাশে আরও কিছু মন্দির আছে সেগুলি দেখে পাশেই  ছোট্ট মন্দির দেবীর ভৈরব বিশ্বেশ্বর মহাদেবের মন্দির ও মন্দিরের সামনেই বেশ বড় একটি পুকুর দেখলাম।

 লোক শ্রুতি আছে যে রামায়নে বর্ণিত রামচন্দ্রের দুর্গাপূজার সময় হনুমান এই পুকুর থেকেই 108টি ( একশত আটটি) নীল পদ্ম সংগ্রহ করেছিলেন।

আমরা মন্দিরে সন্ধ্যা আরতী দেখলাম।

এই মন্দির চত্বরে পঞ্চমুন্ডির আসন আছে।  

লোকবিশ্বাস অনুসারে এখানে ফুল্লরায় সতীর ঠোঁটের অংশ পড়েছিল। এখানে গর্ভগৃহে দেবীর কোন মূর্তি নাই এক কূর্মাকৃতি ( কচ্ছপের আকৃতি বিশিষ্ট)   লাল সিঁদুরচর্চিত শিলাখণ্ডই দেবীর প্রতিভূ। এখানে মা, রক্তিম ব্রহ্মশিলাতে পূজিত হন। ফুল্লরা " মা" 51 শক্তিপীঠের অন্যতম। তন্ত্রচূড়ামণি অনুসারে  একান্ন পীঠের 49 তম সতীপীঠ লাভপুরের ফুল্লরা। প্রতি বছর মাঘীপূর্ণিমায় ত্রয়োদশী তিথিতে মায়ের বিশেষ পুজোর্চনা হয়। এখানে প্রত্যেকদিন মায়ের ভোগে হয়।

লাভপুরের এই মন্দিরের চারিধার গাছপালায় ঘেরা। মন্দিরটি বেশ একটা ছায়াময় পরিবেশে। এখানে মাঘীপূর্ণিমায় ত্রয়োদশী তিথিথেকে  10(দশ) দিনের মেলা বসে। মন্দির চত্বর খুব একটা বড় নয় তবে গর্ভগৃহের সামনেই রয়েছে নাট মন্দির আর জগমোহনে রয়েছে হাড়ি কাঠ।‌ এখানে বয়েচলেছে উত্তর অভিমুখী কোপাই নদী। প্রতিদিন মন্দির খোলা  থাকে ভোর  5:30am থেকে রাত্রি 10pm.

মন্দিরের কাছেই মহা শ্মশান। তন্ত্র সাধনার উত্তম স্থান হিসেবে প্রসিদ্ধ এই ফুল্লরা মায়ের মন্দির।  প্রতি অমাবস্যাতে অনেক ধুম-ধাম করে এখানে বিশেষপূজার্চনা হয় "ফুল্লরা মা"র। এই মন্দিরের অনেকে কিংবদন্তি বা লোক কথা আছে। সেগুলি লিখতে গেলে লেখা অনেক বড় হয়ে যাবে সেই কারণেই  কিংবদন্তি বা লোককথা কিছুই লিখলাম না।

এর পরে আমরা রওনা দিলাম আমাদের হোটেলের দিকে। এখান থেকে আমাদের হোটেল মোটামুটি 26.3 km .হোটেলে পৌঁছে মহর্ষির চুমু-চা বারে চা খেয়ে,  রুমেগিয়ে একটু বিশ্রাম করে রাত্রের ডিনার করলাম "খাই খাই" ডাইনিং হলে।

পরের দিনের প্লান  সকালে টিফিন খেয়ে যাওয়া হবে শান্তিনিকেতন।

আর বিকেলে শোনাঝুড়ি খোয়াই হাটে।


20/03/2025:আজ 20 মার্চ বৃহস্পতিবার 

শান্তিনিকেতন ভ্রমনের আজ  আমাদের দ্বিতীয় দিন::--

কলকাতা থেকে মাত্র 170km বীরভূম জেলার বোলপুরের একটি ছোট শহর শান্তিনিকেতন। সকালে বেড টি খেয়ে রিসোর্টের পাশে শোনাঝুড়ি রোডে একটু ঘুরে বেড়ালাম গ্রামগুলি ঘুরে দেখলাম। গ্রামের প্রতিটি ঘরেই কুলগাছে প্রচুর কুল দেখে লোভ সামলাতে না পেরে কিছু কুল পারলাম। বাগচিদার স্ত্রীকে কুলগুলি দিতে উনি ভীষণ আনন্দিত মনে কুলগুলি নিয়ে সকলকে দেখালেন। তারপরে একটু হাঁটাহাঁটি করে সকাল বেলার যে-যার মতন টিফিন খেয়ে বাস নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম শান্তিনিকেতন ঘুরে দেখতে । 

