112> || ভ্রমন ক্ষীরাইয়ের ফুলের বাগান::----
26/01/2024 দেখে এলাম ক্ষীরাইয়ের ফুলের বাগান।
Flower Valley of Khirai at Panskura
Khirai Valley Of Flowers : শীতকালে ছুটির দিনে ঘুরে আসলাম ক্ষীরাইয়ের ফুলের বাগান।
রাজ্যের অন্যতম ফুল উৎপাদনের জায়গা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া। এই পাঁশকুড়ার ক্ষীরাইকে অনেকে আবার ফুলের দেশ বলে।
তবে তারা তেমন ভুল বলে না
সারাবছর কমবেশি ফুলের চাষ হলেও শীতের সময় রঙবাহারি ফুলের সম্ভার ফুটে উঠেছে। রঙবাহারি ফুল দেখতে পর্যটকদের ভীড় বেড়েই চলেছে,
কারন ফুল কে না ভালোবাসে।
তাইতো শীতের সকালে ফুলের সমারোহ মনকে শান্ত করে দেয়।
ফুলের গন্ধে মন প্রাণ ভরে যায়,
তাইতো সকলে ভিড় জমায়।
চোখ যতদূর যায় বিঘার পর বিঘা জমিতে চোখ ধাঁধানো বাহারী ফুলের সমারোহ। চোখ জুড়ানো এক মনোরম পরিবেশ। বাগানের ফুলে ফুলে ডানা মেলছে রঙিন প্রজাপতি। মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌমাছির দল। দিগন্ত বিস্তৃত বাগানের চারিদিকে শুধু ফুলের সারি। সত্যিই মন ভালো করার মতো পরিবেশ।
জানতে পারলাম---
"গত কয়েক বছরের মধ্যে ক্ষীরাই তার ফুলের জন্য জনপ্রিয়তা পেয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা তো বটেই পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন রাজ্য থেকেও পর্যটকরা আসছেন ক্ষীরাইয়ের ফুলের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে। বাগানের সামনে এসে দাঁড়িয়ে এক পলক দেখে মনে হবে এক চিত্র শিল্পীর আঁকা বিরাট একটা রঙিন ক্যানভাস।"
সত্যি চারিদিকে শুধু ফুল আর ফুল। শীতের সময় তাই মাঠে মাঠে গাঁদা ফুলই বেশি। এছাড়াও রয়েছে অ্যাস্টর, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া প্রভৃতি। তবে গোলাপের বাগান খুবই কম,নেই বললেই চলে। দোকানে যে গোলাপ বিক্রি হচ্ছে তা সবটাই পার্শ্ববর্তী পাঁশকুড়া বা কোলাঘাট থেকে আনা হয়। বাগানে রয়েছে সর্ষে, আলু, ফুলকফি, বাঁধাকফি ও শালগমের চাষও। রোজ হাজার হাজার পর্যটক আসছেন। ফুলের বাগান ঘুরে দেখছেন, দেদার ছবি তুলছেন।
কেউ কেউ আবার ফুল বা ফুলের চারা কিনছেন । সত্যিই কয়েক ঘণ্টা সুন্দর সময় কাটানোর জায়গা এই ক্ষীরাই ফুলের উপত্যকা।
তবে যাতায়াতের পথ ভীষণ ভয়াবহ।
চার চাকার গাড়ি যাবার পথে নাই বললেই চলে। যদিও সকলে ওই ভয়াবহ রাস্তা দিয়েই পৌঁছে যায় ফুলের আকর্ষণে।
সকলেই প্রায় প্রাণ হাতে নিয়ে পৌঁছে যায়।
তবে টোটো বা অটো করে যাওয়াই ভালো।
সত্যি বিপদ সঙ্কুল পথ।
ট্রেনে করে ক্ষীরাই স্টেশনে নেমে দু'কিমি হাঁটা পথ। তবে রয়েছে টোটো,অন্যান্য চারচাকার যানবাহন। জন প্রতি কুড়ি টাকা।
পাবেন প্রচুর খাওয়াদাওয়ার দোকান
বাগানের আশেপাশে গড়ে উঠেছে প্রচুর অস্থায়ী দোকানপাট।
বাগানের পাশেই বয়ে চলেছে কংসাবতী নদী। শীতকালে নদীতে জলও খুব কম।
তাই এপার ওপর যাবার জন্য স্থানীয় মানুষেরা জলে ইট পেতে অস্থায়ী রাস্তা বানিয়ে দিয়েছে।
ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পর্যটকদের ভিড় বেশি থাকে।
===========================
No comments:
Post a Comment