Friday, February 2, 2024

118>ভ্রমন --ধানবাদ---হাততালি পুকুর

   118>ভ্রমন --ধানবাদ---

(ভাটিনডা ফলস---তোপচাচি ঝিল---উশরী ফলস

বোকারো,হাততালির পুকুর দালাহি কুন্ডের রহস্য::---


)

Dhanbad station to Usri water falls Giridih Distance 65 km.

Usri water falls to Topchanchi jharkhand distance 67 km.

Dhan bad station to Topchanchi jhil

 35.9 km. via NH 19

Bhatinda Fall is located just 14 kms away from Dhanbad railway station. The waterfalls make a perfect picnic spot for many

The Bhatinda Falls is a powerful and picturesque waterfall that cascades over pronounced rock formations. Also known as the waterfall of Moonidih, 

It is nestled amongst the greenery and the rugged hillocks.

It provides a captivating sight to the nature lovers. The falls are lined by huge rocky boulders. The cascading waterfalls instill a sense of serenity and a melancholic charm. This place gives the opportunity to experience tranquility and peaceful surroundings. If you are searching for any best hotel in Dhanbad with restaurant, this area can also give you quite a few good options. Mostly, people come here for picnic purpose. However, there are also other travelers who prefer to spend few days over here to experience the beauty of the place and its unimaginable stillness.

 It makes for an excellent picnic spot for groups looking for a quick and refreshing getaway. Surrounded by lush greenery and rugged hills, the falls offer a captivating sight to the onlookers. Nature lovers often choose to spend a few days over here to delve into the beauty and tranquillity of the place.

===================================


বোকারো,হাততালির পুকুর দালাহি কুন্ডের রহস্য::---


রহস্যময় পুকুর,ডালাহি কুন্ড::-


বোকারোর এই রহস্যময় পুকুরটি হাততালির শব্দে প্রতিক্রিয়া জানায়

ভারতের ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলার দালাহি কুন্ড বা হাততালির পুকুর, বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করেছে এবং কয়েক দশক ধরে দর্শকদের কৌতুহলী করেছে।



পুকুরটি উপরে উঠে হাততালির শব্দে প্রতিক্রিয়া করার একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে, ফুটন্ত জলের বিভ্রম তৈরি করে। পুকুরের জলের উত্স এবং উত্স অজানা, এবং অনেক বৈজ্ঞানিক তদন্ত সত্ত্বেও, ঘটনাটি অব্যক্ত রয়ে গেছে।


পুকুরটিকে স্থানীয়দের দ্বারাও পবিত্র বলে মনে করা হয়, যারা বিশ্বাস করে যে এর জলে স্নান করলে চর্মরোগ নিরাময় হয় এবং তাদের ইচ্ছা পূরণ হয়। দালাহি কুন্ডের রহস্য বছরের পর বছর ধরে অনেক বিজ্ঞানী এবং গবেষককে আকৃষ্ট করেছে, যারা বিভিন্ন তত্ত্ব প্রস্তাব করেছে কিন্তু তাদের কোনোটিই কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ বা পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত বা যাচাই করা যায়নি। দালাহি কুন্ডের ইতিহাস এবং কিংবদন্তি স্থানীয় সংস্কৃতি এবং লোককাহিনীর সাথে জড়িত এবং এতে সাধু, উল্কাপাত এবং অলৌকিক ঘটনা জড়িত।


 একটি কিংবদন্তি অনুসারে, পুকুরটি দালাহি গোসাই নামে এক সাধু দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল , যিনি শিবের ভক্ত ছিলেন। তিনি একটি ছোট স্রোতের কাছে ধ্যান করতেন, যেখানে তিনি শিবের পূজা করার জন্য হাততালি দিতেন। একদিন, তিনি লক্ষ্য করলেন যে যখনই তিনি তালি দেবেন তখনই স্রোতের জল উঠে যাবে।


তিনি এটিকে একটি অলৌকিক ঘটনা এবং শিবের আশীর্বাদ হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন এবং স্রোতের কাছে একটি মন্দির নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি স্রোতের চারপাশে একটি পুকুরও খনন করেছিলেন, যা ডালাহি কুন্ড নামে পরিচিত হয়েছিল । তারপরে তিনি লোকেদের পুকুরে স্নান করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, দাবি করেছিলেন যে এতে নিরাময় ক্ষমতা রয়েছে এবং এটি তাদের ইচ্ছা পূরণ করতে পারে।



দালাহি কুন্ডের রহস্য ও ব্যাখ্যা

দালাহি কুন্ডের রহস্য বছরের পর বছর ধরে অনেক বিজ্ঞানী এবং গবেষককে আকৃষ্ট করেছে, যারা এর রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করেছে। যাইহোক, তাদের কেউই এর অদ্ভুত আচরণের জন্য সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম হয়নি।


পুকুরের জলে কিছু দ্রবীভূত গ্যাস বা রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা শব্দ তরঙ্গের সাথে বিক্রিয়া করে এবং পৃষ্ঠে বুদবুদ বা তরঙ্গ সৃষ্টি করে। পুকুরের জল কিছু ভূগর্ভস্থ জলাধার বা বসন্তের সাথে সংযুক্ত থাকে যা সিসমিক বা আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ দ্বারা চাপে পড়ে। শব্দ তরঙ্গগুলি এমন কিছু প্রক্রিয়াকে ট্রিগার করে যা চাপ প্রকাশ করে এবং জলকে উপরে উঠায়।


ডালাহি কুন্ড

দলহি কুন্দ হার জিন্দেগী

পুকুরের জল কিছু ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বা মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় যা কিছু প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম উত্স দ্বারা উত্পন্ন হয়। শব্দ তরঙ্গ এই ক্ষেত্রের সাথে হস্তক্ষেপ করে এবং জলের স্তরে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটায়। যাইহোক, এই তত্ত্বগুলির কোনটিই কোন চূড়ান্ত প্রমাণ বা পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত বা যাচাই করা হয়নি।


ডালাহি কুন্ডের অন্যান্য বৈশিষ্ট্য

পুকুরের পানি হাততালি ছাড়া অন্য কোনো শব্দে প্রতিক্রিয়া দেখায় না। পুকুরের পানি সমানভাবে উপরে উঠে না কিন্তু শুধুমাত্র নির্দিষ্ট স্থানে বা জোনে উঠে। বারবার হাততালি দিলেও পুকুরের পানি উপচে পড়ে না বা বের হয় না। পুকুরের পানি উপরে ওঠার পরও রং বা তাপমাত্রা পরিবর্তন করে না।



ধর্মীয় তাত্পর্য

কিংবদন্তি বলছে, কয়েক বছর আগে আকাশ থেকে পড়ে যাওয়া উল্কাপিণ্ডের দ্বারা দালাহি কুণ্ড তৈরি হয়েছিল। প্রভাবটি একটি ভূগর্ভস্থ উত্স থেকে জলে ভরা একটি গর্ত তৈরি করেছিল। উল্কাপিণ্ডের কিছু চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যও ছিল যা জলকে শব্দ তরঙ্গের প্রতি সংবেদনশীল করে তুলেছিল। স্থানীয়রা ঘটনাক্রমে পুকুরের কাছে বিকট শব্দ শুনে এবং পানি উঠতে দেখে ঘটনাটি আবিষ্কার করেন। তারা এটিকে ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপের জন্য দায়ী করে এবং পুকুরটিকে একটি পবিত্র স্থান হিসাবে পূজা করে।


