Friday, October 25, 2024

121>শান্তিনিকেতন, বোলপুর::- লিখতে হবে-

  121>শান্তিনিকেতন, বোলপুর::--(লিখতে হবে)


22/03/2024

আমরা পৌঁছে গেলাম বোলপুরে,

এবার আমাদের ঠিকানা::---

ঠাকুর দালান,

138,দোপটি, 

সবুজপত্র,

সরপুকুরডাঙ্গা,

শ্রীনিকেতন, বোলপুর,

বীরভূম:--731236

PIN:--731236


【【 এই শান্তিনিকেতন এখন যেখানে এতো প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা কেন্দ্র।

এক সময়ে এই ভূখন্ড ছিল ধু ধু জনশূন্য তরুশূন্য নির্জন প্রান্তর ।

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রায়পুরের বাবুদের কাছ থেকে দুটি ছাতিম গাছ কে কেন্দ্র করে কয়েক বিঘা জমি কিনে ছিলেন। সেই জমিতেই বর্তমানের শান্তিনিকেতন।

এক সময়ে এই প্রান্তরে একদল ডাকাতের বাস ছিল। ডাকাতি করার মতন এটি সুন্দর জায়গা ছিল বটে।

শান্তিনিকেতনের দক্ষিণ দিকে একটি জলাশয় আছে। সেই জলাশয়ের ধারেই ভুবনডাঙা গ্রাম। ডাকাতের এই গ্রামেরই অধিবাসী।

শোনাজায়, ডাকাতেরা মহর্ষির প্রভাবে ডাকাতি ছাড়িয়া কৃষিকাজ করতে শুরু করে।

সেই ডাকাতের সর্দার পরবর্তী সময়ে যখন তিনি শান্তিনিকেতনের পরিচারক রূপে কাজ করিতেন তখন তিনি লম্বা একহারা ছিপ ছিপে চেহারা গোঁফদাড়ি কমানো , চুল পাকা, রঙ কালো, স্বল্পভাষী।


ডাকাতি জীবনে এই মানুষটিই "নাকি

লাঠি ও তরবারি খেলায় ওস্তাদ ছিল, আর রণপা চড়িয়ে এক রাত্রিতে নাকি বর্ধমান গিয়া ডাকাতি করিয়া ফিরিয়া আসিয়া, ভোররাত্রিতে নিজের বাড়িতে ভালোমানুষটির মতো ঘুমাইয়া থাকিত।")☺️




আজকের  ঠিকানা ছাতিমের ছত্রে

শান্তিনিকেতনের সবুজ পত্রে।

রাঙ্গামাটির দেশ রাঢ় ভূমি বীরভূম,

সকল ধর্মের মিলন ক্ষেত্র এই বিটভুম।

আমাদের ঠিকানা 

শ্রীনিকেতন, গোয়ালপাড়া,

হাউজিং কমপ্লেক্স-সবুজপত্র,

138, দোপাটি, ঠাকুর দালান।


 বীরভূমের নদীগুলি অজয়, কোপাই,

ময়ূরাক্ষী, দারকা, ব্রাহ্মণী,

এই সকল নদীর তীরে গড়ে ওঠা কত ইতিহাসের স্বাক্ষী বয়ে নিয়ে চলেছে সেই কোন কাল থেকে।

সে সকল আজ ইতিহাস,

যদিও বোধহয় কেউ মনে রাখেনি সেই ইতিহাস।

তবুও ইতিহাস তো থেমে থাকেনা সময়ের তালে ইতিহাসও এগিয়ে চলে।

আর সেই এগিয়ে চলার ইতিহাসের স্বাক্ষী নিয়েই আজ দাঁড়িয়ে আছে বীরভূমের একেবারে দক্ষিণে বোলপুর শহরের নিকটের গ্রাম গুলি যেমন রাইপুর-সুপুর

পঞ্চায়েত এলাকা।যার অন্তর্গত কয়েকটি গ্রাম যেমন রাইপুর, কাঁকুটিয়া,কার্তিকডাঙ্গা, দেউল, সেনকাপুর,মির্জাপুর, চন্দনপুর,কাশিপুর,

