Saturday, July 29, 2023

108>|| দিঘা,শঙ্করপুর, বগুরান জলপাই, তালশারী:::---

 108>দিঘা,শঙ্করপুর, বগুরান জলপাই,

তালশারী:::---



তালশারী মোহনার কাঁকড়া।


দিঘাতে আমি বহুবার গেছি।

2973 থেকে 1975 এই সময়ে প্রায় দেড় বৎসর আমি এই অঞ্চলে ছিলাম।

এখানে অনেক কাজ করেছি।

সমুদ্র বীচের ভাঙন রোধ করার জন্য

সমুদ্রের বীচে বোল্ডার বসানো।

লোহার জালে বোল্ডার জড়িয়ে বীচে বসিয়ে বীচের ভাঙন রোধ করার প্রচেষ্টা।

এসকল কাজ করেছি আমার নিজের দাদা ও তার শশুর মহাশয়ের আন্ডারে।

কারণ ওনারা কোন্টাক্টে এই সকল কাজ নিয়ে ছিলেন।আমি সাইটে থেকে সম্পুর্ন কাজের দেখা শুনা করতাম।

শুধু দীঘার নয় দীঘার পাশে রামনগরের পানিপারুল নামক জায়গাতে এক সাইফন তৈরিতে তদারকি করেছিলাম।

এই সকল কারনেই বি এস সি পরীক্ষার পরেই মিদনাপুরে থেকে সকল কাজ করেছি। তখনও নর ঘাট ব্রিজ হয়নি।

কাজ চলছিল। এক একটি করে পিলার ঢালাই করে, তারপরে হঠাৎ হঠাৎ পিলার গুলি হেলে পড়তো। এমনি করে বহু চস্টার পরে পিলার গুল


দীঘা সমুদ্র সৈকত::--

 

দীঘা (Digha) কলকাতা থেকে মাত্র ১৮৭ কিলোমিটার দূরে মেদিনিপুর জেলায় সমুদ্র, বালিয়াড়ি, ঝাউ বন সব মিলিয়ে 

অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য,  পর্যটকদের মনের মতন ভালো লাগার সমুদ্র সৈকত।


এখানে ৭ কিলোমিটার লম্বা সমুদ্রতট 

আর গভীর সমুদ্র।

সমুদ্রের ঢেউ-এর জলে পা ভিজিয়ে হেঁটে যাওয়া যায় দীর্ঘ পথ। সকালের সমুদ্র তটে দেখা মিলবে পায়ে পায়ে হেঁটে চলা নানা বর্ণের শামুক, ঝিনুক এবং ছোট বড় শঙ্খের। একটার পর একটা ক্লান্তিহীন অবিরত সমুদ্রের বুকে তৈরি হওয়া বিরাট বিরাট ঢেউ আছড়ে পড়ছে সমুদ্রতটের বালিয়াড়িতে। যতদূর চোখ যায়, ঠিক যেখানে জল আর আকাশ একে অপরের সঙ্গে মিশে গেছে ঠিক সেই জায়গাটায় অন্ধকার সরিয়ে প্রথম ভোর হয়।


দীঘায় দু’টি সৈকত রয়েছে একটি পুরানো দীঘার সৈকত, অপরটি নতুন দীঘার সৈকত। 

দীঘার বীচ শক্ত, জমাট। ভারতের সব চেয়ে শক্ত সৈকত। এই সৈকতভূমি দিয়ে গাড়ি চালানো যায় অনায়াসে। প্রয়োজনে হেলিকপ্টারও নামতে পারে এই সৈকতে।