বহু বছর ধরে পুকুরটি তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। প্রতি বছর, মকর সংক্রান্তি উৎসবের সময়, যা জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে পড়ে, হাজার হাজার মানুষ দলাহি কুন্ডের জলে পবিত্র স্নান করতে ভিড় করে। এর আশ্চর্য প্রতিক্রিয়া দেখতে তারা পুকুরের কাছে হাততালি দেয়। পুকুরটি একটি কংক্রিটের প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত এবং একটি মন্দির যা দালাহি গোসাইকে উৎসর্গ করা হয়েছে, যিনি স্থানীয় দেবতা হিসাবে পূজনীয়।


সেখানে পাওয়া

সড়কপথে বা ট্রেনে বোকারো স্টিল সিটিতে বা রেলওয়ে স্টেশনে আসতে হবে।


বোকারো স্টিল সিটি থেকে,

 ট্যাক্সি বা অটোরিকশা ভাড়া 27 কিলোমিটার দূরে দালাহি কুন্ডে যাওয়া যায়।

=========================





117>নবদ্বীপের রাস উৎসব :::----(সংগ্রহ)

 


117>নবদ্বীপের রাস উৎসব :::----(সংগ্রহ)

  (রাস উৎসবের ইতিহাস)


শাক্তরাস হোল নবদ্বীপের প্রধান উৎসব।শরৎকালে শারদোৎসবের পরেই রাস

উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়, এবং কার্তিকীপূর্ণিমায় নবদ্বীপের এই  উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

বিজয়াদশমী বা কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা বা কালী পূজার দিন থেকে শুরু হয় এই রাস যাত্রার ক্রিয়াকান্ড ।

আর সমাপ্তি উৎসব হয় রাস পূর্নিমা বা কার্তিকীপূর্ণিমার পরেরদিন প্রতিপদে আড়ং ও বিসর্জনের মাধ্যমে।

( আড়ং ফারসি শব্দ।

গ্রামাঞ্চলের মেলাকে আড়ং বলা হয়। শব্দটি তেমন ভাবে প্রচলিত নয়। তবে নবদ্বীপের শাক্তরাস উৎসবে এটি পরিচিত নাম। কার্তিকী পূর্ণিমার দিন রাসকালী পূজা হয়, তার পরের দিন অর্থাৎ

প্রতিপদে শোভাযাত্রার মাধ্যমে দেবী মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা  হয়। এই শোভাযাত্রা উপলক্ষে মেলা বসে। এই শোভাযাত্রা ও মেলা উভয়কে মিলিয়ে আড়ং বলা হয়। )


 শাক্তদেবীদের এক একটি বিশাল বিশাল মৃন্ময়ী মূর্তি নির্মাণ করে শক্তি আরাধনাই নবদ্বীপের রাসের প্রধান বৈশিষ্ট্য। 

প্রতিটি মূর্তির কারুকার্য ও নির্মাণশৈলীর বিচিত্রতা ও শিল্পীগণের নিখুঁত শিল্পকলার

সাথে নানান রূপকল্পনা এবং ধর্মীয় পরিপাটির প্রকাশ সত্যই মন ছুঁয়ে যায়। 

একটু লক্ষ্য করলেই বোঝা যায় যে সম্মিলিত প্রভাবে প্রতিটি মূর্তি যেন অদ্বিতীয় হয়ে ওঠে। আর এভাবেই এই

উৎসব রূপে গুণে এক বিশাল আনন্দ ও ভক্তির উৎসব এই শাক্তরাস উৎসব।


নবদ্বীপ রাস যাত্রায় বিশেষ আকর্ষণ ডুমুরেশ্বরী মাতা।

এই রাস যাত্রা নানান নামে বিখ্যাত যেমন::----রাস, পট পূর্নিমা, শাক্তরাস, রাসযাত্রা, রাস-কালী।

প্রধানত শাক্ত হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাঙালি গণই এই পুজোর আয়োজন করে থাকেন।

এই রাস যাত্রার প্রধান পর্ব গুলি::--

পূজা, বলি দান, আড়ং, বিসর্জন।


রাস পূর্নিমা বা কার্তিকীপূর্ণিমার দিন বিশালাকার মূর্তি গড়ে প্রার্থনা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেবী আরাধনা

শুরু, মূলত পাটা পুজোর মাধ্যমে।


রাস যাত্রা মূলত কৃষ্ণের ব্রজলীলার অনুকরণে বৈষ্ণবীয় ভাবধারায় অনুষ্ঠিত এক ধর্মীয় উৎসবের মহা মিলন ক্ষেত্র। তবে নবদ্বীপের রাস প্রধানত শাক্তরসা। 


নবদ্বীপের জনসমাজে আবহমানকাল থেকেই ধর্ম-সংস্কৃতিতে তান্ত্রিক বীরাচারের প্রাধান্য দেখা যায়। মদ-মাংস (পঞ্চমকারের প্রধানবস্তু) ইত্যাদি আড়ম্বর নিয়েই বীরাচারের আরাধনা।


নবদ্বীপের শাক্তরাসের কারনে বৈষ্ণবীয় রাসের সাত্ত্বিক ধারা অনেকটাই কোণঠাসা। 


এই সময় এই একই দিনে নবদ্বীপে

মন্দির অভ্যন্তরে রাধাকৃষ্ণের রাসচক্র লীলা  অনুষ্ঠিত হয়।

 তবে মনে হয় যে এই রাসলীলার আড়ম্বর যেন জাঁকজমকপূর্ণ শাক্তরাসের পাশে বেশ খানিকটা ম্রিয়মান। 

নানা তথ্য প্রমাণ দ্বারা জানাজায় যে নবদ্বীপে চৈতন্যদেব রাধাকৃষ্ণের রাস উৎসবের সূচনা করেছিলেন। সেই হিসাবে ষোড়শ শতাব্দীর প্রারম্ভেই রাসের সূচনা হয়েছিল। তবে চৈতন্যদেবের সন্ন্যাস গ্রহণের পর নবদ্বীপের বৈষ্ণব আন্দোলন বেশ খানিকটা  স্তিমিত হয়ে পড়ে। 


সেই সময় গৌরাঙ্গ-পরিজনেরা বাধ্য হয়ে নবদ্বীপ ত্যাগ করে স্থানান্তরে গমন করেন। ফলে বৈষ্ণবীয় উৎসব অনুষ্ঠানের সেই ধারাবাহিকতা বিশেষ ভাবে ব্যাহত হয় ।  


দ্বিতীয় পর্যায়ে নবদ্বীপে যে রাস উৎসবের সূচনা হয় তা অভিনব এবং বাংলার ধর্মীয় ইতিহাসে তা অদ্বিতীয়।


