Sunday, April 6, 2025

131>ভ্রমন:-- মেঘালয়::--পরিকল্পনা।

131>ভ্রমন:-- মেঘালয়::--পরিকল্পনা।

মেঘের কোলে আলয়= মদঘালয়

অর্থাৎ মেঘের কোলে ঘর।

পূর্ব ভারতের মেঘালয়ের

 অসাধারন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যা সত্যি মন কেড়েনেয়।

মেঘালয় সত্যই মেঘের আবাস স্থল।

এখানকার মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং প্রাণবন্ত উপজাতি সংস্কৃতির জন্য বিশেষ ভাবে পরিচিত।

মেঘালয়ে মাতৃতান্ত্রিক সামাজিক ব্যবস্থার প্রচলন, এখানে আমাদের মতন বাবার পদবী নয় মায়ের পদবী ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার মা থেকে মেয়েরাই ভোগ করে।

মেঘালয়ের রাজধানী শিলংকে 

"প্রাচ্যের স্কটল্যান্ড" বলা হয় এখানকার অতি সুন্দর , মনোরম, অভূতপূর্ব সৌন্দর্যের কারনে।

শিলং এর কাছে এলিফেন্টা জলপ্রপাত অতি সুন্দর একটি তিন স্তরিয় জলপ্রপাত।

কাছেই আছে চেরাপুঞ্জি আজকাল অবশ্য বৃষ্টি পাটের রেকর্ড চেরাপুঞ্জি কে ছাড়িয়ে গেছে 'মাওসিনরাম' যা শিলং থেকে মাত্র 60 কিলোমিটার দূরে।

আর আছে চেরাপুঞ্জির জলপ্রপাত, গুহা এবং অনন্য জীবন্ত শিকড় সেতু, রাবার গাছের  বিখ্যাত জীবন্ত সেতু।

পাশে আছে পূর্ব খাসি পাহাড় গ্রাম 

'মাওলিনং, যে গ্রামটি তার পরিছন্নতার জন্য 2003 সালে ডিস্কভার ইন্ডিয়া  ম্যাগাজিনে এশিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার গ্রাম হিসাবে রেকর্ড করেছে।

এখানে ধূমপান ও পলিথিন ব্যবহার কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ।

মওলিনং এতে কমিনিউটি ভিত্তিক ইকো- ট্যুরিজিম এবং রবার গাছের জীবন্ত শিকড়ের ব্রিজ বিশেষ আকর্ষণীয়।

এখানে  নদী ডাউকি, উমোঙ্গটি নদীর স্ফটিক-স্বচ্ছ জলের জন্য পরিচিত এখানে নদীতে ভাসমান নৌকার দৃশ্য মনেহয় হওয়ায় ভাসমান।

আর একটি অত্যাশ্চর্য স্থান জোওয়াই,

এখানকার জলপ্রয়াত ও মনোলিথের জন্য বিখ্যাত।

এখানকার সুস্বাদু খাবার গুলির মধ্যে রয়েছে   মোমো, জাদোহ, কিয়াত,

মি খাউতুং। 



মেঘালয়ের স্থানীয় মানুষের প্রধান খাদ্যই হল ভাত এবং বিভিন্ন ধরনের মাংস ও মাছের উপর নির্ভরশীল, বিশেষ করে শুয়োরের মাংস, যা তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার "যাদোহ"-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 

যাদোহ ... মেঘালয়ের খাসি সম্প্রদায়ের মধ্যে জাদোহ একটি খুব জনপ্রিয় খাবার। জাদোহ হল লাল চাল, প্রচুর পরিমাণে শুয়োরের মাংস দিয়ে রান্না করা হয়। কখনও কখনও, এটি মুরগি বা মাছ দিয়েও রান্না করা হয়। সবুজ মরিচ, পেঁয়াজ, আদা, হলুদ,  ইত্যাদি।


এখানে মেঘালয়ের কিছু জনপ্রিয় খাবার এবং তাদের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো:

যাদোহ যা ভাত এবং শুয়োরের মাংস দিয়ে তৈরি করা হয়। 


দোহ-নেইয়ং (Doh-Neiiong):

এটি বাঁশের অঙ্কুর দিয়ে ধূমপান করা শুয়োরের মাংসের একটি পদ। 


দোহ-খলিহ (Doh-Khlih):

এটি শুয়োরের মাংসের একটি পদ, যা কালো তিলের সাথে রান্না করা হয়। 


নাখাম বিচি (Nakhram Bichi):

এটি একটি মশলাদার খাবার, যা বিভিন্ন সবজি এবং মাংস দিয়ে তৈরি করা হয়। 


টুং রিম্বাই (Tung Rimbai):

এটি মেঘালয়ের কৃষক সম্প্রদায়ের একটি সাধারণ খাবার। 


মিনিল গান (Minil Gan):

এটি গাঁজানো মাছের একটি পদ, যা গারো সম্প্রদায়ের মধ্যে জনপ্রিয়। 


পুডোহ (Pudoh):

এটি মেঘালয়ের ভাতের এক অনন্য জাত, যা বিভিন্ন উৎসবে খাওয়া হয়. 


দোহজেম (Dohjem):

শুকরের মাংসের পেট এবং অন্ত্র থেকে তৈরি একটি খাবার. 

এছাড়াও, মেঘালয়ের মানুষেরা মাছ, হাঁস, মুরগি এবং হরিণের মাংসও বিভিন্ন উপায়ে রান্না করে খায়। 

==================●


 

 

130> দক্ষিণ ভারত ভ্রমণ::---পরিকল্পনা।

130> দক্ষিণ ভারত ভ্রমণ::---পরিকল্পনা।

চেন্নাই--->মহাবলিপূরম--->পুদুচেরী(

পন্ডিচেরী)--->ত্রিচি =ত্রিচূড়াপল্লী--->

তাঞ্জবুর--->মাদুরাই--->রামেশ্বরম--->

কন্যাকুমারী--->ত্রিবান্দ্রাম--->আলেপ্পি--

-->কোচিন



★চেন্নাই::----পূর্বতন মাদ্রাস বা মাদ্রাজ,।

    বঙ্গোপসাগরের করমন্ডল উপকূলে বস্তিত।

দর্শনীয় স্থান==চেন্নাই সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশন,-- 1>কপালীশ্বর মন্দির/ 2>ভালুভার মন্দির/3>কাঠিপাড়া ক্লোভর ক্রস ফ্লাইওভার / রিপন বিল্ডিং/ মেরিনা সৈকত/ চেন্নাই জাদুঘর /আরিগনার আনা জুলজিক্যাল পার্ক/ ভল্লুভার কোট্টম /হাজার আলোর মসজিদ।

==========

★মহাবলিপূরম::---তামিল নাডুর রাজ্যের চেঙ্গলপট্টু জেলায় খ্রিষ্টীয় সপ্তম এবং অষ্টম শতাব্দীর নির্মিত--

1984) উনিশশো চুরাশি সালে মহাবলীপুরমকে ইউনেস্কো "ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট" হিসেবে  স্বীকৃতি দিয়েছে। মহাবলীপুরমের শিল্পনিদর্শন, শিল্প কীর্তি, এবং স্থাপত্য শিল্প রসিকদের বিশেষ দর্শনীয় স্থান। মহাবলীপুরমের নির্মাণ শৈলী মামাল্লাশৈলীর কীর্তি।

এই মামাল্লা শৈলী হল খোলা আকাশের নিচে পাথরের গায়ে খোদাই করা  পৌরাণিক দৃশ্য। এই শিল্প কীর্তি ও স্থ্যাপত্য প্রায় বারো--তেরোশো বছরের পুরনো।