নূরপুর,সুপুর,রামচন্দ্রপুর, রজতপুর,

পূর্ববাহাদুরপুর,নারায়ণপুর, অভিরামপুর,প্রভৃতি।


বোলপুর শহর পেরিয়ে কবি জয়দেব রোড ধরে ইলামবাজার যেতে বাঁ দিকে রাইপুর।

রাইপুর থেকে কাঁকুটিয়া হয়ে সোজা অজয় নদীর দিকে এগিয়ে গেলেই পৌঁছে যাওয়া যায় দেউলি।


অজয় নদ::--


অজয় নদিকে ঘিরে গড়ে ওঠা সকল গ্রামগুলি আজও সকলের অজান্তে বয়ে নিয়ে চলেছে নানা ঘটে যাওয়া ইতিহাসের শেষ চিহ্নটুকু।

কোথাও ভাঙ্গা মন্দির কোথাও ভাঙ্গা বিশাল অট্টালিকার কিছু অংশ আজও দাঁড়িয়ে আছে ঘন জঙ্গলের ভিতরে সেদিনের স্বাক্ষী নিয়ে।

রাঢ় বাংলার অতি পরিচিত নদের নাম অজয় নদ যে নদ রাঢ় অঞ্চলকে দুইভাগে ভাগ করেছে।

অজয়ের উত্তর অংশ উত্তর রাঢ় আর দক্ষিণ অংশ দক্ষিণ রাঢ়।

একসময়ে অজয় নদ কে ঘিরে কত সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।

আজ অবশ্য নিজের বয়ে আনে বালুতেই নিজের পথকে অবরুদ্ধ করে মৃত প্রায়।

তথাপি বর্ষায় দুকূল ভাসিয়ে বয়ে চলে অজয় নদ।

অজয় নদ বিহারের জামুই জেলার চাকাই ব্লকের বাটপার অঞ্চলের 300মিটার উঁচু পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে দেবীপুরের নিকট ঝাড়খণ্ডে প্রবেশ করে। সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান জেলার চিত্তরঞ্জনের নিকট শিমজুরিতে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে বীরভূম- বর্ধমান

জেলার সীমানা নির্ধারণ করে কাটোয়ায় ভাগীরথী নদীতে মিশেছে।

অজয় নদের মোট দর্ঘ্য 288 কিলোমিটার

যার 152 কিলোমিটার পশ্চিমবঙ্গে অবস্তিত । 

অজয় নদের প্রধান উপনদীগুলি হল পাথরো,জয়ন্তী,তুমুনি ও কুনুর।

কতো কবি এই অজয়কে নিয়ে লিখে গেছেন কতো কবিতা।

সেই সকল কবিতা আজও মনে পরে

"অজয় নদে বান ডেকেছে / ঘর-বাড়ি সব তলিয়ে গেছে"। অথবা

অজয় নদে এল বান /জলে ভাসে সোনার ধান।

আবার

অজয়ের তীরে বাস,/ চিন্তা বারো মাস।


এই অজয়ের তীরেই  ছিল তাম্রশ্মীয় সভ্যতা।

বর্ধমান জেলার রামনগরে অবস্তিত সিন্ধু সভ্যতার সমসাময়িক পাণ্ডু রাজার ঢিবি অজয় নদের নিকটেই অবস্থিত।

অজয়ের তীরেই কবি জয়দেব তাঁর পদাবলি রচনা করে গেছেন। আজও

প্রত্যেক বৎসর পৌষ সংক্রান্তিতে অজয়কে কেন্দ্র করে কেন্দুলিতে নানা সাধু, সন্ন্যাসী, বাউলের ভিড় জমে।


অজয় নদ একাধারে যেমন বহু সৃষ্টাত্মক

ঘটনার সাক্ষ্মী তেমনই নানান অঘটনের সাক্ষ্মী ও।

বহুনদীই  মানুষের সুখ ও দুঃখ উভয়ের কারণ,

অজয় নদও তেমনি কতো শত মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।আবার কতশত মানুষের চোখের জল মিশে আছে এই অজয় নদের জলে।