আমরা শান্তিনিকেতনের নির্দিষ্ট জায়গাতে পৌঁছে  চারটি আটো ভাড়া করে চারজন করে একটি অটোতে  (4×4=16 জন) ঘুরে দেখলাম সম্পুর্ন শান্তিনিকেতন ।

এখানে প্রত্যেক আটো ওয়ালার কাছে বিস্তারিত গাইড ম্যাপ আছে। সেই ম্যাপ অনুসারে ওদের সাথে ভাড়া ঠিক করতে হয়। আমাদের ডাক্তার বাবুই ওদেরসাথে  বলে কয়ে চারটি অটো ঠিক করেলেন  ₹650/- টাকা করে প্রতি আটো । 

আটো ওয়ালারা বেশ অভিজ্ঞ গাইডের মতন করে প্রতিটি জায়গাতে খুব ভালো করে বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন।

আমাদের আটো চলছে আর অটোয়ালা

বর্বনা করে চলেছেন ডাইনে বাঁয়ের সকল দৃশ্যমান স্থান গুলি। প্রথমে সেই বিখ্যাত তিন পাহাড়ি বটবৃক্ষ। গাইড কাম অটোয়ালা বলে চলেছেন::---


★বটগাছ এবং শান্তিনিকেতন:---

রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনে এই বটগাছের সাথে একটি বিশেষ সম্পর্ক আছে, যা তাঁর বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর স্থাপন করেছিলেন এবং পরবর্তীতে শান্তিনিকেতনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। 

"তিন পাহাড়ী বটগাছ, এটাই সহজ পাঠের প্রচ্ছদে দেখা যায়।"

রবীন্দ্রনাথের বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে বাড়ি তৈরি করার সময় একটি পুকুর খনন করেন, যা বর্তমানে তিনপাহাড়ের স্থানে অবস্থিত তালপুকুর নামে পরিচিত ছিল। পুকুরটি ভরাট করে সেখানে এই বটগাছটি স্থাপন করেছিলেন।

এই বট গাছটিকে ঘিরেই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহর হিসাবে পরিচিত এবং রবীন্দ্রনাথের বহু স্মৃতিচিহ্ন বহন করে। এ-হেন সুন্দর মনোরম শহরটি, যেটি বিশেষ করে এই রাজ্যের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ের সাহিত্য ও শিল্প কলা ভাবনাও চেতনার শিকড়ের হৃদস্পন্দন ও জ্ঞান, বিজ্ঞান,শিক্ষা,সাহিত্য, দর্শন,অঙ্কন,ভাস্কর্য আরও নানান শিল্পকলা শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র এইশান্তিনিকেতন।

আমি যতবার শান্তিনিকেতনে গিয়েছি ততবারই এই শহর অর্থাৎ মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত এই শহরকে বুঝতে চেষ্টা করেছি , আসলে এই শহরটি বাঙালির মন, প্রাণ ও চিন্তার প্রাণ কেন্দ্র। শুধু তাইনয় আজ সমগ্র বিশ্বের আকর্ষণ কেন্দ্র।

এই ছোট শহরটি নোবেল বিজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বারাই বিখ্যাত হয়েছে 

শান্তিনিকেতন এক বিশাল 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিশাল কর্মযজ্ঞ, এ-হেন বিশালকে ব্যাখ্যা করা অর্থাৎ শান্তিনিকেতন নিয়ে কিছু লেখার মতন ক্ষমতা বা জ্ঞান কোনটাই আমার নাই। তথাপি যেটুকু লিখলাম,

ভুলভ্রান্তি হতেই পারে, তার জন্য ক্ষমা প্রার্থী।

বীরভূমের নদীগুলি কত ইতিহাসের স্বাক্ষী বয়ে নিয়ে চলেছে সেই আদি কাল থেকে। সে সকল আজ ইতিহাস। 

সময়ের তালে সময়ের গতিতে ইতিহাসও এগিয়ে চলে। আর সেই এগিয়ে চলার ইতিহাসের স্বাক্ষী নিয়েই আজ দাঁড়িয়ে আছে বীরভূমের বোলপুর শহরের নিকটের গ্রাম গুলি যেমন রাইপুর-সুপুর পঞ্চায়েত এলাকা। এখানে ইলামবাজার যাবার পথের বাঁ দিকের গ্রাম রাইপুর।

এই রায়পুরের বাবুদের কাছ থেকে দুটি ছাতিম গাছ কে কেন্দ্র করে কয়েক বিঘা জমি কিনে নিয়ে ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেই জমিতেই গড়ে উঠেছে  শান্তিনিকেতন। এখন যেখানে এতো প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা কেন্দ্র। এক সময়ে এখানে ছিল  জনশূন্য  নির্জন প্রান্তর ভুবনডাঙা গ্রাম। এক সময়ে এখানে কিছু ডাকাতের বাসস্থান ছিল। সেই ডাকাতেরা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের  প্রভাবে ডাকাতি ছেরে কৃষিকাজ করতে শুরু করেছিল এবং সেই ডাকাতের সর্দার পরবর্তী সময়ে  শান্তিনিকেতনের একনিষ্ঠ পরিচারক রূপে কাজ করতেন। 

আমি যতবার শান্তিনিকেতনে গিয়েছি প্রতিবারই এই গল্প বা ইতিহাস শুনেছি আজও আবার শুনলাম গাইড তথা ওই আটোওয়ালার মুখে।পরম শ্রদ্ধেয় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিশুকাল থেকে এখানে এই বোলপুরের  প্রকৃতির মাঝেই খুঁজে পেয়েছিলেন তাঁর জীবনের অন্তর স্বত্বা, সেই স্নেহ ধন্য স্বত্বার প্রেরণায় তিনি এখানে বসেই বহু কবিতা, উপন্যাস ও গানের সৃস্টি  করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই স্থানটিকে নিজের বাসস্থান করে নিয়েছিলেন এবং তাঁর বেশিরভাগ সাহিত্য ও গ্রন্থ এখান বসেই রচনা করেছিলেন। শান্তিনিকেতনের ক্যাম্পাসটি বাংলার ইতিহাস ও সাহিত্যের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের নানান ভাস্কর্য, চিত্রকলা দ্বারা সু-সজ্জিত। শান্তিনিকেতন, যা বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিখ্যাত। এখানে উল্লেখযোগ্য স্থানগুলির মধ্যে রয়েছে ★রবীন্দ্রভবন, ★উপাসনা ঘর, ★উত্তরায়ণ কমপ্লেক্স, ★নন্দনিক::-- 

 ★পঞ্চবটী:-★তালধ্বজ::---

 ★সংস্কৃতির মঞ্চ:- --★আশ্রম

★বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়:--

★শান্তিনিকেতন জাদুঘর:---

এছাড়াও দেখলাম নানান অনুষ্ঠানের জায়গা যেমন

★বাইশে শ্রাবণের জায়গা ও বিবরণ,

★শান্তিনিকেতন পৌষ মেলার বিবরণ ★তারপরে আছে বসন্ত উৎসবের স্থান ও বিবরণ ::--

এছাড়াও আছে বল্লভপুর বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য এবং আরও অনেক কিছু, যেগুলি প্রত্যক্ষ না দেখলে, বলে বা লিখে বুঝিয়েদেওয়া আমার দ্বারা সম্ভব নয়।

তবুও যা দেখেছি শুনেছি সেইটুকুই লিখেছি। সকলে মোটামুটি ভাবে

শান্তিনিকেটন ঘুরে দেখে এসে যে যার মতন খাই খাই তে দিনের খাবার খেল।

আমরা পাঁচ জন বাগচী দা ও ওনার স্ত্রী, প্রদীপ দা ও ওনার স্ত্রী এবং আমি এইপাচঁজনে দুপুরের খাবার খেতে চলেগেলাম শোনাঝুড়ি খোয়াই হাটের কাছে ----রাম-শ্যাম-হোটেলে। 

RAM SHYAM  VILLAGE RESORT

Sonajhuri Khoai Hut, Santiniketan. Birbhum.

pH::--7076319664 // 6297872977

আমরা সকালেই গ্রামের মেয়েদের কাছ থেকে জেনেছিলাম যে সামনে এক গ্রামের মধ্যে  একটি বুদ্ধিস্ট টেম্পের আছে যার সামনে বিরাট এক বুদ্ধস্ট্যাচু আছে। আমরা দুপুরে সোনাঝুড়ি  হাটের কাছে লাঞ্চ করতে যাবার পথে  সেই বুদ্ধ টেম্পেলটি দেখে তারপরে লঞ্চে গেলাম