===========

 

★পুদুচেরী(পন্ডিচেরী)----শহর 1954 পর্যন্ত ফরাসি উপনিবেশ ছিল।

বর্তমানে তামিল নাডুর সর্বাধিক জনবসতি শহর। ঋষি অর্বিন্দের আশ্রম 

"মীরা আলফাসা বা মাদার ও ঋষি অরবিন্দের" সমাধি ।


শ্রীঅরবিন্দ ও শ্রীমা (মীরা আলফাসা)

  গুরু ও শিষ্যার একই সমাধি বেদী।


শ্রীঅরবিন্দ (জন্মগত নাম: অরবিন্দ ঘোষ; ১৫ অগস্ট, ১৮৭২ – ৫ ডিসেম্বর, ১৯৫০)

১৯৫০ এর ৫ ডিসেম্বর মধ্যরাতে হঠাৎ

ইহ লোক ছেড়ে মহাপ্রয়ানের পথে পাড়ি দিলেন শ্রী অরবিন্দ। চলে গেলেন যোগী অরবিন্দ। পাঁঁচ দিন পর তার দেহ সমাধিস্থ করা হয় পণ্ডিচেরী আশ্রমের এক গাছতলায়। যে গাছের ফুল আজও ঝরে পড়ে তার সমাধির ওপর।


শ্রীমা মীরা আলফাসা( ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৮৪৮ - ১৭ নভেম্বর, ১৯৭৩ ) ছিলেন ফরাসি, আধ্যাত্মিক গুরু এবং শ্রী অরবিন্দের শিষ্যা ও সহযোগী।

ফরাসি বংশোদ্ভূত পূর্বাশ্রমের নাম ছিল মীরা রিচার্ড বা মীরা আলফাসা।

তিনি ভারতীয় গুরুকূলের পরিবেশ পছন্দ করতেন। তিনি ও তার স্বামী পল রিচার্ড ১৯১৪ সালের ২৯ শে মার্চ পণ্ডিচেরি আশ্রমে শ্রী অরবিন্দের কাছে দীক্ষা নিয়ে সেখানেই বসবাস করতে থাকেন।  প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তাঁদের পন্ডিচেরি ছেড়ে জাপানে যেতে হয়েছিল। সেখানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে সাক্ষাৎ হয় এবং হিন্দু ধর্মের মর্মার্থ অনুধাবন করেন। ১৯২৬ সালের ২৪ নভেম্বর, মীরা আলাফাসা পণ্ডিচেরি ফিরে আসেন এবং স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থেকেন।

পরে তিনি শ্রী মা রূপে পরিচিতি লাভ করেন।

শ্রীমা 17 নভেম্বর 1973 ইহ লোক ছেড়ে মহাপ্রয়ানের পথে পাড়ি দিলেন।

20 নভেম্বর 1973 তাঁর দেহ সমাধিস্থ করা হয় পণ্ডিচেরী আশ্রমের তাঁর গুরু শ্রী আরবিন্দের সমাধির উপরি ভাগে।

একই সমাধি কক্ষের নীচের কক্ষে সাইত গুরু আর উপরে কক্ষে তাঁর  প্রধান শিষ্যা।

সেই ফুল গাছের নিচে ।

প্রকৃতি নিজেই রোজ সাজিয়ে দেয় তার ফুলদিয়ে সেই মহান সমাধি বেদী।


১৬৭৩ খ্রীষ্টাব্দে ফরাসিদের আগমনের সাথে সাথে আধুনিক  পন্ডিচেরী  তথা পুদুচ্চেরির ইতিহাসের সূচনা হয়। এটি ১৯৫৪ সালে ভারতীয় ইউনিয়নের একটি অংশ হয়ে ওঠে।

ক্ষুদ্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পন্ডিচেরী বা পুদুচ্চেরি ভারতীয় উপদ্বীপের পূর্বদিকে অবস্থিত।

===================


★ত্রিচি বা ত্রিচূড়াপল্লী::--


ত্রিচি তামিলনাড়ুর একটি জনপ্রিয় শহর। তিরুচিরাপল্লী শহরের সরকারী নাম। চেন্নাই, কোয়েম্বাটোর এবং মাদুরাইয়ের পরে, এটি জনসংখ্যার দিক থেকে রাজ্যের চতুর্থ বৃহত্তম শহর। BHEL এবং অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির মতো প্রধান ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থাগুলি ত্রিচিতে অবস্থিত। এটি একটি উল্লেখযোগ্য শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট (আইআইএম, ত্রিচি), ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এনআইটি, ত্রিচি), এবং ভারতীদাসন ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট তালিকায় (বিআইএম) প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে রয়েছে। ত্রিচিতে বেশ কয়েকটি পর্যটন স্থান রয়েছে।

এই শহরটি একসময় প্রাচীন চোল রাজতন্ত্রের একটি অংশ ছিল। এই শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া কাবেরী নদীর তীরে কৃষিকাজ চলছে। 

তিরুচিরাপল্লী রেলওয়ে স্টেশন হল ত্রিচির প্রধান রেলওয়ে স্টেশন 


দর্শনীয় 15 টি  স্থান::--

ব্রহ্মপুরীশ্বর মন্দির//কাল্লানাই বাঁধ//

রকফোর্ট মন্দির//শ্রী রঙ্গনাথস্বামী মন্দির/

/জম্বুকেশ্বর মন্দির//পুলিয়ানচোলাই জলপ্রপাত//ভেক্কালি আম্মান মন্দির//

রেলওয়ে যাদুঘর//সেন্ট জোসেফ চার্চ//

আগায়া গঙ্গাই জলপ্রপাত//

বারাহি আম্মান মন্দির// পেরিয়া কোভিল

রক কাট মন্দির,//পুদুক্কোত্তাই.

====================

★তাঞ্জাভুর::---

তাঞ্জাভুর তামিলনাড়ুর পূর্ব উপকূলে কাবেরী নদীর ব-দ্বীপে অবস্থিত 

তাঞ্জাভুর শহরটিকে থাঞ্জাই ও তাঞ্জোর নামেও পরিচিত।


তাঞ্জাভুর, তামিলনাড়ু রাজ্যের একটি ঐতিহাসিক শহর, যা তার সুন্দর মন্দির, প্রাসাদ ও শিল্পের জন্য বিখ্যাত। এখানে কিছু প্রধান দর্শনীয় স্থান হলো: ●বৃহদেশ্বর মন্দির, ●থাঞ্জাভুর রাজপ্রাসাদ, ●সরস্বতী মহল লাইব্রেরি, এবং ●আওয়ার লেডি অফ সরোস চার্চ। 

●বৃহদেশ্বর মন্দির:

এটি চোল রাজবংশের স্থাপত্যের একটি অসাধারণ নিদর্শন এবং ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে তালিকাভুক্ত। 

●থাঞ্জাভুর রাজপ্রাসাদ:

এটি একটি সুন্দর প্রাসাদ যা স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত, যেখানে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী। 

●সরস্বতী মহল লাইব্রেরি:

এটি একটি বিশাল লাইব্রেরি যেখানে প্রাচীন পাণ্ডুলিপি এবং বইয়ের বিশাল সংগ্রহ রয়েছে। 

●আওয়ার লেডি অফ সরোস চার্চ:

এটি তাঞ্জাভুরের একটি বিখ্যাত খ্রিস্টান ধর্মীয় স্থান। 

●শিবগঙ্গা গার্ডেন:

