Friday, April 12, 2024

120> কলকাতার মার্বেল প্যালেস।

 


120>উত্তর কলকাতার মার্বেল প্যালেস।

আবার খুলে গেছে মার্বেল প্যালেস।

Marble Palace

Museum in Kolkata, West Bengal ‧ 


46, Muktaram Babu St, opp. Ram Mandir, Raja Katra, Jorasanko, Kolkata, West Bengal 700007

8.2 km

Map of marble palace kolkata

Closed ⋅ Opens 10 am 

Monday and Thursday Close.

মার্বেল প্যালেস (কলকাতা)

মার্বেল প্যালেস হচ্ছে উত্তর কলকাতার উনিশ শতকের একটি প্রাসাদোপম জমিদার বাড়ি। রাজেন্দ্র মল্লিকের বাড়ি 

এটি 46, মুক্তরাম বাবু স্ট্রিট, কলকাতা  700007 ...

মার্বেল প্যালেস কলকাতা: 126 ধরণের মার্বেল দিয়ে তৈরি একটি আবাস।


এই মার্বেল প্যালেসের চিড়িয়াখানা ভারতের প্রথম চিড়িয়াখানা।

পাথুরিয়াঘাটা রাজবাড়ী

রাজেন্দ্র মল্লিক

সোনাগাছি যাওয়ার রাস্তা

সোমবার ও বৃহস্পতিবার বন্ধ।


উত্তর কলকাতায় 46 মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটে অবস্থিত  মার্বেল প্রাসাদটি ঊনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল এবং তাই এটি 

( 19 শতকের)

ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রাসাদ নামেও পরিচিত। 


এটি কলকাতার সেরা-সংরক্ষিত এবং সবচেয়ে সুন্দর অট্টালিকাগুলির মধ্যে একটি, 

এর ভাস্কর্য, শিল্পকর্ম, মেঝে এবং মার্বেল দেয়ালের জন্য পরিচিত।

 নিওক্লাসিক্যাল শৈলীতে তৈরি প্রাসাদটি। বহুমূল্য বিরল প্রত্নসামগ্রী, স্থাপত্য এবং সাংস্কৃতিক তাত্পর্য বিবেচনায় নিয়ে এই বিশাল সম্পত্তির বর্তমান মূল্য কয়েক কোটি টাকা হবে।

প্রাসাদটি তার রাজকীয় স্থাপত্যের পাশাপাশি ঐতিহাসিক গুরুত্বের জন্য বিখ্যাত। 


এটি রাজা রানেদ্র মুল্লাইঙ্ক বাহাদুরের সর্বশ্রেষ্ঠ বণিকদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল, একজন ধনী বাঙালি ব্যবসায়ী যিনি 1835 সালে প্রাসাদটি চালু করেছিলেন। ভবনটির স্তম্ভ এবং দেয়ালে অনেকগুলি মার্বেল নিদর্শন ভাস্কর্যের কারণে এটির নামকরণ করা হয়েছে। 


রাজা রণেন্দ্র প্রাচীন জিনিসপত্র এবং একজাতীয় হস্তশিল্পের সংগ্রাহক ছিলেন। তাই, প্রাসাদটিতে রুবেনস, টাইটানস, রেনল্ডস এবং জন ওপি সহ উল্লেখযোগ্য চিত্রশিল্পীদের দ্বারা নির্মিত কিছু সেরা শিল্পকর্ম রয়েছে।

এই মার্বেল প্রাসাদ হল কলকাতার সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং ভালভাবে সংরক্ষিত প্রাসাদের একটি। এটি 90টি বিভিন্ন ধরণের প্যাটার্নযুক্ত মার্বেল মেঝে সহ একটি শিল্পের কাজ। প্রাসাদটি মূলত নিওক্লাসিক্যাল শৈলীতে তৈরি আর

একটি খোলা উঠান সহ ঐতিহ্যবাহী বাংলা স্থাপত্যের সাথে মিশ্রিত করা হয়েছিল। উঠোনের পাশেই আছে