Ram Shyam----হোটেলে।

ভেজ থালি ও কোচিপাঠার মাংস কষা খেলাম, রান্না বেশ ভালোই করেছিল।

খাবার খেয়ে আমরা টোটো করেই আমাদের হোটেলে ফিরলাম।

প্রায় আধা ঘন্টা বিশ্রাম করে সকলে মিলে বাসে করে গেলাম শোনাঝুড়ি খোয়াই হাটে। কিন্তু হাটে পৌঁছবার একটু পড়েই শুরু হলো বৃষ্টি, সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার ছিল, দুইদিন আমরা ঘুরে বেড়িয়েছি বেশসুন্দর মেঘলাআবহাওয়ায়, 

আজ হঠাৎ বৃষ্টির সাথে বেশ জোরে হওয়া

বইতে শুরু করল। ফলে শোনাঝুড়ি হাটের

সব বিক্রেতারা তাদের দোকান পাট গুটিয়ে নিলো। আমাদের আর ভালো করে হাট বাজার করা হলনা, বিশেষ করে এই শোনাঝুড়ি হাটের বিখ্যাত সেই বাউল গান আর শোনা হলনা। এই হাটে প্রতিদিনই বিভিন্ন বাউল সম্প্রদায় আসেন । তাঁরা তাদের গান শুনিয়ে তারের রোজগার করেন।

আমাদের আর বাউল গান শোনা হলনা।

এই একটাই  অনুশোচনা রয়ে গেল।

মনভরে ঘুরেবেড়ালাম আনন্দে,

কিছু বাদ রইলো পরের বারের জন্য।

আগামীকাল দুপুর 12টার মধ্যেই হোটেলের চেকআউট টাইম।

  21/03/2025::---

আজ আমাদের কলকাতা ফিরে যাবার দিন। সকালে বেডটি খেয়ে স্নান সেরে লাগেজ গুছিয়ে নিলাম। তারপরে সকালের জলখাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়ার জন্য তৈরি হয়ে নিলাম এবং আমরা বেলা 10টা নাগাদ রওনা দিলাম।

পথে দুইবার থামতে হোল।একবার শক্তিগড়ে ল্যংচা খেতে ও কিনতে।

আর পরে একবার হোটেলে দুপুরের লাঞ্চ করতে সকলের ইচ্ছাতে সিঙ্গুরের কাছে সেই লাবনী হোটেলে। তবে যেহেতু লাবনী হোটেল উল্টো পথে সেই কারণে গোলচক্কর ঘুরে উল্টো পথে গিয়ে লাবনী হোটেলের সামনে গাড়ি দার করলো।

আমরা যে-যার মতন দুপুরের খাবার খেয়ে আবার রওনা দিলাম এবং ঠিক সময়েই ------ শ্যামবিহারে পৌঁছে গেলাম। এভাবেই আমাদের শ্যামবিহার ফেজ2 এর সিনিয়র সিটিজেনদের ঐতিহাসিক শান্তিনিকেতন ভ্রমণের সমাপ্তি হল।

অনেক দেখেলাম,শুনলাম, দিনগুলি উপভোগ করলাম,বিশাল কর্মকাণ্ডকে 

অন্তর দিয়ে অনুভব করলাম, কত শত মানুষের কল্যাণের তরে গড়েওঠা এ-হেন বিশাল ভাবনার অতীব গুরুত্বপূর্ণ শ্ৰেষ্ঠ কর্মযজ্ঞের আসন ও পীঠস্থান তথা প্রতিষ্ঠান কে চাক্ষুস করে নিজেদের ধন্য করেছি।

আমি অনেক বার শান্তিনিকেতন ও শ্রীনিকেতন ঘুরে দেখেছি , তথাপি 

এই টুকুই বুঝেছি যে শান্তিনিকেতনকে বুঝতে ও একনিষ্ঠ ভাবে  অনুভব করতে পারলে আমাদের বাংলাকে অনেকাংশেই বোধহয় জানা ও চেনার সহজ হয়ে যায়। এমনটাই আমার অনুভব।-- রাঙামাটির দেশে রাস্থার দুইপাশে পলাশ ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে বাঁধন ছাড়া মনের আনন্দে তিনদিনঘুরে বেড়িয়েছি।

শোনাঝুড়ি খোয়াই হাটে দেখেছি কত যুবতী মেয়েরা পলাশ ফুলের মাল পরে আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছে ও কেনাকাটা করছে।

<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->============================

 লেখাটি ----(5) পৃষ্ঠা

Word counts---1,984

Characters-------12,908

Character

Excluding space----10,976

======================