এটি তাঞ্জাভুরের একটি সুন্দর বাগান যা স্থানীয়দের এবং পর্যটকদের জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান। 

●আলংগুদি গুরু মন্দির:

এটি প্রভু গুরু বা বৃহস্পতিকে উৎসর্গীকৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্দির। 

●তাঞ্জোর পেইন্টিং এবং পুতুল:

তাঞ্জাভুর তার বিখ্যাত তাঞ্জোর পেইন্টিং এবং পুতুলের জন্য পরিচিত, যা স্থানীয় বাজারগুলোতে পাওয়া যায়। 

●তাঞ্জাভুর ফোর্টফিকেশন হেরিটেজ ওয়াক:

এটি একটি গাইডেড ট্যুর যা আপনাকে ঐতিহাসিক দুর্গের মধ্য দিয়ে নিয়ে যায়। 

●থাঞ্জাভুর দুর্গ:

তাঞ্জাভুরের দুটি ঐতিহাসিক দুর্গ রয়েছে, যেমন ছোট দুর্গ এবং বড় দুর্গ। 

================

★মাদুরাই:::---

তামিলনাড়ুর তৃতীয় বৃহত্তম মহানগর। তামিলনাড়ুর পৌর সংস্থার মধ্যে মাদুরাই দ্বিতীয় বৃহত্তম। এই শহরটি মাদুরাই জেলায় অবস্থিত। মাদুরাই তামিলনাড়ুর সাংস্কৃতিক রাজধানী।

মাদুরাই শহরটি ভাইগাই (Vaigai) নদীর তীরে অবস্থিত। 

মাদুরাইয়ের দর্শনীয় স্থান::--

ভাগাই নদীর তীরে অবস্থিত, তামিলনাড়ু রাজ্যের একটি প্রাচীন শহর মাদুরাই, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং উচ্চ ধর্মীয় গুরুত্বের অধিকারী, ভ্রমণের জন্য একটি স্থান। স্থাপত্যের কিছু উৎকৃষ্ট নিদর্শন, দর্শনীয় স্থানের বিস্তৃত সমাহার, মনোরম সৌন্দর্য এবং আধ্যাত্মিক পরিবেশে ঘেরা, মাদুরাই শহরে ভ্রমণ প্রতিটি দর্শনার্থীর জন্য একটি মনোমুগ্ধকর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা যায়। 


1●. মীনাক্ষী আম্মান মন্দির::---

মীনাক্ষী সুন্দরেশ্বর মন্দির নামেও পরিচিত, এই মন্দিরটি ভারতের অন্যতম প্রধান মন্দির। ভারতের প্রাচীনতম মন্দিরগুলির মধ্যে একটি হওয়ায় এটি কেবল ধর্মীয়ভাবে তাৎপর্যপূর্ণই নয় বরং দ্রাবিড় স্থাপত্যের একটি চমৎকার উদাহরণও উপস্থাপন করে। এটি ভগবান সুন্দরেশ্বর এবং তাঁর ঐশ্বরিক পত্নী দেবী মীনাক্ষীর প্রতি নিবেদিত।

এই মন্দিরের জটিল খোদাই এবং রাজকীয় কাঠামো দেখার মতন।

এর আধ্যাত্মিক আভা এবং সংশ্লিষ্ট কিংবদন্তি এখানে দর্শন করতে আসা প্রতিটি ভক্তকে মোহিত করে।


2● তিরুমালাই নায়ক প্রাসাদ::--


1635 সালে রাজা থিরুমালাই নায়কের রাজত্বকালে তাঁর বাসভবন হিসেবে নির্মিত এই প্রাসাদটি দ্রাবিড় এবং ইসলামিক স্থাপত্য শৈলীর এক সুন্দর মিশ্রণ উপস্থাপন করে। একজন ইতালীয় স্থপতি দ্বারা নির্মিত, 

এই প্রাসাদটি তামিলনাড়ু প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের রক্ষণাবেক্ষণের অধীনে রয়েছে।

এই প্রাসাদে প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাউন্ড অ্যান্ড লাইট শো অনুষ্ঠিত হয়।


3●সামানার পাহাড়::--/সামানার মালাই

মাদুরাই থেকে 12 কিলোমিটার দূরে, সামানার পাহাড় কিলাকুইলকুডি গ্রামে অবস্থিত। 

ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ কর্তৃক এটিকে সুরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ।

 এই পাহাড়ে খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দীর সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় নিদর্শন আছে।


এখানকার পাথরের কিছু শিলালিপিতে এ জৈন সন্ন্যাসীদের উপস্থিতির চিত্র পাওয়া যায়, যারা এখানে গুহায় অবস্থান করেছিলেন বলে জানা যায়। ধর্মীয় সম্পর্কের পাশাপাশি, সামানার পাহাড়গুলি তার মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের জন্যও জনপ্রিয়।


4● আজাগর কোভিল/আলাগার কোয়েল মন্দির।

মাদুরাই শহর থেকে 21 কিলোমিটার দূরে আলাগার পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত, আলাগার কোয়েল মন্দিরটি মাদুরাই ভ্রমণে দেখার মতো আরেকটি অসাধারণ নিদর্শন। ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত, এই মনোমুগ্ধকর মন্দিরটির ঐতিহাসিক এবং ধর্মীয় গুরুত্বও রয়েছে। সঙ্গম যুগে, পাণ্ড্য রাজা মলয়দ্বাজ পাণ্ড্য প্রায়শই এটি পরিদর্শন করতেন বলে জানা যায়। এই মন্দিরে কিছু সংযোজন নায়ক রাজাদের রাজত্বকালে করা হয়েছিল।


5● তিরুপরাঙ্কুন্দ্রম মুরুগান মন্দির

6.●গান্ধী মেমোরিয়াল মিউজিয়াম।

7●কুদাল আজহাগর মন্দির

8●পুথু মন্দির / পুধু মন্ডপ::--

9●সন্ত মেরী ক্যাথিড্রাল:--

10●ভানডিউর মেরিয়াম্মান     

       তেপ্পাকুলাম::-

11●ইডাইকাট্টুর চার্চ::---মাদুরাই থেকে

      39 km .

12●.পাজামুদিরচোলাই.মাদুরাই থেকে

      25 km .

13● কাজিমার বড় মসজিদ::/-

 মাদুরাই এ প্রথম মসজিদ।

14●.থিরুমহুর কালামেগাপেরুমাল মন্দির

 মাদুরাই থেকে 12 কিলোমিটার।

 থিরুমহুর কালামেগাপেরুমাল মন্দির হল দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর মাদুরাই জেলার মেলুরের কাছে একটি হিন্দু মন্দির, যা হিন্দু দেবতা বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে নিবেদিত। দ্রাবিড় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত, মন্দিরটি 6-9ম শতাব্দীর আলভার সাধুদের মধ্যযুগীয় তামিল ক্যানন নালায়রা দিব্যা প্রবন্ধমে মহিমান্বিত।

==================

 ★রামেশ্বরম::---


রামেশ্বরম ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের রামনাথপুরম জেলার একটি শহর ও পৌরসভা। এটি পামবান দ্বীপে অবস্থিত পামবান চ্যানেল দ্বারা প্রধানভূমি ভারত থেকে পৃথক।


1●রামেশ্বরম::---


রামেশ্বরম দক্ষিণ-ভারতীয় সুন্দর রাজ্য তামিলনাড়ুর একটি দ্বীপ শহর ও 

আশ্চর্যজনক সমুদ্রের দৃশ্য এছাড়াও 'ভারত মহাসাগরের উপর সেতু' নামে পরিচিত, শহরটিতে দর্শনীয়  অনেক কিছু রয়েছে। 