রাইপুর-সুপুর  রাজবাড়ী::--


সিউড়ি হইতে বোলপুর যাবার যে রাস্তা আছে আমদপুর স্টেশন থেমেও সেই রাস্তা 

ধরে বোলপুর যাবার পথে রায়পুর যাওয়া যায়।

মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ এই রায়পুরের বাবুদের কাছ থেকে দুটি ছাতিম গাছ কে কেন্দ্র করে কয়েক বিঘা জমি কিনে ছিলেন।

সেই জমিতেই বর্তমানের শান্তিনিকেতন।


রায়পুরের সিংহ জমিদারেরা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের ভক্ত ছিলেন।

এই পরিবারের শ্রীকণ্ঠ সিংহ মহর্ষির একজন প্রধান শিষ্য ছিলেন।

বর্তমানে ধ্বংস প্রায় বিশাল অট্টালিকা মনেহয় ভুতুড়ে রাজ বাড়ি।

তাইতো অনেক সিনেমার শুটিং হয়েছে এখানে এই ভুতুড়ে রাজ বাড়িতে।

আমরা আজ দেখলাম  রাইপুর-সুপুরের সেই রাজবাড়ী।


সাথে দেখলাম বট গাছে আষ্টে-পিষ্ঠে বেষ্টিত শিবিক্ষা মন্দির।


শিবিক্ষা মন্দির::---


রাজা সুরথ দেবী শিবিক্ষার আরাধনা করতেন। গ্রামের পশ্চিম দিকে জঙ্গলে ঢাকা ছিল এই মন্দির। বট গাছের ঝুড়ি সম্পুর্ন রূপে ঘিরে রেখেছে মন্দির টিকে। দিনের বেলায়ও মন্দিরের কাছে পৌঁছনো অসম্ভবছিল। বর্তমানে মন্দিরের পথের জঙ্গল পরিষ্কার করে মন্দিরের কিছু সংস্কার করার চেষ্টা হয়েছে দেখে একটু ভালো লাগলো।

জানলাম এই মন্দিরে ধুম ধাম করে দুর্গাপূজা হয়।

এই মন্দিরের পশ্চিম দিকে আছে বাঘালা

পুকুর। পুকুরটির  পূর্ব পাড়ে বাঁধানো সিঁড়ির দুই ধরে নাকি দুইটি বাঘের মূর্তি ছিল। সেগুলি এখন আর নেই।

এই বাঘের মূর্তি থেকেই পুকুরের নাম বাঘ ওয়ালা পুকুর।

তারপরে দেখলাম


সুরথেশ্বর মন্দির ও সাঁতার নামক এক সুগভীর জলাশয়।

রাজা সাতরায়ের জলাশয়।


শাহরাজ পীরতলা।

আনন্দচাঁদ গোস্বামীর আশ্রম::--

আশ্রমের প্রবেশদ্বারের ভগ্নাবশেষ 

কিছু কিছু মন্দির অট্টালিকার ভগ্নাবশেষ।

আনন্দচাঁদ গোস্বামীর অনেক লৌকিক ও অলৌকিক কথাই শুনলাম নিকটবর্তি ক্লাবের ছেলেদের মুখে।


সুপুরের জোড়া শিব মন্দির::--

অষ্টাদশ শতাব্দীর এই সুপুরের মন্দির এক প্রধান আকর্ষণ কেন্দ্র।

এই মন্দির সুপুর- নূরপুরের মিনিবাজার থেকে ভেদিয়া যাবার পথে ডানদিকে এই মন্দির দুটি দাঁড়িয়ে আছে অনেক স্বাক্ষী বোয়ে নিয়ে।

আটকোনা মন্দিরটির দেওয়ালে টেরাকোটা কারুকার্য  তৎকালীন সমাজ জীবনে শিল্পসত্তার পরিচয় বহন করে চলেছে।

