107">মধ্য প্রদেশের ওর্ছা :--চতুরভূজ মন্দির
12/07/1979::---
চতুরভূজ মন্দির ওরচা বা ওর্ছা-
ওর্ছা (ইংরেজি: Orachha) ভারতের
মধ্য প্রদেশ রাজ্যের নিওয়ারী জেলার একটি নগর পঞ্চায়েত-শাসিত শহর।
অযোধ্যার রাম যে কিনা ওড়ছার রাজা,
এই ওড়ছা নগরী 600 সাল পুরানো নগর শহর।
1979 জুলাই মাসে গিয়ে ছিলাম
উত্তর প্রদেশের ঝাঁসি চারদিন ঝাঁসি ভ্রমণের পরে গিয়ে ছিলাম ঝাঁসি থেকে ১৫ কিমি দূরে ওড়ছা বা ওর্ছা নগর শহরে,
রামমন্দির দর্শনে।
শুনেছি ভারতে একমাত্র স্থান যেখানে শ্রীরামচন্দ্র রাজা রূপে পূজা পান।
১৫০১ সালের কিছু সময় পরে রাজপুত শাসক রুদ্র প্রতাপ সিং দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । তিনি ওর্ছা দুর্গও তৈরি করেছিলেন। চতুর্ভুজ মন্দিরটি ওর্ছার রাণী গণেশ কুঁওয়ার (गणेश कुँवर) দ্বারা নির্মিত , রাজ মন্দিরটি 'রাজা মধুকর শাহ' তাঁর শাসনামলে, ১৫৫৪ থেকে ১৫৯১ সালে নির্মাণ করেছিলেন।
★★উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা নগরীর ভগবান রামের ভব্য মন্দিরের শিলা স্থাপনের সাথে সাথে নুতন যুগের সূচনার আবেগে বুন্ডেল খণ্ডের অযোধ্যা ওরছা বা ওর্ছা তেও নানান হল চল শুরু ।
ওর্ছা নগর টি বেতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত, টিকামগড় থেকে ৮০ কিমি
এবং উত্তর প্রদেশের ঝাঁসি থেকে ১৫ কিমি দূরে।
ওর্ছার নিকটতম বিমানবন্দর হল গোয়ালিয়র বিমানবন্দর ।
ওর্ছা রেলওয়ে স্টেশন হল উত্তর মধ্য রেলওয়ের ঝাঁসি- মানিকপুর সেকশন । ওর্ছা স্টেশনে নেমে অটোরিকশা নিয়ে মন্দির কমপ্লেক্সে যাওয়া যায়।
বীরাঙ্গনা লক্ষ্মীবাই জংশন (ঝাঁসি)- প্রয়াগরাজ এক্সপ্রেস এখানের প্রধান ও একমাত্র সংরক্ষিত ট্রেন (অবাতানুকুল)।
ওর্ছা তে ভগবান রাম চন্দ্রের মন্দির বিশেষ করে তোর জোরে রাম চন্দ্রকে ভগবার রূপে নয় এখানে রামচন্দ্রকে রাজা রূপেই প্রাধান্য বেশি বিবেচিত হয়।
বুন্ডেল খণ্ডের অযোধ্যা ওর্ছা নগরীর সাথে অযোধ্যার সম্পর্ক 600 সাল পুরানো।
এখানে রাম ভগবান রূপে নয় রাজা রূপেই মান্যতা পায়।
সেই কারণেই এখানে চার বার আরতির সময় পুলিশের দ্বারা সেলামি দেওয়া হয়।
এখানে এমন প্রথা যে এখানে কোন ভক্ত ই
রাজার চোখে চোখ রাখেন না। বরঞ্চ ভক্ত শ্রী রামচন্দ্রের চরণের দিকেই নজর রাখেন।
এখানে প্রসাদ রূপে ভোগের সাথে পানের খিলি ও সুগন্ধ যুক্ত আতরে ভেজান তুলোর সলতে ভক্তদের দেওয়া হয়।
