Monday, June 29, 2026

142>বাবা টাঙ্গিনাথ ধাম::--ঝাড়খন্ড গুমলা ডুমরি:-

 142>বাবা টাঙ্গিনাথ ধাম::--ঝাড়খন্ড গুমলা ডুমরি:-

    (লোহারদাগা রেলওয়ে স্টেশন)




 बाबा टांगीनाथ धाम झारखंड राज्य के गुमला जिले में डुमरी प्रखंड के अंतर्गत मझगांव में एक पहाड़ी पर स्थित है। यह स्थान भगवान शिव और परशुराम से जुड़ा एक प्रसिद्ध और रहस्यमयी तीर्थ स्थल है। 


मुख्य विशेषताएँ और जानकारी:स्थान: यह धाम गुमला जिला मुख्यालय से लगभग 50-75 किलोमीटर की दूरी पर घने जंगलों और पहाड़ों के बीच स्थित है। 


धार्मिक महत्व: इसे भगवान परशुराम की तपस्थली माना जाता है। यहाँ एक विशाल प्राचीन त्रिशूल या फरसा जमीन में गड़ा हुआ है, जिसे 'टांगी' भी कहते हैं।


रहस्य: सबसे आश्चर्यजनक बात यह है कि खुले आसमान के नीचे रहने के बावजूद, इस धातु के फरसे/त्रिशूल में आज तक जंग नहीं लगा है।


परिसर: यहाँ सैकड़ों प्राचीन शिवलिंग, भगवान विष्णु, सूर्य और लक्ष्मी की मूर्तियाँ बिखरी हुई हैं, जो सातवीं से बारहवीं सदी के इतिहास को दर्शाती हैं।


पहुँच: मंदिर तक पहुँचने के लिए लगभग 501 सीढ़ियों की चढ़ाई करनी पड़ती है。आप झारखंड पर्यटन की आधिकारिक वेबसाइट पर जाकर इस पवित्र और ऐतिहासिक स्थान की यात्रा के बारे में अधिक जानकारी प्राप्त कर सकते हैं।

=======================

■■■■■■■■■■■■■■■■■■■■■■■■





TANGINATH DHAM:-Jharkhand

(Lohardaga Fly Stn)

 The nearest major railway stations to Tanginath Dham in Gumla district, Jharkhand, are Lohardaga Railway Station (LAD) and Ranchi Junction (RNC).Recommended Routes:From Lohardaga Railway Station: Located roughly 95 km away.


 A drive via NH143A takes about 2 hours and 15 minutes. It serves as the most practical and direct railhead for reaching the Dham.


From Ranchi Junction: Located approximately 160 km away. 


The drive via NH 39/NH 43 takes roughly 3 hours and 25 minutes.


From either station, you can hire a private taxi or take a local bus to the Dumri block. 


Tanginath Dham is situated on a hill about 8 km from Dumri, and the final stretch is best navigated by your own vehicle or local transport as the path can be uneven.



Tanginath - Jharkhand TourismTanginath Dham is situated in the Dumri block of Gumla district. It is about 50kms away from Gumla headquarters and 8km from Dumri. It is situated on a hill


BABA TANGINATH DHAM TEMPL

=======================





  


Wednesday, June 3, 2026

141>||-আমার প্রথম অমরনাথ যাত্রা 1972--||

       

 141>||-আমার প্রথম অমরনাথ যাত্রা 1972--|| 

   <----আদ্যনাথ---->

অমরনাথ যাত্রা কঠিন ও দুর্গম হলেও প্রতি বৎসর অগণিত মামুষ পৌঁছন অমরনাথ এর গুহায়।13 বৎসরের নীচে ও 70 বৎসরের বেশি বয়স্ক এই যাত্রাতে অনুমতি পায় না।

আমার অমরনাথ দর্শন আজথেকে অনেক বৎসর আগে। তখন আজকের মত এত সুযোগে সুবিধা ছিলনা।যাত্রার জন্য খচ্চর গুলি ও জোগাড় করতে হয়ে ছিল অনেক কষ্ট করে। তখকন কার সময়ে বাবা অমরনাথ এর নামই জানতো কজনে। যাত্রা তো দূরের কথা।

আমি রক ক্লাইম্বিং ইনস্টিটিউট এর অধীনে বাঁকুড়ার শুশুনিয়ায় রক ক্লাইম্বিং ট্রেনিং করে সেন্ট্রাল পিক লায়ন পিক ক্লাইমব করেছি। সে এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা। আমরা যাদের সকলেরই অল্প বিস্তর ক্লাইম্বিংএর অভিজ্ঞতা আছে,এমন 4 জন বন্ধু মিলে ঠিক বেরিয়ে পড়েছিলাম অমরনাথের উদ্দেশ্যে । দিন তারিখ মনেনাই তবে সাল টা ছিল 1972। আমি তখন কলকাতাতে taxi চলাই। এবং চাকুরীর জন্য বিভিন্ন জায়গাতে দরখাস্ত করেই চলেছি একের পর এক। টাকা পয়সার ভীষণ অভাব ছিল । তবুও যেহেতু ট্যাক্সি চালাই তাই ভাগ্য ক্রমে দুজন বিদেশির সুনজরে পরে বেশ খানিকটা আয়ের সুযোগ হয়ে ছিল। আমাদের মধ্যে সুবল বাদে সকলেরই আর্থিক সংগতি সামান্যই। আসলে সুবল আমাদের সকলের আর্থিক অবস্থা জানত।  ও নিজে বেশ সচ্ছল,ওর প্রচেস্টা তেই আমরা একজোট হয়েছিলাম।

সে-জাই হোক আমরা একজোট হয়ে রওনা দিয়েছিলাম বাবা অমরনাথ দর্শনে। আজ তো পথও হয়েছে অনেক সুগম। সদাসর্বদ অতন্দ্র পাহাড়া। জায়গায় জায়গায় বিশ্রামের সুব্যবস্থা। কত সহজেই মিলেজায় মোট বইবারখচ্চর এবং সরকারের কত সহায়তা। এখন কতো সেনা মোতায়েন থাকে রাস্থাতে।

আমাদের সময় সেনা বা কোন সহায়তা কিছুই ছিলনা ।বিপদে পড়লে দেখবার ও কেউ ছিলনা সঙ্গে সেরফা নিতে হত টাকা দিয়ে ভাড়া করে। ওরাই সহায়ক ও পথ পরিদর্শক। তখন অনেক জায়গাতে নিজেরা রাস্থার পাথর সরিয়ে রাস্থা বানিয়ে নিতে হয়ে ছিল আমাদের।আজকাল তো তৈরি রাস্থা পাওয়া যায়। বিশ্রামের জায়গায় থাকে। আমাদের ছিল আকাশ ছাদ বা নিজের তবুই নিজেদের বিশ্রাম স্থান।

আজ আর এত বর্ননা করতে পারবোনা কারন তখনকার অনেক স্মৃতিই এখন আবছা হয়ে গেছে বা লুপ্ত হয়ে গেছে স্মৃতি থেকে। তবুও যেটুকু মনে আছে সেই টুকুই লিখছি।

দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে পরিগণিত না হলেও তুষারলিঙ্গ অমরনাথের মহিমা একেবারেই স্বতন্ত্র।আনুমানিক ৫০০০ বছর বয়স  অমরনাথ গুহার,       প্রতি বছর অগণিত মানুষ পৌঁছন এই তুষার শিব দর্শনে।