পরিবারের সদস্যদের প্রার্থনার স্থান, যা ঠাকুর-দালান নামেও পরিচিত।


প্রাসাদটি তিনতলা লম্বা, বাঁশিওয়ালা করিন্থিয়ান স্তম্ভ সহ। বাড়িটি চীনা প্যাভিলিয়ন স্থাপত্য দ্বারা অনুপ্রাণিত ছাদ এবং ফ্রেটওয়ার্ক সহ সজ্জিত ব্যালকনিগুলির জন্য পরিচিত। 

প্রাসাদের মাঠে একটি মনোরম বাগান, একটি পাথরের বাগান, একটি হ্রদ এবং একটি ছোট চিড়িয়াখানা রয়েছে।

যেটি ভারতের প্রথম চিড়িয়াখানা রূপে মান্য।

প্রাসাদের বিস্তৃত লনে দেখতে পাওয়া যায় হিন্দু দেবতা, যিশু খ্রিস্ট, ভার্জিন মেরি, লর্ড বুদ্ধ, বিখ্যাত অভিযাত্রী ক্রিস্টোফার কলম্বাস এবং সিংহের বিভিন্ন ভাস্কর্য।


এছাড়াও রয়েছে মার্বেল ফোয়ারা এবং "লেদা উইথ দ্য সোয়ান" এটি একটি আকর্ষণীয় মূর্তি। গ্রীক পৌরাণিক কাহিনীর উপর ভিত্তি করে, লেদা ছিলেন একজন সুন্দরী মহিলা যিনি জিউসের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন, যিনি তাকে অলিম্পাস পর্বতে তার আসন থেকে দেখেছিলেন। দেবতাদের রাজা তার সৌন্দর্য দ্বারা কাজ করতে অনুপ্রাণিত হয়েছিল, এবং দেবতা তার সাথে থাকার জন্য একটি চমত্কার রাজহাঁসে পরিণত হয়েছিল।


প্রাসাদটি পশ্চিমি ভাস্কর্য এবং ভিক্টোরিয়ান আসবাবপত্রের একটি অসাধারণ সংগ্রহের পাশাপাশি বিশিষ্ট ভারতীয় এবং ইউরোপীয় চিত্রশিল্পীদের উজ্জ্বল চিত্রকর্ম এবং অন্যান্য শিল্পকর্মের কর্ম কাণ্ডের নিদর্শন স্থান।


ঘড়ি, বিশাল ঝাড়বাতি, মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত আয়না, কলস এবং রাজা ও রাণীদের মূর্তি সহ সাজসজ্জার উপাদান। প্রাসাদটিতে বিখ্যাত চিত্রশিল্পী রুবেনসের দুটি মুগ্ধকর চিত্রকর্ম রয়েছে - 'দ্য ম্যারেজ অফ সেন্ট ক্যাথরিন' এবং 'দ্য মার্টির্ডম অফ সেন্ট সেবাস্টিয়ান'। এটিতে স্যার জোশুয়া রেনল্ডসের দুটি সুন্দর চিত্রকর্ম রয়েছে - 'দ্য ইনফ্যান্ট হারকিউলিস স্ট্র্যাংলিং দ্য সার্পেন্ট' এবং 'ভেনাস অ্যান্ড কিউপিড'। মার্বেল প্রাসাদের অবিশ্বাস্য শিল্প সংগ্রহে অন্যান্য শিল্পীদের মধ্যে মুরিলো, টাইতিয়ান এবং জন ওপি রয়েছেন বলে জানা গেছে।


★★প্রাসাদের পাশে নির্মিত চিড়িয়াখানাটিকে ভারতে প্রতিষ্ঠিত প্রথম চিড়িয়াখানা হিসেবে গণ্য করা হয়।

 এটি বেশিরভাগই একটি এভিয়ারি এবং হর্নবিল, ময়ূর, সারস, পেলিকান এবং সারসদের আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। 


ঊনবিংশ শতাব্দীর এই প্রাসাদটি দর্শনীয় জগন্নাথ মন্দিরের পাশে অবস্থিত, যেটি রাজা রাজেন্দ্র মল্লিক দ্বারাও চালু করা হয়েছিল। তবে, শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কারণ মার্বেল প্রাসাদ এখনও একটি ব্যক্তিগত বাড়ি, ফটোগ্রাফির অনুমতি নেই।


মার্বেল প্রাসাদের হাইলাইটস

আলংকারিক ব্যালকনিগুলিকে বড় এবং রাজকীয় দেখানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