রাস উৎসব শুরু হবার আগে নবদ্বীপে কয়েকটি কালীমূর্তি পূজার প্রচলন ছিল। 

তার মধ্যে বিশেষ উল্লেখ যোগ্য কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ প্রতিষ্ঠিত নবদ্বীপের আগমেশ্বরী মাতা।


নানান স্থানে ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতির প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় নিপীড়িত সাধারণ মানুষ তন্ত্রকে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে আঁকড়ে ধরেছিল।

এছাড়া প্রাচীন কাল থেকেই বঙ্গদেশ তন্ত্রসাধনার ঐতিহাসিক পীঠস্থান ছিল। 

জনশ্রুতি আছে, মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের প্রত্যক্ষ পোষকতায় এদেশে ব্যাপকভাবে কালীপূজার প্রসারণ ঘটে। 







পট পূর্ণিমা::---


উনবিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভে রাজা গিরীশচন্দ্রের পোষকতায় প্রবর্তন হয় রাস উৎসবের। সেই সময়ে পুজো হতো পটে, নাম ছিল 'পট-পূর্ণিমা’। পরবর্তী সময়ে 

মৃন্ময়ী মূর্তি নির্মাণ করে পূজো অনুষ্ঠিত হতো। এই সময় রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ও ঈশ্বরচন্দ্রের আমলে প্রবর্তিত কালীমূর্তিগুলির পূজার কাল পরিবর্তিত হয়ে কার্তিকী পূর্ণিমায় হয়েছিল এবং রাস উৎসবকে প্রাচীনত্ব প্রদান করেছিল।




★★★★

 শাক্ত রাস:::---




নবদ্বীপের শাক্তরাস বিষয়ে প্রথম লিখে ছিলেন গিরিশচন্দ্র বসু। 

ইনি ১৮৫৩-১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে নবদ্বীপ-শান্তিপুর ও কৃষ্ণনগরের দারোগা ছিলেন। তার রচিত “সেকালের দারোগা কাহিনী” তে নবদ্বীপের রাস সম্পর্কে তিনি লিখেছেন::----


রাসপর্বে শান্তিপুরে যেমন রঙ্গতামাসা এবং বহুলোকের সমাগম হয়, নবদ্বীপেও এই পূর্ণিমায় পটপূজা উপলক্ষে সেইরূপ সমারোহ হইয়া থাকে। নবদ্বীপের পটপূজা অতি প্রসিদ্ধ ব্যাপার। নামে পটপূজা কিন্তু বাস্তবিক ইহা নানাবিধ প্রতিমার পূজা। দশভূজা, বিন্ধ্যবাসিনী, কালী, জগদ্ধাত্রী, অন্নপূর্ণা প্রভৃতি দেবদেবীর মুর্তি গঠিত হয়। নদীয়া, বুইচপাড়া ও তেঘরির প্রায় প্রত্যেক পল্লীতেই এক একখানি করিয়া প্রতিমা হয়। প্রতিমাগুলি অত্যন্ত হালকা এমন কি ৫/৬ জন মজুরে তাহা স্কন্ধে করিয়া নাচাইতে পারে।

পটপূজার বিসর্জনের দিন উপস্থিত হইল। যে সকল স্থানে বহু প্রতিমা হয়, তাহার সর্বত্রই বিসর্জনের দিবস কোনও এক নির্দিষ্ট স্থানে এবং দর্শকদিগের মনোরঞ্জনের নিমিত্ত সমুদয় প্রতিমা আনিয়া একত্রিত করা হয় এবং ইহাকে কৃষ্ণনগর অঞ্চলে প্রতিমার আড়ঙ্গ কহে। পটপূজার বেলা দ্বিতীয় প্রহরের সময় আরম্ভ হইয়া সন্ধ্যার অনেক পূর্ব্বেই শেষ হইয়া যায়।"


=====================


  












কিছু নবদ্বীপ রাস প্রতিমার ইতিহাস


রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের (১৭২৮-১৭৮২ খ্রী) পৃষ্ঠপোষকতায় নবদ্বীপের শাক্ত রাসের প্রভূত উন্নতি হয়েছিল, সেই সময় রাজ পোষকতায় নানা পূজার শুরু হয়।

যেমন::--

এলানিয়া কালী।

তেঘরিপাড়ায় বড়শ্যামা মাতা।

চারিচারাপাড়ায় ভদ্রাকালী।

ব্যাঁদড়াপাড়ার নৃত্যকালী।


কথিত আছে ঢাকা নিবাসী শক্তি উপাসক 

ভৃগুরাম ১৭২৮ খ্রিস্টাব্দে নবদ্বীপে এসে ভাগীরথীর তীরে মহাশ্মশানে পঞ্চমুণ্ডির আসন স্থাপন করে শক্তি আরাধনায় ব্রতী হন, এই কালীর নাম এলানিয়াকালী। 

এই এলানিয়াকালীই নবদ্বীপ রাস পূর্ণিমা শাক্ত মূর্তি হিসাবে ধরা হয়। এই প্রতিমা পঞ্চমুন্ডি আসনে বিরাজমান। এটি সর্বপ্রথম পূজা হিসাবে ধরা হয়ে থাকে।


বড় শ্যামা::---

চারিচারাপাড়ায় ভদ্রকালী:---

 


জগদ্ধাত্রী পূজা:::---


নদিয়ারাজ গিরীশচন্দ্র (১৮০২-৪২ খ্রি.) ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্রের প্রকৃত উত্তরসূরি। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় বাংলার মাটিতে তন্ত্রাচারের যে বীজ বপন করেছিলেন, গিরীশচন্দ্রের উপযুক্ত পরিচর্যা ও জলসিঞ্চনে তা হয়ে উঠেছিল মহীরূহ। গিরীশচন্দ্র ছিলেন নিষ্ঠাবান তন্ত্রসাধক ও পরধর্মসহিষ্ণু। বৈষ্ণব-ঐতিহ্য অনুসারে তীর আমলেই নবদ্বীপে গড়ে উঠেছিল বৈষ্ণবীয় মন্দির এবং সূচনা হয়েছিল উৎসব, অনুষ্ঠান ও চৈতন্যচর্চার। তার আমলেই প্রচুর অর্থব্যয়ে হটহটিকা বাসন্তীপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রকাণ্ড মূর্তি নির্মাণ করে। শান্তিপুর সন্নিহিত সূত্রাগড়ে জগদ্ধাত্রী পূজার প্রচলন র্তারই কীর্তি। নবদ্বীপের রথযাত্রা ও দোলযাত্রায় তিনি প্রচুর অর্থ ব্যয় করতেন। ব্যাদড়বংশের আদি পুরুষ রাজারাম পূর্ববঙ্গ থেকে নবদ্বীপে এসেছিলেন মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের আমলে। বর্তমানে (২০০৫ খ্রিঃ অনুযায়ী) এই বংশের নবম পুরুষ আসীন। হিসাব অনুযায়ী ২৫×৯ = ২২৫ বছর আগে অর্থাৎ (২০০৫-২২৫) = ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে তিনি নবদ্বীপে এসেছিলেন, এই তথ্যানুযায়ী ব্যাদাড়াপাড়ার শবশিবার প্রতিষ্ঠাকালও কৃষ্ণচন্দ্রের উত্তরকালে। কারণ রাজারাম নবদ্বীপে এসে প্রথমে ঘর গোছানোর কাজে মনোনিবেশ করেছিলেন; বাসস্থান নির্মাণ, অন্নের সংস্থান প্রভৃতি বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের পর তবেই তিনি শক্তিপূজা প্রবর্তনে উদ্যোগী হয়েছিলেন। ক্ষেত্র সমীক্ষা করে জানা যায় যে, ব্যাদাঁড়াবিংশের আদিপুরুষ রাজারাম কর্তৃক শব্বশিবার পূজা প্রতিষ্ঠা হয়েছিল গিরীশচন্দ্রের আমলে। মূর্তির অভিনব রূপ কল্পনায় সাংখ্যের ত্রিগুণাত্মিক প্রকৃতিতত্ত্ব এবং তন্ত্রের বিপরীতরতাতুরা তত্ত্বের মিশ্রণ ঘটেছে এখানে।