শ্রাবণে  দু'টি পথেএই যাত্রা সম্পন্ন হয়— পহলগাম রুট এবং এবং বালতাল রুট। শৈবতীর্থ রূপেই এই অমরনাথের  বিশেষ আকর্ষণ। পুরাণ মতে, শিব পার্বতীকে অমরত্ব শিক্ষা প্রদানের করেছিলেন এই গুহাতে।

★পহলগাম, যেখান থেকে অমরনাথ যাত্রা শুরু হয়,সেই স্থানেশিব তাঁর ষাঁড় নন্দীকে রেখে গিয়েছিলেন।★চন্দনওয়াড়িতে তিনি তাঁর শিরস্থ চন্দ্রকে রেখে যান এবং                                                             ★শেষনাগে তিনি তাঁর দেহে বিচরণরত সর্পকুলকে রাখেন।।                                                       ★গণেশকে রাখেন মহাগণেশ পর্বতে।।                 ★তার পরে বায়ু, অগ্নি, জল, মৃত্তিকাকে রাখেন পঞ্জতরণী নামক স্থানে।

★★প্রায় "সর্ব নির্মোক" ত্যাগ করেই তিনি পার্বতীকে নিয়ে অমরনাথের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

যখন শিব পার্বতীকে অমরত্ব সম্পর্কে জ্ঞানদান করছিলেন, তখন সেখানে কোনও জীবিত প্রাণী ছিল না। কেবল একটি পায়রার ডিম সেখানে থেকে গিয়েছিল। কথিত আছে এই ডিম থেকে একজোড়া পায়রা জন্মায়। এবং তারা অবধারিতভাবে অমরত্ব লাভ করে। এদের নাকি আজও গুহার ভিতরে দেখা যায়।             অমরনাথ গুহাটি আবিষ্কার করেন বুটা মালিক নামে এক মুসলমান মেষপালক। তিনি এখানে এক সন্ন্যাসীর দেখা পান। সন্ন্যাসী তাঁকে একটা থলিতে কিছু কয়লা দান করেন। পরে সেই কয়লা সোনায় পরিণত হয়। বুটা সেই স্থানে ফিরে যান। কিন্তু সেই সন্ন্যাসীকে আর দেখতে পাননি। বদলে তিনি অমরনাথ লিঙ্গ দেখাতে পান।অমরনাথ তুষারলিঙ্গের বৃদ্ধি চন্দ্রকলার উপরে নির্ভরশীল। শিবলিঙ্গ ছাড়াও আরও দু’টি লিঙ্গ এই গুহায় রয়েছে। এদের পার্বতী ও গণেশ মনে করা হয়।

অপূর্ব এই বাবা অমরনাথ, লেখা বা বর্ণনার অতীত।প্রকৃতির হাজার বাঁধা পারকরে,  //প্রকৃতির দ্বারা সৃষ্ট অপূর্ব প্রকৃতির নিদর্শন,  //প্রকৃতিরে করিতেছে প্রদর্শন, এখানে প্রকৃতি নিজেই গড়িতেছে,  //নিজের অপূর্ব নিদর্শন।  //সেদিন দেখে মনের আনন্দে বলেছিলাম //আহা কি দেখিলাম ,জন্মজন্মান্তরেও ভুলিবনা । আজো মনেহয় বাবা নিজে হাতছানি দিয়ে ডাকে বারম্বার।

======■■■■■=======

★পহলগাম বা 'বাইল গাঁও' বা ষাঁড়ের গ্রাম। পূর্বে এই  পহলগাম 'বাইল গাঁও' নামেই জানা যেত। এখন থেকে অমরনাথ যাত্রা শুরু হয়, সেই স্থানেশিব তাঁর ষাঁড় নন্দীকে রেখে গিয়েছিলেন।

 হিন্দু পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী  অমরনাথ যাত্রার শুরুতে পহলগামে ভগবান শিব তাঁর বাহন নন্দীকে রেখে গিয়েছিলেন।  এই যাত্রাপথে শিব আরও অনেক জায়গায় তাঁর একেকটি সঙ্গী ও সম্পদ ত্যাগ করে ছিলেন 

★চন্দনওয়ারী:-- এখানে তিনি তাঁর জটা থেকে চাঁদকে মুক্ত করেন।

★শেষনাগ:-- এখানে তাঁর গলার সাপটিকে  রেখে যান।★মহাগুণস পর্বত (গণেশ টপ):-- এখানে পুত্র গণেশকে রেখে যান।

★পঞ্চতরণী: এখানে ভগবান শিব তাঁর পঞ্চভূত (পৃথিবী, জল, বায়ু, আকাশ ও অগ্নি) বিসর্জন দেন।

পঞ্চতরণী হলো ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দর্শনীয় স্থান। ভগবান শিব  অমরনাথ গুহায় যাত্রা কালে এই পঞ্চতরণী নামক স্থানে   তিনি পঞ্চভূত (পৃথিবী, জল, বায়ু, আকাশ ও অগ্নি) বিসর্জন দেন। কারণ সর্ব নির্মোক ত্যাগ করেই তিনি পার্বতীকে নিয়ে অমরনাথের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন।

 অমরনাথ যাত্রার সময় পুণ্যার্থীদের জন্য এটি একটি প্রধান ট্রানজিট ক্যাম্প বা যাত্রাবিরতির জায়গা। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 3657  মিটার বা  12 হাজার  ফুট উঁচুতে অবস্থিত এবং এটি অমরনাথ পবিত্র গুহা থেকে মাত্র 6 কিমি দূরে অবস্থিত। এই স্থানে পাঁচটি ছোট নদী বা হিমবাহের স্রোতধারা  একত্রে মিলিত হয়েছে বলে একে "পঞ্চতরণী" বলা হয়। এখানে বর্তমানে একটি হেলিপ্যাডও আছে।

পাহেলগাঁও  এবং বালতাল  উভয় রুট থেকেই হেলিকপ্টারে এই স্থানে আসা যায়। এবং এটিই যাত্রা পথের বিশেষ স্থান যেখান থেকে পায় হেটেই ছয় কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেই আমার নাথ গুহায় পৌঁছতে হয় সকল ভক্তকে।

(অবশ্য এখানথেকে ডান্ডি, পালকি, ঘোড়া,খচ্চর,  করেও মন্দিরে পৌঁছনো যায়।) 

এই "পঞ্চতরণী"এখান থেকে পবিত্র গুহায় পৌঁছানোর জন্য পায়ে হাঁটা, পনি (ঘোড়া) বা পালকি পরিষেবাও পাওয়া যায়।

