115> || ডায়মন্ড হারবার থেকে -গঙ্গাসাগর ক্রুজ!
শুক্রু,শনি ও রবি বার চলবে।
বিলাসবহুল ক্রুজে চেপে গঙ্গাসাগরে।
ডায়মন্ড হারবার থেকে সকাল 9:30 am
Beck কচু বেরিয়ে থেকে বিকেল
4:30 pm.
ভাড়া ₹ 390/- থেকে ₹1400/-
ভাড়াটাই গড়বড় লাগছে।
সৌজন্যে এএফপি ও ফেসবুক
(Osprey Waterways India LLP)
বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল সেই পরিষেবা। ডায়মন্ড হারবার পুরসভা এবং বেসরকারি ক্রুজ পরিচালনকারী সংস্থা অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে সেই পরিষেবা শুরু করা হয়েছে। ওই বেসরকারি সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ক্রুজ পরিষেবা চালুর ফলে যেমন দ্রুত গঙ্গাসাগরে পৌঁছানো যাবে, তেমনই মনোরম হবে যাত্রা। সম্পূর্ণ শীতাতাপ-নিয়ন্ত্রিত ১৫৬টি আসনের ক্রুজে চেপে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন মানুষ।
ডায়মন্ড হারবার-গঙ্গাসাগর-ডায়মন্ড হারবার বিলাসবহুল ক্রুজের সময়
অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের তরফে জানানো হয়েছে, সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে ডায়মন্ড হারবার ফেরিঘাট থেকে সেই বিলাসবহুল ক্রুজ ছাড়বে। রওনা দেবে কচুবেড়িয়ার (গঙ্গাসাগর) উদ্দেশে। সেখানে পৌঁছাবে সকাল ১১ টা ৩০ মিনিটে। আবার ফিরতি পথে কচুবেড়িয়া বিকেল ৪ টে ৩০ মিনিটে রওনা দেবে।ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে।
তবে গঙ্গাসাগর মেলার চারদিন (আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে আগামী ১৬ জানুয়ারি) বেশি সংখ্যক ক্রুজ চালানো হবে। ওই বেসরকারি ক্রুজ পরিচালনকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, উভয় অভিমুখে দিনে মোট ছ'টি ক্রুজ চলবে (তিনটি আপ এবং তিনটি ডাউন)। সেই ক্রুজের সময় দেখে নিন -
১) ডায়মন্ড হারবার-গঙ্গাসাগর ক্রুজের সময়: সকাল ৮ টা ৩০ মিনিট (পৌঁছাবে সকাল ১০ টায়), বেলা ১২ টা ৩০ মিনিট (পৌঁছাবে দুপুর ২ টোয়) এবং বিকেল ৫ টা (পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে)।
২) গঙ্গাসাগর-ডায়মন্ড হারবার বিলাসবহুল ক্রুজের সময়: সকাল ১০ টা ৩০ মিনিট (পৌঁছাবে বেলা ১২ টা ৩০ মিনিটে), দুপুর ৩ টে (পৌঁছাবে বিকেল ৪ টে ৩০ মিনিটে) এবং সন্ধ্যা ৭ টা (পৌঁছাবে রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে)।
বিলাসবহুল ক্রুজে দুটি শ্রেণি আছে - ইকোনমি শ্রেণি এবং প্রিমিয়াম শ্রেণি। কোনও যাত্রী যদি চান, তাহলে শুধুমাত্র ডায়মন্ড হারবার থেকে গঙ্গাসাগর যাওয়ার বা গঙ্গাসাগর থেকে ডায়মন্ড হারবার আসার টিকিট কাটতে পারেন (ওয়ান ওয়ে টিকিট)। আবার ‘টু'ওয়ে টিকিট’ কেটে ফেলারও সুযোগ পাবেন। তবে গঙ্গাসাগর মেলার সময় (১৩ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি) ভাড়া কিছুটা বাড়বে। প্রতিটি টিকিটের যে ভাড়া আছে, সেটার সঙ্গে জেটি ফি বাবদ ২৯ টাকা যুক্ত হবে।
১) ‘ওয়ান ওয়ে' ইকোনমি শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ভাড়া পড়বে ৫৯৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬৯৮ টাকা পড়বে। গঙ্গাসাগর মেলার চারদিন আবার ভাড়া বাবদ ৯৮৯ টাকা দিতে হবে। তবে অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের সময় সেটা ১,৪০০ টাকা দেখাচ্ছে।
২) ‘ওয়ান ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ‘ওয়ান ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের ভাড়া পড়বে ৭৪৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারির টিকিট কাটতে ৮৯৮ টাকা খরচ পড়বে। আর গঙ্গাসাগর মেলার চারদিন ‘ওয়ান ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের দাম পড়বে ১,১৯৮ টাকা। অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের সময় সেটা দেখাচ্ছে ১,৫০০ টাকা।
৩) ‘টু'ওয়ে' ইকোনমি শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত খরচ পড়বে ৯৯৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ১,০৫৮ টাকা লাগবে। আর ১৩ জানুয়ারি থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত টিকিটের ভাড়া হচ্ছে ১,৮০০ টাকা।
৪) ‘টু'ওয়ে' প্রিমিয়াম শ্রেণির টিকিটের ভাড়া: ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, ৪ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ভাড়া লাগবে ১,১৯৮ টাকা। ৮ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ১,২৫৮ টাকা পড়বে টিকিটের দাম। যা গঙ্গাসাগর মেলার চারদিনে বেড়ে দাঁড়াতে চলেছে ১,৯৯৮ টাকা।
কীভাবে ডায়মন্ড হারবার-গঙ্গাসাগর বিলাসবহুল ক্রুজের টিকিট বুকিং করবেন?
অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের তরফে জানানো হয়েছে, অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও টিকিট বুকিং করা যাবে। অফলাইনে টিকিট বুকিংয়ের জন্য 9073380163 এবং 82749 29297 নম্বরে ফোন করতে হবে বলে বেসরকারি ক্রুজ পরিচালনকারী সংস্থার ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে। আর অনলাইনে টিকিট বুকিং করতে অসপ্রে ওয়াটার ওয়েজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের ওয়েবসাইটে যেতে হবে। কীভাবে অনলাইনে টিকিট বুক করবেন, তা দেখে নিন।
===========================
সাগরের পথে নৌকায় নয় লঞ্চে 12/01/2924
ডায়মন্ডহারবার থেকে নদী পথে চলেছি সাগরের দিকে।
মনে পড়ে বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের নায়ক নবকুমারের সেই বিখ্যাত উক্তিটি
"আহা! কি দেখিলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না৷"-------
"দূরাদয়শ্চক্রনিভস্য তন্বী তমালতালীবনরাজিনীলা।
আভাতি বেলা লবণাম্বুরাশের্দ্ধারানিবদ্ধের কলঙ্করেখা।”
সত্যি সমুদ্র অনেক দেখেছি কিন্তু এই বঙ্গপসাগরের সৌন্দর্য বর্ণনার অতীত।
তাইতো নিজের ক্ষমতা নেই এর বর্ননা করা।
সেই কারণেই সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র
চট্টোপাধ্যায়ের উক্তি টি লিখলাম।
============================
No comments:
Post a Comment