Friday, October 25, 2024

122>Cambodia & Thailand=লিখতে হবে।

122> Cambodia & Thailand=লিখতে হবে।

01/06/2024 to 09/06/2024

Tour itinerary::--ভ্রমণসূচী

Cambodia with Thailand (07N/08D)

Siemreap(3N).Patty's(2N).

Bangkok(2N)

Tour Conducted by The Bohemians.

1st day::--02/06/2024

(Flight AirAsia)

Kolkata to Siem Reap via Bangkok

Boarding our Flight from Netaji Subbase Chandra Bose International airport and reach 

Don Mueang in Thailand to start our

onward journey to SIEM REAP International airport, CAMBODIA.


(FD 121---00:30 CCU  Kolkata--04:30 DMK DON MUEANG.

Connect in airport Long wait--【6ঘন্টা অপেক্ষা】করার পরে

ফ্লাইট--FD 610 --10:10 DMK Don Mueang--

--11:10 SAI  Siem Reap--Angkor)

(Flight AirAsia) থাইল্যান্ড এয়ারপোর্টে ঘুরে ঘুরে সময় কাটাচ্ছি, 6ঘন্টা সময় কাটাতে হবে। তারপরে ফ্লাইটে পৌঁছবো সিম রিপে।

Upon arrival in Siem Reap, we 'll be transferred to  ●hotel in Siem Reap where we complete our check-in procedure.

Later in ●afternoon, we 'll be taken to visit the eye-catching 

●Artisan D'Angkor which is the ●●famous wood and stone handicraft center in Siem Reap.

কাঠ ও পাথরের সুন্দর কারুকার্য 

কারিগরি পূর্ন  আঙ্কোর আর্টিশান ডি-স-এংকর।

●●এখানে আংকর ভাটের(Angkor Wat) ওপর থেকে PHNOM BAKHENG পাহাড়ের ওপরে  সুন্দর সূর্যাস্ত দেখার মতন।

Angkor Wat হোল মন্দিরের শহর।

বিশ্বের বৃহত্তম মন্দির সৌধ।

তারপরে পরীদের নাচের তালে তালে 

একটি জমকালো ডিনার এবং  বিশ্রাম নিতে হোটেলে ফিরা।


The ends with a cozy overnight stay at the hotel in Siem Reap .

Overnight at Siem Reap.

     _______××_____


2nd day:---03/06/2024


দিন 2 / ( সিম রিপ )

Angkor Wat ভ্রমণ

সিম রিপ ট্যুরে এই 3 দিনের আঙ্কোর ওয়াট এবং এর বিভিন্ন মন্দিরের অবাক করেদেবার মতন সৌন্দর্য । এই সিম রিপ ট্যুরের ২য় দিনের প্রাতঃরাশের মজা নিয়ে। Angkor Thom এর দক্ষিণ গেট দেখে এবং রয়্যাল এনক্লোজার, Bayob মন্দির, Elephant and Leper King Terrace এবং Phimeanaka মন্দির ভ্রমণের আনন্দ নিয়ে চলে গেলাম Ta Promh এ  এবং নির্মাণের বিশদ ত্রাণ পর্যবেক্ষণ করলাম। 

তারপরে একটি চমত্কার মধ্যাহ্নভোজ উপভোগ করার পরে, Angkor Wat  রুটে আকর্ষণীয় Ta Keo মন্দির দর্শন। বাইরের গ্যালারির দেয়াল বরাবর বেস-রিলিফ হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীর কাহিনী চিত্রিত করা। তারপরে  বাখেং পাহাড়ে এবং টোনলে সাপ এবং আঙ্কোর ওয়াট থেকে সূর্যাস্ত উপভোগ করা।

এরপরে একটি ঐতিহ্যবাহী শো দেখার সময় একটি উপভোগ্য বুফে ডিনার দিয়ে নিজেকে তৃপ্ত করলাম। নাইট এন্ড পাব স্ট্রিট পরিদর্শন করে দিনটি শেষ করলাম এবং তারপর হোটেলে রাতের জন্য অবসর ।

সকালের জমিয়ে ব্রেকফাস্ট করে বেরিয়ে পড়া।

Visit  some of the most sought-after tourist attractions in 

Siem Reap. The tour starts with visit to the● SOUTH GATE OF 

ANGKOR THOM, which is the home to intriguing●● historical monuments and ●● templates

Such as ●Bayon Temple. The Royal Enclosure, the Elephant, and Leper King Terrace, and more.

Later in the day, experience one of the most b

Visited tourist attractions in Cambodia-- Ta Prohm.

Established in around the 12th century AD, this ancient Buddhist temple was originally named 

●Raja Vihara and is now a UNESCO World Heritage Site. 

Being the most well-maintained and preserved temple in Combodia, Ta-prohm is famous for its  magnificent architecture and detailed inscriptions.

The surrounding greenery further adds to the serene environment of the temple.

Then in the afternoon Refuel with a hearty lunch and then get ready to further explore the richness of the 

Angkor Wat temple complex which is the largest  temple complex in the World.

The sheer grandeur of the temple 

and the old--style inscriptions on the coins projecting a 3D image 

Are hard to believe .

As we visiting Bakheng Temple the first  temple  in Angkor  area is situated on Bakheng Hill offers bewitching views of the 

Sunset  and is a major tourist 

Hotspot in Angkor for families and kids.

আজ বিকেলের দেখলাম killing fild

সেই বিখ্যাত●● কিলিং ফিল্ড WAT THMEY KILLING FIELD.  খেমারুশ বাহিনীর বর্বরতা,

পলপটের অত্যাচার 20 হাজার মানুষের মৃত্যুর সেই বর্বরতার নিদর্শন।

মানুষের কলিজা কেটেনিয়ে রান্না করে খেতো খেমারুজরা।

After that home to a thought-

provoking ( উত্তেজক)

Glass -walled stupa (কাচের দেয়ালযুক্ত স্তূপ)

that houses the remains of Khmer Rouge victims- the ruler of Camboia who was responsible for mass killings in 

Cambodia. Later in the evening, have dinner at a local restaurant in Siem Reap after which we get to enjoy the famous ●●Apsara Dance Show.

আর্টিসান ডি' আঙ্কোরের  কাঠ এবং পাথর খোদাই প্রক্রিয়াগুলি দেখুন। Wat Thmey-এ একটি মজার দর্শন উপভোগ করে যেখানে দেখলাম খেমাররুজ শিকারদের হাড় সহ কাচের দেয়ালযুক্ত স্তূপ । 

As  Dusk  falls, relish the Buffet 

Dinner with the traditional show included in this Siem Reap family tour. 


Over night at Siem Reap.

     _____××_______


  3rd --day 04/ 05/2024.

আজকের পোগ্রাম কুলেলি ফলস। kulen mountn.(Phnom kulen) night 300 miter

এবং লেক tonle sap.

৩য় দিন / (সিম রিপ)

কম্বোডিয়ায় এটি আপনার 3 দিনের ভ্রমণের শেষ দিন। একটি সুস্বাদু প্রাতঃরাশের সাথে সঠিক নোটে দিনটি শুরু করুন এবং তারপরে ভাসমান গ্রামে যান যেখানে আপনি বিশাল শান্ত ঘর এবং বিশাল মাছের ফাঁদ দেখতে পাবেন। টোনলে স্যাপ লেকে ঐতিহ্যবাহী বোট যাত্রার জন্য যান এবং চারপাশে শান্তি ও প্রশান্তি উপভোগ করুন। কিছু স্থানীয় রন্ধনপ্রণালী আস্বাদন করার পর, বাড়ি ফেরার ফ্লাইটে চড়তে বিমানবন্দরের দিকে যান।

 এই কম্বোডিয়া 3 দিনের সফরে কম্বোডিয়ার আধ্যাত্মিক ভূমিতে একটি শ্বাসরুদ্ধকর মনে রাখার মতন যাত্রা।

 বায়োব মন্দির, দ্য রয়্যাল এনক্লোজার, ফিমেনাকা, এলিফ্যান্ট অ্যান্ড লেপার কিং টেরেস, টেম্পল ট্যুর, তা প্রম এবং তা কেও সহ সিম রিপের প্রধান মন্দিরগুলি দেখা ।


After having a delicious breakfast at the hotel in Siem Reap we visited the Floating Village where we enjoyed a traditional wooden boat ride on the placid waters of Tonle Sap Lake which is considered the largest freshwater lake in Asia .

Revel in the experience of witnessing floating villages, hide fish traps, and the lifestyle of locals that is dependent on the surrounding lake.


04/05/24

বিশাল লেক টংলেসাপ  যার জলের উৎস

মেকং রিভার।

দৈর্ঘ্যে--150 কিমি

প্রস্থে----50 কিমি।

অনেক কুমিরের চাষ দেখলাম 

নোঙর করা বটে।

Overnight in Siem Reap.

-------+++++++;-------

  4th --day 05/ 05/2024---

SIEM REAP---BANGKOK--PATTAYA.

After breakfast , take the morning  flight from Siem Reap to DON

MUEANG Airport (FD611 at 11:55 SAI SIEM REAP--ANGKOR--13:00 DMK DON MUEANG,)

দুপুর 1:00 মিনিটে পৌঁছলাম 

Don Muang Airport.

ইমিগ্রেশন কর বসে রইলাম বাসের অপেক্ষায়। এখন যাব পাটায় তে।

ইমিগ্রেশন করতে সময় লাগলো 30 মিনিট।


তারপরে 2.30 ঘন্টার পথ।

On arrival at BANGKOK  DON MUEANG AIRPORT. 

We was greeted by representative.

And board in luxury air-conditioned

Coach and get transferred to PATTAYA.

Pattaya is a city on THAILAND'S eastern Gulf Coast known for its beaches.

A quiet fishing village as recently as the 1960s, it's now lined with resort hotels, high-rise condos, shopping malls,  cabaret bars and 24-hour clubs.


We have lunch at an Indian restaurant.


●●●Rest of the day is at leisure.


Afterwards, have our dinner at an Indian Restaurant.

Overnight stay at the hotel in Pattaya. 

★★Optional::-- in evening, proceed for the famous

 "ALCAZAR CABARET SHOW"

or " TIFFANY'S SHOW PATTAYA" with onward and return private transfer.

    --------++++++----------


   5th -day 06/ 05/2024.---

 CORAL ISLAND ( KOH LAN) TRIP

 WITH PARASAILING..


Overview This guided excursion makes it easy to escape Pattaya’s crowds for a day of relaxation and adventure among the white sand beaches and crystal waters of Coral Island (Koh Larn). Start your morning with a scenic speedboat ride to the island, and spend the day relaxing on the beach and enjoying activities including parasailing and snorkeling. 

Parasailing, Jet Ski, Banana Boat, 

After an early breakfast proceed to Coral Island tour.

We picked up from hotel and the van take us to the pier.

It was 30 minute journey to reach the beaches of KOH LAN by speedboat from the South Pier of Pattaya. In - between stop at the floating platform on the sea.

Enjoy parasailing where we sail using a Parachute that is dragged by a speedboat . After completing the activity, reach the famous Coral Island. 

Enjoy the beautiful beach with adventurous water sports and water activities.

After lunch, in the afternoon we transferred back to Pattaya.

After returning , the rest of the evening is at leisure.

Enjoy the colorful Beach Road and walking Street in the evening .

At night have our dinner at an Indian restaurant.

Overnight at Pattaya Hotel.

-________++++_;______

   6th -day 07/ 06/2024.----

PATTAYA---BANGKOK ( Approx 

150 KM, 2 Hours by road)


Wake up to a casual morning.

Enjoy our breakfast and start our journey to Bangkok.

Take our lunch at an Indian restaurant while heading to Bangkok.

Check in the hotel.

Evening is free to explore the busy streets of Bangkok.

Have our dinner at Indian restaurant.


Stay overnight at Bangkok hotel.


Optional::-- En-route visit 

 SAFARI WORLD.

SAFARI WORLD comprises of 

Two park--- SAFARI PARK and 

  MARINE PARK.

SAFARI PARK::;---Ride through the African inspired landscape and view wildlife animals such as 

TIGERS, LIONS, ZEBRAS, GIRAFFES, ECT. at a very close distance.

MARINE PARK::-- The jungle of Asia and Africa and Showcases a number of captivating shows such as WHITE TIGER show, DOLPHIN show, ORANGUTAN Boxing etc.

07/06/2024 --6:51 pm

চাওফায়া নদীতে ক্রুজে ডিনার ।

সন্ধ্যায়::-ক্রুজে ভ্রমণ ও রাত্রের ডিনার।

Chaophraya River cruise with live music and buffet dinner.


__________++++_________-


 ----7th day --08/06/2024.

BANGKOK  CITY & TEMPLE TOUR.


After breakfast, proceed for the city

& Temple tour of Bangkok.

This tour brings was of 3 most distinguished temples in Bangkok.

WAT TRIMIT:- The temple of the GOLDEN BUDDHA.

The statue of Buddha  is made of solid Gold weighting 5.5 tons,


WAT PHO:--the temple of     

  RECLINING   BUDDHA 

The largest and oldest in Bangkok.


শোয়ানো বুদ্ধ মূর্তি দেখতে বাচ্চা বুড়ো সকলের জন্য টিকিটের দাম জন প্রতি

300 ভাট।

300 Bhat =681.14 Indian Rupee

Jun 8, 15:08 UTC · Disclaimer

= 8.16 United States Dollar

Jun 8, 15:10 UTC · 

And

WAT BENCHAMABOPIT--The marble temple. 

Afterward, proceed to visit the 

GEMS GALLERY. the area covered here is 7200 square meters.

Then have Indian lunch in restaurant.

The rest of the day is leisure.

At night Dinner at Indian restaurant.



ওয়াট বেঞ্চামবোফিত

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বৌদ্ধ মন্দির


থাইল্যান্ডের দুসিত জেলার একটি বৌদ্ধ মন্দির ( ওয়াট ) । Carrara মার্বেল থেকে তৈরি মার্বেল স্থাপত্যের জন্য এটি সাধারণত মার্বেল মন্দির নামে পরিচিত । এটি ব্যাংককের অন্যতম বিখ্যাত মন্দির এবং থাইল্যান্ডের থেরাবাদ বৌদ্ধধর্মের একটি উল্লেখযোগ্য কেন্দ্র। 


Wat Benchamabophit 1899 সালে রাজা চুলালংকর্ন ( রামা পঞ্চম ) এর শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল এবং 1911 সালে শেষ হয়েছিল। এটি রাজার সৎ ভাই প্রিন্স নারিস দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছিল, যিনি ইউরোপীয় নিওক্লাসিক্যাল স্থাপত্যকে আদিবাসী থাই নকশার সাথে একত্রিত করেছিলেন। 


মন্দিরের নকশায় থাই এবং ইউরোপীয় উভয় শৈলীর উপাদান রয়েছে। মন্দিরের প্রধান অংশ, যা উবোসোট নামে পরিচিত, থাই বৌদ্ধ মন্দিরের ঐতিহ্যবাহী শৈলীতে নির্মিত। এটির অনেকগুলি স্তর বাঁকা ছাদ রয়েছে, যার প্রতিটি প্রান্তে বিস্তৃত খোদাই করা আছে। ইউবোসটের বাইরের দেয়ালগুলি ইতালির ক্যারারা থেকে সাদা মার্বেলে লেপা , তাই নাম মার্বেল টেম্পল। উবোসোটের ভিতরে একটি ব্রোঞ্জ বুদ্ধমূর্তি রয়েছে। ফ্রা বুদ্ধজিনারাজা নামে পরিচিত এই মূর্তিটি বুদ্ধের পদচারণার চিত্র তুলে ধরে। এই মূর্তিটি থাই বৌদ্ধদের দ্বারা অত্যন্ত শ্রদ্ধেয়, যারা সাধারণত মন্দিরে যাওয়ার সময় এটির সামনে ধ্যান করে এবং প্রার্থনা করে।


প্রতিদিন সকালে, যারা ভাল কাজ করতে ইচ্ছুক, মেধা সৃষ্টিকর্তা হিসাবে পরিচিত, তারা সন্ন্যাসীদের খাওয়ানোর জন্য মন্দিরে যান সকাল 6:00 থেকে 7:30 এর মধ্যে । নাখোন পথমে, সন্ন্যাসীরা তাদের বাটি নিয়ে একটি সারিতে দাঁড়িয়ে অনুদান পাওয়ার অপেক্ষায়। লোকেরা ভিক্ষুদের সাহায্য করার জন্য তরকারি, চাল , পদ্মের কুঁড়ি, ধূপ, প্রসাধন সামগ্রী এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি দান করে থাকেন।

জানতে পারলাম মাঘী পূর্ণিমা এবং মে মাসে বিশাখা পূজার সময়  মন্দিরটি একটি দেখার মতন সুন্দর এক আয়োজন করা হিয়েথাকে। 

 সেদিন সন্ধ্যায়, বট নামে মন্দিরের চারপাশে মোমবাতি জ্বালানো মিছিল হয়। এই ছুটির দিন ও বিশেষ দিন গুলিকে স্মরণ করার জন্য অনেক লোক একত্রিত হয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে।

এর পরে আমরা গেলাম  শপিং মলে 

1>For shopping, visit MBK Shopping mall, one the largest shopping mall in Bangkok.

Afterwards stop for shopping at Indra Square, Platinum, Pratham Market etc.

RETURN

BANGKOK TO KOLKATA


After finishing the last-minute shopping from the street markets,

Check out from the hotel.

Transferred to 

SUVARNABHUMI INTERNATIONAL AIRPORT

(সুবর্নভূমি ইন্টারনেশানাল এয়ারপোর্ট)

ফিরে আসবার ফ্লাইট ধরার জন্য।

Return flight to kolkata ( 09 june 

2024 Spicejet SG84--05:10 BKK Bangkok Suvarnabhumi-- 06:20 CCU Kolkata)


Tour concludes with the Bohemians experience.

Client::-----Dr Anirvid Sarkar

Length of stay:::7Night/ 7Days

No of Passenger:--10 Adults 2 Child

Departure city ::--Kolkata.

Accommodation Plan::--CPAI

Number of Rooms::---05

Rooming:::----Double share basis


Airline::---

02/06/2024-->CCU-DMK-

Airlines::--Thai Air Asia,

Flight Number::--FD 121 Timing=00:30--04:30


02/06/2024-->DMK--SAI,

Airline= Thai Air Asia ,

Flight Number::-FD 610

Timing,=10:10--11:10


05/06/2024-->SAI--DMK,

Airline= Thai Air Asia ,

Flight Number::-FD 611

Timing,=11:55--13:00


09/06/2024--->BKK---CCU

Airline= Spicejet ,

Flight Number::-SG 84

Timing,=05:10--06:40


HOTEL::--DELUXE

Mini Bar usage in the hotels

 At Siem Reap=Sarai Resort & spa


At Pattaya= Garden Cliff Resort and spa Pattaya


Bangkok=RAMADA 

By WYNDHAM

BANGKOK, SUKHUMVIT 11


--------------------

All Airlines::-Economy Class.

All hotel 3 Double, 2 Triple.


Personal expenditure like adventure, water sports and other activities.