 

রাইপুর ও সুরুল কুঠিবাড়ি,::--



 

রাইপুরের জমিদার বাড়ি,সুরুলের কুঠি বাড়ি সকলেই শান্তিনিকেতনের সাথে নানা ভাবে ওতপ্ৰত জড়িত।

সুরুলের কুঠি বাড়িটি তৈরি হয়েছিল সেই বর্ধমান সাইথিয়া লুপ রেললাইন তৈরির সময়। পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই বাড়িটি কিনে নিয়ে ছিলেন।

রাই পুরের জমিদার বাড়িতে  বেশ কিছু সিনেমার শুটিং হয়েছিল।

যেমন 

1>দিলীপ রায় পরিচালিত উত্তম সৌমিত্র অভিনীত দেবদাস।

2>মৃনাল সেন পরিচালিত শাবানা আজমি , নসসিরুদ্দিন অভিনীত খন্ডহর।

এছাড়া আরও অনেক সিনেমা যেমন 

ফেলুদা 30, শত্রু, যেখানে ভূতের ভয়,

চাঁদের পাহাড় ,আরও অনেক সিনেমা।

এখানে অভিনয় করে গেছেন অনেক অভিনেতা, অভিনেত্রী। যেমন --

উত্তম কুমার, সৌমিত্র চ্যাটার্জি,

শাবানা আজবি,নাসিরউদ্দিন সাহ,

রঞ্জিত মল্লিক,সন্ধ্যা রায়, রবিঘোষ,

রূপা গাঙ্গুলি,সব্যসাচি চক্রবর্তী, জিৎ,

নুসরাত জাহান, দেব, আরও অনেকে।


রাইপুর অনেক বীর সন্তানের জন্ম দিয়েছে। অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামী।

তাদের অসামান্য প্রচেষ্টায় ধনয় হয়েছে রাইপুর।

রাইপুরের রাজবাড়ীর দুর্গাপূজা ও

ধর্ম পূজা  বিশেষ উল্লেখযোগ্য পূজা।


হাটপুর ::--

হাটপুরের কআঁকুটিয়া গ্রামের কালী মন্দির।

প্রতাপনারায়নের কনিষ্ঠ পুত্র রবীন্দ্রনাথ সিংহ এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।

তাড়াপীঠের সাধক বামাখ্যাপা এই মন্দিরে 

পঞ্চমুন্ডির আসনে দেবী কালিকার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতি আমাবস্যাতে দেবী কালিকার পূজা হয়।