সমীক্ষায় জানাজায় যে ওর্ছা রাজবংশের রাজা মধুকর শাহ ছিলেন কৃষ্ণ ভক্ত এবং ওনার স্ত্রী কুংঅর গণেশ ছিলেন রাম ভক্ত।
সেইকারণে দুজনের মধ্যে সর্বদা তর্ক বিতর্ক লেগেই থাকতো।
একদিন মধুকর শাহ ব্যঙ্গ করে রানীকে বৃন্দাবন যাবার জন্য অনুরোধ করে
বললেন যে "তোমার রাম যদি সত্যি কারের থাকেন তবে তুমি রামকে অযোধ্যা থেকে -ওর্ছাতে নিয়ে এসো"।
এরপরে শোনাজায় যে রাণী কুংঅর গণেশ ওরছা থেকে অযোধ্যাতে গিয়ে 21 দিন তপস্যা করেণ। কিন্তু রামজি আবির্ভূত হলেন না, সেই কারণে মনের দুঃখে রানী সরযূ নদীতে ঝাঁপ দিলেন।
আর তখনই হঠাৎ রানীর কোলে শ্রী রাম
এসে উপস্থিত হন, তখন রাণী কুংঅর গণেশ শ্রী রামজীকে ওর্ছা যাবার জন্য নিবেদন করেন।
শ্রী রাম রাজি হলেন এবং কিছু শর্ত রাখলেন।
প্রথম শর্ত::-- শ্রী রামকে ওর্ছাতে রাজা রূপে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
দ্বিতীয় শর্ত ::--শ্রী রামজীর মূর্তি একবার যেস্থানে বসাবে সেই স্থানথেকে তাঁকে আর সরান যাবে না।
তৃতীয় শর্ত:;--শ্রী রামজীকে নিয়ে পুণ্য নক্ষত্রেই যেতে হবে পায়ে হেটে অযোধ্যা থেকে ওর্ছা।
রানী সকল শর্ত মেনে নিয়ে ছিলেন।
স্থানিয় জ্ঞানী পন্ডিত রবিশঙ্কর তিওয়ারিজীর কথা অনুসারে জানাজায় যে কুংঅর গণেশ তার আরাধ্য শ্রী রাম জীকে নিয়ে অযোধ্যা থেকে যখন ওর্ছা পৌঁছলেন,
তখন ভব্য মন্দিরে নির্মাণ কার্য চলছিল,
এমন পরিস্থিতিতে রানী তাঁর আরাধ্য শ্রী রামজীকে নিয়ে গিয়ে রাজবাড়ীর রন্ধন গৃহে বসিয়ে দিলেন।
এবারে শ্রী রামজীর শর্ত অনুসারে ওই রন্ধন গৃহ থেকে তাকে আর স্থানান্তর করা সম্ভব না হবার কারনে রানী ওই রন্ধন গৃহকেই ভব্য মন্দির রূপে রূপান্তরিত করলেন।
আর সেই কারণে মন্দির সীমানায় কোন গাড়ি লাইট জ্বলিয়ে আসা মানা এবং
কোন কাউকেই মন্ত্রী,অথবা অধিকারী কাউকেই কোন সেলামি বা নমস্কার জানানো হয় না।
এখানে শুধু রাজা রামকেই চার বার সেলামি দেওয়া হয়।
তিয়ারি জি বললেন শ্রী রাম ওর্ছার রাজা হায়,দিনে তিনি ওর্ছাতেই থাকেন
সায়ন কালে অযোধ্যায় বসেন।
ইসলিয়ে কহা জাতা হায় কি
রামরাজা সরকারকে দো নিবাস হায় খাস
দিবস ওর্ছা রহতা হায় রাত অযোধ্যা বাস।
দিনভর পুজো পার্বন ও চার বার সেলামি দেবার পরে, সন্ধ্যা আরতির শেষে, রাত্রে শয়ন কালে স্ত্রীরামরাজাকে নিয়ে গিয়ে ভূগর্ভস্থ হনুমান মন্দিরে পৌঁছে দিতে হয়।
তখন হনুমানজী নিজে শ্রী রামরাজকে নিয়ে গিয়ে অযোধ্যাতে পৌঁছে দেন।