দীঘা সমুদ্রস্নানের উপযুক্ত হলেও সমুদ্র অনেকটা এগিয়ে আসায় কংক্রিট দিয়ে বাঁধানো হয়েছে পাড়। বাজারের কাছে অনেকটা জায়গা জুড়ে পর্যটকদের স্নানের ভিড় লেগে থাকে। যাত্রী চাহিদা মেটাতে দীঘার সৈকত প্রসারিত হয়েছে নিউ দীঘা (New Digha) পর্যন্ত। নিউ দীঘার সৈকতটি তুলনায় প্রশস্ত, ঝাউগাছে মোড়া। স্নান করার জন্য নিউ দীঘার সী বীচ আদর্শ। ওল্ড দীঘাতে একটি বিশেষ স্থান চিহ্নিত করা আছে, শুধুমাত্র সেখানেই স্নান করা যায়, অন্য সব জায়গায় বোল্ডার থাকার দরুন নিরাপদ নয়। ওল্ড দিঘাতে সেই স্নানের জায়গাটি (স্নানঘাট) sea hawk হোটেল ছাড়িয়ে আরও ৫মিনিটের হাঁটা দূরত্বে।



দীঘায় দর্শনীয় স্থান গুলি::---

দীঘা থেকে বেড়িয়ে নেওয়া যায় ●অমরাবতী লেক, ●সর্প উদ্যান, ●দ্যা মেরিন অ্যাকরিয়াম অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার, ●দীঘা বিজ্ঞান কেন্দ্র, ●সায়েন্স পার্ক প্রভৃতি। আরও এগিয়ে একেবারে ওড়িশার লাগোয়া ●উদয়পুর সৈকত। কিয়াগেড়িয়া মোড় থেকে বাঁ দিকে যে রাস্তা বরাবর সমুদ্রে গিয়ে পড়েছে তার ডান দিকে ওড়িশা আর বাঁ হাতে পশ্চিমবঙ্গ। সেই রাস্তা মিশে গিয়েছে উদয়পুর সৈকতে। বছরকয়েক আগেও উদয়পুর ছিল নিরিবিলি, নির্জন। আজ জমজমাট। এখন যেন পর্যটকদের মেলা বসে। রকমারি বিনোদনের আয়োজন সেই সৈকতে। আগে এখানে থাকার কোনও ব্যবস্থা ছিল না। এখন পশ্চিমবঙ্গ পর্যটনের নৈশাবাসের ক্যাম্প আছে।


দীঘা থেকে ঘুরে আসা যায় ৬ কিলোমিটার দূরের ★চন্দনেশ্বর মন্দির। ওড়িশা এর এই মন্দিরটি বেশ জনপ্রিয়।


আবার ২ কিলোমিটার দূরে যাওয়া যায় ●তালসারি সমুদ্রসৈকত। এখানেও দু’টো দিন কাটানো যায়, ওড়িশা পর্যটনের পান্থনিবাসে।

●তালসারিগেলে দেখাযায় লাল কাঁকড়ার ঝাঁক।


দীঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের অফিসের নিচে দেখানো হয় ●7D Adventure Show.অমরাবতি পার্কের শেষে উল্টো দিকে রাস্তার ঠিক উপরে এই অফিস। গঠনের জন্য অনেকে একে ●জাহাজ বাড়িও বলে। সকাল ৯টা থেকে প্রতি ৩০ মিনিট পরপর হয় এই show. ১০০ টাকা জনপ্রতি টিকিট কিনতে হয় ওখানে গিয়ে, অনলাইনে ব্যবস্থা নেই। ঘুরতে গিয়ে রোলাকোস্টায় চেপে ডায়নোসরদের সাথে জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতে বেশ ভালোই লাগবে সকলের। তবে সবথেকে বেশি মজা করবে ছোটরা। 



দীঘা কিভাবে যাবেন::--

কলকাতা থকে ১৮৭ কিলোমিটার দূরত্বের দিঘার সমুদ্র শহরে যাওয়ার জন্য আছে রেলপথ। কলকাতা থেকে রেলে চেপে পৌছনো যায় সাড়ে ৩ ঘণ্টার মধ্যে। রেল স্টেশনটি নতুন দীঘায়। 