মন্দিরের পাশেই রবীন্দ্রনাথ সিংহের সমাধি রয়েছে।


এবার পৌঁছলাম গ্রাম দেউলি।::---

অতি শান্ত কোলাহল মুক্ত গ্রাম দেউলি।এখানে আছে কয়েকটি মন্দির।

দেউলেশ্বর লিঙ্গ ও । এটি একটি উঁচু মন্দির।

দেউলেশ্বর লিঙ্গ ও বিষ্ণু মূর্তি আছে এই মন্দিরে।


-------------------------

■■■■■■■■■




শান্তিনিকেতনে হোলি/দোল কাটাবো একটু শান্ত গভীরে নূতনে থাকবো।

রং খেলা হবে গানে গানে,

কথা হবে হৃদয়ে মনের গোপনে।

সপ্ন দেখা হবে নীরবে মনে,

নুতন পুরাতন সকল মনে।

লাগবে হওয়া পলাশের বনে,

রাঙিয়ে দেবে আদরে আদরে।

কথা হবে সেই আম্র কাননে,

যেখানে মিলবো হোলির রঙে।


24/03/2024

গোয়াল পাড়ার গরু বাছুরের পেছন পেছন

কোপাই নদীর চড়ে ষণ,খাগের ঝড়ের পাশদিয়ে,

পেঁয়াজ খেতে পেরিয়ে নদীর বাঁকে

কাটিয়ে দিলাম একটি সকাল মন রাঙিয়ে পলাশের সাজে।

এখনো সেজে ওঠেনি সোনাঝুড়ির হাট,

চারিদিকে দোলের সাজো সাজো ভাব।

সকালের হওয়ায় একটু শীতল ছোঁয়া,

বসন্তের পরশ স্নিগ্ধ মধুর হাওয়া।

দেখলাম এক প্রজেক্ট

যেখানে কাকাতুয়া ও মেকাওয়ের পালন

ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা করা হচ্ছে যত্নে।

কোপাই নদীর বাঁকে যেখানে একটু জল আছে জমে, সেখানে স্নান করা যায় আরামে, বেশ  স্বচ্ছ জল, তবে  পারে ঘাসে দেখলাম প্রচুর জোঁক , তাই গ্রাম বাসীরা বার বার নিষেধ করছিল ঘাসের জঙ্গলে না যাবার জন্য।

ঘাসের জঙ্গলে আছে শন,আরখাগ ঘাস।

শনঘাসের পাতা একটু ছুতেই হাত কেটে গেল। কি ভীষণ ধার, জেন তীক্ষ্ণ ধারের চাকু বা করাতকেও হার মানায়।

========================

বিকেলে NGO--

Sehalai -


আজ আমরা শান্তিনিকেন হয়ে পৌঁছে গেলাম  গ্রাম:-উত্তর সেহালাই, বীরভূম।

বিনেপয়সার বাজার নিয়ে।

আজ এখানে এই বীরভূমের সেহালাই তে

 শুরু হল এক টি নুতন উনিট এখানে

শিশুদের শিক্ষার সাথে সাথে ,কেরাটে, ফুটবল ও নানান খেলা ধুলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

সাথে আছি আমরা কিছু স্পন্সর নি

ওদের একটু সহায়তাতে।

সাথে আমাদের বিনে পয়সার বাজার।

আমরা পূর্বিতা, অপ্রাজিতা, সকলে মিলে।


==================


Sehalai - Village

Gram Panchayat : Kasba

Block / Subdivision : Bolpur Sriniketan

District : Birbhum

State : West Bengal

Pincode : 731204

Area : 328.54 hectares

Population : 1,408

Households : 315

Assembly Constituency : Nanoor

Parliament Constituency : Bolpur

Nearest Town : Bolpur (8 km)



================


आज मै सेहालाई, बीरभूम में।

सदा खुस रहिये।

मंगलमय ईश्वर आप को पूरा पारिवार सहित सभीको मङ्गल करे।

मै दो दिनसे बीरभूम की एक गांव में हैं।

उहाकी सारे गावकी बच्चा को खेल की सरंजाम कपड़ा कमीज।

लड़कियों की सारी, हर घर के लिऐ कम्बल ब्यबस्था किये।

आज होली की दिन 

शांतिनिकेतन में होली की सुंदर अनुष्ठान में शामिल हुआ।







===================

দেখলাম শ্যাম বাটি বাজার, বেশ সুন্দর বাজার, সকলকিছুই পাওয়া যায় এই বাজারে।

তারপরে গেলাম 

সুরুল রাজবাড়ী (বড়বাড়ি).


তাপরে গেলাম 

রাইপুরের সুপুর রাজ বাড়ি।

পরিত্যক্ত রাজ বাড়ি বা ভুতুড়ে রাজ বাড়ি।

অনেক সিনেমা হয়েছে এই রাজ বাড়িতে।



সুরুল রাজবাড়ী::----


কবিগুরুর শান্তিনিকেতন থেকে মাত্র তিন কিলোমিটারের পথ  সুরুলের জমিদারবাড়ি। অনেকে একে সুরুলের রাজবাড়িও বলেন আবার কেউ কেউ 

আবার বড় বাড়িও বলেন।


জানলাম সুরুল জমিদারবাড়ির 

নানান   বৈচিত্রের কথা।

দুই সরীকে দুই পুজোর কথা।

তার থেকেও ভালো লাগলো পুরোনো দিনের কিছু গল্প কথা।

°=========≠=====

বৈষ্ণবমতে পুজিত হন মা দূর্গা। কিন্তু বলিও হয় পুজোপ্রাঙ্গণে। রয়েছে শালগ্রাম শিলা। সুরুলের জমিদারবাড়ির পুজোয় পরতে পরতে রয়েছে বৈচিত্র্য।