শবশিবা ছাড়াও তারই আমলে যেসব রাস প্রতিমা পুজোর সূচনা ঘটেছিল নবদ্বীপে, তার মধ্যে অন্যতম হলো—নন্দীপাড়ার মহিষাসুরমর্দিনী, পুরাণগঞ্জ ও বুড়োশিবতলার বিন্ধ্যবাসিনী, মহাপ্রভুপাড়ার গোঁসাইগঙ্গা, দণ্ডপাণিতলার মুক্তকেশী, আমপুলিয়াপাড়ার শবশিবা, রামসীতাপাড়ার কৃষ্ণমাতা ইত্যাদি। আমপুলিয়াপাড়ার শবশিবা ছিলেন মহামহােপাধ্যায় শিতিকণ্ঠ বাচস্পতির ইষ্টদেবী।

পুরাণগঞ্জ গঙ্গাগর্ভে নিমজ্জিত হওয়ার পর এখানকার বিন্ধ্যবাসিনী উঠে আসে শ্রীবাস অঙ্গনে।


পাটা পূজা



পাটা পূজা, কোজাগরী পূর্ণিমার দিন পাটা পূজা

নবদ্বীপের রাস উৎসবের সূচনা হয়ে যায় পাটা পুজোর মাধ্যমে। পাটা হলো শাল কাঠের তৈরী একটি কাঠামো, এর উপরেই মূল ঠাকুরের কাঠামো তৈরী করা হয়। দেবী পূজার মতো পাটা পূজাও মহা সমারোহে উদ্‌যাপন করা হয় বিজয়া দশমী, কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা এবং কালী পুজোর দিন এই পাটা পুজো হয়। ওই দিন মহা ধুমধাম সহকারে এই পাটা পূজা করা হয়। এরপরই ঠাকুর তৈরির কাজ শুরু করা হয়। সাধারণত সারা বাংলায় লক্ষ্মী পুজোর দিন বেশি আওয়াজ না করার রীতি আছে তবে নবদ্বীপে পাটা পুজোর সময় (লক্ষ্মী পুজোর দিন) বাজি, শব্দ বাজি ফাটানো হয়।


মৃৎশিল্প ও নবদ্বীপ রাস

রাস মেলা বা উৎসব যখন থেকে শুরু তখন থেকে  রাস উৎসব শুরু হয়ে ছিল 'পট' পূজার মাধ্যমে । 

জানাজায় মাটির প্রতিমা তৈরির জন্য

মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আমন্ত্রণে মৃৎশিল্পীরা নাটোর থেকে নবদ্বীপে আসেন। 

জানাজায়  কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীরা ইংরেজদের পৃষ্ঠপোষকতাতেই বেড়ে ওঠে ছিল।


পটপূজার পরে ক্রমে মৃন্ময়ী(মাটির) মূর্তিপূজোর প্রচলন হয়। তখন লোকমুখে রাস উৎসব ‘রাসকালী” পূজা নামে পরিচিত ছিল। 


তারপর থেকে একে একে বিশাল বিশাল মূর্তি নির্মাণে নবদ্বীপের শিল্পীদের অসাধারণ দক্ষতা কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে। অনেক জায়গাতেই বিশাল মূর্তি হয় কিন্তু নবদ্বীপের রাসের মূর্তি বিশালত্বের মধ্যেও প্রতিটি অঙ্গের আনুপাতিক মাপ বজায় রাখা হয়।


"নবদ্বীপের মূর্তির বিশালত্বের মধ্যেও প্রতিটি অংশের সুষমা অক্ষুণ্ণ রাখা, বিভিন্ন দেবতার শাস্ত্রীয় কল্পনাকে মাটির সাহায্যে বাস্তবে রূপায়িত করা বিশ্বের যে কোন দেশের পক্ষে যুগপৎ বিস্ময় ও গৌরবের বস্তু" - কার্টুনিষ্ট চণ্ডী লাহিড়ি


নবদ্বীপ-কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীদের নির্মাণশৈলীর প্রশংসায় দেশ-বিদেশে সমান প্রচারিত। নবদ্বীপের শিল্পীরা বিশালাকার মূর্তি নির্মাণে স্বকীয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন। নবদ্বীপের মৃৎশিল্পীদের সম্পর্কে ড. সুধীর চক্রবর্তী লিখেছেন,


অতিবড় মূর্তির অবয়ব গঠনে মৃৎশিল্পীর দক্ষতা প্রশ্নাতীত। ভারসাম্য ও বিন্যাস একেবারে নিখুঁত জ্যামিতিক। কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীরা ছোটাে পুতুলে দক্ষ কিন্তু এতবড় মূর্তি গড়তে পারবে না। চন্দননগরের মৃৎশিল্পীরা বিশাল জগদ্ধাত্রী গড়তে পারেন। কিন্তু তার সুষমা কম।★★


সবটাই ঢেকে যায় শোলার সাজের আড়ম্বরে। নবদ্বীপের সবকটি মৃৎমুর্তি সুসম, সুগঠিত ও লাবণ্যময়। এ গঠনে ধরা আছে বহুদিনের রক্তগত জাতিবিদ্যার অহংকার।

নবদ্বীপের খ্যাতিমান মৃৎশিল্পীরা হলেন – সন্দু পাল, ফন্তে পাল, বেঁটে পাল, পাল, নানু পাল, বিজন পাল, জগদীশ বিশ্বাস, রমেন পাল (জুনিয়র), প্রদীপ৷ দাস, নাড়গোপাল দাস, অচিন পাল, ললিত পাল, কান্তি পাল, শিবু, পাল, কাশীনাথ পাল, হাজারী পাল, বলাই পাল, কালী পাল, ধর্ম পাল, প্রশান্ত পাল, গৌরাঙ্গ পাল, দেবাশিস পাল ,গৌতম সাহা প্রমুখ। পাথরের মূর্তি নির্মাণে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন রমেন পাল (১৯২৬-৯২ খ্রি.)।