======================


ভ্রমণ আমার শুদু আনন্দ দায়ক শখ নয়।

ভ্রমণ আমার মন প্রানের চাহিদা, আমি

অন্তর থেকে ভ্রমণকে ভালোবাসি,

তাইতো আমি ঘুরে বেড়াই দেশ থেকে দেশান্তর, শহর থেকে গ্রামের প্রতিটি প্রান্তে, প্রকৃতিকে ভালো বেশে পাহাড় পর্বত নদী নালা জঙ্গল পেরিয়ে খুঁজে চলি  নিত্য নুতন স্থান, নুতন মানুষ, জীব জন্তু,

প্রকৃতির নানা শোভা, আর এভাবেই নিজে মুগ্ধ করি  নিজেকে।

আর এই বেরিয়ে পড়তে না পারলেই 

শরীর মন কেমন যেন ম্যাজম্যাজ করে,

কিছুই ভালো লাগেনা, এমনকি নিদেন পক্ষে মাসে একবার কোথাও বেরোতে না পারলে যেন কারুর সাথে কথা বলতেও ইচ্ছা করে না,নিত্য দিনের কোন কাজেই তেমন মন বসে না।

আর তাইতো সুযোগ পেলেই বেড়িয়েপরি 


আজ সুযোগ পেলাম কম্বোডিয়া হয়ে থাইল্যান্ড যাবার।

 

টিকিট হলো,  ট্যুর প্ল্যান  ভিসা 

সকল কিছুই হল।

এবার ৮ দিন ৮ রাত্রের ট্যুরে বেরিয়ে পড়লাম।



একটু এক জনরে ইতিহাস দেখা::--

Cambodia

Country in Asia

রাজধানী: নম পেন

কম্বোডিয়া রাজ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্দোচীন উপদ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ। এর আয়তন

 1,81,035 বর্গকিলোমিটার।

দেশটির রাজধানী: নম পেন।

রাজধানী ও বৃহত্তম শহর নম পেন হল কম্বোডিয়ার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। 

 দেশটির উত্তর-পশ্চিমে থাইল্যান্ড, উত্তরে লাওস, পূর্বে ভিয়েতনাম এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে থাইল্যান্ড উপসাগর অবস্থিত। 

বৌদ্ধধর্মকে দাফতরিক রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


দেশটি ঔপনিবেশিকতা, ইন্দোচীন যুদ্ধ এবং খেমার রুজ শাসন দ্বারা বিধ্বস্ত হয়েছে এবং এশিয়ার অন্যতম দরিদ্র দেশ হিসেবে রয়ে গেছে। কিন্তু দেশটি আবার

 তার গৌরব ফিরে পেয়েছে এবং আজ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।


কম্বোডিয়া ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত জায়গা।

এখানে সর্বত্রই উপভোগ করাযায়

 শান্ত নির্মল আনন্দ যা শারীরিক ও মানসিক ভাবে সকল ইন্দ্রিয়গুলিকে উচ্চতর এক শান্তির পরশ দেয়।


এখানে সবুজ জঙ্গলে বেষ্টিত মন্দির, সোনা ও রত্নখচিত প্রাসাদ, চারিদিকে দর্শনীয় অতি সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং 

এখানকার সুস্বাদু স্থানীয় খাবার, কম্বোডিয়া যা বহু শতাব্দী ধরে ভ্রমণকারীদের আকর্ষণ করে তাঁদের

 কল্পনাকে ধরে রেখেছে। 

কম্বোডিয়ার মুদ্রা =কম্বোডিয়ান রিয়েল

 

( 1 কম্বোডিয়ান রিয়েল = 0.018 INR 

 1INR = 48.74870  KHR)


আবহাওয়া:::--


কম্বোডিয়ায় দুটি ঋতু রয়েছে - শুকনো ঋতু অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এবং আর্দ্র ঋতু মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলে। তবে, প্রতিটি ঋতুর মধ্যে তাপমাত্রা এবং বৃষ্টিপাতের তারতম্য রয়েছে।

কম্বোডিয়া ভ্রমণের জন্য সারা বছরই দেশটিতে যাওয়া চলে, যদিও আদর্শ মাস ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি।


ভাষা::---

কম্বোডিয়ার সরকারী ভাষা খেমার বা খমের।

তবে এখানে ইংরেজি প্রাথমিক বিদেশী ভাষা হওয়ার কারণে, অনেক স্থানীয় ইংরেজিতে কথা বলে, বিশেষ করে শহর এবং আগ্রহের সাইটগুলিতে। 

রাস্তার সঙ্কেত গুলি খমের এবং ইংরেজি উভয় ভাষায় লেখা হয়।


কম্বোডিয়ায দেখার মতো অবিশ্বাস্য জায়গা

★★1>বাটামবাং::--

Battambang হল কম্বোডিয়ার বৃহত্তম শহর বাঁশের ট্রেন সহ,

এখানকার শৈল্পিক বুটিক, অদ্ভুত ক্যাফে এবং রেস্তোরাঁগুলি এই জায়গাটিকে সুন্দর  মনোরম পরিবেশ করে তুলেছে।

এখানে সাইকেলে ভ্রমনের জন্য একটি আদর্শ জায়গা।hi

★★2>সিম রিপ::--

সিম রিপ হল আঙ্কোরের সুন্দর মন্দিরের প্রবেশদ্বার। এটির নিজস্ব বিমানবন্দর রয়েছে, যে কারনে এখানে ভ্রমণ সত্যিই 

খুব সহজ। শহরটি  মন্দির কমপ্লেক্স থেকে প্রায় 10 মিনিট দূরে। 

দিনের বেলায়, এখানকার সবুজ জঙ্গল বেষ্টিত মন্দিরগুলি ঘুরে বেড়াতে খুব ভালো লাগে।

রাতের বেলা কিন্তু শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ এবং পাব রাস্তায় সৌন্দর্যের আলো ছড়িয়ে গম গম করে মেতে ওঠে।


★★Artisan D'Angkor::---

কারিগর আঙ্কোর হল একটি কম্বোডিয়ান সামাজিক ব্যবসা যা গ্রামীণ এলাকায় তরুণদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি করে, যেখানে ঐতিহ্যবাহী খেমার কারুশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করে। 1992 সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটি কম্বোডিয়ার সিম রিপ সেন্টারের ওল্ড মার্কেট থেকে 2 মিনিটের হাঁটা দূরত্বে স্টাং থমে স্ট্রিটে অবস্থিত।



★★আঙ্করভাট::-- (অর্থাৎ "মন্দিরের শহর/রাজধানী", "আংকর" হল সংস্কৃত "নগর" শব্দের স্থানীয় উচ্চারণ) হলো কম্বোডিয়ার একটি মন্দির চত্বর এবং এটি বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় সৌধ। যা প্রায় ১৬২.৬ হেক্টর বা ৪০২ একর।  মূলত এটি খেমের সাম্রাজ্যের রাজাদ্বারা বিষ্ণুকে উৎসর্গ করা একটি হিন্দু মন্দির। পরে এটি ধীরে ধীরে একটি বৌদ্ধ মন্দিরে রূপান্তরিত হয়েছিল। এই কারণে এটিকে একটি "হিন্দু-বৌদ্ধ" মন্দির হিসাবেও বর্ণনা করা হয়।  মন্দির চত্বরটি একটি জাতীয় প্রতীক ও পবিত্র স্থান এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ও একটি উল্লেখযোগ্য পর্যটন গন্তব্য। 

★★wat Thmey-="killing Field"

 Pol pot এর অত্যাচার।

পলপটের খেমারুজ বাহিনীর অত্যাচার

20 হাজার মানুষকে খুন করা হয়েছে।

তাদের কলিজা কেটে রান্না করে খেতো।

যারাই খেমারুজদের আদেশ অমান্য করতো তাদের বর্বিরচিত ভাবে খুন করা হতো।

ইঞ্জিনিয়ার,ডাক্তার সকল পেশার মানুষকেই খেতে বা কৃষি কাজ করার জন্য জবরদস্তি করত।

সেই কৃষি সম্পদ তারা জোড়করে ছিনিয়ে নিয়ে পাশের দেশে বিক্রি করতো।

তাতে যে বাধা দিতো তাকেই নির্মম ভাবে হত্যা করা হতো।



★★3>সিহানুকভিল::--

সিহানুকভিল কম্বোডিয়ার একটি উপকূলীয় শহর। সাদা বালির সৈকত।

ওট্রেস বিচে  দিনেরবেলা সূর্যস্নান করার উপযুক্ত স্থান।

আর রাত্রিতে এখনকার  ক্যাসিনোগুলি 

ভরপুর আনন্দ উৎসাহের হৈ চৈ চলতে থাকে।



★★4>নম পেন::;--

নম পেন, কম্বোডিয়ার রাজধানী সদা ব্যস্ত শহর।

এখনকার রাস্তা, মন্দির এবং প্যাগোডা 

সর্বতেই সদাব্যস্ত।

ততোধিক ব্যস্ত এখনকার প্রতিদিনের বাজারগুলি। 

এখানকার পাব ও বারগুলিও বেশ সুন্দর 

হাসি খুশির আড্ডায় ভরা। 

নম পেন— রুক্ষ, আড়ম্বরপূর্ণ রাজধানী হল সুন্দর রয়্যাল প্যালেসের বাড়ি এবং 1970 এর গণহত্যার সাথে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক স্থানগুলি দেখার জন্য এটি একটি সুন্দর স্থান।


★★5>কমপোট::--

কামপোট দক্ষিণ কম্বোডিয়ার একটি শহর যা মরিচের ( ঝাল লঙ্কা )বাগান।

সিহানুকভিলের পথে নদীতীরবর্তী শহর, বোকর জাতীয় উদ্যানের প্রবেশদ্বার এবং কম্বোডিয়ার মরিচ ও ডুরিয়ান রাজধানী

এখানে দেখতে পাওয়া যায় ফরাসি ঔপনিবেশিক স্থাপত্য  এবং শান্তিপূর্ণ স্থান।

এখানে নদীর তলদেশে জেট ট্যুর করা চলে।

আর এখানে আছে বোকর ন্যাশনাল পার্ক, 

ক্রুজে করে সূর্যাস্ত দেখা। সন্ধ্যায় দেখা যাবে হাজার হাজার ছোট ফায়ারফ্লাই পাড়ের গাছগুলিকে আলোকিত করছে৷


★★6>নম কুলেন জাতীয় উদ্যান::--

নম কুলেন জাতীয় উদ্যান দুটি দর্শনীয় স্থানের জন্য সুপরিচিত- হেলান দেওয়া বুদ্ধের বিশাল মূর্তি এবং হাজার লিঙ্গ। 


কুলেন পাহাড়ে ট্রেকিং করা চলে, এই পাহাড় যা খেমারদের মতে কম্বোডিয়ার সবচেয়ে পবিত্র পর্বত হিসাবেও বিবেচিত হয় এর  শীর্ষে জলপ্রপাতগুলিতে যাওয়ার যায়।

এটি একটি সুন্দর পিকনিক স্পট।

নম কুলেন ন্যাশনাল পার্ক  হল কম্বোডিয়ার একটি জাতীয় উদ্যান , সিম রিপ প্রদেশের নম কুলেন পর্বতমালায় অবস্থিত ।  এর সরকারী নাম জয়বর্মন-নরোডম নম কুলেন জাতীয় উদ্যান 


খেমার সাম্রাজ্যের সময় এলাকাটি মহেন্দ্রপর্বত (মহান ইন্দ্রের পর্বত) নামে পরিচিত ছিল এবং সেই জায়গাটি ছিল যেখানে রাজা দ্বিতীয় জয়বর্মন নিজেকে চক্রবর্তী (রাজাদের রাজা) ঘোষণা করেছিলেন।


নম কুলেন জাতীয় উদ্যানটি প্রাদেশিক শহর সিম রিপ থেকে প্রায় 48 কিলোমিটার (30 মাইল) এবং চার্লস ডি গল রোড হয়ে প্রসাত বান্তে স্রে থেকে প্রায় 25 কিলোমিটার (16 মাইল) দূরে স্বে লিউ জেলায় অবস্থিত । এখানে বেশ কিছু প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য, ঐতিহাসিক স্থান এবং অন্যান্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে যা কুলেন জাতীয় উদ্যানকে দেখার জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান করে তুলেছে। 


চুপ প্রিয়াহ হল একটি উপত্যকা যেখানে 16 শতকে তৈরি করা বেশ কয়েকটি মূর্তি রয়েছে। 



লিঙ্গা 1,000।

কাবাল স্পিয়ান প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা "হাজার লিঙ্গার উপত্যকা  নামেও পরিচিত", এটি কাবাল স্পিয়ান নদীর ধারে পাহাড়ে অবস্থিত, যা সিয়াম রিপ নদীর একটি উপনদী । সাইটটিতে ইয়োনি এবং লিঙ্গার অনেকগুলি পরিসংখ্যানের পাশাপাশি নদীর তল এবং তীরগুলির পাথরগুলিতে খোদাই করা অন্যান্য পরিসংখ্যান রয়েছে যা শুষ্ক মৌসুমে যখন নদী শুকিয়ে যায় তখন সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হতে পারে। নদীটি অগভীর এবং আর্দ্র মৌসুমে এই স্থানে ছোট ছোট জলপ্রপাত তৈরি হয়। পার্কিং সাইট থেকে 1.5 কিলোমিটার (0.93 মাইল) জঙ্গল ট্র্যাকের মাধ্যমে চড়াই ট্রেক করে সাইটটি

দেখা যায়।


Sdach Kamlung এর সোপান হল একটি সমতল টেরেস যার মাঝখানে ইট দিয়ে তৈরি একটি ছোট ধ্বংসপ্রাপ্ত মন্দির রয়েছে । সোপানটি একসময় লাভা দিয়ে আবৃত ছিল ।

ওয়াট প্রিয়াহ আং থমে পাশ ফিরে শোয়া বা হেলান দেওয়া বুদ্ধের মূর্তি ।

প্রিয়াহ আং থম  হল 8 মিটার (26 ফুট) লম্বা মূর্তিটি নির্বাণে উপনীত বুদ্ধের । 

মূর্তিটি একটি বিশাল বেলেপাথরের বোল্ডারে খোদাই করা হয়েছে। প্রিয়াহ আং থম নম কুলেনের জন্য পবিত্র এবং উপাসনাকারী দেবতা। কাছাকাছি চাম পা  এর দুটি বড় গাছও রয়েছে । 

প্রিয়াহ আং থম ছাড়াও আছে চোক রুট  প্রিয়া বাত চোয়ান টুকের পদচিহ্ন।


 জলপ্রপাত::--


নম কুলেনে দুটি প্রধান জলপ্রপাত রয়েছে 

ঋতু ও বৃষ্টিভেদে জলপ্রপাতের আকার পরিবর্তিত হয়। জলপ্রপাত দুটি পরিদর্শনের জন্য বিশেষ স্থান।


★★7>মন্ডুলকিরি::--

মন্ডুলকিরি মানে 'পাহাড়ের মিলন', যা এই অঞ্চলের জন্য উপযুক্ত বর্ণনা। 


এটি একটি সুন্দর ছোট্ট বন্য স্থান, পাইন গ্রোভ, ঘাসের পাহাড় এবং জেড সবুজ রেইনফরেস্টে পরিপূর্ণ। 

এখানকার জঙ্গলে চিতাবাঘ, ভাল্লুক  হাতি, নানান রকমের পাখি  বানর এবং বন্য শূকর দেখা যেতে পারে।


★★8>এলাচের পাহাড়::--

এলাচ পর্বতগুলি হল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রেইনফরেস্টের শেষ সমষ্টি এবং এটি এমন একটি জায়গা যেখানে রাজকীয় হাতিরা এখনও অবাধে বিচরণ করে। এই পর্বতগুলি বিপন্ন বন্যপ্রাণী এবং সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর আবাসস্থল। যদিও পাহাড়ের বিশাল বিস্তৃতি ভ্রমণকারীদের জন্য সীমাবদ্ধ নয়, আপনি মাঝে মাঝে এখানে একটি মেঘলা চিতাবাঘ বা একটি সূর্য ভাল্লুক দেখতে পাবেন।

★★9> বনলুং— সুদূর উত্তর-পূর্ব প্রাদেশিক রাজধানী কিছু দুর্দান্ত জলপ্রপাত এবং জাতীয় উদ্যানের কাছে


★★10> কোহ কং— থাই সীমান্তের কাছে ছোট সীমান্ত ক্রসিং শহর।


★★11> কাম্পং থম- কম পরিচিত  কম ভিড় প্রাচীন মন্দির।


★★12> ক্র্যাটি— মেকং-এর উত্তর-পূর্বে আরামদায়ক নদী শহর, এবং বিপন্ন নদীর ডলফিনগুলিকে কাছ থেকে দেখার জন্য একটি চমৎকার জায়গা।

এসকল ছাড়াও আছে

1> আঙ্কোর প্রত্নতাত্ত্বিক উদ্যান

2>বোকর জাতীয় উদ্যান


3> কাম্পং চাম

4 >রাখা— 

5> কোহ কের— 

6> পোয়েপেট— 

7> প্রেহ ভিহার— 

8> টনলে সাপ লেক— ভাসমান গ্রাম এবং SE এশিয়ার প্রধান পাখি অভয়ারণ্য সহ বিশাল হ্রদ


■■■■■■◆◆■■■■■■■■■■■



Thailand

থাইল্যান্ড ::---


থাইল্যান্ড ভ্রমণ::--

প্রাকৃতিক অপরূপ রূপলাবণ্যে পরিপূর্ণ

এই থাইল্যান্ড।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি পর্যটনের উপযুক্ত সুন্দর একটি দেশ। 

এ হেন সুন্দর দেশটিকে ভ্রমণের 

স্বর্গরাজ্যে রূপে চিহ্নিত করা চলে।

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণকারীরা ছুটে আসে এই থাইল্যান্ডে তাদের মনের ভ্রমণ পিপাসা মেটাতে।


এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ যার নাম ছিল শ্যাম দেশ, বর্তমান নাম থাইল্যান্ড

বা থাই রাজ্য, যার রাজধানী ব্যাংকক।


দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার  5 লক্ষ 13 হাজার একশত কুড়ি(5,13,120) বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত 7 কোটি জনসংখ্যার একটি দেশ। 


এর উত্তরে মিয়ানমার ও লাওস, পূর্বে লাওস ও কম্বোডিয়া, দক্ষিণে থাইল্যান্ড উপসাগর ও মালয়েশিয়া এবং পশ্চিমে আন্দামান সাগর ও মিয়ানমার অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ-পূর্বে ভিয়েতনামের সাথে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে ইন্দোনেশিয়া ও ভারতের সাথে থাইল্যান্ডের সামুদ্রিক সীমান্ত ভাগ করে। থাইল্যান্ডে একাধিক অভ্যুত্থান ও সামরিক একনায়কতন্ত্রের অভিজ্ঞতা লাভ করেছে। ২০১৯ সাল থেকে থাইল্যান্ড নামমাত্র একটি সংসদীয় সাংবিধানিক রাজতন্ত্র। তবে বাস্তবে সংবিধানের কাঠামোগত সুবিধাগুলো ক্ষমতায় সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণকে সুনিশ্চিত করেছে। ব্যাংকক দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। থাইল্যান্ড একমাত্র দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় রাষ্ট্র যা যুদ্ধকালীন সময় ব্যতীত কখনও কোন ইউরোপীয় বা বিদেশী শক্তির নিয়ন্ত্রণে ছিল না। ১৭৮২ সাল থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত দেশটিতে পরম রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত ছিল। ১৯৩২ সালে বিদ্রোহীরা একটি অভ্যুত্থান ঘটায় এবং দেশে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে। তখন থেকে আজ পর্যন্ত থাইল্যান্ড বহু সামরিক ও বেসামরিক সরকারের অধীনে শাসিত হয়েছে। ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত দেশটি শ্যামদেশ নামে পরিচিত ছিল। ঐ বছর এর নাম বদলে থাইল্যান্ড রাখা হয়।

=========================

থাইল্যান্ডের দর্শনীয় স্থান::--

ক্রাবি:--শহর

 

থাইল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে ফাংঙ্গা ও ট্রাং আইল্যান্ডের মাঝে, ক্রাবি নদীর তীরে অবস্থিত ভ্রমণ পিপাসুদের পছন্দের শহর ক্রাবি। 


ফুকেট ::--

থাইল্যান্ডের ব্যাংকক (Bangkok) থেকে প্রায় ৮৪৫ কিলো দূরে স্বপ্নের শহর ফুকেট (Phuket) অবস্থিত। এই শহর যেন বিনোদনের সকল পসরা সাজিয়ে …

পাতায়া::--

থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে প্রায় ১৫৮ কিলো দূরে অবস্থিত পাতায়া (Pattaya) শহর। এশিয়ার মধ্যে অন্যতম একটি হানিমুন স্পট হিসেবে পরিচিত এই …

ব্যাংকক;;--

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক (Bangkok)। ফ্রায়া নদীর তীরে গড়ে উঠা ব্যাংকক থাইল্যান্ড (Thailand) উপসাগরের বেশ কাছে অবস্থিত প্রানবন্ত একটি শহর।

============================

রাজীব পাল।


কাজুকে কম্বোডিয়ায় বলে=চানখি।

258 রকম চাউল।

চীন সব তৈরি করেছে

মেকং নদী , ইম্পরট্যান্ট।

নমস্কার=চামৃত সু।

ধন্যবাদ=আঁকুন।

এখন লোকাল সময়12:57 দুপুর

কলকাতার সময় 11:30 মিনিট am


 1:27 minit difference.