পুজোর মাসখানেক আগে থেকেই সেখানে আয়োজনের তোড়জোড় শুরু। রাঙা মাটির বুকে মা দুর্গার পুজো চলছে গত ২৮৯ বছর ধরে। পুজোর আগে আগে চরমে ওঠে ব্যস্ততা। নাটমন্দিরে চলে প্রতিমা সজ্জার কাজ। আলোয় ঝলমল করে ওঠে সরকারবাড়ির আনাচ কানাচ।



বাংলার দুর্গাপুজোর চেহারা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টেছে অনেকটাই। ভিড় বেড়েছে থিম পুজোর। তার মধ্যেও সাবেক রীতির আবহ ধরে রেখেছে হাতে গোনা কিছু বনেদি বাড়ি। সুরুলের জমিদারবাড়ি তাদের অন্যতম। ষষ্ঠীতে সরকারবাড়িতে মায়ের বোধন। সপ্তমীতে নবপত্রিকাকে স্নানের পর দোলা করে নিয়ে আসা হয়। সেই স্নানের অনুগামী হয় এক জমজমাট শোভাযাত্রা। নবপত্রিকা স্থাপনের পর বাড়ির বয়োজেষ্ঠ সদস্য নাড়ু-মুড়কির লুট দেন। প্রতি বছর তাতে শামিল হন পরিবারের সব সদস্য ও গ্রামবাসীরা।


রথের দিন থেকে শুরু হয় প্রতিমা তৈরির কাজ।

কীভাবে শুরু এই সরকারবাড়ির পুজো? ফিরে দেখা যাক সেই ইতিহাস। জমিদারবাড়ির সদস্যদের আদি নিবাস বর্ধমান। বর্ধমানের নীলপুরের ভরতচন্দ্র ঘোষ ছিলেন অপুত্রক। পুত্রসন্তান লাভের আশায় একবার কাশী যাত্রা করেন তিনি। পথে সস্ত্রীক আশ্রয় নেন সুরুলে গুরুর বাড়িতে। গুরু বাসুদেব ভট্টাচার্য সুরুলের শ্যামসুন্দর মন্দিরের সেবাইত। তিনিই শিষ্যকে উপদেশ দেন সুরুলে থাকতে, সেখানেই পুত্রসন্তান হবে তাঁর। বাস্তবে ফলে যায় গুরুর কথা। সুরুলেই জন্ম নেয় তাদের সন্তান কৃষ্ণহরি।


কৃষ্ণহরির পুত্র শ্রীনিবাস ইংরেজদের সঙ্গে ব্যবসা করে রীতিমতো সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন। প্রভাব প্রতিপত্তি বেড়েছিল আড়ে বহরে। তাঁর আমলেই ব্রিটিশরা তাদের ‘সরকার’ উপাধি প্রদান করেন। মূলত জাহাজের পাল তৈরির কাপড় আর নীল চাষের ব্যবসা ছিল এই পরিবারের। ভরতচন্দ্রের আমল থেকেই শুরু সরকারবাড়ির দুর্গাপুজো। শ্রীনিবাস সরকারের আমলে পুজোর আটচালা তৈরি হয়। তখনকার দিনে খরচ হয়েছিল মোট ১৮ হাজার টাকা*। পরে ছেলেদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগাভাগি হয় পারিবারিক বিবাদের জেরে। সেই থেকে ছোটো তরফের বাড়িতেও আলাদা করে আয়োজন হয় পুজোর। 


তবে এখন আর বিবাদের রেশ নেই। দুই পক্ষই দুই তরফের পুজোয় সানন্দে যোগ দেন। পর্যটকের ভিড়ও সামাল দেন মিলেমিশেই।