এই "পঞ্চতরণী"  অমরনাথ যাত্রার শেষ বড় ক্যাম্প হওয়ায় এখানে পুণ্যার্থীদের জন্য তাঁবু, লঙ্গর (বিনামূল্যে খাবার পরিবেশন), চিকিৎসা কেন্দ্র এবং শৌচাগারের ব্যবস্থা থাকে।

||  <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

||-----------11/07/2017--------||

||======================||


 তুষার তীর্থ অমরনাথ::--

অমরনাথ গুহা একটি তীর্থক্ষেত্র যা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে অবস্থিত। এটি  হিমালয়ের একটি তুষার শৈল শৈব তীর্থ। এই গুহাটি সমুদ্র তল থেকে  3,888 মিটার বা 12,756 ফুট উঁচুতে অবস্থিত। জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর থেকে  141 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই তীর্থ। এই তুষার তীর্থে পৌঁছতে পহেলগাও শহর থেকেই শুরু করতে হয়। এটি  তুষার তীর্থ কারণ গুহাটি পাহাড় ঘেরা আর এই পাহাড় গুলো  বৎসরের বেশির ভাগ সময়ই তুষারে আবৃত থাকে।এবং এখানে ভগবান শিবও তুষার নির্মিত। আর প্রকৃতিই এ-হেন সৃষ্টির সৃষ্টি কর্তা। এমনকি এখানে এই গুহার প্রবেশপথও বরফ ঢাকা থাকে।  গ্রীষ্মকালে খুব স্বল্প সময়ের জন্য এই দ্বার প্রবেশের উপযোগী হয়। তখন লক্ষ লক্ষ তীর্থ যাত্রী অমরনাথের উদ্দ্যেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। বাবা আমার নাথের দর্শনের লাভের নিমিত্তে। অমরনাথের গুহার ভিতরে ছাদ থেকে চুইয়ে পড়া জল জমে শিবলিঙ্গের আকার ধারণ করে। প্রকৃতির এক অপূর্ব নিদর্শন। কখনো কখনো ৮ ফুট উঁচুও হয় এই শিব লিঙ্গ।ভূমি থেকে গুহার ছাদ পর্যন্ত ছুঁয়ে যায় শিবের তুষার মূর্তি।

জুন-জুলাই মাসে শ্রাবণী পূর্ণিমা থেকে শুরু হয় অমরনাথ যাত্রা। শেষ হয় জুলাই-আগস্ট মাসে গুরু পূর্ণিমার সময় ছড়ি মিছিলে। জাতিধর্ম নির্বিশেষে লক্ষ লক্ষ মানুষ এই অমরনাথ যাত্রায় যোগদান করেন।

পৌরাণিক মতে, পার্বতীকে গোপনে সৃষ্টি রহস্য (অমরত্বের সূত্র ) বোঝাতে নির্জনে পাহাড়ে গুহা নির্মাণ করেন মহাদেব।

★★★★★★★

অমরনাথ তীর্থযার জন্য এই তীর্থ যাত্রা রাজ্য সরকার ও শ্রী অমরনাথ যাত্রা ট্রাস্ট যৌথ ভাবে আয়োজন করে থাকে। যাত্রার জন্যে প্রথমে শ্রী আমারনাথজী মন্দির সমিতির ওয়েবসাইটে  জানুয়ারি মাসে  নথিভুক্ত করতে হয়। যাত্রা পথ পূবেই ঠিক করে নিতে হয়। একটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে এক সঙ্গে এক গ্রূপে সর্বোচ্চ 4 জন আবেদনকারীর নাম নিবন্ধন করা যায়। 

★★★★★★★★

পহেলগাও থেকে অমরনাথ যেতে পাঁচ দিন সময় লাগে। অমরনাথে যাওয়ার জন্য আগে প্রত্যেক যাত্রীর রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। শ্রী অমরনাথ শ্রাইন বোর্ড (SASB) যাত্রা শুরুর মোটামুটি মাশখানেক আগে যাত্রা শুরুর ও শেষের তারিখ ঘোষণা করে। জম্মু-কাশ্মীর ব্যাঙ্ক থেকে ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে। পূরণ করা ফর্মটি 2টি পাসপোর্ট ছবি ও শারীরিক সক্ষমতার ডাক্তারি প্রশংসাপত্র সহ নিকটবর্তী জম্মু-কাশ্মীর ট্যুরিজমের অফিসে জমা দিতে হয়।

চন্দনবাড়ি ক্যাম্প থেকে অমরনাথ মন্দির যাত্রা মোটামুটি নিম্নরূপ : তবে সময়  ও পরিস্থিতি অনুয়ারে পথের কিছু পরিবর্তন হওয়া স্বাভাবিক।

চন্দনবাড়ি ক্যাম্প থেকে পিসু টপ = 2 কিমি।             পিসু টপ থেকে ট্রেক্স ক্যাম্প =  8.5কিমি               ।ট্রেক্স ক্যাম্প থেকে বিএসএনএল টাওয়ার = 14.5কিমি বিএসএনএল টাওয়ার থেকে মন্দির = 6 কিমি।

বালতাল পথ::--

শ্রীনগর লাল চৌক থেকে বালতাল প্রায় 100 কিমি মোটর পথ। বালতাল ক্যাম্প থেকে ডোমাইল গ্রাম =  2.3কিমি

ডোমাইল গ্রাম থেকে কালী মাতা ট্রেক =8 (আট)কিমি।

কালী মাতা ট্রেক থেকে মন্দির = 3 কিমি।

এখানে তীর্থ যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন  প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন যাত্রা পথে বিনা মুল্যে খাবার,চিকিৎসাসেবা ও বিশ্রামের জন্য তাবু সরবরাহ করে থাকে। 

মন্দিরের কাছে স্থানীয়রা শত শত তাবুর ব্যবস্থা করে তীর্থযাত্রীদের রাত্রি যাপনের জন্য।  

■■■■■■■■■■■■■■■■■■

অমরনাথ যাত্রা::---

অমরনাথ যাত্রা এমন এক ধর্মীয় যাত্রা যা

প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভক্তের হৃদয়ে এক বিশেষ অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।  এটি একটি শুধু তীর্থযাত্রা নয়, এটি ভক্তি বিশ্বাস, সহিষ্ণুতা এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতিজ্ঞা পূরণের  এক অসাধারণ পরীক্ষা।

অমরনাথ গুহা সমুদ্রতল থেকে প্রায়  3,888 মিটার বা 12,756 ফুট  উচ্চতায় অবস্থিত । 

এটি ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের লিডার উপত্যকায়, শ্রীনগর থেকে 141 কিমি দূরে অবস্থিত একটি অত্যন্ত পবিত্র হিন্দু তীর্থস্থান। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বরফের শিবলিঙ্গ । পাহলগাম বা বালতাল হয়ে অমরনাথ যাত্রায় যাওয়া যায় । এই উচ্চতায় অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকে,তাই যাত্রীদের সুস্থতার জন্য উপযুক্ত প্রস্তুতি প্রয়োজন । যেই হেতু অমরনাথ যাত্রা শুধু একটি তীর্থযাত্রা নয়, এটি বিশ্বাস, সহিষ্ণুতা এবং আধ্যাত্মিক শক্তির এক অসাধারণ পরীক্ষা। সেই কারণে এ-হেন যাত্রার জন্য নানান পরীক্ষা ও বিশেষ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন। এই পবিত্র গুহা এমন এক স্থান, যেখানে প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যায় হাজার হাজার ভক্তের ভক্তির গভীরতা।

লোক বিশ্বাস যে এই গুহাতেই স্বয়ং মহাদেব পার্বতী কে অমরত্বের রহস্য  বর্ণনা করেছিলেন। গুহার ভিতরে স্বাভাবিকভাবে সৃষ্টি বরফের শিবলিঙ্গ, যা চাঁদের কলার সঙ্গে সঙ্গে আকারে পরিবর্তিত হয়—এই ঘটনাই ভক্তদের কাছে এক অলৌকিক বিস্ময়।