==========◆◆◆◆◆◆●●●●●●●

07/06/2024 --6:51 pm

চাওফায়া নদীতে ক্রুজে ডিনার ।

12/06/2024-::Bangkok Suvarnabhumi--BKK---CCU

Airline= Spicejet ,

আমাদের ফ্লাইট ব্যাংকক সুবর্নভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়ে কোলকাতা টাইম সকাল 07:30তে 

 নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলো

         END

=====================




121>শান্তিনিকেতন, বোলপুর::- লিখতে হবে-

  121>শান্তিনিকেতন, বোলপুর::--(লিখতে হবে)


22/03/2024

আমরা পৌঁছে গেলাম বোলপুরে,

এবার আমাদের ঠিকানা::---

ঠাকুর দালান,

138,দোপটি, 

সবুজপত্র,

সরপুকুরডাঙ্গা,

শ্রীনিকেতন, বোলপুর,

বীরভূম:--731236

PIN:--731236


【【 এই শান্তিনিকেতন এখন যেখানে এতো প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা কেন্দ্র।

এক সময়ে এই ভূখন্ড ছিল ধু ধু জনশূন্য তরুশূন্য নির্জন প্রান্তর ।

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রায়পুরের বাবুদের কাছ থেকে দুটি ছাতিম গাছ কে কেন্দ্র করে কয়েক বিঘা জমি কিনে ছিলেন। সেই জমিতেই বর্তমানের শান্তিনিকেতন।

এক সময়ে এই প্রান্তরে একদল ডাকাতের বাস ছিল। ডাকাতি করার মতন এটি সুন্দর জায়গা ছিল বটে।

শান্তিনিকেতনের দক্ষিণ দিকে একটি জলাশয় আছে। সেই জলাশয়ের ধারেই ভুবনডাঙা গ্রাম। ডাকাতের এই গ্রামেরই অধিবাসী।

শোনাজায়, ডাকাতেরা মহর্ষির প্রভাবে ডাকাতি ছাড়িয়া কৃষিকাজ করতে শুরু করে।

সেই ডাকাতের সর্দার পরবর্তী সময়ে যখন তিনি শান্তিনিকেতনের পরিচারক রূপে কাজ করিতেন তখন তিনি লম্বা একহারা ছিপ ছিপে চেহারা গোঁফদাড়ি কমানো , চুল পাকা, রঙ কালো, স্বল্পভাষী।


ডাকাতি জীবনে এই মানুষটিই "নাকি

লাঠি ও তরবারি খেলায় ওস্তাদ ছিল, আর রণপা চড়িয়ে এক রাত্রিতে নাকি বর্ধমান গিয়া ডাকাতি করিয়া ফিরিয়া আসিয়া, ভোররাত্রিতে নিজের বাড়িতে ভালোমানুষটির মতো ঘুমাইয়া থাকিত।")☺️




আজকের  ঠিকানা ছাতিমের ছত্রে

শান্তিনিকেতনের সবুজ পত্রে।

রাঙ্গামাটির দেশ রাঢ় ভূমি বীরভূম,

সকল ধর্মের মিলন ক্ষেত্র এই বিটভুম।

আমাদের ঠিকানা 

শ্রীনিকেতন, গোয়ালপাড়া,

হাউজিং কমপ্লেক্স-সবুজপত্র,

138, দোপাটি, ঠাকুর দালান।


 বীরভূমের নদীগুলি অজয়, কোপাই,

ময়ূরাক্ষী, দারকা, ব্রাহ্মণী,

এই সকল নদীর তীরে গড়ে ওঠা কত ইতিহাসের স্বাক্ষী বয়ে নিয়ে চলেছে সেই কোন কাল থেকে।

সে সকল আজ ইতিহাস,

যদিও বোধহয় কেউ মনে রাখেনি সেই ইতিহাস।

তবুও ইতিহাস তো থেমে থাকেনা সময়ের তালে ইতিহাসও এগিয়ে চলে।

আর সেই এগিয়ে চলার ইতিহাসের স্বাক্ষী নিয়েই আজ দাঁড়িয়ে আছে বীরভূমের একেবারে দক্ষিণে বোলপুর শহরের নিকটের গ্রাম গুলি যেমন রাইপুর-সুপুর

পঞ্চায়েত এলাকা।যার অন্তর্গত কয়েকটি গ্রাম যেমন রাইপুর, কাঁকুটিয়া,কার্তিকডাঙ্গা, দেউল, সেনকাপুর,মির্জাপুর, চন্দনপুর,কাশিপুর,

নূরপুর,সুপুর,রামচন্দ্রপুর, রজতপুর,

পূর্ববাহাদুরপুর,নারায়ণপুর, অভিরামপুর,প্রভৃতি।


বোলপুর শহর পেরিয়ে কবি জয়দেব রোড ধরে ইলামবাজার যেতে বাঁ দিকে রাইপুর।

রাইপুর থেকে কাঁকুটিয়া হয়ে সোজা অজয় নদীর দিকে এগিয়ে গেলেই পৌঁছে যাওয়া যায় দেউলি।


অজয় নদ::--


অজয় নদিকে ঘিরে গড়ে ওঠা সকল গ্রামগুলি আজও সকলের অজান্তে বয়ে নিয়ে চলেছে নানা ঘটে যাওয়া ইতিহাসের শেষ চিহ্নটুকু।

কোথাও ভাঙ্গা মন্দির কোথাও ভাঙ্গা বিশাল অট্টালিকার কিছু অংশ আজও দাঁড়িয়ে আছে ঘন জঙ্গলের ভিতরে সেদিনের স্বাক্ষী নিয়ে।

রাঢ় বাংলার অতি পরিচিত নদের নাম অজয় নদ যে নদ রাঢ় অঞ্চলকে দুইভাগে ভাগ করেছে।

অজয়ের উত্তর অংশ উত্তর রাঢ় আর দক্ষিণ অংশ দক্ষিণ রাঢ়।

একসময়ে অজয় নদ কে ঘিরে কত সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।

আজ অবশ্য নিজের বয়ে আনে বালুতেই নিজের পথকে অবরুদ্ধ করে মৃত প্রায়।

তথাপি বর্ষায় দুকূল ভাসিয়ে বয়ে চলে অজয় নদ।

অজয় নদ বিহারের জামুই জেলার চাকাই ব্লকের বাটপার অঞ্চলের 300মিটার উঁচু পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে দেবীপুরের নিকট ঝাড়খণ্ডে প্রবেশ করে। সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান জেলার চিত্তরঞ্জনের নিকট শিমজুরিতে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে বীরভূম- বর্ধমান

জেলার সীমানা নির্ধারণ করে কাটোয়ায় ভাগীরথী নদীতে মিশেছে।

অজয় নদের মোট দর্ঘ্য 288 কিলোমিটার

যার 152 কিলোমিটার পশ্চিমবঙ্গে অবস্তিত । 

অজয় নদের প্রধান উপনদীগুলি হল পাথরো,জয়ন্তী,তুমুনি ও কুনুর।

কতো কবি এই অজয়কে নিয়ে লিখে গেছেন কতো কবিতা।

সেই সকল কবিতা আজও মনে পরে

"অজয় নদে বান ডেকেছে / ঘর-বাড়ি সব তলিয়ে গেছে"। অথবা

অজয় নদে এল বান /জলে ভাসে সোনার ধান।

আবার

অজয়ের তীরে বাস,/ চিন্তা বারো মাস।


এই অজয়ের তীরেই  ছিল তাম্রশ্মীয় সভ্যতা।

বর্ধমান জেলার রামনগরে অবস্তিত সিন্ধু সভ্যতার সমসাময়িক পাণ্ডু রাজার ঢিবি অজয় নদের নিকটেই অবস্থিত।

অজয়ের তীরেই কবি জয়দেব তাঁর পদাবলি রচনা করে গেছেন। আজও

প্রত্যেক বৎসর পৌষ সংক্রান্তিতে অজয়কে কেন্দ্র করে কেন্দুলিতে নানা সাধু, সন্ন্যাসী, বাউলের ভিড় জমে।


অজয় নদ একাধারে যেমন বহু সৃষ্টাত্মক

ঘটনার সাক্ষ্মী তেমনই নানান অঘটনের সাক্ষ্মী ও।

বহুনদীই  মানুষের সুখ ও দুঃখ উভয়ের কারণ,

অজয় নদও তেমনি কতো শত মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।আবার কতশত মানুষের চোখের জল মিশে আছে এই অজয় নদের জলে।


রাইপুর-সুপুর  রাজবাড়ী::--


সিউড়ি হইতে বোলপুর যাবার যে রাস্তা আছে আমদপুর স্টেশন থেমেও সেই রাস্তা 

ধরে বোলপুর যাবার পথে রায়পুর যাওয়া যায়।

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ এই রায়পুরের বাবুদের কাছ থেকে দুটি ছাতিম গাছ কে কেন্দ্র করে কয়েক বিঘা জমি কিনে ছিলেন।

সেই জমিতেই বর্তমানের শান্তিনিকেতন।


রায়পুরের সিংহ জমিদারেরা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের ভক্ত ছিলেন।

এই পরিবারের শ্রীকণ্ঠ সিংহ মহর্ষির একজন প্রধান শিষ্য ছিলেন।

বর্তমানে ধ্বংস প্রায় বিশাল অট্টালিকা মনেহয় ভুতুড়ে রাজ বাড়ি।

তাইতো অনেক সিনেমার শুটিং হয়েছে এখানে এই ভুতুড়ে রাজ বাড়িতে।

আমরা আজ দেখলাম  রাইপুর-সুপুরের সেই রাজবাড়ী।


সাথে দেখলাম বট গাছে আষ্টে-পিষ্ঠে বেষ্টিত শিবিক্ষা মন্দির।


শিবিক্ষা মন্দির::---


রাজা সুরথ দেবী শিবিক্ষার আরাধনা করতেন। গ্রামের পশ্চিম দিকে জঙ্গলে ঢাকা ছিল এই মন্দির। বট গাছের ঝুড়ি সম্পুর্ন রূপে ঘিরে রেখেছে মন্দির টিকে। দিনের বেলায়ও মন্দিরের কাছে পৌঁছনো অসম্ভবছিল। বর্তমানে মন্দিরের পথের জঙ্গল পরিষ্কার করে মন্দিরের কিছু সংস্কার করার চেষ্টা হয়েছে দেখে একটু ভালো লাগলো।

জানলাম এই মন্দিরে ধুম ধাম করে দুর্গাপূজা হয়।

এই মন্দিরের পশ্চিম দিকে আছে বাঘালা

পুকুর। পুকুরটির  পূর্ব পাড়ে বাঁধানো সিঁড়ির দুই ধরে নাকি দুইটি বাঘের মূর্তি ছিল। সেগুলি এখন আর নেই।

এই বাঘের মূর্তি থেকেই পুকুরের নাম বাঘ ওয়ালা পুকুর।

তারপরে দেখলাম


সুরথেশ্বর মন্দির ও সাঁতার নামক এক সুগভীর জলাশয়।

রাজা সাতরায়ের জলাশয়।


শাহরাজ পীরতলা।

আনন্দচাঁদ গোস্বামীর আশ্রম::--

আশ্রমের প্রবেশদ্বারের ভগ্নাবশেষ 

কিছু কিছু মন্দির অট্টালিকার ভগ্নাবশেষ।

আনন্দচাঁদ গোস্বামীর অনেক লৌকিক ও অলৌকিক কথাই শুনলাম নিকটবর্তি ক্লাবের ছেলেদের মুখে।


সুপুরের জোড়া শিব মন্দির::--

অষ্টাদশ শতাব্দীর এই সুপুরের মন্দির এক প্রধান আকর্ষণ কেন্দ্র।

এই মন্দির সুপুর- নূরপুরের মিনিবাজার থেকে ভেদিয়া যাবার পথে ডানদিকে এই মন্দির দুটি দাঁড়িয়ে আছে অনেক স্বাক্ষী বোয়ে নিয়ে।

আটকোনা মন্দিরটির দেওয়ালে টেরাকোটা কারুকার্য  তৎকালীন সমাজ জীবনে শিল্পসত্তার পরিচয় বহন করে চলেছে।

 

রাইপুর ও সুরুল কুঠিবাড়ি,::--



 

রাইপুরের জমিদার বাড়ি,সুরুলের কুঠি বাড়ি সকলেই শান্তিনিকেতনের সাথে নানা ভাবে ওতপ্ৰত জড়িত।

সুরুলের কুঠি বাড়িটি তৈরি হয়েছিল সেই বর্ধমান সাইথিয়া লুপ রেললাইন তৈরির সময়। পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই বাড়িটি কিনে নিয়ে ছিলেন।

রাই পুরের জমিদার বাড়িতে  বেশ কিছু সিনেমার শুটিং হয়েছিল।

যেমন 

1>দিলীপ রায় পরিচালিত উত্তম সৌমিত্র অভিনীত দেবদাস।

2>মৃনাল সেন পরিচালিত শাবানা আজমি , নসসিরুদ্দিন অভিনীত খন্ডহর।

এছাড়া আরও অনেক সিনেমা যেমন 

ফেলুদা 30, শত্রু, যেখানে ভূতের ভয়,

চাঁদের পাহাড় ,আরও অনেক সিনেমা।

এখানে অভিনয় করে গেছেন অনেক অভিনেতা, অভিনেত্রী। যেমন --

উত্তম কুমার, সৌমিত্র চ্যাটার্জি,

শাবানা আজবি,নাসিরউদ্দিন সাহ,

রঞ্জিত মল্লিক,সন্ধ্যা রায়, রবিঘোষ,

রূপা গাঙ্গুলি,সব্যসাচি চক্রবর্তী, জিৎ,

নুসরাত জাহান, দেব, আরও অনেকে।


রাইপুর অনেক বীর সন্তানের জন্ম দিয়েছে। অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামী।

তাদের অসামান্য প্রচেষ্টায় ধনয় হয়েছে রাইপুর।

রাইপুরের রাজবাড়ীর দুর্গাপূজা ও

ধর্ম পূজা  বিশেষ উল্লেখযোগ্য পূজা।


হাটপুর ::--

হাটপুরের কআঁকুটিয়া গ্রামের কালী মন্দির।

প্রতাপনারায়নের কনিষ্ঠ পুত্র রবীন্দ্রনাথ সিংহ এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।

তাড়াপীঠের সাধক বামাখ্যাপা এই মন্দিরে 

পঞ্চমুন্ডির আসনে দেবী কালিকার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতি আমাবস্যাতে দেবী কালিকার পূজা হয়।

মন্দিরের পাশেই রবীন্দ্রনাথ সিংহের সমাধি রয়েছে।


এবার পৌঁছলাম গ্রাম দেউলি।::---

অতি শান্ত কোলাহল মুক্ত গ্রাম দেউলি।এখানে আছে কয়েকটি মন্দির।

দেউলেশ্বর লিঙ্গ ও । এটি একটি উঁচু মন্দির।

দেউলেশ্বর লিঙ্গ ও বিষ্ণু মূর্তি আছে এই মন্দিরে।


-------------------------

■■■■■■■■■




শান্তিনিকেতনে হোলি/দোল কাটাবো একটু শান্ত গভীরে নূতনে থাকবো।

রং খেলা হবে গানে গানে,

কথা হবে হৃদয়ে মনের গোপনে।

সপ্ন দেখা হবে নীরবে মনে,

নুতন পুরাতন সকল মনে।

লাগবে হওয়া পলাশের বনে,

রাঙিয়ে দেবে আদরে আদরে।

কথা হবে সেই আম্র কাননে,

যেখানে মিলবো হোলির রঙে।


24/03/2024

গোয়াল পাড়ার গরু বাছুরের পেছন পেছন

কোপাই নদীর চড়ে ষণ,খাগের ঝড়ের পাশদিয়ে,

পেঁয়াজ খেতে পেরিয়ে নদীর বাঁকে

কাটিয়ে দিলাম একটি সকাল মন রাঙিয়ে পলাশের সাজে।

এখনো সেজে ওঠেনি সোনাঝুড়ির হাট,

চারিদিকে দোলের সাজো সাজো ভাব।

সকালের হওয়ায় একটু শীতল ছোঁয়া,

বসন্তের পরশ স্নিগ্ধ মধুর হাওয়া।

দেখলাম এক প্রজেক্ট

যেখানে কাকাতুয়া ও মেকাওয়ের পালন

ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা করা হচ্ছে যত্নে।

কোপাই নদীর বাঁকে যেখানে একটু জল আছে জমে, সেখানে স্নান করা যায় আরামে, বেশ  স্বচ্ছ জল, তবে  পারে ঘাসে দেখলাম প্রচুর জোঁক , তাই গ্রাম বাসীরা বার বার নিষেধ করছিল ঘাসের জঙ্গলে না যাবার জন্য।

ঘাসের জঙ্গলে আছে শন,আরখাগ ঘাস।

শনঘাসের পাতা একটু ছুতেই হাত কেটে গেল। কি ভীষণ ধার, জেন তীক্ষ্ণ ধারের চাকু বা করাতকেও হার মানায়।

========================

বিকেলে NGO--

Sehalai -


আজ আমরা শান্তিনিকেন হয়ে পৌঁছে গেলাম  গ্রাম:-উত্তর সেহালাই, বীরভূম।

বিনেপয়সার বাজার নিয়ে।

আজ এখানে এই বীরভূমের সেহালাই তে

 শুরু হল এক টি নুতন উনিট এখানে

শিশুদের শিক্ষার সাথে সাথে ,কেরাটে, ফুটবল ও নানান খেলা ধুলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

সাথে আছি আমরা কিছু স্পন্সর নি

ওদের একটু সহায়তাতে।

সাথে আমাদের বিনে পয়সার বাজার।

আমরা পূর্বিতা, অপ্রাজিতা, সকলে মিলে।


==================


Sehalai - Village

Gram Panchayat : Kasba

Block / Subdivision : Bolpur Sriniketan

District : Birbhum

State : West Bengal

Pincode : 731204

Area : 328.54 hectares

Population : 1,408

Households : 315

Assembly Constituency : Nanoor

Parliament Constituency : Bolpur

Nearest Town : Bolpur (8 km)



================


आज मै सेहालाई, बीरभूम में।

सदा खुस रहिये।

मंगलमय ईश्वर आप को पूरा पारिवार सहित सभीको मङ्गल करे।

मै दो दिनसे बीरभूम की एक गांव में हैं।

उहाकी सारे गावकी बच्चा को खेल की सरंजाम कपड़ा कमीज।

लड़कियों की सारी, हर घर के लिऐ कम्बल ब्यबस्था किये।

आज होली की दिन 

शांतिनिकेतन में होली की सुंदर अनुष्ठान में शामिल हुआ।







===================

দেখলাম শ্যাম বাটি বাজার, বেশ সুন্দর বাজার, সকলকিছুই পাওয়া যায় এই বাজারে।

তারপরে গেলাম 

সুরুল রাজবাড়ী (বড়বাড়ি).