চাইনিজ প্যাভিলিয়নটি প্রাসাদের ফ্রেওয়ার্ক এবং ঢালু ছাদ নির্মাণে অনুপ্রাণিত করেছিল।

বাগান, ঘাস, চিড়িয়াখানা এবং হ্রদ প্রাসাদের জাঁকজমক এক বিশেষ অবদান রাখে।

দেব-দেবীদের মূর্তি হিন্দু দেবতা, ভগবান বুদ্ধ, ভগবান যীশু এবং মাতা মেরি একটি কাঠামোতে উপস্থিতি কলকাতার রাজার ধর্মীয় প্রকৃতি প্রদর্শন করে।

অন্যান্য মূর্তিও আছে, যেমন জঙ্গলের রাজা-সিংহের। 

'লেদা উইথ দ্য সোয়ান'-এর নাটকীয় ভাস্কর্যটিও প্রদর্শিত হয়।

প্রাসাদটির জাঁকজমকপূর্ন মার্বেল ফোয়ারা সৌন্দর্যের বিশেষ দাবি রাখে।

★★রাজা রাজেন্দ্র মল্লিক ভগবান জগন্নাথকে উত্সর্গীকৃত একটি মন্দিরও নির্মাণ করেছিলেন।

★★প্রাসাদটিতে 82টি স্বতন্ত্র ধরনের ঘড়ি রয়েছে বলে দাবি করা হয়।



কলকাতার মার্বেল প্রাসাদটি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে 126টি বিভিন্ন ধরণের মার্বেল দিয়ে নির্মিত হয়েছে বলে জানা গেছে, 

এই প্রাসাদটি দর্শনে ভারতে রাজাদের দ্বারা শাসিত হওয়ার দৃশ্যগুলি অনুভব 

করা যেতে পারে।

 নিঃসন্দেহে এটি একটি অনন্য স্থান যেখানে এক ছাদের নীচে ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার মিশ্রণ দেখে মুগ্ধ হতেই হবে।

=========================


Tuesday, April 2, 2024

119>পণ্ডিচেরি,মহাবলীপুরম,অরোভিল= (1--3)+(14/97)-

 

119>পণ্ডিচেরি=অরোভিল= Auroville--+(14/97)

3>চেন্নাই--মহাবলীপুরম::-----

3>Tour to Pondicherry & near by

==========================

122/1>পণ্ডিচেরি=অরোভিল= Auroville--
ঋষি অরবিন্দ ঘোষ ও শ্রীমা -(-মীরা আলফাসা।)

ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের ভিল্লুপুরম জেলা, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে
বিংশ শতকের ষাটের দশকে পরীক্ষামূলক ভাবে স্থাপিত হয় অতিসুন্দর এক স্বপ্নের শহরে।
চেন্নাই থেকে প্রায় দেড়শো কিলোমিটার ও পুদুচেরি হতে প্রায় বারো কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত এই ছোট্ট নগর।
ফরাসি ভাষায় 'aurore' শব্দের অর্থ প্রভাত বা ভোর আর ville শব্দের অর্থ নগরী। সেই অর্থে অরোভিল হল "প্রভাত নগরী" বা "ভোরের শহর"।
আবার অন্য মতে অনেকে বলেন অরোভিল শব্দ টি এসেছে অরো অর্থাৎ ভারতের বিশিষ্ট দার্শনিক ও তার আধ্যাত্মিক গুরু ও যোগী শ্রী অরবিন্দের নাম থেকেই। শ্রীমা অর্থাৎ মীরা আলফাসা  তার গুরুর স্বপ্নকে সার্থকরূপ দিতে 
1968 খ্রিস্টাব্দের  28 ফেব্রুয়ারি এই নগরীর পত্তন করেন।
নগরীর স্থপতি ছিলেন রজার অ্যাঙ্গার নামের এক বৃটিশ আর্কিটেক্ট।
ভোরের শহর বা অরোভিল
তামিলনাড়ু-
স্থানাঙ্ক: ১২°০′২৫″ উত্তর ৭৯°৪৮′৩৮″ পূর্ব
শহরের প্রতিষ্ঠাতা=শ্রীমা(মীরা আলফাসা)