প্রতিমা ও চালচিত্র


নবদ্বীপ রাসে শতাধিক বছরের প্রাচীন যে সকল শাক্ত দেবী পূজিত হয়, সেই সকল প্রতিমার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল চালচিত্রের প্রয়োগ। গৌরাঙ্গিনী মাতা, মহিষমর্দিনী, ভদ্রকালী, নৃত্যকালী, শবশিবা মাতা, দেবী গোষ্ঠমাতা, রণকালী মাতা প্রভৃতি প্রতিমাগুলিতে চালচিত্রের ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা যায়। প্রতিমায় চালচিত্রের প্রয়োগ নবদ্বীপ রাসযাত্রার প্রাচীনত্বকে তুলে ধরে। বিখ্যাত লোকসংস্কৃতি বিশেষজ্ঞ সুধীর চক্রবর্তী তার সুধীর চক্রবর্তী রচনাবলী, ১ খণ্ড পুস্তকে নবদ্বীপ চারিচারাবাজারের ভদ্রকালী মাতার চিত্রসহ চালচিত্রের বর্ণনা দিয়েছেন।


নবদ্বীপ শাক্তরাসের চিত্রসম্ভার


বড়শ্যামা মাতা।

মেজ শ্যামা ।

সেজ শ্যামা ।

ছোট শ্যামা ।

কাত্যায়নী মাতা ।

নবদুর্গা মাতা ।

তারামা ।

নবদ্বীপ রাসের কালী ।

বামা কালীমাতা ।

রণ কালী মাতা ।

কালী মাতা ।

চন্ডি মাতা ।

বিন্ধ্যবাসিনী ।

চারিচারা পাড়ার ভদ্রাকালী ।

শবশিবা মাতা ব্যাদরাপাড়া ।

নৃত্য কালী ব্যাদড়াপাড়া।

মহিষমর্দিনী ব্যাদড়াপাড়া ।

দেবী গোষ্ঠমাতা ।

মহীরাবণ বধ ।

ডুমুরেশ্বরী মাতা ।

নবদ্বীপের রাসের প্রতিমা ।

মুক্তকেশি চারিচারা বাজার ।

গৌরাঙ্গিনী ।

গৌরাঙ্গিনী যোগনাথ তলা ।

=============================









116> কাশ্মীর( ভ্রমন আরও লিখতে হবে )

   116> ( ভ্রমন আরও লিখতে হবে )

1)কাশ্মীর, লে, লাদাখ,:::----

2) লাদাখ ও দা হানু উপত্যকা::---

3)


========================

কাশ্মীর, লে, লাদাখ,:::----কাশ্মীর, লে, লাদাখ,:::----

সেদিন আমরা তিনজন তৈরি হচ্ছিলাম লাদাখ যাবার জন্য।

চারজনে একসাথে দশ দিনের ছুটির জন্য এপ্লিকেশন ফর্ম ফিলাপ করছিলাম হঠাৎ পি পি সিং (পৃথি পাল সিং ) এসে হাজির এবং ও জখনি শুনলো যে আমরা লাদাখ যাবার প্লান করছি, তখনই পি পি সিং বললো ওর মামা বাড়ি লাদেখের ---

রাং ডুঙ গ্রামে।

আমরাও বেশ খুশি হলাম যে একজন জানাশুনা বন্ধু পেলাম।

পৃথি পাল সিং একজন রিটায়ার্ড সৈনিক,

ওর নিজের বাড়ি দেরাদুনে।

বতর্মানে বিসিসি এল এর এরিয়া3র আকাশ কিনারী নামক কোলিযারীর হোলপ্যাক অপারেটর।

পিপি সিংও আমাদের সাথে যাবার জন্য রাজি হল।



( লে  লাদাখের জন্য মহা মন্ত্র::---

তা হল রুমালে বেঁধে রাখা কর্পূর। শ্বাস কষ্ট শুরু হলেই একটু শুঁকে নিলেই বেশ স্বস্তি বোধ হচ্ছিল।)


আমরা শিয়ালদা জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেসে

জম্মু তাওয়াই পৌঁছে সেখান থেকে কাশ্মীর পৌঁছলাম।

সেদিন শুক্রুবার , ৮ জুলাই, 1981

আমরা কাশ্মীর পৌছেই এক 

হাউসবোটে উঠলাম। দিনের খাওয়া সেরে বেরিয়ে পড়লাম সিকারায় চড়ে ডাল লেক ঘুরতে। লেকের ধারে যেতেই শিকারা চালকরা এগিয়ে এলো তাদের সাথে দর কষা কোষী করে দুই ঘণ্টার জন্য আমরা 

শিকারায় করে ঘুরে বেড়ালাম।

 যেতে যেতে দেখলাম ডাল লেকের ধারে যেখানে জলের স্তর কম সেখানে আসে পাশের গ্রামের লোকেরা বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ করে।

আবার এই লেকের মধ্যেই রয়েছে ঐতিহ্যবাহী কাশ্মীরি পোশাক ও শালের দোকান। আর একটু এগুতেই পৌঁছে গেলাম নেহরু পার্ক।  ঐ পার্ক ঘোরবার জন্যে সিকারাওলা সময় দিয়েছিল।

দেখলাম অন্যান্য নানান শিকারায়

করে কাশ্মীরি কেশর, ফুলের তোড়া বিক্রি হচ্ছে, এছাড়াও ঐতিহ্যবাহী কাশ্মীরি পোশাক পরে ছবি তোলার হিড়িকও রয়েছে। 

শিকারা ভ্রমণ সেরে গিয়েছিলাম শ্রীনগরের লাল চৌক মার্কেট ঘুরতে। 

সেখান থেকে ফিরে গেলাম হাউসবোটে



০৯/জুলাই::---

পরেরদিন সকাল সকাল গেলাম শ্রীনগর থেকে ৩০কিমি দূরে অবস্হিত গাণ্ডেরবাল জেলার অন্তর্গত মনসাবল লেক ঘুরতে। এই লেককে ভারতের সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ বলেও বিবেচনা করা হয়। এখানে এ

মনসাবল লেক ও লেকের সঙ্গেই ঝরখা বাগ ঘুরে দেখতে এন্ট্রি ফি লাগে।


এই মনসাবল থেকে১২ কিলো মিটার দূরে গেলাম ক্ষির ভবানী মন্দিরে। 

এরপর একে একে হজরতবল, পরিমহল,মুঘল গার্ডেন, শালিমার বাগ, চাসমে শাহী দেখে চললাম শঙ্করাচার্জর 

মন্দির দর্শনে। কিছুটা পথ করে করে গিয়ে   প্রায় ২৬০ খানা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে পৌঁছে গেলাম শঙ্করাচার্জর মন্দিরে। 


উপরে মন্দিরে পৌঁছে যখন চারপাশের সুন্দর দৃশ্য দেখলাম তখন অতগুলো সিঁড়ি ভাঙার সকল ক্লান্তি আপনিই দূর হয়ে গেল। এই মন্দির থেকে পুরো শ্রীনগর শহর দেখতে পাওয়া যায় যা এক কথায় অপূর্ব। 

