119>পণ্ডিচেরি=অরোভিল= Auroville--+(14/97)
3>চেন্নাই--মহাবলীপুরম::-----
3>Tour to Pondicherry & near by
==========================
122/1>পণ্ডিচেরি=অরোভিল= Auroville--
ঋষি অরবিন্দ ঘোষ ও শ্রীমা -(-মীরা আলফাসা।)
ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের ভিল্লুপুরম জেলা, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে
বিংশ শতকের ষাটের দশকে পরীক্ষামূলক ভাবে স্থাপিত হয় অতিসুন্দর এক স্বপ্নের শহরে।
চেন্নাই থেকে প্রায় দেড়শো কিলোমিটার ও পুদুচেরি হতে প্রায় বারো কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত এই ছোট্ট নগর।
ফরাসি ভাষায় 'aurore' শব্দের অর্থ প্রভাত বা ভোর আর ville শব্দের অর্থ নগরী। সেই অর্থে অরোভিল হল "প্রভাত নগরী" বা "ভোরের শহর"।
আবার অন্য মতে অনেকে বলেন অরোভিল শব্দ টি এসেছে অরো অর্থাৎ ভারতের বিশিষ্ট দার্শনিক ও তার আধ্যাত্মিক গুরু ও যোগী শ্রী অরবিন্দের নাম থেকেই। শ্রীমা অর্থাৎ মীরা আলফাসা তার গুরুর স্বপ্নকে সার্থকরূপ দিতে
1968 খ্রিস্টাব্দের 28 ফেব্রুয়ারি এই নগরীর পত্তন করেন।
নগরীর স্থপতি ছিলেন রজার অ্যাঙ্গার নামের এক বৃটিশ আর্কিটেক্ট।
ভোরের শহর বা অরোভিল
তামিলনাড়ু-
স্থানাঙ্ক: ১২°০′২৫″ উত্তর ৭৯°৪৮′৩৮″ পূর্ব
শহরের প্রতিষ্ঠাতা=শ্রীমা(মীরা আলফাসা)
IST (UTC+5:30)
PIN::---605 101
Telephone code -=0413
www.auroville.org
"1926 খ্রিস্টাব্দে 24 শে নভেম্বর পণ্ডিচেরিতে প্রতিষ্ঠিত হয় 'শ্রীঅরবিন্দ আশ্রম'।
তবে এই আশ্রম প্রতিষ্ঠার এক মাসের মধ্যেই আশ্রমের যাবতীয় ভার মীরা আলফাসা তথা শ্রীমায়ের হাতে দিয়ে নিজে অন্তরালে চলে যান তার গুরু ঋষি অরবিন্দ।
শ্রীঅরবিন্দ সোসাইটির কার্যকরী সভাপতি শ্রীমা শ্রীঅরবিন্দের নির্দেশিত পথে যোগ সাধনা করতে সঠিক পরিবেশের প্রয়োজন অনুভব করলেন। শেষে 1964 খ্রিস্টাব্দে পণ্ডিচেরিতে শ্রীঅরবিন্দ সোসাইটির এক বার্ষিক সম্মেলনে মীরা আলফাসার সভাপতিত্বে অরবিন্দের দর্শনের উপর ভিত্তি করে একটি নগরী পত্তন করার পরিকল্পনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তার কিছু বছর পর ইউনেস্কার সহায়তায় শ্রীঅরবিন্দ সোসাইটির শ্রীমা মীরা আলফাসা অরোভিল শহর প্রতিষ্ঠা করেন। 1965 খ্রিস্টাব্দে মীরা আলফাসা জনসমক্ষে এক বিবৃতিতে বলেন
অরোভিল একটি সর্বজনীন শহর হতে চায় যেখানে বর্ণ, রাজনীতি ও জাতীয়তা নির্বিশেষে সকল দেশের নারী ও পুরুষ শান্তি ও প্রগতির সাথে বাস করতে সক্ষম হবে।"
"1968-খ্রিস্টাব্দের 28 শে ফেব্রুয়ারি বুধবার শ্রীমা ভারতের প্রতিটি রাজ্যের, বিশ্বের ১২৪ টি দেশের প্রতিনিধিসহ ৫০০০ মানুষের উপস্থিতিতে নগরীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রত্যেক প্রতিনিধি নিজ নিজ দেশের কিছু মাটি সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন। সবার জন্মভূমির মাটি একত্রে মিশ্রিত করে একটি সাদা মার্বেলে তৈরি কমলাকৃতির কলসে রাখা হয়। অরোভিল শহরে জীবনযাপনের জন্য শ্রীমা যে দৃষ্টিভঙ্গি স্থির করে ছিলেন তা ফরাসি ভাষায় তিনি নিজের হাতে লিখে চার দফা সনদের আকারে পেশ করেন -
অরোভিল বিশেষভাবে কারো একার নয়। এটি সমগ্র মানবজাতির। কিন্তু কেউ অরোভিলের বাসিন্দা হতে চাইলে, তাকে অবশ্যই স্বর্গীয় চেতনাবোধের স্বেচ্ছাসেবক হতে হবে।
অরোভিল হবে অফুরন্ত শিক্ষা, অবিরাম প্রগতি ও শাশ্বত তারুণ্যের জন্য নির্দিষ্ট একটি স্থান।