IST (UTC+5:30)
PIN::---605 101
Telephone code -=0413
www.auroville.org

"1926 খ্রিস্টাব্দে 24 শে নভেম্বর পণ্ডিচেরিতে প্রতিষ্ঠিত হয় 'শ্রীঅরবিন্দ আশ্রম'।
তবে এই আশ্রম প্রতিষ্ঠার এক মাসের মধ্যেই আশ্রমের যাবতীয় ভার মীরা আলফাসা তথা শ্রীমায়ের হাতে দিয়ে নিজে অন্তরালে চলে যান তার গুরু ঋষি অরবিন্দ।

শ্রীঅরবিন্দ সোসাইটির কার্যকরী সভাপতি শ্রীমা   শ্রীঅরবিন্দের নির্দেশিত পথে যোগ সাধনা করতে সঠিক পরিবেশের প্রয়োজন অনুভব করলেন। শেষে  1964 খ্রিস্টাব্দে পণ্ডিচেরিতে শ্রীঅরবিন্দ সোসাইটির এক বার্ষিক সম্মেলনে মীরা আলফাসার সভাপতিত্বে অরবিন্দের দর্শনের উপর ভিত্তি করে একটি নগরী পত্তন করার পরিকল্পনার সিদ্ধান্ত গৃহীত  হয়। তার কিছু বছর পর ইউনেস্কার সহায়তায় শ্রীঅরবিন্দ সোসাইটির শ্রীমা মীরা আলফাসা অরোভিল শহর প্রতিষ্ঠা করেন।  1965 খ্রিস্টাব্দে মীরা আলফাসা জনসমক্ষে এক বিবৃতিতে বলেন
অরোভিল একটি সর্বজনীন শহর হতে চায় যেখানে বর্ণ, রাজনীতি ও জাতীয়তা নির্বিশেষে সকল দেশের নারী ও পুরুষ শান্তি ও প্রগতির সাথে বাস করতে সক্ষম হবে।"

"1968-খ্রিস্টাব্দের  28 শে ফেব্রুয়ারি বুধবার  শ্রীমা ভারতের প্রতিটি রাজ্যের,  বিশ্বের ১২৪ টি দেশের প্রতিনিধিসহ  ৫০০০ মানুষের উপস্থিতিতে নগরীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রত্যেক প্রতিনিধি নিজ নিজ দেশের কিছু মাটি সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন। সবার জন্মভূমির মাটি একত্রে মিশ্রিত করে একটি সাদা মার্বেলে তৈরি কমলাকৃতির কলসে রাখা হয়।  অরোভিল শহরে জীবনযাপনের জন্য শ্রীমা যে দৃষ্টিভঙ্গি স্থির করে ছিলেন তা ফরাসি ভাষায় তিনি নিজের হাতে লিখে চার দফা সনদের আকারে পেশ করেন -

অরোভিল  বিশেষভাবে কারো একার নয়। এটি সমগ্র মানবজাতির। কিন্তু কেউ অরোভিলের বাসিন্দা হতে চাইলে, তাকে অবশ্যই স্বর্গীয় চেতনাবোধের স্বেচ্ছাসেবক হতে হবে।
অরোভিল হবে অফুরন্ত  শিক্ষা, অবিরাম প্রগতি ও শাশ্বত তারুণ্যের জন্য নির্দিষ্ট  একটি স্থান।
অরোভিল অতীত ও ভবিষ্যতের মাঝে একটি সেতু  হতে চায়। সকল আবিস্কারের আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সুবিধার সদ্ব্যবহারে অরোভিল ভবিষ্যৎ উপলব্ধির দিকে এগিয়ে যাবে।
প্রকৃত মানব ঐক্যের মূর্ত প্রতিরূপের জন্য পার্থিব ও আত্মিক গবেষণার একটি স্থান হবে অরোভিল।"