রামেশ্বরমের নিকটতম বিমান বন্দর মাদুরাই 149 কিলোমিটার।

রেলপথে: রামেশ্বরম রেলপথের মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডের সাথে রেল সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত। রামেশ্বরম এবং চেন্নাই (650 কিমি), মাদুরাই (169 কিমি), তিরুচিরাপল্লী (271 কিমি) এবং থাঞ্জাভুর (231 কিমি) এর মধ্যে রাস্তাগুলি ভালভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে।

রামেশ্বরম ভ্রমণের সেরা মাস

November to February


শহরের সবচেয়ে বড় পর্যটক আকর্ষণ রামেশ্বরম মন্দির। বেশিরভাগ পর্যটক রামেশ্বরম মন্দিরে অন্যান্য সমস্ত রামেশ্বরম পর্যটন স্থানের উপরে ভিড় করেন। মন্দিরটি ভগবান শিবের প্রতি নিবেদিত স্থাপত্যের একটি জটিলভাবে খোদাই করা অংশ। সারা বিশ্ব থেকে ভক্তরা মন্দিরে 12টি জ্যোতির্লিঙ্গে তাদের প্রার্থনা করতে রামেশ্বরমে ভ্রমণ করে। 


2●অগ্নিতীর্থম::---

শহরটি ভক্তদের দ্বারা পবিত্র বলে বিবেচিত "পবিত্র স্নানে" পরিপূর্ণ। অগ্নিতীর্থম মন্দিরের ঐতিহ্যবাহী আশেপাশের বাইরে অবস্থিত এই ধরনের বৃহত্তম স্নান। পর্যটকরা একটি সাংস্কৃতিক অনুশীলন হিসাবে পবিত্র জলে স্নান করতে অগ্নিতীর্থমে যান। আপনি সপ্তাহের যেকোনো দিন সকাল 5টা থেকে সন্ধ্যা 6টার মধ্যে অগ্নিতীর্থম দেখতে পারেন। 


3●ধানুশকোডি মন্দির::--

1964 সালে রামেশ্বরমে আঘাত হানা একটি ঘূর্ণিঝড়ের সময় ধনুশকোডি মন্দিরটি সবচেয়ে ভালভাবে সংরক্ষিত প্রাচীন স্থাপত্যের একটি এবং উপাসনার স্থানগুলির মধ্যে একটি ছিল। মন্দিরটি আজ তার পূর্বের গৌরবের পরিবর্তে শুধুমাত্র ধ্বংসাবশেষ হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে কিন্তু এখনও রয়েছে পবিত্রতম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় রামেশ্বরম পর্যটন স্থানগুলির মধ্যে একটি। আপনি একটি রিকশা নিতে পারেন বা একটি ট্যাক্সি ভাড়া করতে পারেন রামেশ্বরম থেকে ধনুশকোডি যাবার জন্য রাস্তা দিয়ে 16 কিলোমিটার দূরত্ব কভার করতে পারেন। ধানুশকোডি মন্দিরে পৌঁছানোর সময় সকাল 6:00 AM থেকে 6:00 PM এর মধ্যে 


4●জটায়ু তীর্থম::---

এই ধরণের একমাত্র মন্দিরগুলির মধ্যে একটি, জটায়ু তীর্থম মন্দিরটি রামায়ণের মহাকাব্যের একটি পৌরাণিক ব্যক্তিত্ব ভগবান জাত্যউকে উত্সর্গীকৃত। কিংবদন্তি অনুসারে, দেবী সীতাকে অপহরণ করা থেকে বিরত করার চেষ্টা করার সময় দানব-রাজা রাবণ জটায়ুকে হত্যা করেছিলেন। মন্দিরটি তাঁর সাহসিকতা এবং ভগবান রামের প্রতি তাঁর ভক্তির জন্য উত্সর্গীকৃত। জটায়ু তীর্থম মূল শহর থেকে 6 কিমি দূরে, যা স্থানীয় পরিবহনের মাধ্যমে কভার করা যেতে পারে। 


5●আরিয়মান সৈকত:::--

আপনার রামেশ্বরম স্থানগুলির তালিকায় আপনাকে অবশ্যই যোগ করতে হবে আরেকটি স্থান হল আরিয়ামান বিচ। চমত্কার সাদা বালির সৈকত ভারত মহাসাগরের উপকূল জুড়ে বিস্তৃত। আপনি সমুদ্র সৈকতে আপনার সময় কাটাতে পারেন বিভিন্ন জল-ক্রীড়া ক্রিয়াকলাপ উপভোগ করতে বা সমুদ্রের অত্যাশ্চর্য দৃশ্য উপভোগ করতে বোটিংয়ে যেতে পারেন। রামেশরওয়াম শহর থেকে 21 কিমি দূরে অবস্থিত, আপনি সকাল 6:00 AM থেকে 6:00 PM এর মধ্যে সমুদ্র সৈকতে যেতে পারেন আপনি 60 টাকার বিনিময়ে একটি নৌকা ভ্রমণও উপভোগ করতে পারেন। 


6●পঞ্চমুখী হনুমান মন্দির::---

শহরের অন্যতম বিখ্যাত মন্দির, পঞ্চমুখী, "পাঁচমুখী" অনুবাদে, হনুমান মন্দির রামেশ্বরমের একটি পর্যটকদের প্রিয় গন্তব্য। ভক্তরা মন্দিরে যান এবং পঞ্চমুখী আকারে ভগবান হনুমানের মন্দিরে তাদের প্রার্থনা করেন। মন্দিরটি শ্রী রামনাথস্বামী মন্দির থেকে দুই কিমি দূরে। আপনি সপ্তাহের যেকোনো দিন সকাল 6:00 AM থেকে 7:00 PM এর মধ্যে মন্দিরে যেতে পারেন। 


7●লক্ষ্মণ তীর্থম::---

লক্ষ্মণ তীর্থম হল একটি মন্দির যা শুধুমাত্র ভগবান রামের ভাই লক্ষ্মণের উপাসনার জন্য নিবেদিত। ভক্তরা মন্দিরটিকে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করেন এবং এটি দুই দেবতার মধ্যে ভ্রাতৃপ্রেমের প্রতীক হিসেবে বিখ্যাত। আপনি সপ্তাহের যেকোনো দিন সকাল 6:00 AM থেকে 7:00 PM এর মধ্যে লক্ষ্মণ তীর্থম দেখতে পারেন। 


8●ভিলুন্দি তীর্থম::---

একটি জায়গা যা ধর্মীয়ভাবে পবিত্র এবং প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর, ভিলুন্ডি তীর্থম রামেশ্বরম শহরের একটি পবিত্র জলাশয়। এটা বিশ্বাস করা হয় যে ভূমিতে বসন্ত তৈরি হয়েছিল যখন ভগবান রাম নগরবাসীদের জন্য পানীয় জল সরবরাহ করার জন্য মাটিতে একটি তীর নিক্ষেপ করেছিলেন। আপনি বিনা খরচে সপ্তাহের যেকোনো দিন সকাল 6:00 AM থেকে 7:00 PM এর মধ্যে ভিলুন্ডি তীর্থম দেখতে পারেন। 