তাপরে গেলাম 

রাইপুরের সুপুর রাজ বাড়ি।

পরিত্যক্ত রাজ বাড়ি বা ভুতুড়ে রাজ বাড়ি।

অনেক সিনেমা হয়েছে এই রাজ বাড়িতে।



সুরুল রাজবাড়ী::----


কবিগুরুর শান্তিনিকেতন থেকে মাত্র তিন কিলোমিটারের পথ  সুরুলের জমিদারবাড়ি। অনেকে একে সুরুলের রাজবাড়িও বলেন আবার কেউ কেউ 

আবার বড় বাড়িও বলেন।


জানলাম সুরুল জমিদারবাড়ির 

নানান   বৈচিত্রের কথা।

দুই সরীকে দুই পুজোর কথা।

তার থেকেও ভালো লাগলো পুরোনো দিনের কিছু গল্প কথা।

°=========≠=====

বৈষ্ণবমতে পুজিত হন মা দূর্গা। কিন্তু বলিও হয় পুজোপ্রাঙ্গণে। রয়েছে শালগ্রাম শিলা। সুরুলের জমিদারবাড়ির পুজোয় পরতে পরতে রয়েছে বৈচিত্র্য।

পুজোর মাসখানেক আগে থেকেই সেখানে আয়োজনের তোড়জোড় শুরু। রাঙা মাটির বুকে মা দুর্গার পুজো চলছে গত ২৮৯ বছর ধরে। পুজোর আগে আগে চরমে ওঠে ব্যস্ততা। নাটমন্দিরে চলে প্রতিমা সজ্জার কাজ। আলোয় ঝলমল করে ওঠে সরকারবাড়ির আনাচ কানাচ।



বাংলার দুর্গাপুজোর চেহারা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টেছে অনেকটাই। ভিড় বেড়েছে থিম পুজোর। তার মধ্যেও সাবেক রীতির আবহ ধরে রেখেছে হাতে গোনা কিছু বনেদি বাড়ি। সুরুলের জমিদারবাড়ি তাদের অন্যতম। ষষ্ঠীতে সরকারবাড়িতে মায়ের বোধন। সপ্তমীতে নবপত্রিকাকে স্নানের পর দোলা করে নিয়ে আসা হয়। সেই স্নানের অনুগামী হয় এক জমজমাট শোভাযাত্রা। নবপত্রিকা স্থাপনের পর বাড়ির বয়োজেষ্ঠ সদস্য নাড়ু-মুড়কির লুট দেন। প্রতি বছর তাতে শামিল হন পরিবারের সব সদস্য ও গ্রামবাসীরা।


রথের দিন থেকে শুরু হয় প্রতিমা তৈরির কাজ।

কীভাবে শুরু এই সরকারবাড়ির পুজো? ফিরে দেখা যাক সেই ইতিহাস। জমিদারবাড়ির সদস্যদের আদি নিবাস বর্ধমান। বর্ধমানের নীলপুরের ভরতচন্দ্র ঘোষ ছিলেন অপুত্রক। পুত্রসন্তান লাভের আশায় একবার কাশী যাত্রা করেন তিনি। পথে সস্ত্রীক আশ্রয় নেন সুরুলে গুরুর বাড়িতে। গুরু বাসুদেব ভট্টাচার্য সুরুলের শ্যামসুন্দর মন্দিরের সেবাইত। তিনিই শিষ্যকে উপদেশ দেন সুরুলে থাকতে, সেখানেই পুত্রসন্তান হবে তাঁর। বাস্তবে ফলে যায় গুরুর কথা। সুরুলেই জন্ম নেয় তাদের সন্তান কৃষ্ণহরি।


কৃষ্ণহরির পুত্র শ্রীনিবাস ইংরেজদের সঙ্গে ব্যবসা করে রীতিমতো সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। প্রভাব প্রতিপত্তি বেড়েছিল আড়ে বহরে। তাঁর আমলেই ব্রিটিশরা তাদের ‘সরকার’ উপাধি প্রদান করেন। মূলত জাহাজের পাল তৈরির কাপড় আর নীল চাষের ব্যবসা ছিল এই পরিবারের। ভরতচন্দ্রের আমল থেকেই শুরু সরকারবাড়ির দুর্গাপুজো। শ্রীনিবাস সরকারের আমলে পুজোর আটচালা তৈরি হয়। তখনকার দিনে খরচ হয়েছিল মোট ১৮ হাজার টাকা*। পরে ছেলেদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগাভাগি হয় পারিবারিক বিবাদের জেরে। সেই থেকে ছোটো তরফের বাড়িতেও আলাদা করে আয়োজন হয় পুজোর। 


তবে এখন আর বিবাদের রেশ নেই। দুই পক্ষই দুই তরফের পুজোয় সানন্দে যোগ দেন। পর্যটকের ভিড়ও সামাল দেন মিলেমিশেই।



একচালার ডাকের সাজের প্রতিমা। পাঁচ পুরুষ ধরে মৃৎশিল্পীরা প্রতিমা বানাচ্ছেন সুরুলের রাজবাড়িতে। 


বর্তমানে সুভাষ সূত্রধর ও তাঁর পু্ত্র রয়েছেন সেই দায়িত্বে। পুজোর দিনে মা সেজে ওঠেন রাজবাড়ির সোনার অলংকারে। বাংলাদেশের শিল্পীর হাতে তৈরি হয়েছিল সেই ভূষণ। দেবীর সব অস্ত্রশস্ত্রই প্রায় তিনশো বছরের পুরনো। মেয়েরা নন, ষষ্ঠীর রাতে বাড়ির ছেলেরাই থাকেন মাকে সাজানোর দায়িত্বে। পঞ্চমী থেকেই নাটমন্দির আর ঠাকুরদালান সেজে ওঠে বেলজিয়াম থেকে আনা ঝাড়লন্ঠন ও রঙিন বাতিতে। ভিতরে থাকে রেড়ির তেলের প্রদীপ।


সুরুলের জমিদারবাড়ির ঠিক উত্তরেই রবীন্দ্রনাথের গ্রামোন্নয়ন প্রকল্প শ্রীনিকেতন। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনের জমির বেশ কিছুটা পেয়েছিলেন সরকার পরিবারের কাছ থেকেই। জমিদারবাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল রবীন্দ্রনাথ আর রথীন্দ্রনাথের। গান্ধিজিকে নিয়ে রবীন্দ্রনাথ এক ঘরে রাত কাটিয়েছিলেন। এখনও সেই স্মৃতিদাগ লেগে আছে সরকারবাড়িতে।


এই পুজোয় অন্নভোগের রীতি নেই। বৈষ্ণব এবং শাক্ত দু’মতেই পুজো হয়। এক মাস আগে তৈরি করা হয় পুজোর নির্ঘণ্ট। সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী তিন দিনই বলির রীতি রয়েছে। সপ্তমীতে চালকুমড়ো, অষ্টমীতে পাঁঠা আর নবমীতে চালকুমড়ো-আখ বলি হয়। তবে নারায়ণের সামনে বলি হয় না। ওই সময়টুকু নারায়ণ থাকেন তাঁর নিজের মন্দিরে। বাকি সময় তাঁর সামনেই দেবীর আরাধনা চলে। পুজোর এই তিন সন্ধেতে নাটমন্দিরে যাত্রার আসর বসে। কিছু বছর আগেও বাড়ির মেয়েরা চিকের আড়াল থেকে যাত্রা দেখতেন। এখন ছেলেদের সঙ্গে কোমর বেঁধে পুজোর কাজকর্ম থেকে জোগাড়যন্তর সবটাই করেন। পুজোর ক’দিন সরকারবাড়ির কচিকাঁচারাও নাটক-নাচ-গানে মাতিয়ে রাখে সরকারবাড়ির আঙিনা।


পরিবারের অনেক সদস্যই এখন বিদেশ বিভূঁইয়ে থাকেন। কিন্তু পুজোর সময় চারটে দিন তাঁরা ঘরে ফিরবেনই। এই কদিন ফেরা মানে লালমাটির দেশে পরিবারের ঐতিহ্যের কাছে ফেরা। এই দিনগুলো ঐতিহ্যের পুরনো সুগন্ধে স্মৃতি ও সুখকে জারিত করে নেওয়ার পালা। পুজোর আঙিনায় দুটো ভিন্ন ভিন্ন সময়ের প্রতিনিধিরা একত্র হয়ে দাঁড়ায়, আনন্দের আয়োজনে মেতে ওঠে। দুটো সময় পরস্পরকে আপন করে নেয়। চলেই এল সেই দিনগুলো। অপেক্ষা তো শেষ!


====================__



কালিকা পুর রাজবাড়ী।

মৌখিড়া, পূর্ব বর্ধমান।


=======================


কালিকাপুর রাজবাড়ি।::--


 বর্ধমানের অন্যতম বিখ্যাত পুজো হল এই সাত ভাইয়ের পুজো। ৪০০ বছর পুরনো এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানান ইতিহাস। জানতে চান সেই ইতিহাস? দেখুন।


কালিকাপুর রাজবাড়ি বর্ধমান শহরের খুব কাছেই অবস্থিত। দুই জায়গার দূরত্ব মাত্র ৬৫ কিলোমিটার। কালিকাপুরে অবশ্য দুর্গাপুর থেকেও আসা যায়। দুর্গাপুর এবং কালিকাপুরের দূরত্ব হল ৩২ কিলোমিটার। আর এই কালিকাপুর রাজবাড়ির এই দুর্গাপুজো হচ্ছে ৪০০ বছরের পুরনো। আর এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রচুর ইতিহাস।



এই রাজবাড়ির পুজোকে সকলে সাত ভাইয়ের পুজো বলেই চেনে। পূর্ব বর্ধমানে অবস্থিত আউশ গ্রামের এই কালিকাপুর রাজবাড়ির পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানান লোকগাঁথা।


বর্ধমান রাজার দেওয়ান ছিলেন পরমানন্দ রায়। তিনি ৪০০ বছর আগে দেওয়ান ছিলেন রাজবাড়ির। রাজার সুনজরে পড়ায় তিনি কাঁকসার এক বড় অঞ্চলের জমিদারিত্ব পান। তখন তিনি সেখানে সমস্ত জঙ্গল, ইত্যাদি কেটে বাড়ি বানিয়ে সেখানে থাকতে শুরু করেন। তিনিই সেখানে তৈরি করেন দুর্গামন্দির থেকে পুকুর, বাগান, সমস্ত কিছুই। পরবর্তীকালে এই বাড়ি কালিকাপুর রাজবাড়ি নামে খ্যাতি অর্জন করে। কিন্তু একটা সময়ে এখানে সাতজন ভাই মিলে একত্রে পুজো করতেন বলে সকলে এই পুজোটাকে সাত ভাইয়ের পুজো বলেই চেনে।


এখানে একটি আটচালা মণ্ডপে পুজো হয় জার তিনদিক ঘেরা। অতীতের সমস্ত রীতিনীতি মেনেই এখনও পুজো হয়ে থাকে এখানে। তবে সেই জৌলুস খানিকটা হারিয়েছে। কৃষ্ণনবমীতে পাঁঠাবলি দিয়ে দেবীর বোধন করা হয় এই পুজোতে। এছাড়া পুজোর মধ্যেও তিনদিন বলি দেওয়ার প্রথা আছে এই বাড়িতে। ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত বলি হয় এই রাজবাড়িতে। আগে অবশ্য নবমীতে বলি হতো, সেদিন মহিষ বলি দেওয়া হতো। কিন্তু বর্তমানে সেটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।


কালিকাপুর রাজবাড়ির সঙ্গে আমরা অনেকেই পরিচিত, কিন্তু নামে হয়তো চিনি না। এই বাড়িতে একাধিক ছবির শ্যুটিং হয়েছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল গয়নার বাক্স, গুপ্তধন রহস্য, ইত্যাদি। এমনকি খণ্ডহর ছবি যা মৃণাল সেন পরিচালনা করেছিলেন সেটার শ্যুটিংও হয়েছিল। অভিনয় করেছিলেন নাসিরউদ্দিন শাহ, শাবানা আজমি।


এই বাড়ির আনাচে কানাচে রয়েছে একাধিক ইতিহাস। স্থানীয় মানুষজন জানেন এই বাড়ির মাহাত্ম্যের কথা। পুজোর কটাদিন গ্রামের সমস্ত মানুষ এই পুজো দেখতে আসেন। এখনও সেখানে গেলেই সাত ভাইয়ের পুজোর গল্প শোনা যায়।

=============================


শান্তিনিকেতন,

সবুজপত্র,

138, দোপাটি,

ঠাকুর দালান,

=====================






 





Friday, April 12, 2024

120> কলকাতার মার্বেল প্যালেস।

 


120>উত্তর কলকাতার মার্বেল প্যালেস।

আবার খুলে গেছে মার্বেল প্যালেস।

Marble Palace

Museum in Kolkata, West Bengal ‧ 


46, Muktaram Babu St, opp. Ram Mandir, Raja Katra, Jorasanko, Kolkata, West Bengal 700007

8.2 km

Map of marble palace kolkata

Closed ⋅ Opens 10 am 

Monday and Thursday Close.

মার্বেল প্যালেস (কলকাতা)

মার্বেল প্যালেস হচ্ছে উত্তর কলকাতার উনিশ শতকের একটি প্রাসাদোপম জমিদার বাড়ি। রাজেন্দ্র মল্লিকের বাড়ি 

এটি 46, মুক্তরাম বাবু স্ট্রিট, কলকাতা  700007 ...

মার্বেল প্যালেস কলকাতা: 126 ধরণের মার্বেল দিয়ে তৈরি একটি আবাস।


এই মার্বেল প্যালেসের চিড়িয়াখানা ভারতের প্রথম চিড়িয়াখানা।

পাথুরিয়াঘাটা রাজবাড়ী

রাজেন্দ্র মল্লিক

সোনাগাছি যাওয়ার রাস্তা

সোমবার ও বৃহস্পতিবার বন্ধ।


উত্তর কলকাতায় 46 মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটে অবস্থিত  মার্বেল প্রাসাদটি ঊনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল এবং তাই এটি 

( 19 শতকের)

ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রাসাদ নামেও পরিচিত। 


এটি কলকাতার সেরা-সংরক্ষিত এবং সবচেয়ে সুন্দর অট্টালিকাগুলির মধ্যে একটি, 

এর ভাস্কর্য, শিল্পকর্ম, মেঝে এবং মার্বেল দেয়ালের জন্য পরিচিত।

 নিওক্লাসিক্যাল শৈলীতে তৈরি প্রাসাদটি। বহুমূল্য বিরল প্রত্নসামগ্রী, স্থাপত্য এবং সাংস্কৃতিক তাত্পর্য বিবেচনায় নিয়ে এই বিশাল সম্পত্তির বর্তমান মূল্য কয়েক কোটি টাকা হবে।

প্রাসাদটি তার রাজকীয় স্থাপত্যের পাশাপাশি ঐতিহাসিক গুরুত্বের জন্য বিখ্যাত। 


এটি রাজা রানেদ্র মুল্লাইঙ্ক বাহাদুরের সর্বশ্রেষ্ঠ বণিকদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল, একজন ধনী বাঙালি ব্যবসায়ী যিনি 1835 সালে প্রাসাদটি চালু করেছিলেন। ভবনটির স্তম্ভ এবং দেয়ালে অনেকগুলি মার্বেল নিদর্শন ভাস্কর্যের কারণে এটির নামকরণ করা হয়েছে। 


রাজা রণেন্দ্র প্রাচীন জিনিসপত্র এবং একজাতীয় হস্তশিল্পের সংগ্রাহক ছিলেন। তাই, প্রাসাদটিতে রুবেনস, টাইটানস, রেনল্ডস এবং জন ওপি সহ উল্লেখযোগ্য চিত্রশিল্পীদের দ্বারা নির্মিত কিছু সেরা শিল্পকর্ম রয়েছে।

এই মার্বেল প্রাসাদ হল কলকাতার সবচেয়ে সূক্ষ্ম এবং ভালভাবে সংরক্ষিত প্রাসাদের একটি। এটি 90টি বিভিন্ন ধরণের প্যাটার্নযুক্ত মার্বেল মেঝে সহ একটি শিল্পের কাজ। প্রাসাদটি মূলত নিওক্লাসিক্যাল শৈলীতে তৈরি আর

একটি খোলা উঠান সহ ঐতিহ্যবাহী বাংলা স্থাপত্যের সাথে মিশ্রিত করা হয়েছিল। উঠোনের পাশেই আছে

পরিবারের সদস্যদের প্রার্থনার স্থান, যা ঠাকুর-দালান নামেও পরিচিত।


প্রাসাদটি তিনতলা লম্বা, বাঁশিওয়ালা করিন্থিয়ান স্তম্ভ সহ। বাড়িটি চীনা প্যাভিলিয়ন স্থাপত্য দ্বারা অনুপ্রাণিত ছাদ এবং ফ্রেটওয়ার্ক সহ সজ্জিত ব্যালকনিগুলির জন্য পরিচিত। 

প্রাসাদের মাঠে একটি মনোরম বাগান, একটি পাথরের বাগান, একটি হ্রদ এবং একটি ছোট চিড়িয়াখানা রয়েছে।

যেটি ভারতের প্রথম চিড়িয়াখানা রূপে মান্য।

প্রাসাদের বিস্তৃত লনে দেখতে পাওয়া যায় হিন্দু দেবতা, যিশু খ্রিস্ট, ভার্জিন মেরি, লর্ড বুদ্ধ, বিখ্যাত অভিযাত্রী ক্রিস্টোফার কলম্বাস এবং সিংহের বিভিন্ন ভাস্কর্য।


এছাড়াও রয়েছে মার্বেল ফোয়ারা এবং "লেদা উইথ দ্য সোয়ান" এটি একটি আকর্ষণীয় মূর্তি। গ্রীক পৌরাণিক কাহিনীর উপর ভিত্তি করে, লেদা ছিলেন একজন সুন্দরী মহিলা যিনি জিউসের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন, যিনি তাকে অলিম্পাস পর্বতে তার আসন থেকে দেখেছিলেন। দেবতাদের রাজা তার সৌন্দর্য দ্বারা কাজ করতে অনুপ্রাণিত হয়েছিল, এবং দেবতা তার সাথে থাকার জন্য একটি চমত্কার রাজহাঁসে পরিণত হয়েছিল।


প্রাসাদটি পশ্চিমি ভাস্কর্য এবং ভিক্টোরিয়ান আসবাবপত্রের একটি অসাধারণ সংগ্রহের পাশাপাশি বিশিষ্ট ভারতীয় এবং ইউরোপীয় চিত্রশিল্পীদের উজ্জ্বল চিত্রকর্ম এবং অন্যান্য শিল্পকর্মের কর্ম কাণ্ডের নিদর্শন স্থান।


ঘড়ি, বিশাল ঝাড়বাতি, মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত আয়না, কলস এবং রাজা ও রাণীদের মূর্তি সহ সাজসজ্জার উপাদান। প্রাসাদটিতে বিখ্যাত চিত্রশিল্পী রুবেনসের দুটি মুগ্ধকর চিত্রকর্ম রয়েছে - 'দ্য ম্যারেজ অফ সেন্ট ক্যাথরিন' এবং 'দ্য মার্টির্ডম অফ সেন্ট সেবাস্টিয়ান'। এটিতে স্যার জোশুয়া রেনল্ডসের দুটি সুন্দর চিত্রকর্ম রয়েছে - 'দ্য ইনফ্যান্ট হারকিউলিস স্ট্র্যাংলিং দ্য সার্পেন্ট' এবং 'ভেনাস অ্যান্ড কিউপিড'। মার্বেল প্রাসাদের অবিশ্বাস্য শিল্প সংগ্রহে অন্যান্য শিল্পীদের মধ্যে মুরিলো, টাইতিয়ান এবং জন ওপি রয়েছেন বলে জানা গেছে।


★★প্রাসাদের পাশে নির্মিত চিড়িয়াখানাটিকে ভারতে প্রতিষ্ঠিত প্রথম চিড়িয়াখানা হিসেবে গণ্য করা হয়।

 এটি বেশিরভাগই একটি এভিয়ারি এবং হর্নবিল, ময়ূর, সারস, পেলিকান এবং সারসদের আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। 


ঊনবিংশ শতাব্দীর এই প্রাসাদটি দর্শনীয় জগন্নাথ মন্দিরের পাশে অবস্থিত, যেটি রাজা রাজেন্দ্র মল্লিক দ্বারাও চালু করা হয়েছিল। তবে, শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কারণ মার্বেল প্রাসাদ এখনও একটি ব্যক্তিগত বাড়ি, ফটোগ্রাফির অনুমতি নেই।


মার্বেল প্রাসাদের হাইলাইটস

আলংকারিক ব্যালকনিগুলিকে বড় এবং রাজকীয় দেখানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

চাইনিজ প্যাভিলিয়নটি প্রাসাদের ফ্রেওয়ার্ক এবং ঢালু ছাদ নির্মাণে অনুপ্রাণিত করেছিল।

বাগান, ঘাস, চিড়িয়াখানা এবং হ্রদ প্রাসাদের জাঁকজমক এক বিশেষ অবদান রাখে।

দেব-দেবীদের মূর্তি হিন্দু দেবতা, ভগবান বুদ্ধ, ভগবান যীশু এবং মাতা মেরি একটি কাঠামোতে উপস্থিতি কলকাতার রাজার ধর্মীয় প্রকৃতি প্রদর্শন করে।