মাতৃমন্দির==

শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মাতৃমন্দির - সোনার প্রলেপে গোলক
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে মানব একতার প্রতীক হিসেবে সংগৃহীত মাটি কমলাকৃতি কলস কেন্দ্র করে মহাবিশ্বের প্রতীক হিসেবে ১৪০০ টি সোনার প্রলেপ দেওয়া বড় বড় চাকতি দিয়ে এক স্বর্ণ-গোলক তৈরি করা হয়েছে। শহরে কেন্দ্রস্থলে নির্মিত এটি  মাতৃমন্দির নামে পরিচিত এবং উপাসনাগার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। মাতৃমন্দিরের আশেপাশের পুরো অঞ্চলটিকে শান্তির অঞ্চল বলা হয়। মাতৃমন্দিরের অভ্যন্তরে, একটি সর্পিলাকার র‌যাম্প মধ্য দিয়ে একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সাদা মার্বেলের কক্ষের দিকে নিয়ে যাওয়া যায় যেখানে উপাসনার মাধ্যমে "নিজের চেতনার সন্ধান” প্রাপ্তি ঘটে।

মাতৃমন্দিরে সৌর-বিদ্যুতের ব্যবস্থা আছে। নিপুণভাবে পরিচর্যার মাধ্যমে সজ্জিত উদ্যান চারিদিক ঘিরে আছে মন্দিরটিকে। সূর্যাস্তের পরে সৌর-বিদ্যুতের সাহায্যে গোলকটিকে আলোকিত রাখা হয়।

অরোভিলের নগর পরিকল্পনাটিও মনোমুগ্ধকর। নগর পরিকল্পনা অনুযায়ী শহরের বাইরের দিকে আছে প্রশস্ত এলাকা জুডে সবুজ গাছপালা পরিবেষ্টিত ‘গ্রিন বেল্ট’। এই স্থানে পরিবেশ গবেষণার কাজে ও প্রাকৃতিক সম্পদ অঞ্চল হিসাবে ব্যবহৃত হয়। খামার ,বনজ সম্পদ খাদ্য, ভেষজ উদ্ভিদ পরিবেষ্টিত এই অংশ। মধ্যবর্তী মোটামুটি চারটি অঞ্চলে প্রসারিত সেগুলি হল - আবাসিক অঞ্চল, শিল্প অঞ্চল, সাংস্কৃতিক (ও শিক্ষা) অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক অঞ্চল।শহরের অভ্যন্তর ভাগেও নগর ও নিসর্গের মেলবন্ধনের ব্যবস্থা আছে।

গ্যালারী
বিশেষ দর্শনীয় স্থান::---
●পন্ডিচেরিতে অরোভিল মাতৃমন্দির,  
●আফসানা অতিথিশালা,
●সাবিত্রীভবন,
●অরোভিলের ভাস্কর্যযুক্ত একটি বাড়ি,
●ভেরিট লার্নিং সেন্টার,
●ভারত নিবাস,
●সাধনা বনাঞ্চলে থিয়েটার কর্মশালা,
●মাতৃমন্দিরের কাছে অরোভিল ইউনিটি পার্ক।
●সমাধিস্থান::--
ঋষি অরবিন্দ ঘোষ ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিক, দার্শনিক, যোগ এবং আধ্যাত্মিক গুরু এবং
শ্রীমা (মীরা আলফাসা)
ফরাসি হিন্দু জনহিতৈষী।

========================___


2>চেন্নাই--মহাবলীপুরম::-----

(1984) উনিশশো চুরাশি সালে মহাবলীপুরমকে ইউনেস্কো

" ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট" হিসেবে  স্বীকৃতি দিয়েছে। 

মহাবলীপুরমের শিল্পনিদর্শন, শিল্প কীর্তি, এবং স্থাপত্য শিল্প রসিকদের বিশেষ দর্শনীয় স্থান।

মহাবলীপুরমের নির্মাণ শৈলী 

মামাল্লাশৈলীর কীর্তি।

এই মামাল্লা শৈলী হল খোলা আকাশের নিচে পাথরের গায়ে খোদাই করা  পৌরাণিক দৃশ্য। এই শিল্প কীর্তি ও স্থ্যাপত্য প্রায় বারো--তেরোশো বছরের পুরনো।

 

চেন্নাই  শহর থেকে প্রায় 60কি মি দক্ষিণে

বঙ্গোপসাগরের কূলে অবস্থিত মহাবলীপুরম।

Chennai,Tamil nadu----->to  Ponducherry 155 km.