9●সিল্ক কেনাকাটা

রামেশ্বরমের একটি বিখ্যাত বিশেষত্ব হল এর রেশম। শহরের কেন্দ্রস্থলে, আপনি অনেক দোকান খুঁজে পেতে পারেন যেগুলি অনন্য সিল্কের সেলাই করা পোশাক এবং সেলাইবিহীন কাপড় উভয়ই বিক্রি করে। আপনি রামেশ্বরমের বাজারে এই আইটেমটির জন্য কেনাকাটা করতে পারেন।


10●সি ওয়ার্ল্ড অ্যাকোয়ারিয়াম::---

রামেশ্বরমে পাওয়া একটি বিশ্বমানের অ্যাকোয়ারিয়াম হল সি ওয়ার্ল্ড অ্যাকোয়ারিয়াম। অ্যাকোয়ারিয়ামটি দেখার জন্য একটি স্থানীয় সুপারিশ, বিশেষ করে যদি আপনি বাচ্চাদের সাথে ভ্রমণ করেন। অ্যাকোয়ারিয়াম হল এমন একটি অভিজ্ঞতা যেখানে আপনি বিভিন্ন ধরণের জীবন্ত জলজ জীবন দ্বারা বেষ্টিত। আপনি সপ্তাহের যেকোনো দিন সকাল 10:00 AM থেকে 5:00 PM এর মধ্যে সি ওয়ার্ল্ড অ্যাকোয়ারিয়াম দেখতে পারেন।


11●আনাই ইন্দিরা গান্ধী রোড ব্রিজ::--

সাত কিমি একটি সেতুর প্রসারিত যা রামেশ্বরম দ্বীপকে ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে সংযুক্ত করে তা হল আনাই ইন্দিরা গান্ধী রোড ব্রিজ। এটি দক্ষিণ ভারতের দীর্ঘতম সেতু যা সমুদ্র জুড়ে রেল এবং মোটর পরিবহনের অনুমতি দেয়। আপনি যে কোনো সময় স্থানীয় পরিবহনে সড়কপথে সেতুতে পৌঁছাতে পারেন কারণ এটি সারাদিন প্রবেশের জন্য উন্মুক্ত থাকে। 


12●আব্দুল কালাম হাউজ::--

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, বিখ্যাত বিজ্ঞানী এবং জাতীয় বীর ডঃ এপিজে আব্দুল কালামের জন্মস্থান রামেশ্বরম শহরে একটি অন্বেষণের স্থান। অনেক পর্যটক তার নম্র সূচনার জন্য এবং তার স্মৃতিতে তাদের শ্রদ্ধা জানাতে তার পুরানো বাড়িতে ভ্রমণ করেন। বিল্ডিংটি সপ্তাহের দিনগুলিতে সকাল 8:00 AM থেকে 7:00 PM এর মধ্যে দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে এবং সপ্তাহান্তে বন্ধ থাকে৷ কালাম হাউসে যাওয়ার জন্য আপনাকে মাথাপিছু 5 টাকা এন্ট্রি ফি দিতে হবে। 


13●কোথান্ডারমাস্বামী মন্দির::--

ভারত মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত, কোথান্দারামস্বামী মন্দিরটি রামেশ্বরম দ্বীপের দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত। মন্দিরটি তাঁর স্ত্রী দেবী সীতাকে রক্ষা করার জন্য দানব-রাজা রাবণের রাজ্যের দিকে ভগবান রাম কর্তৃক নেওয়া কঠিন তীর্থযাত্রার জন্য উত্সর্গীকৃত। আপনি সকাল 6:00 AM থেকে 7:00 PM এর মধ্যে কোথান্ডারমাস্বামী মন্দিরে যেতে পারেন। সপ্তাহের যে কোনো দিন কোনো প্রবেশমূল্যের প্রয়োজন নেই। 

====================

 ★কন্যাকুমারী::-----


কন্যাকুমারী বা কুমারিকা ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের কন্যাকুমারী জেলার অন্তর্গত একটি শহর। এই শহরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দুতে অবস্থিত। এটি তিরুবনন্তপুরম থেকে ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং কন্যাকুমারী জেলার সদর নগরকোইল থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। কন্যাকুমারী একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ও হিন্দু তীর্থস্থান। এখানকার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের মধ্যে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অনন্য দৃশ্য;




তামিলনাড়ুর সবচেয়ে নির্মল এবং সুন্দর শহরগুলির মধ্যে একটি, কন্যাকুমারী ভারতের দক্ষিণতম বিন্দুতে অবস্থিত এবং তিনটি প্রধান সমুদ্র  দ্বারা বেষ্টিত। 


ইতিহাস, সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পূর্ন

একটি চমৎকার স্থান।


কন্যাকুমারীর 16টি সেরা পর্যটন স্থান::--


1●বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল::--


বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল, একটি ছোট দ্বীপে অবস্থিত, কন্যাকুমারীর দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে একটি। এখানেই 1892 সালে স্বামী বিবেকানন্দ তিন দিনের ধ্যানের পরে জ্ঞান অর্জন করেছিলেন। বিবেকানন্দ মণ্ডপম এবং শ্রীপদ মণ্ডপম শিলা স্মৃতিসৌধের বিশিষ্ট বৈশিষ্ট্য। এর পিছনে ভারত মহাসাগরের সাথে একটি বিশাল স্বামীজি মূর্তির দৃশ্য রোমাঞ্চকর। বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল কন্যাকুমারীর একটি প্রধান আকর্ষণ কারণ এর আধ্যাত্মিক স্পন্দন এবং শান্ত পরিবেশ। 


 


2●তিরুভাল্লুভার মূর্তি::---

কন্যাকুমারীর কাছে একটি ছোট দ্বীপে অবস্থিত, এই মূর্তিটি একজন বিখ্যাত দার্শনিক এবং কবি তিরুভাল্লুভারকে সম্মান করে। তিরুভাল্লুভার তামিল সাহিত্যের অন্যতম সেরা রচনা, তিরুক্কুলের লেখক ছিলেন। এর 133-ফুট উচ্চতার সাথে, মূর্তিটি একটি 38-ফুট পাদদেশে অবস্থিত এবং দূর থেকে দৃশ্যমান। কন্যাকুমারী দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে একটি হিসাবে, এই স্থানটি সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ। 


 


3●আওয়ার লেডি অফ র‍্যানসম চার্চ::---

কন্যাকুমারীতে অবস্থিত আওয়ার লেডি অফ র‍্যানসম চার্চ হল একটি বিখ্যাত ক্যাথলিক চার্চ যা মা মেরির উদ্দেশ্যে নিবেদিত। গির্জাটি 15 শতকে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি গথিক স্থাপত্যের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। চার্চের নীল রঙ এর পিছনে সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে বৈপরীত্য, একটি শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য তৈরি করে। এই অসাধারন কাঠামোর কেন্দ্রীয় টাওয়ারের সোনালি ক্রুশ এটিকে আরও বাড়িয়ে তোলে সৌন্দর্য এবং আবেদন, এবং এর শান্তি এবং প্রশান্তি মানুষকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে। 


4●সুনামি মনুমেন্ট::--

তার ধরনের অনন্য, সুনামি মনুমেন্ট কন্যাকুমারীর দক্ষিণ তীরের কাছে অবস্থিত। 26 ডিসেম্বর 2004 সালে ভারত মহাসাগর জুড়ে ভূমিকম্প এবং সুনামিতে মারা যাওয়া হাজার হাজার লোককে এই স্মৃতিসৌধের মাধ্যমে স্মরণ করা হয়। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে শুধু ভারতেই নয়, সোমালিয়া, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড এবং ইন্দোনেশিয়াতেও প্রায় 2,80,000 প্রাণ হারিয়েছিল। সর্বস্তরের দর্শনার্থীরা মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই স্মৃতিসৌধে যান। 