লিডার উপত্যকা (Lidder Valley) অর্থাৎ লিডার নদী-র (Lidder River) নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের অনন্তনাগ জেলায় অবস্থিত একটি নয়নাভিরাম ও মনোরম পাহাড়ি উপত্যকা। কাশ্মীরের পাহালগাম থেকে শুরু করে কোলাহোই হিমবাহ পর্যন্ত এই উপত্যকাটি বিস্তৃত।       এই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত লিডার নদী লিডার নদীটির স্থানীয় সংস্কৃত নাম 'লম্বোদরি' ( অর্থাৎ লম্বা পেটযুক্ত দেবী) । এই অঞ্চলের সবুজ তৃণভূমি, বরফাবৃত পর্বতমালা এবং অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। 

বিখ্যাত  দুটি উপত্যকা বেতাব (Betaab) এবং অরু (Aru) এই লিডার উপত্যকা অঞ্চলেরই প্রধান আকর্ষণ।বেতাব এবং অরু উপত্যকা হলো ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামের কাছে অবস্থিত দুটি জনপ্রিয় ও মনোমুগ্ধকর পর্যটন আকর্ষণ।বেতাব উপত্যকা 1983 সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বলিউড চলচ্চিত্র ‘বেতাব’ (সানি দেওল ও অমৃতা সিং অভিনীত) থেকে এই উপত্যকাটির নামকরণ করা হয়েছে। এটি পহেলগাম থেকে প্রায় 15কিমি দূরে অবস্থিত এবং লিডার নদীর তীরে ঘন সবুজ বন ও বরফাবৃত পাহাড়ে ঘেরা একটি চমৎকার প্রাকৃতিক স্থান।

অরু উপত্যকা:--এটি পহেলগাম থেকে প্রায় 12 কিমি দূরে অবস্থিত একটি ছোট ও মনোরম পাহাড়ি গ্রাম ও উপত্যকা। এটি অরুনদীর তীরে অবস্থিত বলে এমন নামকরণ। এখানে সবুজ তৃণভূমি এবং পাইন বনের জন্য পরিচিত এই স্থানটি ট্রেকিং ও ক্যাম্পিংয়ের একটি চমৎকার বেস ক্যাম্প। 

এই বছর পনেরোই এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে অমরনাথ যাত্রার রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে উৎসাহ তুঙ্গে। প্রতি বছর এই যাত্রা প্রায় তিরিশ থেকে চল্লিশ দিন ধরে চলে। কঠিন পাহাড়ি পথ, অনিশ্চিত আবহাওয়া এবং অক্সিজেনের স্বল্পতার মধ্যেও ভক্তরা এই যাত্রায় অংশ নেন শুধুমাত্র ভক্তির টানে। তাই এই যাত্রা শুধু ধর্মীয় নয়, মানসিক ও শারীরিক দৃঢ়তারও এক বড় পরীক্ষা। 

এই বছর অমরনাথ যাত্রার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে পনেরোই এপ্রিল থেকে। শ্রী অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ড জানিয়েছে, দেশের পাঁচশো চুয়ান্নটি নির্দিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে পুণ্যার্থীরা নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি—আগে আবেদন করলে আগে অনুমতি পাওয়ার সুযোগ থাকবে প্রতিটি রুটের জন্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক ভক্তকে অনুমতি দেওয়া হবে বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক অনলাইন ও অফলাইন—দুই পদ্ধতিতেই আবেদন করা যাবে এই অনুমতি ছাড়া কেউই যাত্রায় অংশ নিতে পারে না।

অমরনাথ যাত্রার জন্য প্রধানত দুটি রুট রয়েছে—★1>পহেলগাঁও রুট::--

এই রুটটি প্রায় ছেচল্লিশ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি তুলনামূলকভাবে দীর্ঘ হলেও পথটি ধীরে ধীরে ওঠার কারণে শারীরিকভাবে কিছুটা সহজ মনে করা হয়। যারা প্রথমবার যাচ্ছেন, তাদের জন্য এই রুট বেশি উপযোগী।

★2>. বালতাল রুট:--

এই রুটটি মাত্র চৌদ্দ কিলোমিটার দীর্ঘ। তবে এটি অত্যন্ত খাড়া এবং কঠিন। যারা অভিজ্ঞ ট্রেকার বা শারীরিকভাবে সক্ষম, ◆তাদের জন্য এই পথ উপযুক্ত।

দুই রুটেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক ভক্তকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।

বয়স তেরো থেকে সত্তর বছরের মধ্যে হতে হবে তেরো বছরের নিচে এবং সত্তর বছরের উপরে কাউকে অনুমতি দেওয়া হয় না। অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের যাত্রায় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ। শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা আবশ্যক এই নিয়মগুলি মূলত যাত্রাপথের কঠিন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে, যাতে কোনও দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। আরএফআইডি কার্ড ও প্রয়োজনীয় নথিযাত্রার সময় প্রত্যেক ভক্তকে একটি বিশেষ পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে হবে, যাকে বলা হয় আরএফআইডি কার্ড। এই কার্ড ছাড়া যাত্রায় প্রবেশের অনুমতি মিলবে না।

এই কার্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য—নির্দিষ্ট কেন্দ্র থেকে সংগ্রহ করতে হবে। সব সময় নিজের কাছে রাখতে হবেগলায় ঝুলিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক এছাড়া সঙ্গে রাখতে হবে—আসল পরিচয়পত্র ড্রাইভিং লাইসেন্সনিজের ও পরিবারের সদস্যদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর এই তথ্যগুলি জরুরি পরিস্থিতিতে অত্যন্ত সহায়ক হতে পারে। আবহাওয়া, পোশাক ও স্বাস্থ্য সতর্কতা অমরনাথ যাত্রার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল আবহাওয়া। এখানে আবহাওয়া মুহূর্তে বদলে যেতে পারে। সেই কারণে সঙ্গে রাখতে হয় উপযুক্ত গরম পোশাক, রেনকোট বা ছাতা, ভালো মানের ট্রেকিং জুতো।

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কিছু সতর্কতা বেশি চা বা কফি খাওয়া উচিত নয়, ধূমপান  অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে, মদ্যপান সম্পুর্ন নিষিদ্ধ,পর্যাপ্ত জল পান করা একান্ত উচিত,উচ্চতায় অক্সিজেনের অভাব দেখা দিতে পারে, তাই শরীর খারাপ লাগলে সঙ্গে সঙ্গে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি।

★পরিবেশ রক্ষায় প্লাস্টিক সম্পুর্ন নিষিদ্ধ। জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে প্লাস্টিক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কেউ যদি প্লাস্টিক ব্যবহার করেন বা ফেলেন, তাহলে জরিমানা হতে পারে। প্রকৃতিকে রক্ষা করা প্রতিটি ভক্তের দায়িত্ব। তাই— কোন ভাবেই প্লাস্টিক বহন বা ব্যবহার সম্পুর্ন নিষিদ্ধ।

আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে, পরিবেশ পরিষ্কার জন্য সহযোগিতা প্রার্থনীয়।

অমরনাথ যাত্রা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় সফর নয়, এটি জীবনের এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। কঠিন পথ, প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা—সবকিছুকে অতিক্রম করে এই যাত্রা সম্পূর্ণ করা মানে নিজের ভেতরের শক্তিকে নতুনভাবে আবিষ্কার করা।