একচালার ডাকের সাজের প্রতিমা। পাঁচ পুরুষ ধরে মৃৎশিল্পীরা প্রতিমা বানাচ্ছেন সুরুলের রাজবাড়িতে। 


বর্তমানে সুভাষ সূত্রধর ও তাঁর পু্ত্র রয়েছেন সেই দায়িত্বে। পুজোর দিনে মা সেজে ওঠেন রাজবাড়ির সোনার অলংকারে। বাংলাদেশের শিল্পীর হাতে তৈরি হয়েছিল সেই ভূষণ। দেবীর সব অস্ত্রশস্ত্রই প্রায় তিনশো বছরের পুরনো। মেয়েরা নন, ষষ্ঠীর রাতে বাড়ির ছেলেরাই থাকেন মাকে সাজানোর দায়িত্বে। পঞ্চমী থেকেই নাটমন্দির আর ঠাকুরদালান সেজে ওঠে বেলজিয়াম থেকে আনা ঝাড়লন্ঠন ও রঙিন বাতিতে। ভিতরে থাকে রেড়ির তেলের প্রদীপ।


সুরুলের জমিদারবাড়ির ঠিক উত্তরেই রবীন্দ্রনাথের গ্রামোন্নয়ন প্রকল্প শ্রীনিকেতন। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনের জমির বেশ কিছুটা পেয়েছিলেন সরকার পরিবারের কাছ থেকেই। জমিদারবাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল রবীন্দ্রনাথ আর রথীন্দ্রনাথের। গান্ধিজিকে নিয়ে রবীন্দ্রনাথ এক ঘরে রাত কাটিয়েছিলেন। এখনও সেই স্মৃতিদাগ লেগে আছে সরকারবাড়িতে।


এই পুজোয় অন্নভোগের রীতি নেই। বৈষ্ণব এবং শাক্ত দু’মতেই পুজো হয়। এক মাস আগে তৈরি করা হয় পুজোর নির্ঘণ্ট। সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী তিন দিনই বলির রীতি রয়েছে। সপ্তমীতে চালকুমড়ো, অষ্টমীতে পাঁঠা আর নবমীতে চালকুমড়ো-আখ বলি হয়। তবে নারায়ণের সামনে বলি হয় না। ওই সময়টুকু নারায়ণ থাকেন তাঁর নিজের মন্দিরে। বাকি সময় তাঁর সামনেই দেবীর আরাধনা চলে। পুজোর এই তিন সন্ধেতে নাটমন্দিরে যাত্রার আসর বসে। কিছু বছর আগেও বাড়ির মেয়েরা চিকের আড়াল থেকে যাত্রা দেখতেন। এখন ছেলেদের সঙ্গে কোমর বেঁধে পুজোর কাজকর্ম থেকে জোগাড়যন্তর সবটাই করেন। পুজোর ক’দিন সরকারবাড়ির কচিকাঁচারাও নাটক-নাচ-গানে মাতিয়ে রাখে সরকারবাড়ির আঙিনা।


পরিবারের অনেক সদস্যই এখন বিদেশ বিভূঁইয়ে থাকেন। কিন্তু পুজোর সময় চারটে দিন তাঁরা ঘরে ফিরবেনই। এই কদিন ফেরা মানে লালমাটির দেশে পরিবারের ঐতিহ্যের কাছে ফেরা। এই দিনগুলো ঐতিহ্যের পুরনো সুগন্ধে স্মৃতি ও সুখকে জারিত করে নেওয়ার পালা। পুজোর আঙিনায় দুটো ভিন্ন ভিন্ন সময়ের প্রতিনিধিরা একত্র হয়ে দাঁড়ায়, আনন্দের আয়োজনে মেতে ওঠে। দুটো সময় পরস্পরকে আপন করে নেয়। চলেই এল সেই দিনগুলো। অপেক্ষা তো শেষ!