5●থিরপারপ্পু জলপ্রপাত::---

থিরপারাপ্পু জলপ্রপাত, যা 50 ফুট উঁচু 50 ফুট উচ্চতা থেকে, কন্যাকুমারীর সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন স্থানগুলির মধ্যে একটি। এই মনুষ্যসৃষ্ট জলপ্রপাতের নীচে একটি পুকুরে জল ঝরছে। জলপ্রপাতে সময় কাটানোর পাশাপাশি, আপনি পুলে একটি সতেজ ডুব উপভোগ করতে পারেন, প্রাকৃতিক পরিবেশে পিকনিক করতে পারেন বা এলাকায় একটি নৌকা যাত্রা করতে পারেন। জলপ্রপাতের প্রবেশদ্বারের কাছে একটি ছোট শিব মন্দির অবস্থিত, যেখানে ভক্তরা আশীর্বাদ চাইতে পারেন। 



6●কন্যাকুমারী সমুদ্র সৈকত::;--

ভারতের দক্ষিণতম বিন্দুতে, কন্যাকুমারীতে সুন্দর, অপ্রীতিকর সৈকত রয়েছে যা দিনের সময়ের উপর নির্ভর করে রঙ পরিবর্তন করে। এটি তিনটি সমুদ্রের উপর অবস্থিত : বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগর এবং আরব সাগর। অবিশ্বাস্যভাবে, আপনি এখানে দেখতে পাচ্ছেন যে তিনটি সমুদ্রের জল মিশে যায় না, তবে তিনটি সমুদ্রের গভীর নীল, ফিরোজা নীল এবং সবুজ সমুদ্রের জলগুলি তাদের বিভিন্ন রঙের দ্বারা আলাদা করা হয়, যা ঋতু এবং আবহাওয়ার অবস্থার সাথে পরিবর্তিত হয়। দিনটি. 


7●থানুমালয়ন মন্দির::--

সুচিন্দ্রামের স্থানানুমালয়ান কোভিল নামে পরিচিত পবিত্র মন্দিরটি ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং শিবকে সম্মান করার জন্য নির্মিত হয়েছিল, যা ত্রিমূর্তি নামেও পরিচিত। মন্দিরের শিলালিপিগুলি 9 ম শতাব্দীর, এবং এটি 17 শতকে সংস্কার করা হয়েছিল । একটি স্থাপত্যের মাস্টারপিস, এই মন্দিরটি মহান সৌন্দর্যের প্রতিনিধিত্ব করে। এই মন্দিরের অলঙ্কার মণ্ডপম এলাকাটি একটি পাথরে খোদাই করা চারটি সঙ্গীত স্তম্ভের জন্য সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। থাম্ব স্ট্রাইকের কারণে এই বাদ্যযন্ত্রের স্তম্ভগুলি বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের নোট নির্গত করে। এটিও উল্লেখযোগ্য যে স্থানানুমালয়ান পেরুমাল মন্দির হিন্দুধর্মের শৈব এবং বৈষ্ণব উভয় অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। 


8●পদ্মনাভপুরম প্রাসাদ::---

পদ্মনাভপুরম প্রাসাদ, ত্রাভাঙ্কোরের শাসকদের প্রাক্তন আসন, তিরুবনন্তপুরম থেকে 64 কিমি দূরে অবস্থিত। এখানকার থুকালয় মন্দিরটি আদিবাসী কেরালা স্থাপত্যের একটি সুন্দর উদাহরণ এবং কন্যাকুমারী যাওয়ার পথে এটি পাওয়া যাবে। এর বয়স হওয়া সত্ত্বেও, প্রাসাদটি এর ম্যুরাল, দুর্দান্ত খোদাই এবং কালো গ্রানাইট মেঝে দিয়ে বিস্ময়কর রয়ে গেছে। মেহগনি বাদ্যযন্ত্রের ধনুক, রঙিন মাইকা জানালা, সুদূর পূর্ব দিকে খোদাই করা রাজকীয় চেয়ার এবং রাণী মায়ের প্রাসাদ " থাইকোত্তারাম" এর আঁকা ছাদ স্থানটির রহস্যবাদকে আরও বাড়িয়ে তোলে। 


 9●ভগবতী আম্মান মন্দির::--

এই 3000 বছরের পুরানো মন্দির, যা দেবী কন্যাকুমারী মন্দির নামেও পরিচিত, কন্যাকুমারীর সবচেয়ে ধর্মীয় এবং ঐতিহাসিকভাবে উল্লেখযোগ্য পর্যটন স্থানগুলির মধ্যে একটি। মন্দিরটি দেবী কন্যাকুমারী আম্মানকে উৎসর্গ করা 51টি শক্তিপীঠের মধ্যে একটি। যখন শিব বহন করেন দেবী সতী তার কাঁধে ধ্বংসের নৃত্য পরিবেশন করার সময়, তার নিষ্প্রাণ দেহ একবার এই স্থানে পড়েছিল। মন্দিরে দেবী কন্যাকুমারী আম্মানের একটি মূর্তি রয়েছে, তার হাতে একটি জপমালা রয়েছে এবং তার নাকে সোনার গয়না পরা রয়েছে। মন্দিরটি তার চিত্তাকর্ষক দৃশ্যাবলী এবং চিত্তাকর্ষক প্রাচীন স্থাপত্য, সেইসাথে আধ্যাত্মিক আভা জন্যও পরিচিত। 


 10●মায়াপুরী মোম মিউজিয়াম::--

কন্যাকুমারীর মোম যাদুঘরটি লন্ডনের মোম জাদুঘরের একটি প্রতিরূপ, এটিকে একটি জনপ্রিয় পর্যটক আকর্ষণ করে তুলেছে। জাদুঘরে রক্ষিত ব্যক্তিত্বের মধ্যে স্যার আব্দুল কালাম, মহাত্মা গান্ধী, চার্লি চ্যাপলিন, মাদার তেরেসা এবং মাইকেল জ্যাকসনের মতো বিখ্যাত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। শহরের একটি বিশিষ্ট আকর্ষণ, যাদুঘরটি ভারত এবং অন্যান্য দেশের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি প্রদর্শন করে। 


11●ভাট্টকোট্টাই দুর্গ::--

কন্যাকুমারীর কাছে একটি সমুদ্রতীরবর্তী দুর্গ, ভারতের দক্ষিণ প্রান্ত, ভাট্টকোট্টাই ফোর্ট মানে 'বৃত্তাকার দুর্গ।' দুর্গের বেশিরভাগ নির্মাণের জন্য গ্রানাইট ব্লক ব্যবহার করা হয় এবং দুর্গের কিছু অংশ এমনকি সমুদ্র পর্যন্ত প্রসারিত। দুর্গটি এখন ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের সুরক্ষার অধীনে রয়েছে, যা সম্প্রতি দুর্গটির একটি বড় পুনরুদ্ধার সম্পন্ন করেছে। 


12●সেন্ট জেভিয়ার চার্চ:;--

নাগেরকোয়েলে অবস্থিত, সেন্ট জেভিয়ার চার্চ, 1600-এর দশকে সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার দ্বারা নির্মিত, ধর্মীয় তাৎপর্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলির মধ্যে একটি। অনাদিকাল থেকে, এই গির্জায় অলৌকিক ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে, এর খ্যাতি এবং সম্মান প্রতিষ্ঠা করেছে। এতে কোন সন্দেহ নেই যে গির্জাটি নাগেরকোয়েল পর্যটন স্থানগুলির মধ্যে একটি যা অবশ্যই দেখার জন্য আধ্যাত্মিকতা, শক্তি, এবং দেবত্ব। 