সেই কারণেই এই যাত্রার মাহাত্ম্য ই আলাদা।

যাত্রা পথের নিরাপত্তা ও প্রতিটি যাত্রীর শারীরিক ও মানসিক সকল কিছুই সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করার প্রয়জনে সকল যাত্রীর সহায়তা ও শৃঙ্খলা মেনে চলা একান্ত কর্তব্য। 

 সম্পুর্ন এই যাত্রা পথটি এতটাই সুন্দর রোমান্টিক, কঠিন, উপভোগ্য যে সম্পুর্ন পথ টি মনের গভীরে ছবির মতন রয়ে যায় আজীবন।

=======================



Thursday, April 23, 2026

140>|| মুর্শিদাবাদ, সারগাছি রামকৃষ্ণ মিশন |

 

  140>|| মুর্শিদাবাদ,সারগাছি রামকৃষ্ণ মিশন  ||

মুর্শিদাবাদ এক সময় বাংলা-বিহার-ওড়িশার রাজধানী ছিল। এখানে সিরাজউদ্দৌলার পাশাপাশি রানি ভবানীও ছিলেন। বলা হয়, তিনিই প্রথম বাঙালি রানি, যাঁর আমলে বারাণসী পর্যন্ত পাকা রাস্তা, সরাইখানা, শিব মন্দির, দুর্গা মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, একাধিক জলের ট্যাঙ্ক তৈরি হয়।

মুর্শিদাবাদের আজিমগঞ্জে  এখানে ঢোকার মুখে প্রথমে রয়েছে পির দরগা, তার পর চার্চ, জৈনদের উপাসনাকেন্দ্র এবং বারোদুয়ারিতে দুর্গা মন্দির, গঙ্গার ধারে রেল লাইনের কাছে বাশুলী তলা।
এ সবই পুরনো স্থাপত্য বহু ইতিহাসের সাক্ষী। এই আজিমগঞ্জে শায়িত রয়েছেন সিরাজউদ্দৌলা ও তাঁর বংশধরেরা। মুর্শিদকুলি খাঁ-র নাম থেকেই মুর্শিদাবাদ। তাঁর সময় বহরমপুর ছিল সদর শহর। আর একটু পেরিয়ে সাতগাছিতে ( বা সারগাছিতে) তৈরি হয়েছিল প্রথম রামকৃষ্ণ মিশন।

জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জে জৈন সম্প্রদায়েরই ১৩টি সুদৃশ্য, বিশাল মন্দির রয়েছে। তার মধ্যে গুলজার বাগে আম, নারকেল,সুপারি গাছের বাগান আর পুকুর নিয়ে 32 বিঘা জমি জুড়ে শ্বেত পাথরের
'দাদারস্তান' বা পার্শ্বনাথের মন্দির।

কাঁসার কাজে মুর্শিদাবাদ অতুলনীয়।
এ ছাড়া গরদ, পিয়োর সিল্ক যা 'মুর্শিদাবাদি সিল্ক' নামে পরিচিত, আজও পৃথিবীখ্যাত।

সেই সময় মুর্শিদাবাদ ছিল শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি, সাহিত্যের পীঠস্থান। শরৎ পণ্ডিত বা দাদাঠাকুরের বাড়িও এই জেলাতেই।

পুরাতত্ত্ব বিষয়ে লেখক  রামদাস সেনও এই জেলার নাম উজ্জ্বল করেছেন।
সম্পূর্ণ অনুবাদ সাহিত্যের একমাত্র পত্রিকা অনুবাদ পত্রিকা-র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বৈশম্পায়ন ঘোষালও এখানকারের ভূমিপুত্র।

ষোড়শ শতকের শেষ থেকেই এখানে মুসলিম আধিপত্য।

আকবরের সময় মকসুখ খাঁ এখানে এসেছিলেন পর্তুগিজদের বাংলা-বিহার-ওড়িশা থেকে তাড়ানোর জন্য। তার পর এলেন মুর্শিদকুলি খাঁ। ফলে ক্রমশ জনসংখ্যা বাড়ল। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে স্বাধীনতার সময় তিন দিনের জন্য মুর্শিদাবাদ পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিল।

কিন্তু তার পরেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় ছিল। এর পর নকশাল আন্দোলনের ঢেউ এই জেলাকে ভীষণ ভাবেই প্রভাবিত করেছিল। সেই সব অশান্ত দিন অতিক্রান্ত করে মুর্শিদাবাদের মানুষ সব সময়ই মাথা উঁচু করে সম্প্রীতি বজায় রেখে চলছেন।
সেবাতীর্থ আশ্রমে ধান্যগঙ্গা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র বিশেষ উল্লেখ যোগ্য প্রতিষ্ঠান।

=====================
■■■■■■■■■■■■■■■■■

■■■■■■■■■■■■■■■■■■

মুর্শিদাবাদের সারগাছি রামকৃষ্ণ মিশন পৌঁছবার বিস্তারিত নির্দেশিকা:---
মুর্শিদাবাদের সারগাছি রামকৃষ্ণ মিশন (পিন-৭৪২৪০৮) পৌঁছাতে বহরমপুর বা বেলডাঙা থেকে সড়কপথে সহজেই যাওয়া যায় ।

কলকাতা বা শিয়ালদহ থেকে ট্রেনে বেলডাঙা স্টেশনে নেমে অটো বা টোটোয় সরগাছি আশ্রম আসা সবচেয়ে সুবিধাজনক।

ট্রেনে (সবচেয়ে সুবিধাজনক): শিয়ালদহ বা কলকাতা স্টেশন থেকে লালগোলা গামী ট্রেনে উঠে বেলডাঙা (Beldanga) স্টেশনে নামতে হবে । স্টেশন থেকে টোটো বা অটোতে সারগাছি রামকৃষ্ণ মিশন (সরগাছি আশ্রম) আসা যায়।

সড়কপথে: কলকাতা থেকে বাসে বা গাড়িতে বহরমপুর হয়ে NH34 ধরে বেলডাঙা পার হয়ে সরগাছিতে পৌঁছানো যায়।

নিকটবর্তী শহর: বেলডাঙা শহর থেকে এটি খুব কাছে, এটি মূলত বেলডাঙা থানার অন্তর্গত ।
যোগাযোগ: সরগাছি রামকৃষ্ণ মিশন হাই স্কুল (H.S) পিনকোড ৭৪২৪০৮
শান্ত পরিবেশের এই আশ্রমটি স্বামীজির অন্যতম প্রধান কর্মক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
=====================

Tuesday, January 27, 2026

139> || রামকৃষ্ণ মঠ বরিষা::---

  রামকৃষ্ণ মঠ বরিষা::---

    "আত্মনো মোক্ষার্থং জগদ্ধায় চ।"

ঠাকুরের ১৯১ তম আবির্ভাব তিথি পুজো আগামী ১৯/০২/২০২৫ বৃহস্পতিবার থেকে ২২/০২/২০২৫ রবিবার পর্যন্ত।

(আগামী 16/02/2025 সোমবার বিকেলে যাত্রা অনুষ্ঠান )