অন্যান্য মূর্তিও আছে, যেমন জঙ্গলের রাজা-সিংহের। 

'লেদা উইথ দ্য সোয়ান'-এর নাটকীয় ভাস্কর্যটিও প্রদর্শিত হয়।

প্রাসাদটির জাঁকজমকপূর্ন মার্বেল ফোয়ারা সৌন্দর্যের বিশেষ দাবি রাখে।

★★রাজা রাজেন্দ্র মল্লিক ভগবান জগন্নাথকে উত্সর্গীকৃত একটি মন্দিরও নির্মাণ করেছিলেন।

★★প্রাসাদটিতে 82টি স্বতন্ত্র ধরনের ঘড়ি রয়েছে বলে দাবি করা হয়।



কলকাতার মার্বেল প্রাসাদটি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে 126টি বিভিন্ন ধরণের মার্বেল দিয়ে নির্মিত হয়েছে বলে জানা গেছে, 

এই প্রাসাদটি দর্শনে ভারতে রাজাদের দ্বারা শাসিত হওয়ার দৃশ্যগুলি অনুভব 

করা যেতে পারে।

 নিঃসন্দেহে এটি একটি অনন্য স্থান যেখানে এক ছাদের নীচে ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার মিশ্রণ দেখে মুগ্ধ হতেই হবে।

=========================


Tuesday, April 2, 2024

119>পণ্ডিচেরি,মহাবলীপুরম,অরোভিল= (1--3)+(14/97)-

 

119>পণ্ডিচেরি=অরোভিল= Auroville--+(14/97)

3>চেন্নাই--মহাবলীপুরম::-----

3>Tour to Pondicherry & near by

==========================

122/1>পণ্ডিচেরি=অরোভিল= Auroville--
ঋষি অরবিন্দ ঘোষ ও শ্রীমা -(-মীরা আলফাসা।)

ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের ভিল্লুপুরম জেলা, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে
বিংশ শতকের ষাটের দশকে পরীক্ষামূলক ভাবে স্থাপিত হয় অতিসুন্দর এক স্বপ্নের শহরে।
চেন্নাই থেকে প্রায় দেড়শো কিলোমিটার ও পুদুচেরি হতে প্রায় বারো কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত এই ছোট্ট নগর।
ফরাসি ভাষায় 'aurore' শব্দের অর্থ প্রভাত বা ভোর আর ville শব্দের অর্থ নগরী। সেই অর্থে অরোভিল হল "প্রভাত নগরী" বা "ভোরের শহর"।
আবার অন্য মতে অনেকে বলেন অরোভিল শব্দ টি এসেছে অরো অর্থাৎ ভারতের বিশিষ্ট দার্শনিক ও তার আধ্যাত্মিক গুরু ও যোগী শ্রী অরবিন্দের নাম থেকেই। শ্রীমা অর্থাৎ মীরা আলফাসা  তার গুরুর স্বপ্নকে সার্থকরূপ দিতে 
1968 খ্রিস্টাব্দের  28 ফেব্রুয়ারি এই নগরীর পত্তন করেন।
নগরীর স্থপতি ছিলেন রজার অ্যাঙ্গার নামের এক বৃটিশ আর্কিটেক্ট।
ভোরের শহর বা অরোভিল
তামিলনাড়ু-
স্থানাঙ্ক: ১২°০′২৫″ উত্তর ৭৯°৪৮′৩৮″ পূর্ব
শহরের প্রতিষ্ঠাতা=শ্রীমা(মীরা আলফাসা)

IST (UTC+5:30)
PIN::---605 101
Telephone code -=0413
www.auroville.org

"1926 খ্রিস্টাব্দে 24 শে নভেম্বর পণ্ডিচেরিতে প্রতিষ্ঠিত হয় 'শ্রীঅরবিন্দ আশ্রম'।
তবে এই আশ্রম প্রতিষ্ঠার এক মাসের মধ্যেই আশ্রমের যাবতীয় ভার মীরা আলফাসা তথা শ্রীমায়ের হাতে দিয়ে নিজে অন্তরালে চলে যান তার গুরু ঋষি অরবিন্দ।

শ্রীঅরবিন্দ সোসাইটির কার্যকরী সভাপতি শ্রীমা   শ্রীঅরবিন্দের নির্দেশিত পথে যোগ সাধনা করতে সঠিক পরিবেশের প্রয়োজন অনুভব করলেন। শেষে  1964 খ্রিস্টাব্দে পণ্ডিচেরিতে শ্রীঅরবিন্দ সোসাইটির এক বার্ষিক সম্মেলনে মীরা আলফাসার সভাপতিত্বে অরবিন্দের দর্শনের উপর ভিত্তি করে একটি নগরী পত্তন করার পরিকল্পনার সিদ্ধান্ত গৃহীত  হয়। তার কিছু বছর পর ইউনেস্কার সহায়তায় শ্রীঅরবিন্দ সোসাইটির শ্রীমা মীরা আলফাসা অরোভিল শহর প্রতিষ্ঠা করেন।  1965 খ্রিস্টাব্দে মীরা আলফাসা জনসমক্ষে এক বিবৃতিতে বলেন
অরোভিল একটি সর্বজনীন শহর হতে চায় যেখানে বর্ণ, রাজনীতি ও জাতীয়তা নির্বিশেষে সকল দেশের নারী ও পুরুষ শান্তি ও প্রগতির সাথে বাস করতে সক্ষম হবে।"

"1968-খ্রিস্টাব্দের  28 শে ফেব্রুয়ারি বুধবার  শ্রীমা ভারতের প্রতিটি রাজ্যের,  বিশ্বের ১২৪ টি দেশের প্রতিনিধিসহ  ৫০০০ মানুষের উপস্থিতিতে নগরীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রত্যেক প্রতিনিধি নিজ নিজ দেশের কিছু মাটি সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন। সবার জন্মভূমির মাটি একত্রে মিশ্রিত করে একটি সাদা মার্বেলে তৈরি কমলাকৃতির কলসে রাখা হয়।  অরোভিল শহরে জীবনযাপনের জন্য শ্রীমা যে দৃষ্টিভঙ্গি স্থির করে ছিলেন তা ফরাসি ভাষায় তিনি নিজের হাতে লিখে চার দফা সনদের আকারে পেশ করেন -

অরোভিল  বিশেষভাবে কারো একার নয়। এটি সমগ্র মানবজাতির। কিন্তু কেউ অরোভিলের বাসিন্দা হতে চাইলে, তাকে অবশ্যই স্বর্গীয় চেতনাবোধের স্বেচ্ছাসেবক হতে হবে।
অরোভিল হবে অফুরন্ত  শিক্ষা, অবিরাম প্রগতি ও শাশ্বত তারুণ্যের জন্য নির্দিষ্ট  একটি স্থান।
অরোভিল অতীত ও ভবিষ্যতের মাঝে একটি সেতু  হতে চায়। সকল আবিস্কারের আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সুবিধার সদ্ব্যবহারে অরোভিল ভবিষ্যৎ উপলব্ধির দিকে এগিয়ে যাবে।
প্রকৃত মানব ঐক্যের মূর্ত প্রতিরূপের জন্য পার্থিব ও আত্মিক গবেষণার একটি স্থান হবে অরোভিল।"

মাতৃমন্দির==

শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মাতৃমন্দির - সোনার প্রলেপে গোলক
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে মানব একতার প্রতীক হিসেবে সংগৃহীত মাটি কমলাকৃতি কলস কেন্দ্র করে মহাবিশ্বের প্রতীক হিসেবে ১৪০০ টি সোনার প্রলেপ দেওয়া বড় বড় চাকতি দিয়ে এক স্বর্ণ-গোলক তৈরি করা হয়েছে। শহরে কেন্দ্রস্থলে নির্মিত এটি  মাতৃমন্দির নামে পরিচিত এবং উপাসনাগার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। মাতৃমন্দিরের আশেপাশের পুরো অঞ্চলটিকে শান্তির অঞ্চল বলা হয়। মাতৃমন্দিরের অভ্যন্তরে, একটি সর্পিলাকার র‌যাম্প মধ্য দিয়ে একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সাদা মার্বেলের কক্ষের দিকে নিয়ে যাওয়া যায় যেখানে উপাসনার মাধ্যমে "নিজের চেতনার সন্ধান” প্রাপ্তি ঘটে।

মাতৃমন্দিরে সৌর-বিদ্যুতের ব্যবস্থা আছে। নিপুণভাবে পরিচর্যার মাধ্যমে সজ্জিত উদ্যান চারিদিক ঘিরে আছে মন্দিরটিকে। সূর্যাস্তের পরে সৌর-বিদ্যুতের সাহায্যে গোলকটিকে আলোকিত রাখা হয়।

অরোভিলের নগর পরিকল্পনাটিও মনোমুগ্ধকর। নগর পরিকল্পনা অনুযায়ী শহরের বাইরের দিকে আছে প্রশস্ত এলাকা জুডে সবুজ গাছপালা পরিবেষ্টিত ‘গ্রিন বেল্ট’। এই স্থানে পরিবেশ গবেষণার কাজে ও প্রাকৃতিক সম্পদ অঞ্চল হিসাবে ব্যবহৃত হয়। খামার ,বনজ সম্পদ খাদ্য, ভেষজ উদ্ভিদ পরিবেষ্টিত এই অংশ। মধ্যবর্তী মোটামুটি চারটি অঞ্চলে প্রসারিত সেগুলি হল - আবাসিক অঞ্চল, শিল্প অঞ্চল, সাংস্কৃতিক (ও শিক্ষা) অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক অঞ্চল।শহরের অভ্যন্তর ভাগেও নগর ও নিসর্গের মেলবন্ধনের ব্যবস্থা আছে।

গ্যালারী
বিশেষ দর্শনীয় স্থান::---
●পন্ডিচেরিতে অরোভিল মাতৃমন্দির,  
●আফসানা অতিথিশালা,
●সাবিত্রীভবন,
●অরোভিলের ভাস্কর্যযুক্ত একটি বাড়ি,
●ভেরিট লার্নিং সেন্টার,
●ভারত নিবাস,
●সাধনা বনাঞ্চলে থিয়েটার কর্মশালা,
●মাতৃমন্দিরের কাছে অরোভিল ইউনিটি পার্ক।
●সমাধিস্থান::--
ঋষি অরবিন্দ ঘোষ ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিক, দার্শনিক, যোগ এবং আধ্যাত্মিক গুরু এবং
শ্রীমা (মীরা আলফাসা)
ফরাসি হিন্দু জনহিতৈষী।

========================___


2>চেন্নাই--মহাবলীপুরম::-----

(1984) উনিশশো চুরাশি সালে মহাবলীপুরমকে ইউনেস্কো

" ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট" হিসেবে  স্বীকৃতি দিয়েছে। 

মহাবলীপুরমের শিল্পনিদর্শন, শিল্প কীর্তি, এবং স্থাপত্য শিল্প রসিকদের বিশেষ দর্শনীয় স্থান।

মহাবলীপুরমের নির্মাণ শৈলী 

মামাল্লাশৈলীর কীর্তি।

এই মামাল্লা শৈলী হল খোলা আকাশের নিচে পাথরের গায়ে খোদাই করা  পৌরাণিক দৃশ্য। এই শিল্প কীর্তি ও স্থ্যাপত্য প্রায় বারো--তেরোশো বছরের পুরনো।

 

চেন্নাই  শহর থেকে প্রায় 60কি মি দক্ষিণে

বঙ্গোপসাগরের কূলে অবস্থিত মহাবলীপুরম।

Chennai,Tamil nadu----->to  Ponducherry 155 km.


Chennai to Mahabolipurm,--->60km


Mahabolipurm to pondicherry-->95km


চেন্নাই  শহর বঙ্গোপসাগরের কূলে অবস্থিত প্রাচীন শহর। 

চেন্নাই অর্থাৎ পূর্বতন মাদ্রাজ/মাদ্রাস ভারতের তামিলনাড়ুর রাজধানী এবং দেশটির চতুর্থ বৃহত্তম মহানগরী শহর। এটি বঙ্গোপসাগরের করমণ্ডল উপকূলে অবস্থিত।

চেন্নাই  শহর থেকে প্রায় 60কি মি দক্ষিণে

বঙ্গোপসাগরের কূলে অবস্থিত মহাবলীপুরম বা মামাল্লাপুরম।

এখানকার রক-কাট বা পাথর কুঁদে তৈরি শিল্প কীর্তি বা রক- কাট আর্কিটেকচার,

যা শিল্পের বিচারে অজ্ঞতা, ইলোরা ও উদয়গিরি, খন্দগিরি গুহাগুলির থেকে গুরুত্বে কোন অংশেই কম নয়।

এখনো হয়তো কতো শিল্প কীর্তি চাপা পড়ে আছে এই মহাবলীপুরমের পাথরের অন্তরে। আজো আছে উদ্‌ঘাটনের অপেক্ষায়।

============================

3>Tour to Pondicherry & near by

Chennai,Tamil nadu----->to  Ponducherry 155 km.


Chennai to Mahabolipurm,--->60km


Mahabolipurm to pondicherry- ->95km

পন্ডিচেরী যাবার পথে দেখে নেবেন 

বঙ্গপসাগরের তীরে  মহাবলিপুরম যেটি একান্ত মনের মতন অপূর্ব সকল নিদর্শন।

সমুদ্রে জল কম থাকলে  অর্থাৎ ভাটা থাকলে খুব ভালোকরে দেখতে পারবেন।

একটি দিন কখন যে পারহয়ে যাবে সেটাই বুঝতে পারবেন না।

তারপরে আবার 95 কিলোমিটার পথ পিটিয়ে পৌঁছবেন পন্ডিচেরী।

সেখান দেখবেন


শ্রী অরবিন্দ আশ্রম

শ্রী অরবিন্দ ঘোষে ও শ্রী মা (আলফাসা) 

শ্রী বরদরাজ পেরুমল মন্দির।

একসাথে সমাধি।

অরোভিল মাতৃ মাতৃ মন্দির।

আফসানা অথিতি শালা,

সাবিত্রী ভবন

ভেরিট লার্নিং সেন্টার

ভারত নিবাস

ভারতীয় পার্ক।

সাধনা বনাঞ্চলে থিয়েটার কর্মশালা

অরভিল ইনস্টিটিউট পার্ক

আরুলমিগু মানাকুল বিনায়ক মন্দির,

    (গণেশ ভগবানের মন্দির, সোনার রথ)

ফরাসি যুদ্ধ স্মারক

আরোভাল সৈকত,

আরিকামেডু সৈকত ও স্থ্যাপত্য,

প্রোমেনেড সৈকত

সৈকতে সাইকেলে ঘুরে বেড়ান।

ইম্যাকুলেট কনসেফশন ক্যাথিড্রাল

দ্যা সেক্রেড হার্ট ব্যাসিলিকা ।

প্যারাডাইস বিচ।

রক বিচ।

লেডি অফ এঞ্জেলস গীর্জা।

Eglise de Notre Dame des Angls

রাজ বাড়ি/নিবাস

জাদুঘর 

জিঞ্জি দুর্গ

আরিকামেদু


এছাড়া আছে আসে পাশের সাজানো গোছানো ফরাসি নগর উপনিবেশ।

আরো দুই একটি ক্যাথিড্রাল একটু দূরে।


এক নগরে শহরে এতোকিছু দেখার সুযোগ সহসা কি মেলে।

তাই ঘুরে বেড়ান আনন্দিত মনে।

মনখারাপ বা একটু কষ্ট বোধ হলেই

বসেপড়ুন একমনে ধ্যানে।

এমন শান্তির নিরিবিলি স্থান পাবেননা 

এই ভু-ভারতে তথা সমগ্র জগৎ মাঝে।

=================================












Friday, February 2, 2024

118>ভ্রমন --ধানবাদ---হাততালি পুকুর

   118>ভ্রমন --ধানবাদ---

(ভাটিনডা ফলস---তোপচাচি ঝিল---উশরী ফলস

বোকারো,হাততালির পুকুর দালাহি কুন্ডের রহস্য::---


)

Dhanbad station to Usri water falls Giridih Distance 65 km.

Usri water falls to Topchanchi jharkhand distance 67 km.

Dhan bad station to Topchanchi jhil

 35.9 km. via NH 19

Bhatinda Fall is located just 14 kms away from Dhanbad railway station. The waterfalls make a perfect picnic spot for many

The Bhatinda Falls is a powerful and picturesque waterfall that cascades over pronounced rock formations. Also known as the waterfall of Moonidih, 

It is nestled amongst the greenery and the rugged hillocks.

It provides a captivating sight to the nature lovers. The falls are lined by huge rocky boulders. The cascading waterfalls instill a sense of serenity and a melancholic charm. This place gives the opportunity to experience tranquility and peaceful surroundings. If you are searching for any best hotel in Dhanbad with restaurant, this area can also give you quite a few good options. Mostly, people come here for picnic purpose. However, there are also other travelers who prefer to spend few days over here to experience the beauty of the place and its unimaginable stillness.

 It makes for an excellent picnic spot for groups looking for a quick and refreshing getaway. Surrounded by lush greenery and rugged hills, the falls offer a captivating sight to the onlookers. Nature lovers often choose to spend a few days over here to delve into the beauty and tranquillity of the place.

===================================


বোকারো,হাততালির পুকুর দালাহি কুন্ডের রহস্য::---


রহস্যময় পুকুর,ডালাহি কুন্ড::-


বোকারোর এই রহস্যময় পুকুরটি হাততালির শব্দে প্রতিক্রিয়া জানায়

ভারতের ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলার দালাহি কুন্ড বা হাততালির পুকুর, বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করেছে এবং কয়েক দশক ধরে দর্শকদের কৌতুহলী করেছে।



পুকুরটি উপরে উঠে হাততালির শব্দে প্রতিক্রিয়া করার একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে, ফুটন্ত জলের বিভ্রম তৈরি করে। পুকুরের জলের উত্স এবং উত্স অজানা, এবং অনেক বৈজ্ঞানিক তদন্ত সত্ত্বেও, ঘটনাটি অব্যক্ত রয়ে গেছে।


পুকুরটিকে স্থানীয়দের দ্বারাও পবিত্র বলে মনে করা হয়, যারা বিশ্বাস করে যে এর জলে স্নান করলে চর্মরোগ নিরাময় হয় এবং তাদের ইচ্ছা পূরণ হয়। দালাহি কুন্ডের রহস্য বছরের পর বছর ধরে অনেক বিজ্ঞানী এবং গবেষককে আকৃষ্ট করেছে, যারা বিভিন্ন তত্ত্ব প্রস্তাব করেছে কিন্তু তাদের কোনোটিই কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ বা পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত বা যাচাই করা যায়নি। দালাহি কুন্ডের ইতিহাস এবং কিংবদন্তি স্থানীয় সংস্কৃতি এবং লোককাহিনীর সাথে জড়িত এবং এতে সাধু, উল্কাপাত এবং অলৌকিক ঘটনা জড়িত।


 একটি কিংবদন্তি অনুসারে, পুকুরটি দালাহি গোসাই নামে এক সাধু দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল , যিনি শিবের ভক্ত ছিলেন। তিনি একটি ছোট স্রোতের কাছে ধ্যান করতেন, যেখানে তিনি শিবের পূজা করার জন্য হাততালি দিতেন। একদিন, তিনি লক্ষ্য করলেন যে যখনই তিনি তালি দেবেন তখনই স্রোতের জল উঠে যাবে।


তিনি এটিকে একটি অলৌকিক ঘটনা এবং শিবের আশীর্বাদ হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন এবং স্রোতের কাছে একটি মন্দির নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি স্রোতের চারপাশে একটি পুকুরও খনন করেছিলেন, যা ডালাহি কুন্ড নামে পরিচিত হয়েছিল । তারপরে তিনি লোকেদের পুকুরে স্নান করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, দাবি করেছিলেন যে এতে নিরাময় ক্ষমতা রয়েছে এবং এটি তাদের ইচ্ছা পূরণ করতে পারে।



দালাহি কুন্ডের রহস্য ও ব্যাখ্যা

দালাহি কুন্ডের রহস্য বছরের পর বছর ধরে অনেক বিজ্ঞানী এবং গবেষককে আকৃষ্ট করেছে, যারা এর রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করেছে। যাইহোক, তাদের কেউই এর অদ্ভুত আচরণের জন্য সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম হয়নি।