(এখানে ফটো তোলা নিষেধ ) অতএব আমার ক্লিক থ্রি ব্যগেই বন্ধ রইলো।

এরপরে নীচে নেমে রেস্তোরাঁয় দুপুরের খাবার খেয়ে সোজা চলে গেলাম আমাদের হাউসবোটে।

শ্রীনগরের সমস্ত সাইট সিন আমরা একটা

কার রিজার্ভ করেই  করেছিলাম।

সন্ধ্যায় পৌঁছে গেলাম লাল চৌক।

লাল চৌকের আসে পাশে  বেশ কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরির পর সোজা চলে গেলাম মোঘল দরবার। তারপরে এক হোটেলে  কাশ্মীরি বিরিয়ানি খেয়ে ফিরে আসলাম 

হাউসবোটে।


পরের দিন ১০/জুলাই::----

 












=======+++++++++■■■■■■■■■

শ্রীনগর বাস স্ট্যান্ড থেকে একটা অটো ভাড়া করে সোজা চলে গেলাম শ্রীনগর স্টেশনে, এই স্টেশনটি আবার, একদম সেই অমরনাথ যাত্রার পারমিশন অফিসের পাশেই অবস্হিত।


=============================


2) লাদাখ ও দা হানু উপত্যকা::---


লাদাখের লেহ জেলার দা-হানু উপত্যকায়   ব্রোকপা নামক  উপজাতি গনের বাস।অনেকের মতে বিশেষ করে এখানকার এই ব্রোকপা উপজাতি গণ নিজেদের প্রকৃত আর্য বংশোদ্ভুত জনজাতি হিসাবে মনেকরে। বিশেজ্ঞ গণের মতে এই ব্রোকপা উপজাতি শেষ এবং খাঁটি আর্য বংশোদ্ভুত জনজাতি। 

লাদাখ থেকে এই অঞ্চল বেশ কিছুটা নীচুতে অবস্থিত হওয়ার জন্য এখানে শীত অনেকটাই কম। লাদাখের আসেপাশের  সেই তীব্র জমে যাওয়া ঠাণ্ডা নেই এখানে। বলা ভাল এই অঞ্চল চিরবসন্তের। 

তাইতো চিরবসন্তের গ্রাম বললেই চলে।

এ-হেন চিরবসন্তের গ্রামে ওখান কার আদিবাসী সেই ব্রোকপাদের সাথে ওদের গ্রামের মধ্যে দুই- একটি দিন খুব আরামে বিশেষ রোমাঞ্চ কর পরিবেশে  কাটিয়ে আসা যায়। 

অসামান্য সুন্দর হয় এখনকার মানুষেরা।

রূপে গুণে অতুলুনিয় এখানকার মানুষেরা। ওদের ব্যবহার অস্থিতিয়তা ভুলবার নয়।এখানকার প্রকৃতি যেমন সুন্দর মন্মুগ্ধ কর মানুষেরাও ঠিক তেমনি

সুন্দর, সুন্দর ওদের প্রাণখোলা ব্যবহার।

পর্যটক দের ওরা ঈশ্বর রূপে সেবা যত্ন করে। ত্রুটি মুক্ত প্রাণ খোলা আথিতয়তা কোনদিন ভুলবার নয়।

ওদের সাজগোজ ও বেশভূষা খুবই সুন্দর।

পুরুষ ও নারী উভয়েই সাজতে ভালবাসে। মাথায় ফুল এবং ধাতব গয়না দিয়ে ব্রোকপা উপজাতির সাজ জগৎখ্যাত।


দা-হানু উপত্যকার গ্রামে একটু ঘুরলেই চোখে পড়বে আঙুর, আপেল, খুবানি, বার্লি আর আখরোটের বাগান। এই গ্রামে পাওয়া যায় কমলা রঙের এক ধরনের ফুল যা বহু বছর একই রকম থেকে যায়।

এই চিরবসন্তের গ্রামে মনোরম পরিবেশে, নানান ফুল ও ফলের বাগানে দু-দিন কাটালে মন- প্রাণ উভই ঝড়ঝরে তাজা হতে বাধ্য।

আমার মতে প্রকৃতই স্বর্গ বলে যদি কোন স্থান থেকে থাকে পৃথিবীতে তবে সেই জায়গাটি এই লেহ জেলার দা-হানু উপত্যকায়।

 


115> || ডায়মন্ড হারবার থেকে -গঙ্গাসাগর ক্রুজ!

 


 115> || ডায়মন্ড হারবার থেকে -গঙ্গাসাগর ক্রুজ! 

শুক্রু,শনি ও রবি বার চলবে।

বিলাসবহুল ক্রুজে চেপে গঙ্গাসাগরে। 


ডায়মন্ড হারবার থেকে সকাল 9:30 am

 Beck কচু বেরিয়ে থেকে বিকেল 

4:30 pm.

ভাড়া ₹ 390/- থেকে ₹1400/-

ভাড়াটাই গড়বড় লাগছে।


সৌজন্যে এএফপি ও ফেসবুক 

(Osprey Waterways India LLP)


বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল সেই পরিষেবা। ডায়মন্ড হারবার পুরসভা এবং বেসরকারি ক্রুজ পরিচালনকারী সংস্থা অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে সেই পরিষেবা শুরু করা হয়েছে। ওই বেসরকারি সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ক্রুজ পরিষেবা চালুর ফলে যেমন দ্রুত গঙ্গাসাগরে পৌঁছানো যাবে, তেমনই মনোরম হবে যাত্রা। সম্পূর্ণ শীতাতাপ-নিয়ন্ত্রিত ১৫৬টি আসনের ক্রুজে চেপে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন মানুষ।



ডায়মন্ড হারবার-গঙ্গাসাগর-ডায়মন্ড হারবার বিলাসবহুল ক্রুজের সময়

অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের তরফে জানানো হয়েছে, সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে ডায়মন্ড হারবার ফেরিঘাট থেকে সেই বিলাসবহুল ক্রুজ ছাড়বে। রওনা দেবে কচুবেড়িয়ার (গঙ্গাসাগর) উদ্দেশে। সেখানে পৌঁছাবে সকাল ১১ টা ৩০ মিনিটে। আবার ফিরতি পথে কচুবেড়িয়া বিকেল ৪ টে ৩০ মিনিটে রওনা দেবে।ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে।


তবে গঙ্গাসাগর মেলার চারদিন (আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে আগামী ১৬ জানুয়ারি) বেশি সংখ্যক ক্রুজ চালানো হবে। ওই বেসরকারি ক্রুজ পরিচালনকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, উভয় অভিমুখে দিনে মোট ছ'টি ক্রুজ চলবে (তিনটি আপ এবং তিনটি ডাউন)। সেই ক্রুজের সময় দেখে নিন -


১) ডায়মন্ড হারবার-গঙ্গাসাগর ক্রুজের সময়: সকাল ৮ টা ৩০ মিনিট (পৌঁছাবে সকাল ১০ টায়), বেলা ১২ টা ৩০ মিনিট (পৌঁছাবে দুপুর ২ টোয়) এবং বিকেল ৫ টা (পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে)।