 বরিষা রামকৃষ্ণ মঠে পৌঁছবার পথ 

    নির্দেশ:--

বরিষা মঠ আসতে গেলে মেট্রো করে নামতে হবে টালিগঞ্জ মেট্রো স্টেশনে যে station টির নাম মহা নায়ক উত্তম কুমার। ওখানে নেমে ধরবেন শখের বাজার অটো এবং বলবেন রামকৃষ্ণ মঠের সামনে নামাতে। অটো চালক আপনাকে একদম মঠের গেটের সামনে নামিয়ে দেবে।

ডায়মন্ড হারবার রোড দিয়ে এলে বাস stopage হচ্ছে শখের বাজার। ওখান থেকে অটো বা রিক্সাকে বরিষা মঠ বললে সোজা মঠের গেটে নামিয়ে দেবে।

======================


বড়িশা রামকৃষ্ণ মঠ (Ramakrishna Math, Barisha) কলকাতার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক ও জনকল্যাণমূলক কেন্দ্র । ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মঠটি কলকাতার বেহালা-বড়িশা (সখেরবাজার) এলাকায় অবস্থিত । এখানে একটি বৃদ্ধাশ্রম (৭০ জন আবাসিক), দাতব্য চিকিৎসালয় (অ্যালোপ্যাথি-হোমিওপ্যাথি), গ্রন্থাগার এবং 'গদাধর অভ্যুদয় প্রকল্প' (GAP) চালু রয়েছে । 

বিস্তারিত তথ্য:

অবস্থান: ৫৯, মতিলাল গুপ্ত রোড, পূর্ব বড়িশা, কলকাতা-৭০০০০৮ ।

পরিচালনা: এটি রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের একটি অনুমোদিত কেন্দ্র, যা বেলুড় মঠের নির্দেশনায় পরিচালিত হয় ।

ক্রিয়াকলাপ: মঠটি প্রতিদিন আধ্যাত্মিক আলোচনা, পূজা এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের আয়োজন করে থাকে, যা জনসাধারণের জন্য সকাল ও বিকেলে খোলা থাকে ।

যোগাযোগ: এটি স্থানীয়ভাবে "সখেরবাজার রামকৃষ্ণ মঠ" নামেও পরিচিত, যা শিয়ালদহ থেকে বজবজগামী লোকাল ট্রেনের মাধ্যমে খুব সহজেই পৌঁছানো যায় । 




====================

রামকৃষ্ণ মঠ বড়িশা:---


 "আত্মনো মোক্ষার্থং জগদ্ধায় চ।"


বয়স্কদের জন্য বাড়ি--

রামকৃষ্ণ মঠ কর্তৃক পরিচালিত বৃদ্ধাশ্রম, বরিশা করুণাপূর্ণ সেবা এবং আধ্যাত্মিক সান্ত্বনার এক আলোকবর্তিকা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে, যা তাদের পরবর্তী জীবনে মর্যাদাপূর্ণ, শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ জীবনযাপনের জন্য বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য একটি আশ্রয়স্থল প্রদান করে। মঠের নির্মল প্রাঙ্গণে অবস্থিত, এই ছয় তলা ভবনটি এর বাসিন্দাদের বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য অত্যন্ত যত্ন সহকারে ডিজাইন করা হয়েছে, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং সামগ্রিক যত্নের মাধ্যমে তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করা হয়েছে।


স্থাপত্য এবং আবাসিক বৈশিষ্ট্য


ছয় তলা বিশিষ্ট এই ভবনটি ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধ এবং আধুনিক কার্যকারিতার মিশ্রণে নির্মিত, যা এর বাসিন্দাদের জন্য একটি উষ্ণ এবং স্বাগতপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে। প্রতিটি তলা সহজে প্রবেশযোগ্যতার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, চলাচলের অসুবিধাগ্রস্ত ব্যক্তিদের থাকার জন্য লিফট এবং প্রশস্ত করিডোর দিয়ে সজ্জিত। ভবনটি এর বাসিন্দাদের মধ্যে প্রশান্তি, অনুপ্রেরণামূলক ভক্তি এবং একাত্মতার অনুভূতি প্রকাশ করে। প্রতিটি কক্ষের উচ্চতা ১৩ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৯ ফুট ৬ ইঞ্চি। সংযুক্ত বাথরুমের উচ্চতা ৮ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৪ ফুট ৫ ইঞ্চি।


বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা চিন্তাভাবনা করে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে:


যারা ব্যক্তিগত থাকার জায়গা পছন্দ করেন তাদের জন্য সংযুক্ত বাথরুম সহ একক কক্ষ গোপনীয়তা এবং আরাম প্রদান করে।


পুরুষ এবং মহিলা উভয় বাসিন্দাই একটি সুরেলা পরিবেশ গড়ে তুলছেন।


বাসিন্দাদের মধ্যে, কিছু লোককে বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থা করা হয়, যা অভাবীদের সেবা করার জন্য মঠের প্রতিশ্রুতিকে আরও শক্তিশালী করে।


স্বাস্থ্যসেবা এবং গৃহ পরিষেবা সুবিধা


স্বাস্থ্যসেবা এবং ব্যক্তিগত সহায়তার গুরুত্ব স্বীকার করে, হোমটি ব্যাপক চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করে, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উদ্বেগের প্রতি তাৎক্ষণিক মনোযোগ নিশ্চিত করে। চিকিৎসা পেশাদার, নার্স এবং যত্নশীলদের একটি নিবেদিতপ্রাণ দল নিয়মিত চেক-আপ, জরুরি চিকিৎসা সহায়তা এবং চলমান সহায়তা প্রদান করে।


আমরা সারাদিন ধরে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করি যাতে বয়স্কদের জন্য হোমের বাসিন্দারা যথাযথ পুষ্টি এবং আরাম পান। নিরামিষ এবং আমিষ উভয় ধরণের খাবারের বিকল্প অন্তর্ভুক্তি যোগ করে, বিভিন্ন পছন্দ এবং খাদ্যতালিকাগত চাহিদা পূরণ করে।


যেসব বয়স্ক ব্যক্তি নড়াচড়া করতে অক্ষম, তাদের জন্য হোমে একটি বিশেষায়িত হোম সার্ভিস সুবিধা রয়েছে যেখানে প্রশিক্ষিত পরিচারকরা দৈনন্দিন কার্যক্রমে সহায়তা করেন, যার মধ্যে রয়েছে:


ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি এবং সাজসজ্জা।


খাবার এবং ওষুধের সাহায্য।


তাদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য মানসিক এবং সামাজিক সহায়তা।


গ্রন্থাগার এবং বৌদ্ধিক সম্পৃক্ততা


একটি বিশাল গ্রন্থাগার হোমের মধ্যে বৌদ্ধিক সম্পৃক্ততার ভিত্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। বই, সাময়িকী এবং ম্যাগাজিনের সমৃদ্ধ সংগ্রহে সজ্জিত, গ্রন্থাগারটি বিভিন্ন আগ্রহের বিষয়গুলি পূরণ করে, যার মধ্যে রয়েছে:


আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক রচনা, বিশেষ করে স্বামী বিবেকানন্দ এবং রামকৃষ্ণ পরমহংস সম্পর্কিত রচনা।


ইতিহাস, সংস্কৃতি, মনোবিজ্ঞান এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর সাহিত্য।