====================__



কালিকা পুর রাজবাড়ী।

মৌখিড়া, পূর্ব বর্ধমান।


=======================


কালিকাপুর রাজবাড়ি।::--


 বর্ধমানের অন্যতম বিখ্যাত পুজো হল এই সাত ভাইয়ের পুজো। ৪০০ বছর পুরনো এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানান ইতিহাস। জানতে চান সেই ইতিহাস? দেখুন।


কালিকাপুর রাজবাড়ি বর্ধমান শহরের খুব কাছেই অবস্থিত। দুই জায়গার দূরত্ব মাত্র ৬৫ কিলোমিটার। কালিকাপুরে অবশ্য দুর্গাপুর থেকেও আসা যায়। দুর্গাপুর এবং কালিকাপুরের দূরত্ব হল ৩২ কিলোমিটার। আর এই কালিকাপুর রাজবাড়ির এই দুর্গাপুজো হচ্ছে ৪০০ বছরের পুরনো। আর এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রচুর ইতিহাস।



এই রাজবাড়ির পুজোকে সকলে সাত ভাইয়ের পুজো বলেই চেনে। পূর্ব বর্ধমানে অবস্থিত আউশ গ্রামের এই কালিকাপুর রাজবাড়ির পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানান লোকগাঁথা।


বর্ধমান রাজার দেওয়ান ছিলেন পরমানন্দ রায়। তিনি ৪০০ বছর আগে দেওয়ান ছিলেন রাজবাড়ির। রাজার সুনজরে পড়ায় তিনি কাঁকসার এক বড় অঞ্চলের জমিদারিত্ব পান। তখন তিনি সেখানে সমস্ত জঙ্গল, ইত্যাদি কেটে বাড়ি বানিয়ে সেখানে থাকতে শুরু করেন। তিনিই সেখানে তৈরি করেন দুর্গামন্দির থেকে পুকুর, বাগান, সমস্ত কিছুই। পরবর্তীকালে এই বাড়ি কালিকাপুর রাজবাড়ি নামে খ্যাতি অর্জন করে। কিন্তু একটা সময়ে এখানে সাতজন ভাই মিলে একত্রে পুজো করতেন বলে সকলে এই পুজোটাকে সাত ভাইয়ের পুজো বলেই চেনে।


এখানে একটি আটচালা মণ্ডপে পুজো হয় জার তিনদিক ঘেরা। অতীতের সমস্ত রীতিনীতি মেনেই এখনও পুজো হয়ে থাকে এখানে। তবে সেই জৌলুস খানিকটা হারিয়েছে। কৃষ্ণনবমীতে পাঁঠাবলি দিয়ে দেবীর বোধন করা হয় এই পুজোতে। এছাড়া পুজোর মধ্যেও তিনদিন বলি দেওয়ার প্রথা আছে এই বাড়িতে। ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত বলি হয় এই রাজবাড়িতে। আগে অবশ্য নবমীতে বলি হতো, সেদিন মহিষ বলি দেওয়া হতো। কিন্তু বর্তমানে সেটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।


কালিকাপুর রাজবাড়ির সঙ্গে আমরা অনেকেই পরিচিত, কিন্তু নামে হয়তো চিনি না। এই বাড়িতে একাধিক ছবির শ্যুটিং হয়েছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল গয়নার বাক্স, গুপ্তধন রহস্য, ইত্যাদি। এমনকি খণ্ডহর ছবি যা মৃণাল সেন পরিচালনা করেছিলেন সেটার শ্যুটিংও হয়েছিল। অভিনয় করেছিলেন নাসিরউদ্দিন শাহ, শাবানা আজমি।


এই বাড়ির আনাচে কানাচে রয়েছে একাধিক ইতিহাস। স্থানীয় মানুষজন জানেন এই বাড়ির মাহাত্ম্যের কথা। পুজোর কটাদিন গ্রামের সমস্ত মানুষ এই পুজো দেখতে আসেন। এখনও সেখানে গেলেই সাত ভাইয়ের পুজোর গল্প শোনা যায়।

=============================


শান্তিনিকেতন,

সবুজপত্র,

138, দোপাটি,

ঠাকুর দালান,

=====================






 





No comments:

Post a Comment