Chennai to Mahabolipurm,--->60km


Mahabolipurm to pondicherry-->95km


চেন্নাই  শহর বঙ্গোপসাগরের কূলে অবস্থিত প্রাচীন শহর। 

চেন্নাই অর্থাৎ পূর্বতন মাদ্রাজ/মাদ্রাস ভারতের তামিলনাড়ুর রাজধানী এবং দেশটির চতুর্থ বৃহত্তম মহানগরী শহর। এটি বঙ্গোপসাগরের করমণ্ডল উপকূলে অবস্থিত।

চেন্নাই  শহর থেকে প্রায় 60কি মি দক্ষিণে

বঙ্গোপসাগরের কূলে অবস্থিত মহাবলীপুরম বা মামাল্লাপুরম।

এখানকার রক-কাট বা পাথর কুঁদে তৈরি শিল্প কীর্তি বা রক- কাট আর্কিটেকচার,

যা শিল্পের বিচারে অজ্ঞতা, ইলোরা ও উদয়গিরি, খন্দগিরি গুহাগুলির থেকে গুরুত্বে কোন অংশেই কম নয়।

এখনো হয়তো কতো শিল্প কীর্তি চাপা পড়ে আছে এই মহাবলীপুরমের পাথরের অন্তরে। আজো আছে উদ্‌ঘাটনের অপেক্ষায়।

============================

3>Tour to Pondicherry & near by

Chennai,Tamil nadu----->to  Ponducherry 155 km.


Chennai to Mahabolipurm,--->60km


Mahabolipurm to pondicherry- ->95km

পন্ডিচেরী যাবার পথে দেখে নেবেন 

বঙ্গপসাগরের তীরে  মহাবলিপুরম যেটি একান্ত মনের মতন অপূর্ব সকল নিদর্শন।

সমুদ্রে জল কম থাকলে  অর্থাৎ ভাটা থাকলে খুব ভালোকরে দেখতে পারবেন।

একটি দিন কখন যে পারহয়ে যাবে সেটাই বুঝতে পারবেন না।

তারপরে আবার 95 কিলোমিটার পথ পিটিয়ে পৌঁছবেন পন্ডিচেরী।

সেখান দেখবেন


শ্রী অরবিন্দ আশ্রম

শ্রী অরবিন্দ ঘোষে ও শ্রী মা (আলফাসা) 

শ্রী বরদরাজ পেরুমল মন্দির।

একসাথে সমাধি।

অরোভিল মাতৃ মাতৃ মন্দির।

আফসানা অথিতি শালা,

সাবিত্রী ভবন

ভেরিট লার্নিং সেন্টার

ভারত নিবাস

ভারতীয় পার্ক।

সাধনা বনাঞ্চলে থিয়েটার কর্মশালা

অরভিল ইনস্টিটিউট পার্ক

আরুলমিগু মানাকুল বিনায়ক মন্দির,

    (গণেশ ভগবানের মন্দির, সোনার রথ)

ফরাসি যুদ্ধ স্মারক

আরোভাল সৈকত,

আরিকামেডু সৈকত ও স্থ্যাপত্য,

প্রোমেনেড সৈকত

সৈকতে সাইকেলে ঘুরে বেড়ান।

ইম্যাকুলেট কনসেফশন ক্যাথিড্রাল

দ্যা সেক্রেড হার্ট ব্যাসিলিকা ।

প্যারাডাইস বিচ।

রক বিচ।

লেডি অফ এঞ্জেলস গীর্জা।

Eglise de Notre Dame des Angls

রাজ বাড়ি/নিবাস

জাদুঘর 

জিঞ্জি দুর্গ

আরিকামেদু


এছাড়া আছে আসে পাশের সাজানো গোছানো ফরাসি নগর উপনিবেশ।

আরো দুই একটি ক্যাথিড্রাল একটু দূরে।


এক নগরে শহরে এতোকিছু দেখার সুযোগ সহসা কি মেলে।

তাই ঘুরে বেড়ান আনন্দিত মনে।

মনখারাপ বা একটু কষ্ট বোধ হলেই

বসেপড়ুন একমনে ধ্যানে।

এমন শান্তির নিরিবিলি স্থান পাবেননা 

এই ভু-ভারতে তথা সমগ্র জগৎ মাঝে।

=================================