13●সানসেট পয়েন্ট::---

নৈসর্গিক পরিবেশের মধ্যে যারা শান্ত সময় চাইছেন তারা অবশ্যই সানসেট পয়েন্টে যাবেন। সন্ধ্যার আকাশ এবং শক্তিশালী সমুদ্রের মধ্যে অস্তগামী সূর্য দেখার অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা যা কন্যাকুমারীতে দর্শন করার সেরা জিনিসগুলির মধ্যে একটি। 

এখানে পূর্ণিমার দিন সন্ধ্যায় বা  অস্তগামী সূর্যের রশ্মি এবং উদীয়মান চাঁদের আলো একসাথে ধরতে দেখার মতন সৌভাগ্য অর্জন করা যায়। 


 14●চিথারাল জৈন স্মৃতিস্তম্ভ::---

চিথরল জৈন মনুমেন্ট কমপ্লেক্স দীর্ঘকাল ধরে স্থাপত্যের অনুরাগী এবং জৈন তীর্থযাত্রীদের জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান।

ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি, এই স্মৃতিস্তম্ভগুলি দেশে বিভিন্ন ধর্মের সহাবস্থানের চমৎকার উদাহরণও প্রদান করে। চিথারাল একসময় দিগম্বর জৈন সন্ন্যাসীদের আবাসস্থল ছিল, এই কারণেই এখানে 9 শতকের বিভিন্ন দেবদেবীর খোদাই করা একটি গুহা মন্দির রয়েছে। মহিমান্বিত স্মৃতিস্তম্ভগুলির পাশাপাশি, স্থানটির নির্মলতা এবং লোভনীয় আভা এটিকে অবশ্যই দেখার মতো স্থান। 


15●গান্ধী মন্ডপম::--

গান্ধীজির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কন্যাকুমারীর এই বৃহৎ স্মৃতিসৌধে গান্ধীজির ভস্ম সম্বলিত 12টি কলসের মধ্যে একটি রাখা হয়েছে। গান্ধীর দেহাবশেষ পরে ত্রিবেণী সঙ্গমে সমাহিত করা হয়। এখনকার লাইব্রেরিতে 

স্বাধীনতা পূর্ববর্তী অসংখ্য পত্রিকা, বই এবং অন্যান্য প্রকাশনার বহু নিদর্শন আছে।


16●সাঙ্গুথুরাই সৈকত::--

কন্যাকুমারীর সাঙ্গুথুরাই সমুদ্র সৈকত শহরটিতে ঘুরতে যাওয়ার জন্য অন্যতম সেরা জায়গা। ভারতে দক্ষিণতম অংশে অবস্থিত সাংগুথুরাই বিচে ভারত মহাসাগরের ভয়ঙ্কর শক্তি অনুভব করতে পারেন। এর সাদা বালির সৈকত এবং নাটকীয় উপকূলরেখা সহ, সাঙ্গুথুরাই সমুদ্র সৈকত একটি নির্মল ভ্রমণের জায়গা।

=========================


★ত্রিবান্দ্রাম::--- অথবা তিরুবনন্তপুরম:-


তিরুবনন্তপুরম, পূর্বে নামে পরিচিত ত্রিবন্দ্রম, ভারতের কেরল রাজ্যের রাজধানী। শহরটি মালাবার উপকূলে আরব সাগরের তীরে অবস্থিত। এখানে সুতি ও রেশমের তাঁত শিল্প এবং মোনাজাইট প্রক্রিয়াকরণ শিল্প আছে। ১৯৩৭ সালে এখানে কেরল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়। ১৮শ শতকে দুর্গের ভেতরে নির্মিত একটি বিষ্ণু মন্দিরও রয়েছে এখানে। সবুজের সমারোহ দেখে মহাত্মা গান্ধী এটিকে ভারতের চিরসবুজ শহর আখ্যা দিয়েছিলেন। 

এটি কেরলের রাজনৈতিক ও শিক্ষাকেন্দ্র। এখানে বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার, টেকনোপার্ক এবং ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইন্সটিটিউট অবস্থিত।




 তিরুবনন্তপুরমের সেরা ১৫টি দর্শনীয় স্থান::--

তিরুবনন্তপুরম, বা ত্রিভান্দ্রম::-- ভারতের কেরালার রাজধানী। এক ঐতিহাসিক স্থান, সুন্দর সৈকত এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য উপযুক্ত স্থান। 


ত্রিভান্দ্রম দক্ষিণ ভারতে ভ্রমণের জন্য একটি দুর্দান্ত জায়গা। এখানে বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণ রয়েছে যা প্রতিটি ভ্রমণকারীর রুচি পূরণ করে। কেরালার শহর, ত্রিভান্দ্রম আরব সাগরের তীরে অবস্থিত এবং এর উঁচু মন্দির, দীর্ঘ বালুকাময় সৈকত, আশ্চর্যজনক জাদুঘর এবং সুন্দর প্রাসাদের জন্য পরিচিত।


ত্রিবান্দ্রম থেকে মাত্র ৩২ কিলোমিটার দূরে 

নেয়্যার বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।


●পদ্মনাভস্বামী মন্দির// ●কুঠিরামালিকা প্রাসাদ জাদুঘর//●নেপিয়ার জাদুঘর এবং চিড়িয়াখানা//●ভিঝিনজাম রককাট গুহা

// ●ভিঝিনজাম বাতিঘর//●অগস্ত্যকুডম

//●অট্টুকল ভগবতী মন্দির //●সাংঘমুখাম সমুদ্র সৈকত//●ম্যাজিক প্ল্যানেট//●পাঝাবঙ্গদী গণপতি মন্দির

//●নেয়্যার বাঁধ//●পুভার দ্বীপ//●শ্রী চিত্রা আর্ট গ্যালারি//●ভারকালা সৈকত।

========================

★আলেপ্পি:;----

আলেপ্পি ভারতের কেরালা রাজ্যের  একটি শহর ও পৌরসভা এলাকা। এটি ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত একটি সমুদ্র বন্দর। উপকূলের খাঁড়ি এবং খালের মাধ্যমে উত্তরের কোচিন শহর এবং দক্ষিণের তিরুবনন্তপুরম শহরের সাথে বাণিজ্য সম্পাদিত হয়। এখান থেকে রপ্তানিকৃত প্রধান পণ্য হল মরিচ, আদা এবং নারকেলের শাঁস।

অ্যালেপ্পি,= আলাপ্পুঝা, 

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে কেরালা রাজ্যের ল্যাক্যাডিভ সাগরের তীরে অবস্থিত একটি শহর।

এখানে হাউসবোট ক্রুজ, সুন্দর সৈকত, খাল, উপহ্রদ এবং বিখ্যাত বার্ষিক অনুষ্ঠান পুন্নামাদা হ্রদের সাপের নৌকা প্রতিযোগিতার জন্য বিখ্যাত। অ্যালেপ্পি আশ্চর্যজনক উদ্ভিদ এবং প্রাণী, নারকেল, খেজুর গাছ, সবুজ ধানক্ষেত, ব্যাকওয়াটার এবং আরও অনেক কিছুতে সমৃদ্ধ।

   বিখ্যাত - ব্যাকওয়াটার, সৈকত

●অ্যালেপ্পি সমুদ্র সৈকত:

●মারারি সৈকত :