((--হাওড়া-- দীঘা  ট্রেন গুলি হলো –


12857 তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ৬:৩৫ মিনিটে।

15722 পাহাড়িয়া এক্সপ্রেস (কেবলমাত্র শনিবার) সকাল ৭:৫০ মিনিটে।

12847 সুপার এসি এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকাল ১১:১০ মিনিটে।

22897 কান্ডারী এক্সপ্রেস প্রতিদিন দুপুর ২:১৫ মিনিটে।

এছাড়াও একটি EMU লোকাল ট্রেন চলে মেচেদা থেকে দীঘা পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৭:৪৮ মিনিটে। 


হাওড়া থেকে (( আমতা বা উলুবেড়িয়া লোকাল বাদে ))   যেকোনো লোকাল ট্রেনে মেচেদা নেমে এই মেচেদা--দীঘা

ট্রেনটি ধরা যেতে পারে। 


তবে সবচেয়ে ভালো হয় একদম সকালের ট্রেন তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস। সেজন্য ভালোই ভিড় হয়। অবশ্যই reservation করে নেবেন। ১০০টাকা ভাড়া।))


কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে 

বিভিন্ন সময়ে দীঘার বাস পাওয়া যায়। 

এ ছাড়াও আসানসোল, বর্ধমান, দুর্গাপুর, হলদিয়া, মেদিনীপুর ইত্যাদি পশ্চিমবঙ্গের বড় শহরগুলি থেকে দীঘার বাস ছাড়ে।


বাসে ৫ থেকে সাড়ে ৫ ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যাবেন দীঘা। মাঝ পথে থাকবে কিছুক্ষণের বিশ্রাম। বাস থামে পুরানো দীঘায়।


কোথায় থাকবেন

দীঘা শহরে ঢোকার মুখে সমুদ্র সৈকত থেকে কিছুটা দূরে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটনের ট্যুরিস্ট লজ। শহরের শুরুতেই দীঘা ডেভেলপমেন্ট স্কিমের সৈকতাবাস। এ ছাড়া রয়েছে বেনফিশের হোটেল মীনাক্ষি। পশ্চিমবঙ্গ পর্যটনের কলকাতা অফিস থেকেও বেনফিশের হোটেল বুকিং করা যায়। আর ডিরেক্টরেট অব সোশাল ওয়েলফেয়ার-এর কল্যাণ কুটির রেস্ট হাউস। এছাড়াও দীঘা ও নিউ দিঘা জুড়ে নানান সংস্থার হলিডে হোম ও বেসরকারি অজস্র হোটেল রয়েছে।


========================

শঙ্করপুর সৈকত।::--


পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দিঘা-কাঁথি রোডের পাশেই শঙ্করপুর। কলকাতা থেকে প্রায় ১৮৫ কিলোমিটার, দিঘা থেকে মোটামুটি ১৪ কিলোমিটার দূরে।


সড়কপথে  কাঁথি-দিঘা রোড ধরে রামনগরের ঠিক আগে চৌদ্দ মাইলে গিয়ে বাঁদিকে ঘুরতে হবে। প্রাইভেট কারে

কলকাতা থেকে শঙ্করপুর পৌঁছোতে সময় লাগে ৫ ঘণ্টার মতো।

আবার  ধর্মতলা থেকে দিঘাগামী বাসে করেও  যাওয়া যায়। 


দিঘাগামী ট্রেনেও শঙ্করপুর যাওয়া যায়। তাহলে নামতে হবে রামনগর স্টেশনে। সেখান থেকে শঙ্করপুর ট্রেকারে। 


দিঘার থেকে শঙ্করপুরের সৌন্দর্য অনেকটাই আলাদা। দীর্ঘ বেলাভূমি যেন অফুরন্ত। দক্ষিণ দিকে হাঁটতে থাকলে ৪৫ মিনিটে পৌঁছে যাবেন মন্দারমণি। 