পুকুরের জলে কিছু দ্রবীভূত গ্যাস বা রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা শব্দ তরঙ্গের সাথে বিক্রিয়া করে এবং পৃষ্ঠে বুদবুদ বা তরঙ্গ সৃষ্টি করে। পুকুরের জল কিছু ভূগর্ভস্থ জলাধার বা বসন্তের সাথে সংযুক্ত থাকে যা সিসমিক বা আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ দ্বারা চাপে পড়ে। শব্দ তরঙ্গগুলি এমন কিছু প্রক্রিয়াকে ট্রিগার করে যা চাপ প্রকাশ করে এবং জলকে উপরে উঠায়।


ডালাহি কুন্ড

দলহি কুন্দ হার জিন্দেগী

পুকুরের জল কিছু ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বা মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় যা কিছু প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম উত্স দ্বারা উত্পন্ন হয়। শব্দ তরঙ্গ এই ক্ষেত্রের সাথে হস্তক্ষেপ করে এবং জলের স্তরে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটায়। যাইহোক, এই তত্ত্বগুলির কোনটিই কোন চূড়ান্ত প্রমাণ বা পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত বা যাচাই করা হয়নি।


ডালাহি কুন্ডের অন্যান্য বৈশিষ্ট্য

পুকুরের পানি হাততালি ছাড়া অন্য কোনো শব্দে প্রতিক্রিয়া দেখায় না। পুকুরের পানি সমানভাবে উপরে উঠে না কিন্তু শুধুমাত্র নির্দিষ্ট স্থানে বা জোনে উঠে। বারবার হাততালি দিলেও পুকুরের পানি উপচে পড়ে না বা বের হয় না। পুকুরের পানি উপরে ওঠার পরও রং বা তাপমাত্রা পরিবর্তন করে না।



ধর্মীয় তাত্পর্য

কিংবদন্তি বলছে, কয়েক বছর আগে আকাশ থেকে পড়ে যাওয়া উল্কাপিণ্ডের দ্বারা দালাহি কুণ্ড তৈরি হয়েছিল। প্রভাবটি একটি ভূগর্ভস্থ উত্স থেকে জলে ভরা একটি গর্ত তৈরি করেছিল। উল্কাপিণ্ডের কিছু চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যও ছিল যা জলকে শব্দ তরঙ্গের প্রতি সংবেদনশীল করে তুলেছিল। স্থানীয়রা ঘটনাক্রমে পুকুরের কাছে বিকট শব্দ শুনে এবং পানি উঠতে দেখে ঘটনাটি আবিষ্কার করেন। তারা এটিকে ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপের জন্য দায়ী করে এবং পুকুরটিকে একটি পবিত্র স্থান হিসাবে পূজা করে।


বহু বছর ধরে পুকুরটি তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। প্রতি বছর, মকর সংক্রান্তি উৎসবের সময়, যা জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে পড়ে, হাজার হাজার মানুষ দলাহি কুন্ডের জলে পবিত্র স্নান করতে ভিড় করে। এর আশ্চর্য প্রতিক্রিয়া দেখতে তারা পুকুরের কাছে হাততালি দেয়। পুকুরটি একটি কংক্রিটের প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত এবং একটি মন্দির যা দালাহি গোসাইকে উৎসর্গ করা হয়েছে, যিনি স্থানীয় দেবতা হিসাবে পূজনীয়।


সেখানে পাওয়া

সড়কপথে বা ট্রেনে বোকারো স্টিল সিটিতে বা রেলওয়ে স্টেশনে আসতে হবে।


বোকারো স্টিল সিটি থেকে,

 ট্যাক্সি বা অটোরিকশা ভাড়া 27 কিলোমিটার দূরে দালাহি কুন্ডে যাওয়া যায়।

=========================





117>নবদ্বীপের রাস উৎসব :::----(সংগ্রহ)

 


117>নবদ্বীপের রাস উৎসব :::----(সংগ্রহ)

  (রাস উৎসবের ইতিহাস)


শাক্তরাস হোল নবদ্বীপের প্রধান উৎসব।শরৎকালে শারদোৎসবের পরেই রাস

উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়, এবং কার্তিকীপূর্ণিমায় নবদ্বীপের এই  উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

বিজয়াদশমী বা কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা বা কালী পূজার দিন থেকে শুরু হয় এই রাস যাত্রার ক্রিয়াকান্ড ।

আর সমাপ্তি উৎসব হয় রাস পূর্নিমা বা কার্তিকীপূর্ণিমার পরেরদিন প্রতিপদে আড়ং ও বিসর্জনের মাধ্যমে।

( আড়ং ফারসি শব্দ।

গ্রামাঞ্চলের মেলাকে আড়ং বলা হয়। শব্দটি তেমন ভাবে প্রচলিত নয়। তবে নবদ্বীপের শাক্তরাস উৎসবে এটি পরিচিত নাম। কার্তিকী পূর্ণিমার দিন রাসকালী পূজা হয়, তার পরের দিন অর্থাৎ

প্রতিপদে শোভাযাত্রার মাধ্যমে দেবী মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা  হয়। এই শোভাযাত্রা উপলক্ষে মেলা বসে। এই শোভাযাত্রা ও মেলা উভয়কে মিলিয়ে আড়ং বলা হয়। )


 শাক্তদেবীদের এক একটি বিশাল বিশাল মৃন্ময়ী মূর্তি নির্মাণ করে শক্তি আরাধনাই নবদ্বীপের রাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য। 

প্রতিটি মূর্তির কারুকার্য ও নির্মাণশৈলীর বিচিত্রতা ও শিল্পীগণের নিখুঁত শিল্পকলার

সাথে নানান রূপকল্পনা এবং ধর্মীয় পরিপাটির প্রকাশ সত্যই মন ছুঁয়ে যায়। 

একটু লক্ষ্য করলেই বোঝা যায় যে সম্মিলিত প্রভাবে প্রতিটি মূর্তি যেন অদ্বিতীয় হয়ে ওঠে। আর এভাবেই এই

উৎসব রূপে গুণে এক বিশাল আনন্দ ও ভক্তির উৎসব এই শাক্তরাস উৎসব।


নবদ্বীপ রাস যাত্রায় বিশেষ আকর্ষণ ডুমুরেশ্বরী মাতা।

এই রাস যাত্রা নানান নামে বিখ্যাত যেমন::----রাস, পট পূর্নিমা, শাক্তরাস, রাসযাত্রা, রাস-কালী।

প্রধানত শাক্ত হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাঙালি গণই এই পুজোর আয়োজন করে থাকেন।

এই রাস যাত্রার প্রধান পর্ব গুলি::--

পূজা, বলি দান, আড়ং, বিসর্জন।


রাস পূর্নিমা বা কার্তিকীপূর্ণিমার দিন বিশালাকার মূর্তি গড়ে প্রার্থনা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেবী আরাধনা

শুরু, মূলত পাটা পুজোর মাধ্যমে।


রাস যাত্রা মূলত কৃষ্ণের ব্রজলীলার অনুকরণে বৈষ্ণবীয় ভাবধারায় অনুষ্ঠিত এক ধর্মীয় উৎসবের মহা মিলন ক্ষেত্র। তবে নবদ্বীপের রাস প্রধানত শাক্তরসা। 


নবদ্বীপের জনসমাজে আবহমানকাল থেকেই ধর্ম-সংস্কৃতিতে তান্ত্রিক বীরাচারের প্রাধান্য দেখা যায়। মদ-মাংস (পঞ্চমকারের প্রধানবস্তু) ইত্যাদি আড়ম্বর নিয়েই বীরাচারের আরাধনা।


নবদ্বীপের শাক্তরাসের কারনে বৈষ্ণবীয় রাসের সাত্ত্বিক ধারা অনেকটাই কোণঠাসা। 


এই সময় এই একই দিনে নবদ্বীপে

মন্দির অভ্যন্তরে রাধাকৃষ্ণের রাসচক্র লীলা  অনুষ্ঠিত হয়।

 তবে মনে হয় যে এই রাসলীলার আড়ম্বর যেন জাঁকজমকপূর্ণ শাক্তরাসের পাশে বেশ খানিকটা ম্রিয়মান। 

নানা তথ্য প্রমাণ দ্বারা জানাজায় যে নবদ্বীপে চৈতন্যদেব রাধাকৃষ্ণের রাস উৎসবের সূচনা করেছিলেন। সেই হিসাবে ষোড়শ শতাব্দীর প্রারম্ভেই রাসের সূচনা হয়েছিল। তবে চৈতন্যদেবের সন্ন্যাস গ্রহণের পর নবদ্বীপের বৈষ্ণব আন্দোলন বেশ খানিকটা  স্তিমিত হয়ে পড়ে। 


সেই সময় গৌরাঙ্গ-পরিজনেরা বাধ্য হয়ে নবদ্বীপ ত্যাগ করে স্থানান্তরে গমন করেন। ফলে বৈষ্ণবীয় উৎসব অনুষ্ঠানের সেই ধারাবাহিকতা বিশেষ ভাবে ব্যাহত হয় ।  


দ্বিতীয় পর্যায়ে নবদ্বীপে যে রাস উৎসবের সূচনা হয় তা অভিনব এবং বাংলার ধর্মীয় ইতিহাসে তা অদ্বিতীয়।


রাস উৎসব শুরু হবার আগে নবদ্বীপে কয়েকটি কালীমূর্তি পূজার প্রচলন ছিল। 

তার মধ্যে বিশেষ উল্লেখ যোগ্য কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ প্রতিষ্ঠিত নবদ্বীপের আগমেশ্বরী মাতা।


নানান স্থানে ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতির প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় নিপীড়িত সাধারণ মানুষ তন্ত্রকে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে আঁকড়ে ধরেছিল।

এছাড়া প্রাচীন কাল থেকেই বঙ্গদেশ তন্ত্রসাধনার ঐতিহাসিক পীঠস্থান ছিল। 

জনশ্রুতি আছে, মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের প্রত্যক্ষ পোষকতায় এদেশে ব্যাপকভাবে কালীপূজার প্রসারণ ঘটে। 







পট পূর্ণিমা::---


উনবিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভে রাজা গিরীশচন্দ্রের পোষকতায় প্রবর্তন হয় রাস উৎসবের। সেই সময়ে পুজো হতো পটে, নাম ছিল 'পট-পূর্ণিমা’। পরবর্তী সময়ে 

মৃন্ময়ী মূর্তি নির্মাণ করে পূজো অনুষ্ঠিত হতো। এই সময় রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ও ঈশ্বরচন্দ্রের আমলে প্রবর্তিত কালীমূর্তিগুলির পূজার কাল পরিবর্তিত হয়ে কার্তিকী পূর্ণিমায় হয়েছিল এবং রাস উৎসবকে প্রাচীনত্ব প্রদান করেছিল।




★★★★

 শাক্ত রাস:::---




নবদ্বীপের শাক্তরাস বিষয়ে প্রথম লিখে ছিলেন গিরিশচন্দ্র বসু। 

ইনি ১৮৫৩-১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে নবদ্বীপ-শান্তিপুর ও কৃষ্ণনগরের দারোগা ছিলেন। তার রচিত “সেকালের দারোগা কাহিনী” তে নবদ্বীপের রাস সম্পর্কে তিনি লিখেছেন::----


রাসপর্বে শান্তিপুরে যেমন রঙ্গতামাসা এবং বহুলোকের সমাগম হয়, নবদ্বীপেও এই পূর্ণিমায় পটপূজা উপলক্ষে সেইরূপ সমারোহ হইয়া থাকে। নবদ্বীপের পটপূজা অতি প্রসিদ্ধ ব্যাপার। নামে পটপূজা কিন্তু বাস্তবিক ইহা নানাবিধ প্রতিমার পূজা। দশভূজা, বিন্ধ্যবাসিনী, কালী, জগদ্ধাত্রী, অন্নপূর্ণা প্রভৃতি দেবদেবীর মুর্তি গঠিত হয়। নদীয়া, বুইচপাড়া ও তেঘরির প্রায় প্রত্যেক পল্লীতেই এক একখানি করিয়া প্রতিমা হয়। প্রতিমাগুলি অত্যন্ত হালকা এমন কি ৫/৬ জন মজুরে তাহা স্কন্ধে করিয়া নাচাইতে পারে।

পটপূজার বিসর্জনের দিন উপস্থিত হইল। যে সকল স্থানে বহু প্রতিমা হয়, তাহার সর্বত্রই বিসর্জনের দিবস কোনও এক নির্দিষ্ট স্থানে এবং দর্শকদিগের মনোরঞ্জনের নিমিত্ত সমুদয় প্রতিমা আনিয়া একত্রিত করা হয় এবং ইহাকে কৃষ্ণনগর অঞ্চলে প্রতিমার আড়ঙ্গ কহে। পটপূজার বেলা দ্বিতীয় প্রহরের সময় আরম্ভ হইয়া সন্ধ্যার অনেক পূর্ব্বেই শেষ হইয়া যায়।"


=====================


  












কিছু নবদ্বীপ রাস প্রতিমার ইতিহাস


রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের (১৭২৮-১৭৮২ খ্রী) পৃষ্ঠপোষকতায় নবদ্বীপের শাক্ত রাসের প্রভূত উন্নতি হয়েছিল, সেই সময় রাজ পোষকতায় নানা পূজার শুরু হয়।

যেমন::--

এলানিয়া কালী।

তেঘরিপাড়ায় বড়শ্যামা মাতা।

চারিচারাপাড়ায় ভদ্রাকালী।

ব্যাঁদড়াপাড়ার নৃত্যকালী।


কথিত আছে ঢাকা নিবাসী শক্তি উপাসক 

ভৃগুরাম ১৭২৮ খ্রিস্টাব্দে নবদ্বীপে এসে ভাগীরথীর তীরে মহাশ্মশানে পঞ্চমুণ্ডির আসন স্থাপন করে শক্তি আরাধনায় ব্রতী হন, এই কালীর নাম এলানিয়াকালী। 

এই এলানিয়াকালীই নবদ্বীপ রাস পূর্ণিমা শাক্ত মূর্তি হিসাবে ধরা হয়। এই প্রতিমা পঞ্চমুন্ডি আসনে বিরাজমান। এটি সর্বপ্রথম পূজা হিসাবে ধরা হয়ে থাকে।


বড় শ্যামা::---

চারিচারাপাড়ায় ভদ্রকালী:---

 


জগদ্ধাত্রী পূজা:::---


নদিয়ারাজ গিরীশচন্দ্র (১৮০২-৪২ খ্রি.) ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্রের প্রকৃত উত্তরসূরি। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় বাংলার মাটিতে তন্ত্রাচারের যে বীজ বপন করেছিলেন, গিরীশচন্দ্রের উপযুক্ত পরিচর্যা ও জলসিঞ্চনে তা হয়ে উঠেছিল মহীরূহ। গিরীশচন্দ্র ছিলেন নিষ্ঠাবান তন্ত্রসাধক ও পরধর্মসহিষ্ণু। বৈষ্ণব-ঐতিহ্য অনুসারে তীর আমলেই নবদ্বীপে গড়ে উঠেছিল বৈষ্ণবীয় মন্দির এবং সূচনা হয়েছিল উৎসব, অনুষ্ঠান ও চৈতন্যচর্চার। তার আমলেই প্রচুর অর্থব্যয়ে হটহটিকা বাসন্তীপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রকাণ্ড মূর্তি নির্মাণ করে। শান্তিপুর সন্নিহিত সূত্রাগড়ে জগদ্ধাত্রী পূজার প্রচলন র্তারই কীর্তি। নবদ্বীপের রথযাত্রা ও দোলযাত্রায় তিনি প্রচুর অর্থ ব্যয় করতেন। ব্যাদড়বংশের আদি পুরুষ রাজারাম পূর্ববঙ্গ থেকে নবদ্বীপে এসেছিলেন মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের আমলে। বর্তমানে (২০০৫ খ্রিঃ অনুযায়ী) এই বংশের নবম পুরুষ আসীন। হিসাব অনুযায়ী ২৫×৯ = ২২৫ বছর আগে অর্থাৎ (২০০৫-২২৫) = ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে তিনি নবদ্বীপে এসেছিলেন, এই তথ্যানুযায়ী ব্যাদাড়াপাড়ার শবশিবার প্রতিষ্ঠাকালও কৃষ্ণচন্দ্রের উত্তরকালে। কারণ রাজারাম নবদ্বীপে এসে প্রথমে ঘর গোছানোর কাজে মনোনিবেশ করেছিলেন; বাসস্থান নির্মাণ, অন্নের সংস্থান প্রভৃতি বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের পর তবেই তিনি শক্তিপূজা প্রবর্তনে উদ্যোগী হয়েছিলেন। ক্ষেত্র সমীক্ষা করে জানা যায় যে, ব্যাদাঁড়াবিংশের আদিপুরুষ রাজারাম কর্তৃক শব্বশিবার পূজা প্রতিষ্ঠা হয়েছিল গিরীশচন্দ্রের আমলে। মূর্তির অভিনব রূপ কল্পনায় সাংখ্যের ত্রিগুণাত্মিক প্রকৃতিতত্ত্ব এবং তন্ত্রের বিপরীতরতাতুরা তত্ত্বের মিশ্রণ ঘটেছে এখানে।

শবশিবা ছাড়াও তারই আমলে যেসব রাস প্রতিমা পুজোর সূচনা ঘটেছিল নবদ্বীপে, তার মধ্যে অন্যতম হলো—নন্দীপাড়ার মহিষাসুরমর্দিনী, পুরাণগঞ্জ ও বুড়োশিবতলার বিন্ধ্যবাসিনী, মহাপ্রভুপাড়ার গোঁসাইগঙ্গা, দণ্ডপাণিতলার মুক্তকেশী, আমপুলিয়াপাড়ার শবশিবা, রামসীতাপাড়ার কৃষ্ণমাতা ইত্যাদি। আমপুলিয়াপাড়ার শবশিবা ছিলেন মহামহােপাধ্যায় শিতিকণ্ঠ বাচস্পতির ইষ্টদেবী।

পুরাণগঞ্জ গঙ্গাগর্ভে নিমজ্জিত হওয়ার পর এখানকার বিন্ধ্যবাসিনী উঠে আসে শ্রীবাস অঙ্গনে।


পাটা পূজা



পাটা পূজা, কোজাগরী পূর্ণিমার দিন পাটা পূজা

নবদ্বীপের রাস উৎসবের সূচনা হয়ে যায় পাটা পুজোর মাধ্যমে। পাটা হলো শাল কাঠের তৈরী একটি কাঠামো, এর উপরেই মূল ঠাকুরের কাঠামো তৈরী করা হয়। দেবী পূজার মতো পাটা পূজাও মহা সমারোহে উদ্‌যাপন করা হয় বিজয়া দশমী, কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা এবং কালী পুজোর দিন এই পাটা পুজো হয়। ওই দিন মহা ধুমধাম সহকারে এই পাটা পূজা করা হয়। এরপরই ঠাকুর তৈরির কাজ শুরু করা হয়। সাধারণত সারা বাংলায় লক্ষ্মী পুজোর দিন বেশি আওয়াজ না করার রীতি আছে তবে নবদ্বীপে পাটা পুজোর সময় (লক্ষ্মী পুজোর দিন) বাজি, শব্দ বাজি ফাটানো হয়।


মৃৎশিল্প ও নবদ্বীপ রাস

রাস মেলা বা উৎসব যখন থেকে শুরু তখন থেকে  রাস উৎসব শুরু হয়ে ছিল 'পট' পূজার মাধ্যমে । 

জানাজায় মাটির প্রতিমা তৈরির জন্য

মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আমন্ত্রণে মৃৎশিল্পীরা নাটোর থেকে নবদ্বীপে আসেন। 

জানাজায়  কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীরা ইংরেজদের পৃষ্ঠপোষকতাতেই বেড়ে ওঠে ছিল।


পটপূজার পরে ক্রমে মৃন্ময়ী(মাটির) মূর্তিপূজোর প্রচলন হয়। তখন লোকমুখে রাস উৎসব ‘রাসকালী” পূজা নামে পরিচিত ছিল। 