জাতীয় ও বৈশ্বিক বিষয়গুলির উপর অন্তর্দৃষ্টি প্রদানকারী ম্যাগাজিন এবং সাময়িকী।


আধ্যাত্মিকতা, ধ্যান এবং মানবিক প্রচেষ্টার উপর চিন্তা-উদ্দীপক জার্নাল।

°======================


Sunday, January 25, 2026

138>|| নিমপীঠ রামকৃষ্ণ মিশন (জয়নগর)।

  নিমপীঠ রামকৃষ্ণ মিশন (জয়নগর)।

শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রম হল রামকৃষ্ণ মঠ , বেলুড় এর ভাব প্রচারের অন্তভূর্ক্ত। এই কেন্দ্রটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার জয়নগর শহরের নিমপীঠে অবস্থিত।

শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রম নীতিবাক্য::---

আত্মনো মোক্ষার্থং জগদ্ধিতায় চ

(आत्मनो मोक्षार्थं जगद्धिताय च)

(আত্মার মুক্তি ও জগতের কল্যাণের জন্য) গঠিত

১৯৬০; ৬৬ বছর আগে

প্রতিষ্ঠাতা:--স্বামী বুদ্ধানন্দ

প্রতিষ্ঠাস্থান

Nimpith Sarada Vidyamandir

অবস্থান

নিমপীঠ, জয়নগর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

স্থানাঙ্ক

২২.১৫৭০৯৭° উত্তর ৮৮.৪৪০২৪৬° পূর্ব

ওয়েবসাইট

www.rakvknimpith.org

বারুইপুর মহকুমা পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলার একটি মহকুমা নিমপীঠ।

==================

শহরের কোলাহল থেকে দূরে শ্রীরামকৃষ্ণদেব, মা সারদা আর স্বামীজীর আদর্শে ঘেরা এই পবিত্র প্রাঙ্গণে এসে মনটা এক নিমেষেই শান্ত হয়ে গেল। এখানকার সুশৃঙ্খল পরিবেশ, সুন্দর বাগান আর মন্দিরের শান্ত আবহাওয়া সত্যিই মনে রাখার মতো।

জয়নগর মাজিলপুর স্টেশনে নেমে টোটো করে ১৫ মিনিট সময় লাগে। কিছুক্ষণ আশ্রমে বসে প্রার্থনা আর আরতি দর্শন... সারাদিনের ক্লান্তি ধুয়ে দেওয়ার জন্য এটুকুই যথেষ্ট। জয় শ্রীরামকৃষ্ণ!

নিমপীঠ রামকৃষ্ণ মিশন গেস্ট হাউস বুকিং

নিমপীঠ রামকৃষ্ণ আশ্রম (Sri Ramkrishna Ashram, Nimpith) গেস্ট হাউস বুকিংয়ের জন্য +৯১ ৭৫৮৩৯ ৬২৭২৫, +৯১ ৭৫৮৬৯ ৫৭৬২৫ নম্বরে ফোন করা যেতে পারে বা হোয়াটসঅ্যাপ করা যেতে পারে । 

এছাড়া, enquiry@sranrardwnimpith.org-এ ইমেল করা যেতে পারে । 

সাধারণত ১ মাস আগে বুকিং করতে হয় ।

বুকিং সম্পর্কিত তথ্যাবলী:

ঠিকানা: শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম, নিমপীঠ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ, ৭৪৩৩৩৮ 

বুকিং প্রক্রিয়া: আপনি উপরে দেওয়া মোবাইল নম্বরগুলিতে ফোন করে বুকিং করতে পারেন।

কৈখালী শাখা: নিমপীঠ রামকৃষ্ণ আশ্রমের কৈখালী শাখাতেও থাকার ব্যবস্থা আছে (কৈখালী পর্যটক আবাস) 

সময়: আশ্রম অফিস সোমবার থেকে শনিবার ১০:৩০ AM - ৫:০০ PM খোলা থাকে, রবিবার বন্ধ ।

যোগাযোগের সময়: সরাসরি ফোন করে বা হোয়াটসঅ্যাপ করে বিস্তারিত জানতে পারেন । 

ভ্রমণের অন্তত এক বা দুই মাস আগে যোগাযোগ করা ভালো, কারণ এটি খুব জনপ্রিয় একটি থাকার জায়গা।

===================

নিমপীঠ রামকৃষ্ণ মিশন পৌঁছবার নির্দেশ::---

দক্ষিণ ২৪ পরগনার নিমপীঠ রামকৃষ্ণ আশ্রমে পৌঁছানোর জন্য শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখা থেকে জয়নগর মজিলপুর লোকাল ধরে জয়নগর স্টেশনে নামতে হবে । জয়নগর স্টেশন থেকে অটো বা বাসে প্রায় ১৫ মিনিটে (৩ কিমি) আশ্রম পৌঁছানো যায় । 

সড়কপথে বারুইপুর-কুলপি রোড হয়ে জয়নগর থানা থেকে সহজেই এখানে আসা সম্ভব । 

বিস্তারিত যাতায়াত ব্যবস্থা:

রেলপথ (সবচেয়ে সুবিধাজনক): শিয়ালদহ থেকে জয়নগর মজিলপুর স্টেশনে আসার পর টোটো বা অটো ভাড়া করে সরাসরি নিমপীঠ আশ্রম (P.O. Nimpith Ashram-743338) যাওয়া যায় ।

সড়কপথ: কলকাতা থেকে বারুইপুর-কুলপি রাস্তা (Baruipur-Kulpi Road) ধরে জয়নগর থানা হয়ে নিমপীঠ পৌঁছানো যায় ।

নিকটতম স্থান: জয়নগর-মজিলপুর শহর থেকে এটি প্রায় ৩ কিমি দূরে অবস্থিত ।


যোগাযোগ: আশ্রমের ওয়েবসাইট www.rakvknimpith.org.in এবং ফোন নম্বর: 03218-226002/226637 ।

সময় সূচী::---

সকাল ১০:৩০ থেকে বিকেল ৫:০০ টা পর্যন্ত আশ্রমের সাধারণ সময়সূচী ।

আমাদের সম্পর্কে - শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম, নিমপীঠ

— নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন হল জয়নগর মজিলপুর , শিয়ালদহ জংশন থেকে দেড় ঘন্টার পথ। সেখান থেকে অটো, বাসে ১৫ মিনিটের মধ্যে আশ্রমে পৌঁছানো যায়। 

নিমপীঠ রামকৃষ্ণ মিশনের আশ্রমে কয়েক ঘণ্টা কাটিয়ে এলাম আজ। অপূর্ব অভিজ্ঞতা। ওখানকার মানুষের সাথে কথা বলে জানলাম এই আশ্রম খুব জাগ্রত। নিজেও যেন ঠাকুর আর মাকে সমস্ত মন দিয়ে উপলব্ধি করতে পারছিলাম।

শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম, নিমপিঠ (SRAN)

শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রম, নিমপিঠের মূল উদ্দেশ্য ছিল দারিদ্র্য, বেকারত্ব, নিরক্ষরতা এবং অসুস্থতার মতো সাধারণ সমস্যাগুলি সমাধান করে মানুষকে সাহায্য করা। সময়ের সাথে সাথে, নিমপিঠ আশ্রম প্রায় প্রতিটি সম্ভাব্য সমস্যা নিয়ে কাজ করেছে। 

===================

Saturday, January 24, 2026

137> Gangasagar, কম খরচে।

137> Gangasagar, কম খরচে।

Sealdah south--->07:15 নামখানা local,---->নামখানা---->অটোতে ₹20/

ফেরিঘাট::--->এখন থেকে লঞ্চে ₹60/ -30 km -->গঙ্গাসাগর মেলা।

"=======================

136|| চুঁচুড়া-->রামকৃষ্ণ সারদা মিশন::--+

 136|| চুঁচুড়া-->রামকৃষ্ণ সারদা মিশন::--+   

 লাহিড়ী বাবার আশ্রম ব্যান্ডেল।

Chunchura stn----->by Toto to Sugandha More----->by Toto to

Kamdebpur Ramakrishna Sarada Mission.