রাজার শয়নের জন্য।
চতুরভূজ মন্দিরে দেবতা চতুর্ভূজ বিষ্ণু
চতুরভূজ 'চতুর' অর্থ "চার" এবং "ভুজ" অর্থ "বাহু" এর সংমিশ্রণ যা আক্ষরিক অর্থে "চার বাহুবিশিষ্ট"
মন্দির টি একটি জটিল বহুতল কাঠামোগত দৃশ্য রয়েছে যা মন্দির, দুর্গ এবং প্রাসাদের স্থাপত্য বৈশিষ্টগুলির সংমিশ্রণ।
মন্দিরটি মূলত রামের প্রতিমাটিকে প্রধান দেবতা হিসাবে তৈরি করার জন্য নির্মিত হয়েছিল, যা অর্চনা দুর্গ কমপ্লেক্সের ভিতরে রাম রাজা মন্দিরে স্থাপন করা হয়েছিল। বর্তমানে একটি চিত্র রাধা কৃষ্ণ মন্দিরে পূজা হয়। মন্দিরটি একটি খ্যাতিমান লম্বা বিমান মধ্যে হিন্দু মন্দির 344 ফুট দাঁড়িয়ে।
মন্দিরটি অর্কিচা শহরে অবস্থিত, এর সীমার বাইরে ওড়ছা ফোর্ট কমপ্লেক্স, রাম রাজা মন্দিরের দক্ষিণে। এটি বেতওয়া নদীর তীরে গঠিত একটি দ্বীপে। Orccha এয়ার মাধ্যমে অ্যাক্সেসযোগ্য গোয়ালিয়র ১১৯ কিলোমিটার দূরে বিমানবন্দর; নিয়মিত বিমানগুলি চালিত হয় দিল্লি এবং ভোপাল । রাস্তা দিয়ে এটি এর কাছ থেকে কোনও পরিবর্তন থেকে অ্যাক্সেসযোগ্য ঝাঁসি -খাজুরাহো হাইওয়ে. নিকটতম রেল-মাথা ঝাঁসি যা 16 কিলোমিটার (9.9 মাইল) দূরে।
মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল বুন্দেলা রাজপুত রাজ্যের ওরচা এর রাজত্বকালে মোগল সম্রাট আকবর.নএর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল মধুকর শাহনএবং তার পুত্র দ্বারা সম্পূর্ণ, বীর সিং দেও 16 শতকে। মধুকর শাহ তাঁর স্ত্রী রানী গণেশকোয়ারীর জন্য মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন।
স্থানীয় এক জনশ্রুতি অনুসারে, রানী ভগবান রামের দ্বারা তাঁর জন্য একটি মন্দির নির্মাণের নির্দেশ দেওয়ার পরে রানী "স্বপ্নের দেখা" করার পরে মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল; মধুকর শাহ ছিলেন একজন ভক্ত কৃষ্ণ, তাঁর স্ত্রীর উত্সর্গ ছিল রামের প্রতি। চতুরভূজা মন্দির তৈরির অনুমোদনের পরে রানী গিয়েছিলেন অযোধ্যা ভগবান রামের একটি চিত্র পেতে যা তাঁর নতুন মন্দিরের জন্য। রামমূর্তি নিয়ে তিনি যখন অযোধ্যা থেকে ফিরে এসেছিলেন, প্রথমে তিনি চতুর্ভূজ মন্দিরটি নির্মাণাধীন থাকায় প্রথমে তিনি তার প্রাসাদে রানি মহল নামে এই প্রতিমা রেখেছিলেন। তবে, তিনি কোনও আদেশে অজানা ছিলেন যে কোনও মন্দিরে দেবী চিত্রটি প্রাসাদে রাখা যায় না। একবার মন্দিরের নির্মাণকাজ শেষ হয়ে গেলে এবং চতুর্ভূজ মন্দিরে প্রভুর প্রতিমা স্থাপনের জন্য নিয়ে যেতে হয়, এটি প্রাসাদ থেকে স্থানান্তরিত হতে অস্বীকৃতি জানায়। সুতরাং, চতুরবুজ মন্দিরের পরিবর্তে রামের মূর্তিটি প্রাসাদে রয়ে গেছে এবং চতুরভূজ মন্দিরটি তার গর্ভে কোনও মূর্তি ছাড়াই রয়ে গেছে। প্রাসাদে রামের পূজা হওয়ায় এটি রূপান্তরিত হয়েছিল রাম রাজা মন্দির; এটি দেশের একমাত্র মন্দির যেখানে রামকে রাজা হিসাবে পূজা করা হয়।
ওড়চায় চতুর্ভূজ মন্দিরটি একটির জন্য খ্যাতিমান লম্বা বিমান মধ্যে হিন্দু মন্দির 344 ফুট দাঁড়িয়ে।
চতুরভূজ মন্দিরের পাইন শঙ্কু আকারে লম্বা স্পায়ার রয়েছে যার উচ্চতা ৪.৫ মিটার (১৫ ফুট) উচ্চতার প্ল্যাটফর্মের উপরে রয়েছে। মন্দিরের সামগ্রিক উচ্চতা 105 মিটার (344 ফুট) উঁচু এবং এর বিন্যাসটি এ এর তুলনা করে বেসিলিকা এবং যার জন্য এটি নির্মিত হয়েছিল বিষ্ণুর চারটি বাহুর সাদৃশ্য করার পরিকল্পনা করেছিলেন । মন্দিরটির আরোপিত দৃশ্যটি হ'ল বহুতল প্রাসাদটির সাথে তোরণ খোলার একটি খুব বড় প্রবেশদ্বার, একটি বিশাল কেন্দ্রীয় টাওয়ার এবং দুর্গ নির্মিত। মন্দিরের সম্মুখভাগে আরোহণের সাথে খাড়া এবং সরু পদক্ষেপে 67 67 নম্বর জড়িত রয়েছে, যার প্রতিটি দৈর্ঘ্য প্রায় 1 মিটার (3 ফুট 3 ইঞ্চি), একটি ঘুরানো সিঁড়ি তৈরি করে। অভ্যন্তর অনেক হল এবং প্রধান হল বা হয় মণ্ডপ মন্দিরটি ক্রস বা ক্রুশিমদ্ধ আকারে নির্মিত এবং এর মিশ্রণ বলে উল্লেখ করা হয় মারু-গুজারা আর্কিটেকচার, এবং এটি এর ডান কোণে ভেস্টিবুলে, উভয় দিকে অভিন্ন লেআউট এর।
মন্দিরটির বাহ্যিক দিকটি পদ্মের প্রতীক দ্বারা সজ্জিত। ভবনটি মন্দির এবং দুর্গের স্থাপত্য থেকে নেওয়া ধর্মীয় এবং ধর্মনিরপেক্ষ শৈলীর মিশ্রণ প্রদর্শন করে। মন্দিরটি পূর্ব দিকে মুখ করে নিকটবর্তী একটি অক্ষে অবস্থিত রাম মন্দির যা অর্কিচা ফোর্ট কমপ্লেক্সের ভিতরে। তবে মন্দিরের অভ্যন্তরের অংশে তেমন অলঙ্কার নেই। কেন্দ্রীয় গম্বুজটির সিলিংটি, যার বেশ কয়েকটি কিউস রয়েছে, এটি পুষ্পিত পদ্মের সাথে আবৃত। বাহ্যিক স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে "পেটলেড পাথর ছাঁচনির্মাণ, আঁকা ফুল এবং জ্যামিতিক নকশাগুলি, কর্ণিস পদ্ম কুঁড়ি দুলের বন্ধনী, জহেল পাথরের পটি, মিথ্যা ব্যালকনি অনুমান"।
কথিত আছে যে মন্দিরের টাওয়ারগুলি যখন তৈরি হয়েছিল, সোনার প্রলেপ দিয়ে আবৃত ছিল যা বছরের পর বছর ধরে চালিত হয়েছিল।