অরোভিল অতীত ও ভবিষ্যতের মাঝে একটি সেতু হতে চায়। সকল আবিস্কারের আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সুবিধার সদ্ব্যবহারে অরোভিল ভবিষ্যৎ উপলব্ধির দিকে এগিয়ে যাবে।
প্রকৃত মানব ঐক্যের মূর্ত প্রতিরূপের জন্য পার্থিব ও আত্মিক গবেষণার একটি স্থান হবে অরোভিল।"
মাতৃমন্দির==
শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মাতৃমন্দির - সোনার প্রলেপে গোলক
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে মানব একতার প্রতীক হিসেবে সংগৃহীত মাটি কমলাকৃতি কলস কেন্দ্র করে মহাবিশ্বের প্রতীক হিসেবে ১৪০০ টি সোনার প্রলেপ দেওয়া বড় বড় চাকতি দিয়ে এক স্বর্ণ-গোলক তৈরি করা হয়েছে। শহরে কেন্দ্রস্থলে নির্মিত এটি মাতৃমন্দির নামে পরিচিত এবং উপাসনাগার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। মাতৃমন্দিরের আশেপাশের পুরো অঞ্চলটিকে শান্তির অঞ্চল বলা হয়। মাতৃমন্দিরের অভ্যন্তরে, একটি সর্পিলাকার রযাম্প মধ্য দিয়ে একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সাদা মার্বেলের কক্ষের দিকে নিয়ে যাওয়া যায় যেখানে উপাসনার মাধ্যমে "নিজের চেতনার সন্ধান” প্রাপ্তি ঘটে।
মাতৃমন্দিরে সৌর-বিদ্যুতের ব্যবস্থা আছে। নিপুণভাবে পরিচর্যার মাধ্যমে সজ্জিত উদ্যান চারিদিক ঘিরে আছে মন্দিরটিকে। সূর্যাস্তের পরে সৌর-বিদ্যুতের সাহায্যে গোলকটিকে আলোকিত রাখা হয়।
অরোভিলের নগর পরিকল্পনাটিও মনোমুগ্ধকর। নগর পরিকল্পনা অনুযায়ী শহরের বাইরের দিকে আছে প্রশস্ত এলাকা জুডে সবুজ গাছপালা পরিবেষ্টিত ‘গ্রিন বেল্ট’। এই স্থানে পরিবেশ গবেষণার কাজে ও প্রাকৃতিক সম্পদ অঞ্চল হিসাবে ব্যবহৃত হয়। খামার ,বনজ সম্পদ খাদ্য, ভেষজ উদ্ভিদ পরিবেষ্টিত এই অংশ। মধ্যবর্তী মোটামুটি চারটি অঞ্চলে প্রসারিত সেগুলি হল - আবাসিক অঞ্চল, শিল্প অঞ্চল, সাংস্কৃতিক (ও শিক্ষা) অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক অঞ্চল।শহরের অভ্যন্তর ভাগেও নগর ও নিসর্গের মেলবন্ধনের ব্যবস্থা আছে।
গ্যালারী
বিশেষ দর্শনীয় স্থান::---
●পন্ডিচেরিতে অরোভিল মাতৃমন্দির,
●আফসানা অতিথিশালা,
●সাবিত্রীভবন,
●অরোভিলের ভাস্কর্যযুক্ত একটি বাড়ি,
●ভেরিট লার্নিং সেন্টার,
●ভারত নিবাস,
●সাধনা বনাঞ্চলে থিয়েটার কর্মশালা,
●মাতৃমন্দিরের কাছে অরোভিল ইউনিটি পার্ক।
●সমাধিস্থান::--
ঋষি অরবিন্দ ঘোষ ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিক, দার্শনিক, যোগ এবং আধ্যাত্মিক গুরু এবং
শ্রীমা (মীরা আলফাসা)
ফরাসি হিন্দু জনহিতৈষী।
========================___
2>চেন্নাই--মহাবলীপুরম::-----
(1984) উনিশশো চুরাশি সালে মহাবলীপুরমকে ইউনেস্কো
" ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট" হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
মহাবলীপুরমের শিল্পনিদর্শন, শিল্প কীর্তি, এবং স্থাপত্য শিল্প রসিকদের বিশেষ দর্শনীয় স্থান।
মহাবলীপুরমের নির্মাণ শৈলী
মামাল্লাশৈলীর কীর্তি।
এই মামাল্লা শৈলী হল খোলা আকাশের নিচে পাথরের গায়ে খোদাই করা পৌরাণিক দৃশ্য। এই শিল্প কীর্তি ও স্থ্যাপত্য প্রায় বারো--তেরোশো বছরের পুরনো।
চেন্নাই শহর থেকে প্রায় 60কি মি দক্ষিণে
বঙ্গোপসাগরের কূলে অবস্থিত মহাবলীপুরম।
Chennai,Tamil nadu----->to Ponducherry 155 km.