সৈকতের মজা ভালোভাবে নিতে চাইলে বেনফিস ট্যুরিস্ট লজের দিকটায়ই উপযুক্ত জায়গা।


বর্ষাকালই শঙ্করপুর বেড়াতে যাওয়ার আদর্শ সময়। সমুদ্রের ওপরে ভিড় করেছে কালো মেঘ, আকাশে মাঝেমধ্যে বজ্রের ঝলকালি, হঠাৎ বৃষ্টি – সব মিলিয়ে দারুণ পরিবেশ। শীতকালে অবশ্য শঙ্করপুরের আরেক মোহময়ী রূপ। শহরে যাঁরা থাকেন, মুগ্ধ হয়ে যাবেন। সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের মায়াবী দৃশ্য তো আছেই। আর সমুদ্রের ধারে  সিফুড খাওয়ার মজাই আলাদা। পশ্চিমবঙ্গে সরকার পর্যটকদের জন্য শঙ্করপুরকে ঢেলে সাজিয়েছে। 


মৎস্যবন্দর হিসেবেও খ্যাতি পেয়েছে শঙ্করপুর। সমুদ্রের ধারে দেখতে পাবেন, মাছ ধরতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মৎস্যজীবীরা। কেউ বা ঠিক করে নিচ্ছেন জাল। 

====================







=====================

বগুরান জলপাই( কন্টাই )::--


বগুরান জলপাই। বাসে কন্টাই বা কাঁথি। সেখান থেকে  টোটো ধরে ১৫-২০ মিনিটের পথ এই বগুরান।

আবার ট্রেনেও পৌঁছনো যায়,

কাঁথি স্টেশন থেকে বগুরান যাওয়া যায়।

এই বগুরানে কিন্তু সমুদ্র শান্ত।

এখানে সমুদ্রে নাই তেমন দাপাদাপি না আছে তেমন ঢেউয়ের প্রভাব।

  সমুদ্র এখানে দীঘা বা পুরীর মতো মাতাল নয়। বরং অনেকটাই শান্ত এই জায়গাটি। সমস্ত পরিবেশ টাই বেশ শান্ত ও নিরিবিলি।

কলকাতা থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্বে এই নিরিবিলি শান্ত সমূদ্রতটে কাটিয়ে দেওয়া যায় এক বেলা।

শান্ত সমুদ্রতটে বসে সময় কাটাতে চাইলে এটাই আদর্শ জায়গা। চওড়া বিচে এখান ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে লাল কাঁকড়ারা। জোয়ারের টানে তীরে এসে ওঠে এগুলি। আর তার সাথে মাতাল করা নোনা হাওয়া, ঘন ঝাউবন। সবে মিলিয়ে সত্যিই উপভোগ করার মতো জায়গা এটি।

আবার এই বগুরান জলপাই এর পাশেই রয়েছে জুনপুট আর বাঁকিপুট। এছাড়া এখানে সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্রের স্মৃতি বিজড়িত কপালকুণ্ডলা মন্দিরটিও আছে এখানে।

আর আছে  দেখার মতো দরিয়াপুর লাইট হাউস। 


কম খরচে ঘুড়ে আসা যায় এই বগুরান জলপাই থেকে ।



বর্তমানে এখানে থাকার একটিই রিসর্ট রয়েছে। এই রিসর্টের নাম হলো সাগর নিরালা রিসর্ট। এখানে ঘর আর কটেজ দুই রকমই ব্যবস্থা রয়েছে আর তাও আবার খুবই কম ভাড়াতে। রিসর্ট থেকে ২ মিনিট দূরত্বেই বিচ। যদিও সাইট সিন করার মতো কোনো জায়গা নেই। তবে দৈনন্দিন জীবনের হইহট্টোগোল থেকে একটা দিনের ছুটি কাটাতে চাইলে এটি একদম আদর্শ জায়গা।

=========================

=======================



No comments:

Post a Comment