২) গঙ্গাসাগর-ডায়মন্ড হারবার বিলাসবহুল ক্রুজের সময়: সকাল ১০ টা ৩০ মিনিট (পৌঁছাবে বেলা ১২ টা ৩০ মিনিটে), দুপুর ৩ টে (পৌঁছাবে বিকেল ৪ টে ৩০ মিনিটে) এবং সন্ধ্যা ৭ টা (পৌঁছাবে রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে)।


 বিলাসবহুল ক্রুজে দুটি শ্রেণি আছে - ইকোনমি শ্রেণি এবং প্রিমিয়াম শ্রেণি। কোনও যাত্রী যদি চান, তাহলে শুধুমাত্র ডায়মন্ড হারবার থেকে গঙ্গাসাগর যাওয়ার বা গঙ্গাসাগর থেকে ডায়মন্ড হারবার আসার টিকিট কাটতে পারেন (ওয়ান ওয়ে টিকিট)। আবার ‘টু'ওয়ে টিকিট’ কেটে ফেলারও সুযোগ পাবেন। তবে গঙ্গাসাগর মেলার সময় (১৩ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি) ভাড়া কিছুটা বাড়বে। প্রতিটি টিকিটের যে ভাড়া আছে, সেটার সঙ্গে জেটি ফি বাবদ ২৯ টাকা যুক্ত হবে।



১) ‘ওয়ান ওয়ে' ইকোনমি শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ভাড়া পড়বে ৫৯৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬৯৮ টাকা পড়বে। গঙ্গাসাগর মেলার চারদিন আবার ভাড়া বাবদ ৯৮৯ টাকা দিতে হবে। তবে অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের সময় সেটা ১,৪০০ টাকা দেখাচ্ছে।


২) ‘ওয়ান ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ‘ওয়ান ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের ভাড়া পড়বে ৭৪৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারির টিকিট কাটতে ৮৯৮ টাকা খরচ পড়বে। আর গঙ্গাসাগর মেলার চারদিন ‘ওয়ান ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের দাম পড়বে ১,১৯৮ টাকা। অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের সময় সেটা দেখাচ্ছে ১,৫০০ টাকা।


৩) ‘টু'ওয়ে' ইকোনমি শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত খরচ পড়বে ৯৯৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ১,০৫৮ টাকা লাগবে। আর ১৩ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত টিকিটের ভাড়া হচ্ছে ১,৮০০ টাকা।


৪) ‘টু'ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ভাড়া লাগবে ১,১৯৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ১,২৫৮ টাকা পড়বে টিকিটের দাম। যা গঙ্গাসাগর মেলার চারদিনে বেড়ে দাঁড়াতে চলেছে ১,৯৯৮ টাকা।


কীভাবে ডায়মন্ড হারবার-গঙ্গাসাগর বিলাসবহুল ক্রুজের টিকিট বুকিং করবেন?

অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের তরফে জানানো হয়েছে, অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও টিকিট বুকিং করা যাবে। অফলাইনে টিকিট বুকিংয়ের জন্য 9073380163 এবং 82749 29297 নম্বরে ফোন করতে হবে বলে বেসরকারি ক্রুজ পরিচালনকারী সংস্থার ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে। আর অনলাইনে টিকিট বুকিং করতে অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের ওয়েবসাইটে যেতে হবে। কীভাবে অনলাইনে টিকিট বুক করবেন, তা দেখে নিন।

===========================


সাগরের পথে নৌকায় নয়  লঞ্চে 12/01/2924

ডায়মন্ডহারবার থেকে নদী পথে চলেছি সাগরের দিকে।

মনে পড়ে বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের নায়ক নবকুমারের সেই বিখ্যাত উক্তিটি 

"আহা! কি দেখিলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না৷"-------

"দূরাদয়শ্চক্রনিভস্য তন্বী তমালতালীবনরাজিনীলা।

আভাতি বেলা লবণাম্বুরাশের্দ্ধারানিবদ্ধের কলঙ্করেখা।”

সত্যি সমুদ্র  অনেক দেখেছি কিন্তু এই বঙ্গপসাগরের সৌন্দর্য বর্ণনার অতীত।

তাইতো নিজের ক্ষমতা নেই  এর বর্ননা করা।

সেই কারণেই  সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র

চট্টোপাধ্যায়ের উক্তি টি লিখলাম।

============================

114> || রামমন্দিরের গর্ভ গৃহে প্রাণপ্রতিষ্ঠা::--

 



 114> || রামমন্দিরের গর্ভ গৃহে প্রাণপ্রতিষ্ঠা::--

22 জানুয়ারী2024--সোমবার।


রামলালার মূর্তির বিষয় কিছু তথ্য :--


●1>২২ জানুয়ারী ২০২৪ সোমবার অযোধ্যায় প্রতিষ্ঠিত হলো রাম লালার মূর্তির কালো কষ্টিপাথরে তৈরি এই মূর্তির মধ্যে রামলালার প্রতিকৃতির রয়েছে বিস্ময়কর আকর্ষণ। যেন সত্যিই জীবন্ত ভগবান শ্রী রামের 5 বৎসরের শিশু অবতার। 

বুধবার রাতেই 51"ইঞ্চি=4'ফুট 3"ইঞ্চি= 4.25ফুট।

 লম্বা এবং 3'ফুট চওড়া।

ওজন প্রায় 200 কেজি।

এই মূর্তিটি মন্দিরে আনা হয় । 

বৃহস্পতিবার মন্ত্র উচ্চারণের মধ্যে মন্দিরের গর্ভগৃহে এই প্রতিমা স্থাপন করা হয়। তখন এই প্রতিমার চোখ হলুদ কাপড়ে ঢেকে প্রতিমার গায়ে গোলাপের মালা পরানো হয়। 

প্রতিমাটি পাঁচ বছরের শিশুর কোমলতাকে প্রতিফলিত করে। 

এই শ্যাম শিলার বয়স হাজার বছর, এটি জল প্রতিরোধী শিলা।



●2>রামলালার এই মূর্তিটি তৈরি করেছেন কর্ণাটকের ভাস্কর অরুণ যোগীরাজ। এটি একটি মাত্র কালো কষ্টিপাথরে তৈরি। অর্থাৎ প্রতিমার পাথরে অন্য কোনও পাথর যোগ করা হয়নি।


●3>রামলালার সুন্দর মূর্তিটির দুই ধরে বিষ্ণুর 10 অবতারের মূর্তি দেখা যায়। 

এই 10 অবতার হলেন – মৎস্য, কূর্ম, বরাহ, নরসিংহ, বামন, পরশুরাম, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ, কল্কি।


●4>মূর্তির চারপাশের ফলকে একপাশে শ্রী হনুমান এবং অন্যপাশে গরুড় রয়েছে।

 

●5>রামলালার এই মূর্তিতে মুকুটের পাশে সূর্যদেব, শঙ্খ, স্বস্তিক, চক্র ও গদা দৃশ্যমান। মূর্তির মুকুটের পিছনে আছেন সূর্য দেবতা যিনি ভগবান রামের পারিবারিক দেবতা।


●6>মূর্তির মধ্যে রামলালার বাম হাতে ধনুক ও তীর ধরার ভঙ্গি দেখানো হয়েছে।

============================

 




 

113>|| কোলকাতার জগন্নাথ মন্দির (খিদিরপুর) |

  113>|| কোলকাতার জগন্নাথ মন্দির (খিদিরপুর) ||

Jagannath temple kolkata::----

( Kidderpore.) এতে যেতে চাই,

তুমি কি পারবে নিয়ে যেতে?