লাহিড়ী বাবার আশ্রম' ব্যান্ডেল 

ব্যান্ডেল স্টেশন থেকে ৫ কিমি দূরে রাজহাট গ্রামে অবস্থিত এই মন্দিরের নাম ‘আধারলয়’। যোগীরাজ শ্যামাচরণ লাহিড়ীর দর্শনে নির্মিত হওয়ায় এটি ‘লাহিড়ী বাবার আশ্রম’ নামেi বেশি পরিচিত।

সবুজের মাঝে নির্জন পরিবেশে অবস্থিত এই আশ্রম। প্রবেশদ্বার পেরিয়ে সুন্দর বাগান। বাগানের মাঝখান দিয়ে কংক্রিটের রাস্তা দিয়ে কিছুটা পায়ে হেঁটে গিয়ে মূল মন্দিরের সামনে উপস্থিত হতে হয়। মন্দিরের স্থাপত্য রাজস্থানী ও দক্ষিণ ভারতীয় মন্দির স্থাপত্যের মিশ্রণে তৈরি। একটি ছোট জলাশয়ের উপর অবস্থিত এই মূল মন্দির, অনেকটা অমৃতসর স্বর্ণমন্দির মতন। একটি ছোট সেতু পেরিয়ে মূল মন্দিরে প্রবেশ করতে হয়।

আশ্রমের মধ্যে প্রধান মন্দির ছাড়াও অসংখ্য মন্দির রয়েছে। যেমন- নারায়ণ মন্দির, জগদ্ধাত্রী মন্দির, লোকনাথ মন্দির, মহাদেব মন্দির।

✓কিভাবে যাবেন: হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনে অবস্থিত ব্যান্ডেল স্টেশন। ব্যান্ডেল স্টেশনের বাইরে থেকেই  লাহিড়ী বাবার আশ্রমে যাওয়ার জন্য অটো বা টোটো পাবেন। টোটো বা অটো আপনাকে সরাসরি আশ্রমের প্রবেশপথের সামনে নিয়ে যাবে। 

✓প্রবেশ মূল্য: আশ্রমে ঢোকার জন্য কোন প্রবেশ মূল্য নেই।

✓মন্দির খোলার সময়: সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকাল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৬টা।

✓মন্দিরে ঢোকার কিছু বস্ত্র বিশেষ নিয়ম:

মন্দিরের ঢোকার আগে সবাইকে জুতো বা চটি বাইরে খুলে রাখতে হয়।

মহিলাদের জন্য মন্দিরে ঢোকার আগে মাথা ঢেকে রাখা আবশ্যক এবং হাটুর উপরে কোনো বস্ত্র পড়ার একেবারেই অনুমতি দেওয়া হয় না। পুরুষদের নিজের মাথা ঢেকে রাখা চলবে না।

✓ভোগ নেওয়ার সময়সূচি:ভোগের কুপন অফিস কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করতে হয় সকাল ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে। খাওয়ার সময় সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা।

============================

ব্যাণ্ডেল গীর্জার ইতিকথা::----

মাতা মারীয়ার প্রত্যাবর্তন:-এক গভীর রাতে ফাঃ জোয়ান।

ডা ক্রুশো দেখলেন নদীর জলে এক অদ্ভুত জ্যোতি, আর ওখান থেকে ভেসে এল বন্ধু তিয়াগোর কণ্ঠে ঘোষনা-"মাতা মারীয়া ফিরে আসছেন, তিনি মৃত্যুর কবল থেকে খৃষ্টানদের রক্ষা করেছেন।” ফাঃ জোয়ান ভাবলেন... স্বপ্ন! কিন্তু সকাল হলেই একদল জেলে গীর্জার প্রবেশ দ্বারে মায়ের মূর্তিটি এনে ফাদারকে বললেন- "গুরু, 'মা' ফিরে এসেছেন।"

মাসুল প্রসঙ্গ:-মাতা মারীয়ার মূর্তির প্রত্যাবর্তন-উৎসব পালনের

শেষে গীর্জার নিকট হুগলী নদীতে হঠাৎ এক পোর্তুগীজ জাহাজের আগমন হয়। বঙ্গোপসাগরে প্রবল ঝড়ে জাহাজ-ডুবির ভয়ানক বিপদ থেকে রক্ষা পেতে কাপ্টেন ও নাবিকগন মাস্তুলটি দান করার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। ব্যাণ্ডেল গীর্জায় খ্রীষ্টযজ্ঞে অংশ গ্রহনের পর কাপ্টেন জাহাজের একটা মাস্তুল খুলে নিজেই গীর্জার সামনে সংবদ্ধ করলেন। আজও মাস্তুলটি গীর্জার সামনে শোভা পাচ্ছে। মাস্তুল সহ যে পালগুলি দান করা হয়েছিল, আজ পর্যন্ত সেগুলির সংরক্ষন করে রাখা সম্ভব হয়নি।

তত্ত্বাবধানে সালেসীয় সংঘঃ-প্রায় তিনশত বৎসর ব্যাণ্ডেল

গীর্জা গোয়া হতে আগত আগস্টিয়ান পুরোহিতদের তত্ত্বাবধানে ছিল। পরে জেসুইট সংঘের পুরোহিতগন দায়িত্বভার পেয়ে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান গুলি গড়ে তোলেন। ১৮৭০ খ্রীঃ সেন্ট জন স্কুল স্থাপিত হয়। ১৯২৮ খ্রীঃ সালেসীয় সংঘের উপর পরিচালন ভার ন্যস্ত হয়। ১৯৫১ খ্রীঃ ডন বস্কো স্কুল ও সেমিনারী, ১৯৫২ খ্রীঃ অক্সিলিয়াম কভেন্ট স্কুল, ১৯৬৮ খ্রীঃ রিট্রিট হাউজ ও সেমিনার-হল এবং ১৯৮৭ খ্রীঃ মাদার তেরেজা-সমাজের কন্ডেন্ট প্রতিষ্ঠা হয়।

বর্তমানের গীর্জা ১৯৯০-বর্তমানে গ্রানাইট, মার্বেল পাথুর

বসিয়ে গীর্জার সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও মেরামতি করা হয়েছে। গীর্জার বাইরে ও ভিতরে প্রার্থনা-উপাসনার জন্য কতগুলি স্থান বাড়ানো ও সুন্দর হয়েছে। কয়েক শতকের ঘাত-প্রতিঘাতে বিছিন্ন খৃষ্ট-সম্প্রদায়কে পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা চলছে। ১৯৮৮ খ্রীঃ ২৫ শে নভেম্বর ব্যাণ্ডেল মহামান্য পোপ দ্বিতীয় জনপল 'ব্যাসিলিকা' সম্মানে ভূষিত করে।

=============================