Chennai to Mahabolipurm,--->60km
Mahabolipurm to pondicherry-->95km
চেন্নাই শহর বঙ্গোপসাগরের কূলে অবস্থিত প্রাচীন শহর।
চেন্নাই অর্থাৎ পূর্বতন মাদ্রাজ/মাদ্রাস ভারতের তামিলনাড়ুর রাজধানী এবং দেশটির চতুর্থ বৃহত্তম মহানগরী শহর। এটি বঙ্গোপসাগরের করমণ্ডল উপকূলে অবস্থিত।
চেন্নাই শহর থেকে প্রায় 60কি মি দক্ষিণে
বঙ্গোপসাগরের কূলে অবস্থিত মহাবলীপুরম বা মামাল্লাপুরম।
এখানকার রক-কাট বা পাথর কুঁদে তৈরি শিল্প কীর্তি বা রক- কাট আর্কিটেকচার,
যা শিল্পের বিচারে অজ্ঞতা, ইলোরা ও উদয়গিরি, খন্দগিরি গুহাগুলির থেকে গুরুত্বে কোন অংশেই কম নয়।
এখনো হয়তো কতো শিল্প কীর্তি চাপা পড়ে আছে এই মহাবলীপুরমের পাথরের অন্তরে। আজো আছে উদ্ঘাটনের অপেক্ষায়।
============================
3>Tour to Pondicherry & near by
Chennai,Tamil nadu----->to Ponducherry 155 km.
Chennai to Mahabolipurm,--->60km
Mahabolipurm to pondicherry- ->95km
পন্ডিচেরী যাবার পথে দেখে নেবেন
বঙ্গপসাগরের তীরে মহাবলিপুরম যেটি একান্ত মনের মতন অপূর্ব সকল নিদর্শন।
সমুদ্রে জল কম থাকলে অর্থাৎ ভাটা থাকলে খুব ভালোকরে দেখতে পারবেন।
একটি দিন কখন যে পারহয়ে যাবে সেটাই বুঝতে পারবেন না।
তারপরে আবার 95 কিলোমিটার পথ পিটিয়ে পৌঁছবেন পন্ডিচেরী।
সেখান দেখবেন
শ্রী অরবিন্দ আশ্রম
শ্রী অরবিন্দ ঘোষে ও শ্রী মা (আলফাসা)
শ্রী বরদরাজ পেরুমল মন্দির।
একসাথে সমাধি।
অরোভিল মাতৃ মাতৃ মন্দির।
আফসানা অথিতি শালা,
সাবিত্রী ভবন
ভেরিট লার্নিং সেন্টার
ভারত নিবাস
ভারতীয় পার্ক।
সাধনা বনাঞ্চলে থিয়েটার কর্মশালা
অরভিল ইনস্টিটিউট পার্ক
আরুলমিগু মানাকুল বিনায়ক মন্দির,
(গণেশ ভগবানের মন্দির, সোনার রথ)
ফরাসি যুদ্ধ স্মারক
আরোভাল সৈকত,
আরিকামেডু সৈকত ও স্থ্যাপত্য,
প্রোমেনেড সৈকত
সৈকতে সাইকেলে ঘুরে বেড়ান।
ইম্যাকুলেট কনসেফশন ক্যাথিড্রাল
দ্যা সেক্রেড হার্ট ব্যাসিলিকা ।
প্যারাডাইস বিচ।
রক বিচ।
লেডি অফ এঞ্জেলস গীর্জা।
Eglise de Notre Dame des Angls
রাজ বাড়ি/নিবাস
জাদুঘর
জিঞ্জি দুর্গ
আরিকামেদু
এছাড়া আছে আসে পাশের সাজানো গোছানো ফরাসি নগর উপনিবেশ।
আরো দুই একটি ক্যাথিড্রাল একটু দূরে।
এক নগরে শহরে এতোকিছু দেখার সুযোগ সহসা কি মেলে।
তাই ঘুরে বেড়ান আনন্দিত মনে।
মনখারাপ বা একটু কষ্ট বোধ হলেই
বসেপড়ুন একমনে ধ্যানে।
এমন শান্তির নিরিবিলি স্থান পাবেননা
এই ভু-ভারতে তথা সমগ্র জগৎ মাঝে।
=================================
No comments:
Post a Comment