মন্দিরের ছাদটি অ্যাক্সেসযোগ্য যেখানে থেকে কেউ অর্কিচা শহর, ঘুরে বেড়ানো বেতওয়া নদী, সাওয়ান ভাদন, রাম রাজা মন্দির এবং দুরত্বপূর্ণ লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দিরের কিছু দূরে দেখতে পাবেন।
=========================
মধ্যপ্রদেশের অযোধ্যা অর্থাৎ ওরছার
শ্রী রামরাজা মন্দিরের দিনলিপি::--
শরৎ পূর্ণিমার পরের দিন অর্থাৎ কার্তিক মাস 10 অক্টোবর থেকে দরবার সকালে একঘন্টা দেরি করে ভগবানের ঘুম ভাঙে আর রাত্রে এক ঘন্টা আগে বিশ্রাম করেন।
প্রতি বৎসর আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে মন্দির খোলা বন্ধের সময় পরিবর্তন হয়।
ভারতের এক মাত্র স্থান যেখানে শ্রী রামকে রাজা হিসাবে পুজো করা হয়।
মন্দির অর্থাৎ রাজ দরবার খোলা ও বন্ধের রাজকীয় ব্যবস্থা।
10 অক্টোবর থেকে শ্রী রাম রাজার দরবার
ভক্ত দের দর্শনের জন্য সকালে 9টা থেকে দুপুর 1টা পর্যন্ত,
আর বিকেল 7 টা থেকে রাত্রি 9 টা পর্যন্ত
খোলা থাকে।
আবার গরমের সময় আট মাস
ফাল্গুন থেকে শরদ পূর্ণিমা পর্যন্ত
সকাল 8টা থেকে দুপুর 12.30 মি পর্যন্ত খোলা থাকে।
দুপুরে ভোগ আরতির পরে ভগবান বিশ্রাম করেন, তখন মন্দির বন্ধ থাকে।
আবার বিকেলে 4 টা থেকে সন্ধ্যা আরতি পযন্ত ও শয়ন আরতি অর্থাৎ রাত্রি 10.30 মিনিট পর্যন্ত মন্দির খোল থাকে।
चार प्रहर पुलिस देती है बंदूकों से सलामी
इन्हें राजा के रुप में तो पूजा ही जाता है, बतौर राजा उन्हें दिन के चार पहर सलामी भी दी जाती है। यह परम्परा यहां अंग्रेजी शासन काल के पूर्व से चली आ रही है। वर्तमान में यहां पर एमपी पुलिस बंदूकों की सलामी देती है। यह वह नगरी है, जहां भगवान के अलावा किसी भी वीआईपी को सलामी नहीं दी जाती है।
'राम के दो निवास खास, दिवस ओरछा रहत, शयन अयोध्या वास।'
कहा जाता है कि श्रीराम के दो निवास खास हैं, दिनभर ओरछा में रहने के बाद वे शयन के लिए अयोध्या चले जाते हैं। प्रतिदिन रात में ब्यारी (संध्या) की आरती होने के बाद ज्योति निकलती है, जो कीर्तन मंडली के साथ पास ही पाताली हनुमान मंदिर ले जाई जाती है। मान्यता है कि ज्योति के रूप में भगवान श्रीराम को हनुमान मंदिर ले जाया जाता है, जहां से हनुमान जी शयन के लिए भगवान श्रीराम को अयोध्या ले जाते हैं।
==========================
No comments:
Post a Comment