তারপর থেকে একে একে বিশাল বিশাল মূর্তি নির্মাণে নবদ্বীপের শিল্পীদের অসাধারণ দক্ষতা কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে। অনেক জায়গাতেই বিশাল মূর্তি হয় কিন্তু নবদ্বীপের রাসের মূর্তি বিশালত্বের মধ্যেও প্রতিটি অঙ্গের আনুপাতিক মাপ বজায় রাখা হয়।


"নবদ্বীপের মূর্তির বিশালত্বের মধ্যেও প্রতিটি অংশের সুষমা অক্ষুণ্ণ রাখা, বিভিন্ন দেবতার শাস্ত্রীয় কল্পনাকে মাটির সাহায্যে বাস্তবে রূপায়িত করা বিশ্বের যে কোন দেশের পক্ষে যুগপৎ বিস্ময় ও গৌরবের বস্তু" - কার্টুনিষ্ট চণ্ডী লাহিড়ি


নবদ্বীপ-কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীদের নির্মাণশৈলীর প্রশংসায় দেশ-বিদেশে সমান প্রচারিত। নবদ্বীপের শিল্পীরা বিশালাকার মূর্তি নির্মাণে স্বকীয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন। নবদ্বীপের মৃৎশিল্পীদের সম্পর্কে ড. সুধীর চক্রবর্তী লিখেছেন,


অতিবড় মূর্তির অবয়ব গঠনে মৃৎশিল্পীর দক্ষতা প্রশ্নাতীত। ভারসাম্য ও বিন্যাস একেবারে নিখুঁত জ্যামিতিক। কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীরা ছোটাে পুতুলে দক্ষ কিন্তু এতবড় মূর্তি গড়তে পারবে না। চন্দননগরের মৃৎশিল্পীরা বিশাল জগদ্ধাত্রী গড়তে পারেন। কিন্তু তার সুষমা কম।★★


সবটাই ঢেকে যায় শোলার সাজের আড়ম্বরে। নবদ্বীপের সবকটি মৃৎমুর্তি সুসম, সুগঠিত ও লাবণ্যময়। এ গঠনে ধরা আছে বহুদিনের রক্তগত জাতিবিদ্যার অহংকার।

নবদ্বীপের খ্যাতিমান মৃৎশিল্পীরা হলেন – সন্দু পাল, ফন্তে পাল, বেঁটে পাল, পাল, নানু পাল, বিজন পাল, জগদীশ বিশ্বাস, রমেন পাল (জুনিয়র), প্রদীপ৷ দাস, নাড়গোপাল দাস, অচিন পাল, ললিত পাল, কান্তি পাল, শিবু, পাল, কাশীনাথ পাল, হাজারী পাল, বলাই পাল, কালী পাল, ধর্ম পাল, প্রশান্ত পাল, গৌরাঙ্গ পাল, দেবাশিস পাল ,গৌতম সাহা প্রমুখ। পাথরের মূর্তি নির্মাণে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন রমেন পাল (১৯২৬-৯২ খ্রি.)।


প্রতিমা ও চালচিত্র


নবদ্বীপ রাসে শতাধিক বছরের প্রাচীন যে সকল শাক্ত দেবী পূজিত হয়, সেই সকল প্রতিমার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল চালচিত্রের প্রয়োগ। গৌরাঙ্গিনী মাতা, মহিষমর্দিনী, ভদ্রকালী, নৃত্যকালী, শবশিবা মাতা, দেবী গোষ্ঠমাতা, রণকালী মাতা প্রভৃতি প্রতিমাগুলিতে চালচিত্রের ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা যায়। প্রতিমায় চালচিত্রের প্রয়োগ নবদ্বীপ রাসযাত্রার প্রাচীনত্বকে তুলে ধরে। বিখ্যাত লোকসংস্কৃতি বিশেষজ্ঞ সুধীর চক্রবর্তী তার সুধীর চক্রবর্তী রচনাবলী, ১ খণ্ড পুস্তকে নবদ্বীপ চারিচারাবাজারের ভদ্রকালী মাতার চিত্রসহ চালচিত্রের বর্ণনা দিয়েছেন।


নবদ্বীপ শাক্তরাসের চিত্রসম্ভার


বড়শ্যামা মাতা।

মেজ শ্যামা ।

সেজ শ্যামা ।

ছোট শ্যামা ।

কাত্যায়নী মাতা ।

নবদুর্গা মাতা ।

তারামা ।

নবদ্বীপ রাসের কালী ।

বামা কালীমাতা ।

রণ কালী মাতা ।

কালী মাতা ।

চন্ডি মাতা ।

বিন্ধ্যবাসিনী ।

চারিচারা পাড়ার ভদ্রাকালী ।

শবশিবা মাতা ব্যাদরাপাড়া ।

নৃত্য কালী ব্যাদড়াপাড়া।

মহিষমর্দিনী ব্যাদড়াপাড়া ।

দেবী গোষ্ঠমাতা ।

মহীরাবণ বধ ।

ডুমুরেশ্বরী মাতা ।

নবদ্বীপের রাসের প্রতিমা ।

মুক্তকেশি চারিচারা বাজার ।

গৌরাঙ্গিনী ।

গৌরাঙ্গিনী যোগনাথ তলা ।

=============================









116> কাশ্মীর( ভ্রমন আরও লিখতে হবে )

   116> ( ভ্রমন আরও লিখতে হবে )

1)কাশ্মীর, লে, লাদাখ,:::----

2) লাদাখ ও দা হানু উপত্যকা::---

3)


========================

কাশ্মীর, লে, লাদাখ,:::----কাশ্মীর, লে, লাদাখ,:::----

সেদিন আমরা তিনজন তৈরি হচ্ছিলাম লাদাখ যাবার জন্য।

চারজনে একসাথে দশ দিনের ছুটির জন্য এপ্লিকেশন ফর্ম ফিলাপ করছিলাম হঠাৎ পি পি সিং (পৃথি পাল সিং ) এসে হাজির এবং ও জখনি শুনলো যে আমরা লাদাখ যাবার প্লান করছি, তখনই পি পি সিং বললো ওর মামা বাড়ি লাদেখের ---

রাং ডুঙ গ্রামে।

আমরাও বেশ খুশি হলাম যে একজন জানাশুনা বন্ধু পেলাম।

পৃথি পাল সিং একজন রিটায়ার্ড সৈনিক,

ওর নিজের বাড়ি দেরাদুনে।

বতর্মানে বিসিসি এল এর এরিয়া3র আকাশ কিনারী নামক কোলিযারীর হোলপ্যাক অপারেটর।

পিপি সিংও আমাদের সাথে যাবার জন্য রাজি হল।



( লে  লাদাখের জন্য মহা মন্ত্র::---

তা হল রুমালে বেঁধে রাখা কর্পূর। শ্বাস কষ্ট শুরু হলেই একটু শুঁকে নিলেই বেশ স্বস্তি বোধ হচ্ছিল।)


আমরা শিয়ালদা জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেসে

জম্মু তাওয়াই পৌঁছে সেখান থেকে কাশ্মীর পৌঁছলাম।

সেদিন শুক্রুবার , ৮ জুলাই, 1981

আমরা কাশ্মীর পৌছেই এক 

হাউসবোটে উঠলাম। দিনের খাওয়া সেরে বেরিয়ে পড়লাম সিকারায় চড়ে ডাল লেক ঘুরতে। লেকের ধারে যেতেই শিকারা চালকরা এগিয়ে এলো তাদের সাথে দর কষা কোষী করে দুই ঘণ্টার জন্য আমরা 

শিকারায় করে ঘুরে বেড়ালাম।

 যেতে যেতে দেখলাম ডাল লেকের ধারে যেখানে জলের স্তর কম সেখানে আসে পাশের গ্রামের লোকেরা বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ করে।

আবার এই লেকের মধ্যেই রয়েছে ঐতিহ্যবাহী কাশ্মীরি পোশাক ও শালের দোকান। আর একটু এগুতেই পৌঁছে গেলাম নেহরু পার্ক।  ঐ পার্ক ঘোরবার জন্যে সিকারাওলা সময় দিয়েছিল।

দেখলাম অন্যান্য নানান শিকারায়

করে কাশ্মীরি কেশর, ফুলের তোড়া বিক্রি হচ্ছে, এছাড়াও ঐতিহ্যবাহী কাশ্মীরি পোশাক পরে ছবি তোলার হিড়িকও রয়েছে। 

শিকারা ভ্রমণ সেরে গিয়েছিলাম শ্রীনগরের লাল চৌক মার্কেট ঘুরতে। 

সেখান থেকে ফিরে গেলাম হাউসবোটে



০৯/জুলাই::---

পরেরদিন সকাল সকাল গেলাম শ্রীনগর থেকে ৩০কিমি দূরে অবস্হিত গাণ্ডেরবাল জেলার অন্তর্গত মনসাবল লেক ঘুরতে। এই লেককে ভারতের সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ বলেও বিবেচনা করা হয়। এখানে এ

মনসাবল লেক ও লেকের সঙ্গেই ঝরখা বাগ ঘুরে দেখতে এন্ট্রি ফি লাগে।


এই মনসাবল থেকে১২ কিলো মিটার দূরে গেলাম ক্ষির ভবানী মন্দিরে। 

এরপর একে একে হজরতবল, পরিমহল,মুঘল গার্ডেন, শালিমার বাগ, চাসমে শাহী দেখে চললাম শঙ্করাচার্জর 

মন্দির দর্শনে। কিছুটা পথ করে করে গিয়ে   প্রায় ২৬০ খানা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে পৌঁছে গেলাম শঙ্করাচার্জর মন্দিরে। 


উপরে মন্দিরে পৌঁছে যখন চারপাশের সুন্দর দৃশ্য দেখলাম তখন অতগুলো সিঁড়ি ভাঙার সকল ক্লান্তি আপনিই দূর হয়ে গেল। এই মন্দির থেকে পুরো শ্রীনগর শহর দেখতে পাওয়া যায় যা এক কথায় অপূর্ব। 

(এখানে ফটো তোলা নিষেধ ) অতএব আমার ক্লিক থ্রি ব্যগেই বন্ধ রইলো।

এরপরে নীচে নেমে রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবার খেয়ে সোজা চলে গেলাম আমাদের হাউসবোটে।

শ্রীনগরের সমস্ত সাইট সিন আমরা একটা

কার রিজার্ভ করেই  করেছিলাম।

সন্ধ্যায় পৌঁছে গেলাম লাল চৌক।

লাল চৌকের আসে পাশে  বেশ কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরির পর সোজা চলে গেলাম মোঘল দরবার। তারপরে এক হোটেলে  কাশ্মীরি বিরিয়ানি খেয়ে ফিরে আসলাম 

হাউসবোটে।


পরের দিন ১০/জুলাই::----

 












=======+++++++++■■■■■■■■■

শ্রীনগর বাস স্ট্যান্ড থেকে একটা অটো ভাড়া করে সোজা চলে গেলাম শ্রীনগর স্টেশনে, এই স্টেশনটি আবার, একদম সেই অমরনাথ যাত্রার পারমিশন অফিসের পাশেই অবস্হিত।


=============================


2) লাদাখ ও দা হানু উপত্যকা::---


লাদাখের লেহ জেলার দা-হানু উপত্যকায়   ব্রোকপা নামক  উপজাতি গনের বাস।অনেকের মতে বিশেষ করে এখানকার এই ব্রোকপা উপজাতি গণ নিজেদের প্রকৃত আর্য বংশোদ্ভুত জনজাতি হিসাবে মনেকরে। বিশেজ্ঞ গণের মতে এই ব্রোকপা উপজাতি শেষ এবং খাঁটি আর্য বংশোদ্ভুত জনজাতি। 

লাদাখ থেকে এই অঞ্চল বেশ কিছুটা নীচুতে অবস্থিত হওয়ার জন্য এখানে শীত অনেকটাই কম। লাদাখের আসেপাশের  সেই তীব্র জমে যাওয়া ঠাণ্ডা নেই এখানে। বলা ভাল এই অঞ্চল চিরবসন্তের। 

তাইতো চিরবসন্তের গ্রাম বললেই চলে।

এ-হেন চিরবসন্তের গ্রামে ওখান কার আদিবাসী সেই ব্রোকপাদের সাথে ওদের গ্রামের মধ্যে দুই- একটি দিন খুব আরামে বিশেষ রোমাঞ্চ কর পরিবেশে  কাটিয়ে আসা যায়। 

অসামান্য সুন্দর হয় এখনকার মানুষেরা।

রূপে গুণে অতুলুনিয় এখানকার মানুষেরা। ওদের ব্যবহার অস্থিতিয়তা ভুলবার নয়।এখানকার প্রকৃতি যেমন সুন্দর মন্মুগ্ধ কর মানুষেরাও ঠিক তেমনি

সুন্দর, সুন্দর ওদের প্রাণখোলা ব্যবহার।

পর্যটক দের ওরা ঈশ্বর রূপে সেবা যত্ন করে। ত্রুটি মুক্ত প্রাণ খোলা আথিতয়তা কোনদিন ভুলবার নয়।

ওদের সাজগোজ ও বেশভূষা খুবই সুন্দর।

পুরুষ ও নারী উভয়েই সাজতে ভালবাসে। মাথায় ফুল এবং ধাতব গয়না দিয়ে ব্রোকপা উপজাতির সাজ জগৎখ্যাত।


দা-হানু উপত্যকার গ্রামে একটু ঘুরলেই চোখে পড়বে আঙুর, আপেল, খুবানি, বার্লি আর আখরোটের বাগান। এই গ্রামে পাওয়া যায় কমলা রঙের এক ধরনের ফুল যা বহু বছর একই রকম থেকে যায়।

এই চিরবসন্তের গ্রামে মনোরম পরিবেশে, নানান ফুল ও ফলের বাগানে দু-দিন কাটালে মন- প্রাণ উভই ঝড়ঝরে তাজা হতে বাধ্য।

আমার মতে প্রকৃতই স্বর্গ বলে যদি কোন স্থান থেকে থাকে পৃথিবীতে তবে সেই জায়গাটি এই লেহ জেলার দা-হানু উপত্যকায়।

 


115> || ডায়মন্ড হারবার থেকে -গঙ্গাসাগর ক্রুজ!

 


 115> || ডায়মন্ড হারবার থেকে -গঙ্গাসাগর ক্রুজ! 

শুক্রু,শনি ও রবি বার চলবে।

বিলাসবহুল ক্রুজে চেপে গঙ্গাসাগরে। 


ডায়মন্ড হারবার থেকে সকাল 9:30 am

 Beck কচু বেরিয়ে থেকে বিকেল 

4:30 pm.

ভাড়া ₹ 390/- থেকে ₹1400/-

ভাড়াটাই গড়বড় লাগছে।


সৌজন্যে এএফপি ও ফেসবুক 

(Osprey Waterways India LLP)


বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল সেই পরিষেবা। ডায়মন্ড হারবার পুরসভা এবং বেসরকারি ক্রুজ পরিচালনকারী সংস্থা অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে সেই পরিষেবা শুরু করা হয়েছে। ওই বেসরকারি সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ক্রুজ পরিষেবা চালুর ফলে যেমন দ্রুত গঙ্গাসাগরে পৌঁছানো যাবে, তেমনই মনোরম হবে যাত্রা। সম্পূর্ণ শীতাতাপ-নিয়ন্ত্রিত ১৫৬টি আসনের ক্রুজে চেপে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন মানুষ।



ডায়মন্ড হারবার-গঙ্গাসাগর-ডায়মন্ড হারবার বিলাসবহুল ক্রুজের সময়

অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের তরফে জানানো হয়েছে, সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে ডায়মন্ড হারবার ফেরিঘাট থেকে সেই বিলাসবহুল ক্রুজ ছাড়বে। রওনা দেবে কচুবেড়িয়ার (গঙ্গাসাগর) উদ্দেশে। সেখানে পৌঁছাবে সকাল ১১ টা ৩০ মিনিটে। আবার ফিরতি পথে কচুবেড়িয়া বিকেল ৪ টে ৩০ মিনিটে রওনা দেবে।ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে।


তবে গঙ্গাসাগর মেলার চারদিন (আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে আগামী ১৬ জানুয়ারি) বেশি সংখ্যক ক্রুজ চালানো হবে। ওই বেসরকারি ক্রুজ পরিচালনকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, উভয় অভিমুখে দিনে মোট ছ'টি ক্রুজ চলবে (তিনটি আপ এবং তিনটি ডাউন)। সেই ক্রুজের সময় দেখে নিন -


১) ডায়মন্ড হারবার-গঙ্গাসাগর ক্রুজের সময়: সকাল ৮ টা ৩০ মিনিট (পৌঁছাবে সকাল ১০ টায়), বেলা ১২ টা ৩০ মিনিট (পৌঁছাবে দুপুর ২ টোয়) এবং বিকেল ৫ টা (পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে)।



২) গঙ্গাসাগর-ডায়মন্ড হারবার বিলাসবহুল ক্রুজের সময়: সকাল ১০ টা ৩০ মিনিট (পৌঁছাবে বেলা ১২ টা ৩০ মিনিটে), দুপুর ৩ টে (পৌঁছাবে বিকেল ৪ টে ৩০ মিনিটে) এবং সন্ধ্যা ৭ টা (পৌঁছাবে রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে)।


 বিলাসবহুল ক্রুজে দুটি শ্রেণি আছে - ইকোনমি শ্রেণি এবং প্রিমিয়াম শ্রেণি। কোনও যাত্রী যদি চান, তাহলে শুধুমাত্র ডায়মন্ড হারবার থেকে গঙ্গাসাগর যাওয়ার বা গঙ্গাসাগর থেকে ডায়মন্ড হারবার আসার টিকিট কাটতে পারেন (ওয়ান ওয়ে টিকিট)। আবার ‘টু'ওয়ে টিকিট’ কেটে ফেলারও সুযোগ পাবেন। তবে গঙ্গাসাগর মেলার সময় (১৩ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি) ভাড়া কিছুটা বাড়বে। প্রতিটি টিকিটের যে ভাড়া আছে, সেটার সঙ্গে জেটি ফি বাবদ ২৯ টাকা যুক্ত হবে।



১) ‘ওয়ান ওয়ে' ইকোনমি শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ভাড়া পড়বে ৫৯৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬৯৮ টাকা পড়বে। গঙ্গাসাগর মেলার চারদিন আবার ভাড়া বাবদ ৯৮৯ টাকা দিতে হবে। তবে অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের সময় সেটা ১,৪০০ টাকা দেখাচ্ছে।


২) ‘ওয়ান ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ‘ওয়ান ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের ভাড়া পড়বে ৭৪৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারির টিকিট কাটতে ৮৯৮ টাকা খরচ পড়বে। আর গঙ্গাসাগর মেলার চারদিন ‘ওয়ান ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের দাম পড়বে ১,১৯৮ টাকা। অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের সময় সেটা দেখাচ্ছে ১,৫০০ টাকা।


৩) ‘টু'ওয়ে' ইকোনমি শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত খরচ পড়বে ৯৯৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ১,০৫৮ টাকা লাগবে। আর ১৩ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত টিকিটের ভাড়া হচ্ছে ১,৮০০ টাকা।


৪) ‘টু'ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ভাড়া লাগবে ১,১৯৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ১,২৫৮ টাকা পড়বে টিকিটের দাম। যা গঙ্গাসাগর মেলার চারদিনে বেড়ে দাঁড়াতে চলেছে ১,৯৯৮ টাকা।


কীভাবে ডায়মন্ড হারবার-গঙ্গাসাগর বিলাসবহুল ক্রুজের টিকিট বুকিং করবেন?

অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের তরফে জানানো হয়েছে, অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও টিকিট বুকিং করা যাবে। অফলাইনে টিকিট বুকিংয়ের জন্য 9073380163 এবং 82749 29297 নম্বরে ফোন করতে হবে বলে বেসরকারি ক্রুজ পরিচালনকারী সংস্থার ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে। আর অনলাইনে টিকিট বুকিং করতে অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের ওয়েবসাইটে যেতে হবে। কীভাবে অনলাইনে টিকিট বুক করবেন, তা দেখে নিন।

===========================


সাগরের পথে নৌকায় নয়  লঞ্চে 12/01/2924

ডায়মন্ডহারবার থেকে নদী পথে চলেছি সাগরের দিকে।

মনে পড়ে বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের নায়ক নবকুমারের সেই বিখ্যাত উক্তিটি 

"আহা! কি দেখিলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না৷"-------

"দূরাদয়শ্চক্রনিভস্য তন্বী তমালতালীবনরাজিনীলা।

আভাতি বেলা লবণাম্বুরাশের্দ্ধারানিবদ্ধের কলঙ্করেখা।”

সত্যি সমুদ্র  অনেক দেখেছি কিন্তু এই বঙ্গপসাগরের সৌন্দর্য বর্ণনার অতীত।

তাইতো নিজের ক্ষমতা নেই  এর বর্ননা করা।

সেই কারণেই  সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র

চট্টোপাধ্যায়ের উক্তি টি লিখলাম।

============================

114> || রামমন্দিরের গর্ভ গৃহে প্রাণপ্রতিষ্ঠা::--

 



 114> || রামমন্দিরের গর্ভ গৃহে প্রাণপ্রতিষ্ঠা::--

22 জানুয়ারী2024--সোমবার।


রামলালার মূর্তির বিষয় কিছু তথ্য :--


●1>২২ জানুয়ারী ২০২৪ সোমবার অযোধ্যায় প্রতিষ্ঠিত হলো রাম লালার মূর্তির কালো কষ্টিপাথরে তৈরি এই মূর্তির মধ্যে রামলালার প্রতিকৃতির রয়েছে বিস্ময়কর আকর্ষণ। যেন সত্যিই জীবন্ত ভগবান শ্রী রামের 5 বৎসরের শিশু অবতার। 

বুধবার রাতেই 51"ইঞ্চি=4'ফুট 3"ইঞ্চি= 4.25ফুট।

 লম্বা এবং 3'ফুট চওড়া।

ওজন প্রায় 200 কেজি।

এই মূর্তিটি মন্দিরে আনা হয় । 

বৃহস্পতিবার মন্ত্র উচ্চারণের মধ্যে মন্দিরের গর্ভগৃহে এই প্রতিমা স্থাপন করা হয়। তখন এই প্রতিমার চোখ হলুদ কাপড়ে ঢেকে প্রতিমার গায়ে গোলাপের মালা পরানো হয়। 

প্রতিমাটি পাঁচ বছরের শিশুর কোমলতাকে প্রতিফলিত করে। 

এই শ্যাম শিলার বয়স হাজার বছর, এটি জল প্রতিরোধী শিলা।



●2>রামলালার এই মূর্তিটি তৈরি করেছেন কর্ণাটকের ভাস্কর অরুণ যোগীরাজ। এটি একটি মাত্র কালো কষ্টিপাথরে তৈরি। অর্থাৎ প্রতিমার পাথরে অন্য কোনও পাথর যোগ করা হয়নি।


●3>রামলালার সুন্দর মূর্তিটির দুই ধরে বিষ্ণুর 10 অবতারের মূর্তি দেখা যায়। 

এই 10 অবতার হলেন – মৎস্য, কূর্ম, বরাহ, নরসিংহ, বামন, পরশুরাম, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, কল্কি।


●4>মূর্তির চারপাশের ফলকে একপাশে শ্রী হনুমান এবং অন্যপাশে গরুড় রয়েছে।

 

●5>রামলালার এই মূর্তিতে মুকুটের পাশে সূর্যদেব, শঙ্খ, স্বস্তিক, চক্র ও গদা দৃশ্যমান। মূর্তির মুকুটের পিছনে আছেন সূর্য দেবতা যিনি ভগবান রামের পারিবারিক দেবতা।


●6>মূর্তির মধ্যে রামলালার বাম হাতে ধনুক ও তীর ধরার ভঙ্গি দেখানো হয়েছে।

============================

 




 

113>|| কোলকাতার জগন্নাথ মন্দির (খিদিরপুর) |

  113>|| কোলকাতার জগন্নাথ মন্দির (খিদিরপুর) ||

Jagannath temple kolkata::----

( Kidderpore.) এতে যেতে চাই,

তুমি কি পারবে নিয়ে যেতে?

পারলে কবে পারবে একটু জানিও।

তাড়াহুড়োর কোন কারণ নাই,

তোমার জবে সুযোগ সুবিধা হবে।

আমি 03/01/2024 পর্যন্ত থাকবো বাড়িতে । 


Sri Jagannath Seva Samiti

Dock East Boundary Road,

CPT Compound, Kidderpore,

Kolkata - 700023, West Bengal

Phone (Temple Office) : (033)2459 1500, 9748705115



Contact : President : Chandra Shekhar Panigrahi

Vice President Parshuram Bishoyi : 9051733441

General Secretary: Pramod Kumar Jena : 9830110767

Ramakant Mohanty Manager (Public Relations) : 9836247710

Email : jssutkala@gmail.com, jagannathtemplekolkata@gmail.com

==========================

112> || ভ্রমন ক্ষীরাইয়ের ফুলের বাগান::----

  112> || ভ্রমন ক্ষীরাইয়ের ফুলের বাগান::----


26/01/2024 দেখে এলাম ক্ষীরাইয়ের ফুলের বাগান।

Flower Valley of Khirai at Panskura 


Khirai Valley Of Flowers : শীতকালে  ছুটির দিনে  ঘুরে আসলাম ক্ষীরাইয়ের ফুলের বাগান।

রাজ্যের অন্যতম ফুল উৎপাদনের জায়গা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া। এই পাঁশকুড়ার ক্ষীরাইকে অনেকে আবার ফুলের দেশ  বলে। 

তবে তারা তেমন ভুল বলে না

সারাবছর কমবেশি ফুলের চাষ হলেও শীতের সময় রঙবাহারি ফুলের সম্ভার ফুটে উঠেছে। রঙবাহারি ফুল দেখতে  পর্যটকদের ভীড় বেড়েই চলেছে,

কারন ফুল কে না ভালোবাসে। 

তাইতো শীতের সকালে ফুলের সমারোহ মনকে শান্ত করে দেয়।

ফুলের গন্ধে মন প্রাণ ভরে যায়,

তাইতো সকলে ভিড় জমায়।


চোখ যতদূর যায় বিঘার পর বিঘা জমিতে চোখ ধাঁধানো বাহারী ফুলের সমারোহ। চোখ জুড়ানো এক মনোরম পরিবেশ। বাগানের ফুলে ফুলে ডানা মেলছে রঙিন প্রজাপতি। মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌমাছির দল। দিগন্ত বিস্তৃত বাগানের চারিদিকে শুধু ফুলের সারি। সত্যিই মন ভালো করার মতো পরিবেশ।

জানতে পারলাম---

"গত কয়েক বছরের মধ্যে ক্ষীরাই তার ফুলের জন্য জনপ্রিয়তা পেয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা তো বটেই পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন রাজ্য থেকেও পর্যটকরা আসছেন ক্ষীরাইয়ের ফুলের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে। বাগানের সামনে এসে দাঁড়িয়ে এক পলক দেখে মনে হবে এক চিত্র শিল্পীর আঁকা বিরাট একটা রঙিন ক্যানভাস।"

সত্যি চারিদিকে শুধু ফুল আর ফুল। শীতের সময় তাই মাঠে মাঠে গাঁদা ফুলই বেশি। এছাড়াও রয়েছে অ্যাস্টর, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া প্রভৃতি। তবে গোলাপের বাগান খুবই কম,নেই বললেই চলে। দোকানে যে গোলাপ বিক্রি হচ্ছে তা সবটাই পার্শ্ববর্তী পাঁশকুড়া বা কোলাঘাট থেকে আনা হয়। বাগানে রয়েছে সর্ষে, আলু, ফুলকফি, বাঁধাকফি ও শালগমের চাষও। রোজ হাজার হাজার পর্যটক আসছেন। ফুলের বাগান ঘুরে দেখছেন, দেদার ছবি তুলছেন। 

কেউ কেউ আবার ফুল বা ফুলের চারা কিনছেন । সত্যিই কয়েক ঘণ্টা সুন্দর সময় কাটানোর জায়গা এই ক্ষীরাই ফুলের উপত্যকা।


তবে যাতায়াতের পথ ভীষণ ভয়াবহ।

চার চাকার গাড়ি যাবার পথে নাই বললেই চলে। যদিও সকলে ওই ভয়াবহ রাস্তা দিয়েই পৌঁছে যায় ফুলের আকর্ষণে।

সকলেই প্রায় প্রাণ হাতে নিয়ে পৌঁছে যায়।

তবে টোটো বা অটো করে যাওয়াই ভালো। 

সত্যি বিপদ সঙ্কুল পথ।


ট্রেনে করে  ক্ষীরাই স্টেশনে নেমে দু'কিমি হাঁটা পথ। তবে রয়েছে টোটো,অন্যান্য চারচাকার যানবাহন। জন প্রতি কুড়ি টাকা।


পাবেন প্রচুর খাওয়াদাওয়ার দোকান

বাগানের আশেপাশে গড়ে উঠেছে প্রচুর অস্থায়ী দোকানপাট। 

বাগানের পাশেই বয়ে চলেছে কংসাবতী নদী। শীতকালে নদীতে জলও খুব কম। 

তাই এপার ওপর যাবার জন্য স্থানীয় মানুষেরা জলে ইট পেতে অস্থায়ী রাস্তা বানিয়ে দিয়েছে।


ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় বেশি থাকে। 

===========================


111>নিমাই তীর্থ গৌড়ীয় মঠ::--শেওরাফুলি.

111>নিমাই তীর্থ গৌড়ীয় মঠ::--শেওরাফুলি.

বদ্যবটি স্টেশন বা শেওরাফুলি স্টেশনের কাছে।


ভোগ প্রসাদের কুপন দেওয়া হয় সকাল 9টা পর্যন্ত।

সেই কারনে ফোন করে একদিন আগে ভোগের প্রসাদের জন্য বুক করতে হয়।

Ph No::-- 09432224686

কুপন ₹80/- মাথা পিছু।

বদ্যবটি স্টেশন বা শেওরাফুলি স্টেশনে নেবে রিক্সা বা টোটোকরে যেতে হবে 20টাকা ভাড়া।

খুব সুন্দর মঠ। অনেক কিছু দেখবার আছে।


Station:--Bodyabati or  sheorafuli.

=========================

মহানির্বান মঠ, গরিয়াহাট, বালিগঞ্জ।

কোলকাতা 700029।


Mahanirvan Math .

113,Rash Bihari Ave.

Dover Terrace.Ballygunge.

Gariahat.

Kolkata 700029

Near::--Portis Hospital Kidney Institute.

গড়িয়াহাট, 

প্রসাদের কুপন দেওয়া হয় সকাল 10 টা পর্যন্ত।

কুপনের কোন নির্ধারিত মূল্য নেই যে যা দেবে।

খুব সুন্দর যায়গা।

==================_______


Friday, January 5, 2024

110>বসিরহাট --ধান্যকুড়িয়া::--


110>বসিরহাট --ধান্যকুড়িয়া::--

শিয়ালদা---হাসনাবাদ লোকালে
প্রায় ১ঘন্টা ২০ মিনিট সময় লাগে
কাঁকড়া মির্জানগর স্টেশন।
স্টেশনে নেমে অটো তে 20 টাকা মাথা পিছু ভাড়া দিয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় এই জমিদার বাড়ি।
একমাত্র দুর্গা পূজার সময় প্রাসাদ গুলি খোলা থাকে সকলের জন্য।
অন্য সময় প্রবেশ নিষেধ।

বাংলার বুকে একটুকরো বিলেত, হেরিটেজ তকমা পেতে চলেছে ধান্যকুড়িয়া

ধান্যকুড়িয়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট থানার অধীনস্থ একটি  টাউন।
স্থানাঙ্ক: ২২.৬৭৫০৮৫০° উত্তর ৮৮.৮৪৬০০৬০° পূর্ব

আজ থেকে প্রায় দুশো তিরিশ বছর আগের কথা। সুবিশাল এই রাজবাড়ি বানিয়েছিলেন ধান্যকুড়িয়ার জমিদার মহেন্দ্রনাথ গায়েন। সেসময় ফুলেফেঁপে উঠেছিল তাঁর পাটের ব্যবসা। মূলত ইংরেজদের সঙ্গেই চলত তাঁর লেনদেন। আর সেই সুবাদেই উত্তর ২৪ পরগণার এই প্রান্তিক অঞ্চলেও নিত্যদিন লেগে থাকত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাহেবদের আনাগোনা। তাঁদের বিলিতি সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে উস্কে দিতেই ইউরোপীয় দুর্গের আদলে এই রাজবাড়ি নির্মাণ করেন মহেন্দ্রনাথ।

৩০ একর জায়গায় জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই রাজবাড়ির মধ্যেই রয়েছে আস্ত এক পুষ্করিণী, যাতে রাজবাড়ির প্রতিচ্ছবি ঝলমল করে সারাদিন। গোটা দুর্গটিকে কেন্দ্র করে রয়েছে বিশাল এক বাগানও। দুর্গের ভেতরে ঢুকলেও রীতিমতো চমকে যেতে হবে। নানা ধরনের ভিক্টোরিয়ান কারুকাজ থেকে শুরু করে রয়েছে ইতালিয় কাচের তৈরি আসবাব। যা এক কথায় মন্ত্রমুগ্ধকর। গ্রীষ্মকালে এই রাজবাড়িতে এসে অনেক সময়ই ছুটি কাটাতেন ব্রিটিশ সাহেবরা। তাঁদের জন্য ছিল পৃথক নহবতখানা, অতিথিশালা। এমনকি সেসময় এই রাজবাড়ির জন্য পৃথক রেল স্টেশনও তৈরি করেছিল মার্টিন কোম্পানি। গায়েন গার্ডেন নামের সেই স্টেশনে এসে থামত ন্যারো গেজের ছোট্ট বাষ্পচালিত ট্রেন। বর্তমানে অবশ্য সেই স্টেশনের অস্তিত্ব নেই আর। ২০০৮ সালে তা অধিগ্রহণ করে সরকার। গড়ে ওঠে অনাথ মেয়েদের সরকারি হোম। তবে মূল বাড়িটির কিছু অংশের পুনর্নির্মাণ হলেও, সামগ্রিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধুঁকছে এই ঐতিহাসিক স্থাপত্যটি। বাড়ির সামনে অবস্থিত শ্বেত পাথরের দুটি সিংহ মূর্তির একটি চুরি গিয়েছিল বহু আগেই। কয়েক বছর আগে আরেকটি সিংহও চড়া দামে বিক্রি করে দেন মহেন্দ্রনাথের উত্তরসূরিরা। তবে শুধু ঔপনিবেশিক ইতিহাসই নয়, এই বাড়িতে শুটিং হয়েছে ‘সত্যান্বেষী’, ‘সাহেব-বিবি-গোলাম’, ‘সূর্যতপা’-সহ একাধিক জনপ্রিয় চলচ্চিত্রেরও। অভিনয় করে গেছেন স্বয়ং উত্তমকুমার। এমনকি বিদেশি বিভিন্ন চলচ্চিত্রেরও শুট হয়েছে এই দুর্গেই।

রাস্তাজুড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে সুবিশাল ফটক। তার দু’দিকে উঠে গেছে বৃত্তাকার দুটি স্তম্ভ। তার মাঝে ধনুকাকৃতি ঝুলন্ত ছাদ। মাথায় পাথরে খোদাই করা একটি মূর্তি। ছোরা দিয়ে সিংহ বধ করছেন এক সাহেব। একেবারে সনাতনী ভিক্টোরিয়ান গঠন যাকে বলে। আর এই ফটক দিয়ে প্রবেশ করলেই প্রকাণ্ড এক রাজবাড়ি। রাজবাড়ির থেকে তাকে দুর্গ বলাই শ্রেয়। হঠাৎ করে এমন জায়গায় এসে হাজির হলে মনে হবে যেন স্বপ্নরাজ্যে।



৩০ একর জায়গায় জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই রাজবাড়ির মধ্যেই রয়েছে আস্ত এক পুষ্করিণী, যাতে রাজবাড়ির প্রতিচ্ছবি ঝলমল করে সারাদিন। গোটা দুর্গটিকে কেন্দ্র করে রয়েছে বিশাল এক বাগানও। দুর্গের ভেতরে ঢুকলেও রীতিমতো চমকে যেতে হবে। নানা ধরনের ভিক্টোরিয়ান কারুকাজ থেকে শুরু করে রয়েছে ইতালিয় কাচের তৈরি আসবাব। যা এক কথায় মন্ত্রমুগ্ধকর। গ্রীষ্মকালে এই রাজবাড়িতে এসে অনেক সময়ই ছুটি কাটাতেন ব্রিটিশ সাহেবরা। তাঁদের জন্য ছিল পৃথক নহবতখানা, অতিথিশালা। এমনকি সেসময় এই রাজবাড়ির জন্য পৃথক রেল স্টেশনও তৈরি করেছিল মার্টিন কোম্পানি। গায়েন গার্ডেন নামের সেই স্টেশনে এসে থামত ন্যারো গেজের ছোট্ট বাষ্পচালিত ট্রেন।

বর্তমানে অবশ্য সেই স্টেশনের অস্তিত্ব নেই আর। ২০০৮ সালে তা অধিগ্রহণ করে সরকার। গড়ে ওঠে অনাথ মেয়েদের সরকারি হোম।

তবে মূল বাড়িটির কিছু অংশের পুনর্নির্মাণ হলেও, সামগ্রিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধুঁকছে এই ঐতিহাসিক স্থাপত্যটি। বাড়ির সামনে অবস্থিত শ্বেত পাথরের দুটি সিংহ মূর্তির একটি চুরি গিয়েছিল বহু আগেই। কয়েক বছর আগে আরেকটি সিংহও চড়া দামে বিক্রি করে দেন মহেন্দ্রনাথের উত্তরসূরিরা।

তবে শুধু ঔপনিবেশিক ইতিহাসই নয়, এই বাড়িতে শুটিং হয়েছে ‘সত্যান্বেষী’, ‘সাহেব-বিবি-গোলাম’, ‘সূর্যতপা’-সহ একাধিক জনপ্রিয় চলচ্চিত্রেরও। অভিনয় করে গেছেন স্বয়ং উত্তমকুমার। এমনকি বিদেশি বিভিন্ন চলচ্চিত্রেরও শুট হয়েছে এই দুর্গেই।

আশ্চর্যের বিষয়, সব কিছুর ব্যাপারে অবগত হয়েও সংরক্ষণে উৎসাহ দেখায়নি স্থানীয় প্রশাসন। সম্প্রতি, ঐতিহাসিক এই রাজবাড়ির সংরক্ষণে উদ্যোগী হয় রাজ্য হেরিটেজ কমিশন। বাড়ির উত্তরসূরিদের সঙ্গে কথা বলেই, স্বাক্ষরিত হয় চুক্তি। শুরু হয়ে গেছে সেই আইনি প্রক্রিয়াও। হেরিটেজ তকমা পাওয়ার পর যে অবহেলা থেকে মুক্ত হবে এমন একটি স্থাপত্য, সে ব্যাপারে যথেষ্ট আশাবাদী হেরিটেজ কমিশন।

তবে শুধু গায়েনবাড়ি নয়। ধান্যকুড়িয়ায় গায়েন বাড়ির এক কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে আরও দুটি এই একই ধাঁচের দুর্গ— সাউবাড়ি আর বল্লভবাড়ি। সেগুলিও তৈরি পুরোপুরি ইউরোপিয় আদলে। এই বাড়িগুলিকেও দ্রুত ঐতিহ্যবাহী নির্মাণের আওতায় আনা হবে বলেই জানাচ্ছেন হেরিটেজ কমিশনের আধিকারিকরা। পাশাপাশি গোটা অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে থাকা স্কুল, মন্দির ও অন্যান্য নির্মাণগুলিকেও ধীরে ধীরে হেরিটেজ তকমা দেওয়া হবে। শুরু হবে সংস্করণ প্রক্রিয়া। ছোট্ট জনবসতিতে অজস্র ঐতিহাসিক নির্মাণের জন্য ‘প্রাসাদঘেরা গ্রাম’ নামেই পরিচিত ধান্যকুড়িয়া। তবে সংস্কার এবং প্রচার অভাবে, আজ প্রায় তা বিস্মৃতপ্রায়। হেরিটেজ কমিশনের এই উদ্যোগ সেই ইতিহাসকেই আবার পুনরুজ্জীবিত করে তুলবে, তাতে সন্দেহ নেই কোনো…
=======================