●ব্যাকওয়াটার দর্শন::-

●কৃষ্ণপুরম প্রাসাদ:

●জাদুঘরে বিভিন্ন চিত্রকর্ম এবং ম্যুরাল চিত্রকর্ম রয়েছে, যার নাম " গজেন্দ্র মোক্ষম ", 

যার আয়তন ১৫৪ বর্গফুট (১৪.৩ বর্গমিটার)। চিত্রকলার ঐতিহাসিক সৌন্দর্যের আভাস পেতে, দক্ষিণ ভারতীয় মানুষের জীবন সম্পর্কে জানতে প্রাসাদটি পরিদর্শন করুন। আপনার মন, শরীর এবং আত্মাকে পুনরুজ্জীবিত করুন।

খোলা এবং বন্ধের সময়: · সকাল ৯টা – দুপুর ১টা, ২টা – বিকাল ৪:৩০টা


ঠিকানা : ওচিরা আরডি, কায়ামকুলামের কাছে, আলাপ্পুজা জেলা, কৃষ্ণপুরম, কেরালা 690533, ভারত

●ভেম্বানাদ হ্রদ:

●কুট্টানাদ:

কুট্টনাদ "কেরালার ধানের পাত্র" নামে পরিচিত। কেরালা রাজ্যের আলাপ্পুঝা এবং কোট্টায়াম জেলায় অবস্থিত এই জায়গাটিতে বিশাল ধানক্ষেত রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই এটি ধান উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। এই অঞ্চলটি রমণকারি ব্যাকওয়াটারে নৌকা বাইচের জন্যও বিখ্যাত। দর্শনার্থীরা এখানকার সামাজিক-সাংস্কৃতিক জীবন উপভোগ করেন। সবুজ ধানক্ষেত আপনাকে এক মনোমুগ্ধকর অনুভূতি দেবে। আপনি মাঠে বিভিন্ন কৃষিকাজে ব্যস্ত কৃষকদের দেখতে পাবেন।

●আলাপ্পুঝা বাতিঘর:

●করুমাদি কুত্তান - ভগবান বুদ্ধের একটি গ্রানাইট মূর্তি:

কারুমাদি কুত্তান আলাপ্পুঝার আম্বালাপুঝায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী কেন্দ্র। মূর্তিটি ভগবান বুদ্ধের 11 শতকের কাছাকাছি প্রাচীনতম মূর্তিগুলির মধ্যে একটি। 

খোলার এবং বন্ধের সময়: রবি - শনিবার: সকাল ০৯:৩০ - বিকাল ০৪:৩০ (করুমাদি কুট্টান সোমবার বন্ধ থাকে)

●হাইলাইটস:;--

●অম্বালাপ্পুঝা শ্রীকৃষ্ণ মন্দির:

খোলার শেষ সময়: সকাল ৫:৩০ থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত

●হাইলাইটস

●আম্বালাপুঝা মন্দির উৎসবে যোগ দিন

(মিষ্টি দুধের দোল) ব্যবহার করে দেখুন

বিনামূল্যে প্রবেশ

●মুল্লাক্কল ভগবতী মন্দির:

●Edathua Church:

Sundays: 06:00 AM, 08:00 AM, 10:00 AM and 16:00 PM

Wednesdays: 06:00 AM and 07:00 AM

Fridays: 04:00 PM

●Andrew’s Basilica, Arthunkal:

●St. Mary’s Forane Church:

=========================


■কোচিন::---


কোচিন, যা কোচি নামেও পরিচিত, ভারতের কেরালা রাজ্যের এর্নাকুলাম জেলার একটি বন্দর শহর, যা আরব সাগরের মালাবার উপকূলের পাশে অবস্থিত। 

এটি একটি প্রধান বন্দর শহর এবং কেরালা রাজ্যের বাণিজ্যিক, শিল্প ও আর্থিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত। 

====================


Tuesday, April 1, 2025

129>|| ভ্রমণ মনের এক টনিক ||

  এপ্রিল ফুলের সন্ধ্যায় পাঠালাম টনিক::----


129>|| ভ্রমণ মনের এক টনিক ||

      <------আদ্যনাথ---->

একথা নিতান্ত সত্য 

"ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঔৎসুক্য 

মানসিক অবস্থাকে আরও উন্নীত করে।"

তবে আমার চিন্তা একটু ভিন্ন ভাবে,

সত্য মিথ্যা যাচাই করে নিতে হবে।


শুধুই মানসিক অবস্থার উন্নীত করে না 

সাথে তার শারীরিক ও চিন্তা শক্তির বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।

ভ্রমণ এক প্রাকৃতিক উৎকৃষ্ট টনিক,

মেধা বৃদ্ধি ও শরীর সুস্থ হয়, hi

ভ্রমণ মানুষের সুস্থ থাকার সহায়ক হয়,

এবং সকল প্রকার শ্রীবৃদ্ধি করে,

সমাজে যোগ্য মানুষ করে গড়ে তোলে।


মানুষকে প্রকৃত মানুষ করে,

সকল সমাজ কে ভালোবাসতে শেখে,

যে ভালোবাসেনা  ভ্রমণ,

সেতো নিকৃষ্ট কীট পতঙ্গের মতন,

ব্যর্থ তার মনুষ্য জীবন ধারণ।


ভ্রমণ প্রকৃত এক যোগসূত্র,

গ্রাম থেকে শহর,

নদী থেকে সাগর,

পাহাড় থেকে জঙ্গল,

ভূধর থেকে নীলাম্বর,

সর্ব স্তরেই স্নেহের বন্ধন।

মানুষের সাথে মানুষ,

যেথায় প্রকৃতি খোঁজে 

শুধুই মানুষ।

ভ্রমনেই দৃঢ় হয় হৃদয়ের বন্ধন।

ভালোবাসাই একমাত্র শ্রেষ্ঠতার সাধন।


জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি সুস্থ সহজ সুন্দর ভ্রমণ।

ভ্রমন সর্বদা সুন্দরকে খোঁজে,

হোক সে নিরালা তবু তারে খোঁজে,

ভ্রমণ মনের গহনে প্রকৃতিরে খোঁজে,

হোক সে কঠিন দুর্গম তবু তারে খোঁজে।


ভ্রমণ প্রকৃতির মাঝে চিরসত্য সুন্দর,

সকল অতৃপ্ত বাসনার নিশ্চই হয় পূরণ।

তাইতো মুনিঋষি গণ,

ঘুরে বেড়ায় সর্বক্ষণ।


ভ্রমণ প্রকৃতিকে চেনার সহজ উপায়,

শুভ কর্ম ও সহজ মুক্তির উপায়।

ভ্রমণ বাহিরে খুঁজে দেখতে প্রকৃতির লীলা, 

অন্তরে ভ্রমণ খুঁজে পেতে সৃষ্টির লীলা খেলা।


প্রকৃতি খোঁজে ভালোবাসার জন,

তাইতো মানুষ খুশিতে করে ভ্রমণ।

যা আছে সমগ্র বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে,

তা আছে মানুষের অন্তর শরীরে,

খুঁজে পেতে হয় ধ্যানে অথবা ভ্রমণে,

ভ্রমণও নিশ্চিত পরিপূরক আত্মধ্যানে।


গভীর অহঙ্কারে অথবা নির্বুদ্ধিতার কারণে

হামেশাই মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয় হয়,

ভ্রমণে সর্বদা সচেতন থাকতে হয়,

নয়তো সামান্য ভুলেই প্রকৃতি বিরূপ হয়।

<------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

            01/04/2025 

==========================