পারলে কবে পারবে একটু জানিও।

তাড়াহুড়োর কোন কারণ নাই,

তোমার জবে সুযোগ সুবিধা হবে।

আমি 03/01/2024 পর্যন্ত থাকবো বাড়িতে । 


Sri Jagannath Seva Samiti

Dock East Boundary Road,

CPT Compound, Kidderpore,

Kolkata - 700023, West Bengal

Phone (Temple Office) : (033)2459 1500, 9748705115



Contact : President : Chandra Shekhar Panigrahi

Vice President Parshuram Bishoyi : 9051733441

General Secretary: Pramod Kumar Jena : 9830110767

Ramakant Mohanty Manager (Public Relations) : 9836247710

Email : jssutkala@gmail.com, jagannathtemplekolkata@gmail.com

==========================

112> || ভ্রমন ক্ষীরাইয়ের ফুলের বাগান::----

  112> || ভ্রমন ক্ষীরাইয়ের ফুলের বাগান::----


26/01/2024 দেখে এলাম ক্ষীরাইয়ের ফুলের বাগান।

Flower Valley of Khirai at Panskura 


Khirai Valley Of Flowers : শীতকালে  ছুটির দিনে  ঘুরে আসলাম ক্ষীরাইয়ের ফুলের বাগান।

রাজ্যের অন্যতম ফুল উৎপাদনের জায়গা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া। এই পাঁশকুড়ার ক্ষীরাইকে অনেকে আবার ফুলের দেশ  বলে। 

তবে তারা তেমন ভুল বলে না

সারাবছর কমবেশি ফুলের চাষ হলেও শীতের সময় রঙবাহারি ফুলের সম্ভার ফুটে উঠেছে। রঙবাহারি ফুল দেখতে  পর্যটকদের ভীড় বেড়েই চলেছে,

কারন ফুল কে না ভালোবাসে। 

তাইতো শীতের সকালে ফুলের সমারোহ মনকে শান্ত করে দেয়।

ফুলের গন্ধে মন প্রাণ ভরে যায়,

তাইতো সকলে ভিড় জমায়।


চোখ যতদূর যায় বিঘার পর বিঘা জমিতে চোখ ধাঁধানো বাহারী ফুলের সমারোহ। চোখ জুড়ানো এক মনোরম পরিবেশ। বাগানের ফুলে ফুলে ডানা মেলছে রঙিন প্রজাপতি। মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌমাছির দল। দিগন্ত বিস্তৃত বাগানের চারিদিকে শুধু ফুলের সারি। সত্যিই মন ভালো করার মতো পরিবেশ।

জানতে পারলাম---

"গত কয়েক বছরের মধ্যে ক্ষীরাই তার ফুলের জন্য জনপ্রিয়তা পেয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা তো বটেই পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন রাজ্য থেকেও পর্যটকরা আসছেন ক্ষীরাইয়ের ফুলের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে। বাগানের সামনে এসে দাঁড়িয়ে এক পলক দেখে মনে হবে এক চিত্র শিল্পীর আঁকা বিরাট একটা রঙিন ক্যানভাস।"

সত্যি চারিদিকে শুধু ফুল আর ফুল। শীতের সময় তাই মাঠে মাঠে গাঁদা ফুলই বেশি। এছাড়াও রয়েছে অ্যাস্টর, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া প্রভৃতি। তবে গোলাপের বাগান খুবই কম,নেই বললেই চলে। দোকানে যে গোলাপ বিক্রি হচ্ছে তা সবটাই পার্শ্ববর্তী পাঁশকুড়া বা কোলাঘাট থেকে আনা হয়। বাগানে রয়েছে সর্ষে, আলু, ফুলকফি, বাঁধাকফি ও শালগমের চাষও। রোজ হাজার হাজার পর্যটক আসছেন। ফুলের বাগান ঘুরে দেখছেন, দেদার ছবি তুলছেন। 

কেউ কেউ আবার ফুল বা ফুলের চারা কিনছেন । সত্যিই কয়েক ঘণ্টা সুন্দর সময় কাটানোর জায়গা এই ক্ষীরাই ফুলের উপত্যকা।


তবে যাতায়াতের পথ ভীষণ ভয়াবহ।

চার চাকার গাড়ি যাবার পথে নাই বললেই চলে। যদিও সকলে ওই ভয়াবহ রাস্তা দিয়েই পৌঁছে যায় ফুলের আকর্ষণে।

সকলেই প্রায় প্রাণ হাতে নিয়ে পৌঁছে যায়।

তবে টোটো বা অটো করে যাওয়াই ভালো। 

সত্যি বিপদ সঙ্কুল পথ।


ট্রেনে করে  ক্ষীরাই স্টেশনে নেমে দু'কিমি হাঁটা পথ। তবে রয়েছে টোটো,অন্যান্য চারচাকার যানবাহন। জন প্রতি কুড়ি টাকা।


পাবেন প্রচুর খাওয়াদাওয়ার দোকান

বাগানের আশেপাশে গড়ে উঠেছে প্রচুর অস্থায়ী দোকানপাট। 

বাগানের পাশেই বয়ে চলেছে কংসাবতী নদী। শীতকালে নদীতে জলও খুব কম। 

তাই এপার ওপর যাবার জন্য স্থানীয় মানুষেরা জলে ইট পেতে অস্থায়ী রাস্তা বানিয়ে দিয়েছে।


ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় বেশি থাকে। 

===========================


111>নিমাই তীর্থ গৌড়ীয় মঠ::--শেওরাফুলি.

111>নিমাই তীর্থ গৌড়ীয় মঠ::--শেওরাফুলি.

বদ্যবটি স্টেশন বা শেওরাফুলি স্টেশনের কাছে।


ভোগ প্রসাদের কুপন দেওয়া হয় সকাল 9টা পর্যন্ত।

সেই কারনে ফোন করে একদিন আগে ভোগের প্রসাদের জন্য বুক করতে হয়।

Ph No::-- 09432224686

কুপন ₹80/- মাথা পিছু।

বদ্যবটি স্টেশন বা শেওরাফুলি স্টেশনে নেবে রিক্সা বা টোটোকরে যেতে হবে 20টাকা ভাড়া।

খুব সুন্দর মঠ। অনেক কিছু দেখবার আছে।


Station:--Bodyabati or  sheorafuli.

=========================

মহানির্বান মঠ, গরিয়াহাট, বালিগঞ্জ।

কোলকাতা 700029।


Mahanirvan Math .

113,Rash Bihari Ave.

Dover Terrace.Ballygunge.

Gariahat.

Kolkata 700029

Near::--Portis Hospital Kidney Institute.

গড়িয়াহাট, 

প্রসাদের কুপন দেওয়া হয় সকাল 10 টা পর্যন্ত।

কুপনের কোন নির্ধারিত মূল্য নেই যে যা দেবে।

খুব সুন্দর যায়গা।

==================_______